📄 জঘন্যতম গুনাহ
عَنْ أَبِي بَكْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : أَلَا أُنَبِّئُكُمْ بِأَكْبَرِ الْكَبَائِرِ ثَلَاثًا قُلْنَا بَلَى يَارَسُولُ اللَّهِ : قَالَ : الْإِشْرَاكُ بِاللَّهِ وَعُقُوقُ الْوَالِدَيْنِ، وَكَانَ مُتَّكِنَّا فَجَلَسَ فَقَالَ : أَلَا وَقَوْلُ الزُّورِ، وَشَهَادَةُ الزُّورِ، فَمَازَالَ يُكَرِّرُهَا حَتَّى قُلْنَا لَيْتَهُ سَكَتَ (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী)
"হযরত আবু বাকরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমি তোমাদেরকে তিনটি বড়ো এবং জঘন্যতম গুনাহ সম্পর্কে কেন সতর্ক করবো না। আমরা সকলেই বললাম কেন নয়, অবশ্যই আপনি তা করবেন হে রাসূল! তিনি বললেন, আল্লাহর সাথে শিরক করা এবং মাতা-পিতার নাফরমানী করা। তিনি ঠেস দিয়ে বসা থেকে উঠলেন এবং বললেন, খুব ভালো করে শুনে নাও, মিথ্যা কথা বলা এবং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করা এবং তিনি বরাবর একথা বলে চললেন। এমনকি আমরা বললাম, আহা! তিনি যদি চুপ মেরে যেতেন।"
হাদীসটিতে মাতা-পিতার নাফরমানী প্রসঙ্গে 'উকুক' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। এটা অত্যন্ত ব্যাপক অর্থবোধক শব্দ। কুরআনে হাকিমে মাতা-পিতার সাথে ইহসান করার ওসিয়ত করে যে যে বিষয়ে তাকিদ করা হয়েছে তার বিরোধিতা করার নাম হলো উকুক। মাতা-পিতার প্রতি মুখাপেক্ষহীনতা, তাদের সাথে কঠোরতাপূর্ণ আচরণ, তাদের নির্দেশাবলীকে গ্রাহ্য না করা, তাদেরকে দুঃখ দেয়া এবং তাঁদের নাফরমানী করা এসবই 'উকুকের' মর্মার্থের অন্তর্ভুক্ত।
দ্বিতীয়ত, প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বর্ণনা ভঙ্গীও চিন্তা করার মতো। বিষয়ের গুরুত্ব প্রকাশ এবং অন্তস্পর্শী করার জন্য এ ধরনের বর্ণনা অত্যন্ত স্বাভাবিক ও প্রভাবশালী হয়ে থাকে। যদি আনুগত্যের আবেগ থাকে তাহলে শ্রবণকারীর অন্তরে এ জঘন্য ধরনের গুনাহর বিরুদ্ধে এমন ঘৃণার উদ্রেক করে যে, তা চিন্তা করতেই গা ঘিন ঘিন করে উঠে এবং তা ধারণা করতেই শরীর কেঁপে উঠে।
হাদীসটিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবী রাদিয়াল্লাহু আনহুমদের নিকট প্রথম প্রশ্ন করেছেন। এ প্রশ্নের উদ্দেশ্য সাহাবারা রাদিয়াল্লাহু আনহুম জবাব দেবেন, তা নয়। বরং তিনি বলতে চেয়েছেন যে, তিনি তো মুক্তির পথ দেখাতে এসেছেন। এজন্য তাঁকে একথা অবশ্যই বলতে হবে। তিনি বলেছেন, তিনটি জঘন্য গুনাহ সম্পর্কে কেন সতর্ক করবেন না? এভাবে তিনি একবার প্রশ্ন করে আসল কথা বলে দেননি। বরং তিনবার সাহাবী রাদিয়াল্লাহু আনহুমদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং বলেন, তোমাদেরকে কেন তিনটি বড়ো গুনাহ সম্পর্কে সতর্ক করবো না?
বর্ণনাভঙ্গীর এ পদ্ধতিই অঙ্গুলি নির্দেশ করে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ গুনাহকে মানুষের জন্য ধ্বংসকারী গুনাহ হিসেবে মনে করেছেন এবং এটাও চেয়েছেন যে, শ্রবণকারী যেন অন্তরের কান দিয়ে এ তাৎপর্য হৃদয়ঙ্গম করে নেয়। অব্যাহতভাবে তিনবার সতর্ক করার পর যখন সাহাবীরা রাদিয়াল্লাহু আনহুম শোনার জন্য উৎকণ্ঠিত হয়ে উঠেন তখন তিনি বলেন, আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা এবং মাতা- পিতার নাফরমানী করা। অতপর এ জঘন্য গুনাহর দুশ্চিন্তা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকেও বিচলিত করে তোলে। তিনি ঠেস দিয়ে বসেছিলেন। আবেগ ও উদ্বেগে তিনি উঠে বসেন এবং বলে উঠেন, হে মানুষেরা! কান দিয়ে ভালোভাবে শুনে নাও। মিথ্যা কথা বলা এবং মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করা। অতপর তিনি আরো উদ্বেগাকুল হয়ে উঠেন ও একথাগুলো একের পর পুনরাবৃত্তি করতে থাকেন। তাঁর এ অবস্থা প্রত্যক্ষ করে সাহাবীরা রাদিয়াল্লাহু আনহুম দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েন এবং আশা করতে থাকেন যে, হায়! রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যদি চুপ মেরে যেতেন।
তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো, প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মতকে তিনটি বড়ো গুনাহ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। এ সকল গুনাহর মধ্যে শিরকের পর মাতা-পিতার নাফরমানীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কুরআন হাকিমেও এ বর্ণনানুক্রমেই পাওয়া যায়। "বলে দিন, তোমাদের রব তোমাদের উপর যা হারাম করেছেন এসো তা আমি পড়ে শুনাই। তোমরা আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করবে না এবং মাতা-পিতার সাথে সুন্দর আচরণ করবে।" আল্লাহর অধিকারের অস্বীকৃতিই হলো শিরক এবং মাতা-পিতার হক থেকে গাফলতি প্রদর্শন হলো নাফরমানী। চিন্তা করে দেখুন, সবচেয়ে বড়ো হক হলো স্রষ্টা আল্লাহর। আল্লাহর একত্ববাদের অস্বীকৃতি ও তার সাথে কাউকে শরীক করা হলো সবচেয়ে বড় গুনাহ। এটা এমন জঘন্য পাপ যে, তার ক্ষমা নেই। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, "বাস্তব কথা হলো, আল্লাহ শিরকের গুনাহ ক্ষমা করবেন না।” আল্লাহর পর সবচেয়ে বড় হক হলো মাতা-পিতার এবং আল্লাহর প্রতি অকৃতজ্ঞতা ও নাফরমানীর পর সবচেয়ে বড় গুনাহ হলো মাতা-পিতার প্রতি নাশোকরী এবং নাফরমানী। কেননা আল্লাহ নিজের অধিকারের পর তাদের অধিকারের কথাই বর্ণনা করেছেন এবং নিজের প্রতি শোকর গুজারীর সাথে মাতা- পিতার শোকর গুজারীর নির্দেশ দিয়েছেন। অর্থাৎ তুমি আমার এবং নিজের মাতা-পিতার শোকর গুজার হবে। কতিপয় রাওয়ায়েতে এ বর্ণনানুক্রম নেই বলেই হয়তো সেভাবে বর্ণনা করা হয়নি। পবিত্র কুরআনের প্রতিটি স্থানে এবং হাদীসেও এ ক্রমেই বর্ণিত হয়েছে।
عَنْ أَبِي بَكْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : أَلَا أُنَبِّئُكُمْ بِأَكْبَرِ الْكَبَائِرِ ثَلَاثًا قُلْنَا بَلَى يَارَسُولُ اللَّهِ : قَالَ : الْإِشْرَاكُ بِاللَّهِ وَعُقُوقُ الْوَالِدَيْنِ، وَكَانَ مُتَّكِنَّا فَجَلَسَ فَقَالَ : أَلَا وَقَوْلُ الزُّورِ، وَشَهَادَةُ الزُّورِ، فَمَازَالَ يُكَرِّرُهَا حَتَّى قُلْنَا لَيْتَهُ سَكَتَ (বুখারী, মুসলিম, তিরমিযী)
"হযরত আবু বাকরা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আমি তোমাদেরকে তিনটি বড়ো এবং জঘন্যতম গুনাহ সম্পর্কে কেন সতর্ক করবো না। আমরা সকলেই বললাম কেন নয়, অবশ্যই আপনি তা করবেন হে রাসূল! তিনি বললেন, আল্লাহর সাথে শিরক করা এবং মাতা-পিতার নাফরমানী করা। তিনি ঠেস দিয়ে বসা থেকে উঠলেন এবং বললেন, খুব ভালো করে শুনে নাও, মিথ্যা কথা বলা এবং মিথ্যা সাক্ষ্যদান করা এবং তিনি বরাবর একথা বলে চললেন। এমনকি আমরা বললাম, আহা! তিনি যদি চুপ মেরে যেতেন।"
হাদীসটিতে মাতা-পিতার নাফরমানী প্রসঙ্গে 'উকুক' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। এটা অত্যন্ত ব্যাপক অর্থবোধক শব্দ। কুরআনে হাকিমে মাতা-পিতার সাথে ইহসান করার ওসিয়ত করে যে যে বিষয়ে তাকিদ করা হয়েছে তার বিরোধিতা করার নাম হলো উকুক। মাতা-পিতার প্রতি মুখাপেক্ষহীনতা, তাদের সাথে কঠোরতাপূর্ণ আচরণ, তাদের নির্দেশাবলীকে গ্রাহ্য না করা, তাদেরকে দুঃখ দেয়া এবং তাঁদের নাফরমানী করা এসবই 'উকুকের' মর্মার্থের অন্তর্ভুক্ত।
দ্বিতীয়ত, প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বর্ণনা ভঙ্গীও চিন্তা করার মতো। বিষয়ের গুরুত্ব প্রকাশ এবং অন্তস্পর্শী করার জন্য এ ধরনের বর্ণনা অত্যন্ত স্বাভাবিক ও প্রভাবশালী হয়ে থাকে। যদি আনুগত্যের আবেগ থাকে তাহলে শ্রবণকারীর অন্তরে এ জঘন্য ধরনের গুনাহর বিরুদ্ধে এমন ঘৃণার উদ্রেক করে যে, তা চিন্তা করতেই গা ঘিন ঘিন করে উঠে এবং তা ধারণা করতেই শরীর কেঁপে উঠে।
হাদীসটিতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবী রাদিয়াল্লাহু আনহুমদের নিকট প্রথম প্রশ্ন করেছেন। এ প্রশ্নের উদ্দেশ্য সাহাবারা রাদিয়াল্লাহু আনহুম জবাব দেবেন, তা নয়। বরং তিনি বলতে চেয়েছেন যে, তিনি তো মুক্তির পথ দেখাতে এসেছেন। এজন্য তাঁকে একথা অবশ্যই বলতে হবে। তিনি বলেছেন, তিনটি জঘন্য গুনাহ সম্পর্কে কেন সতর্ক করবেন না? এভাবে তিনি একবার প্রশ্ন করে আসল কথা বলে দেননি। বরং তিনবার সাহাবী রাদিয়াল্লাহু আনহুমদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন এবং বলেন, তোমাদেরকে কেন তিনটি বড়ো গুনাহ সম্পর্কে সতর্ক করবো না?
বর্ণনাভঙ্গীর এ পদ্ধতিই অঙ্গুলি নির্দেশ করে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ গুনাহকে মানুষের জন্য ধ্বংসকারী গুনাহ হিসেবে মনে করেছেন এবং এটাও চেয়েছেন যে, শ্রবণকারী যেন অন্তরের কান দিয়ে এ তাৎপর্য হৃদয়ঙ্গম করে নেয়। অব্যাহতভাবে তিনবার সতর্ক করার পর যখন সাহাবীরা রাদিয়াল্লাহু আনহুম শোনার জন্য উৎকণ্ঠিত হয়ে উঠেন তখন তিনি বলেন, আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করা এবং মাতা- পিতার নাফরমানী করা। অতপর এ জঘন্য গুনাহর দুশ্চিন্তা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকেও বিচলিত করে তোলে। তিনি ঠেস দিয়ে বসেছিলেন। আবেগ ও উদ্বেগে তিনি উঠে বসেন এবং বলে উঠেন, হে মানুষেরা! কান দিয়ে ভালোভাবে শুনে নাও। মিথ্যা কথা বলা এবং মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান করা। অতপর তিনি আরো উদ্বেগাকুল হয়ে উঠেন ও একথাগুলো একের পর পুনরাবৃত্তি করতে থাকেন। তাঁর এ অবস্থা প্রত্যক্ষ করে সাহাবীরা রাদিয়াল্লাহু আনহুম দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েন এবং আশা করতে থাকেন যে, হায়! রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যদি চুপ মেরে যেতেন।
তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো, প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মতকে তিনটি বড়ো গুনাহ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন। এ সকল গুনাহর মধ্যে শিরকের পর মাতা-পিতার নাফরমানীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কুরআন হাকিমেও এ বর্ণনানুক্রমেই পাওয়া যায়। "বলে দিন, তোমাদের রব তোমাদের উপর যা হারাম করেছেন এসো তা আমি পড়ে শুনাই। তোমরা আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করবে না এবং মাতা-পিতার সাথে সুন্দর আচরণ করবে।" আল্লাহর অধিকারের অস্বীকৃতিই হলো শিরক এবং মাতা-পিতার হক থেকে গাফলতি প্রদর্শন হলো নাফরমানী। চিন্তা করে দেখুন, সবচেয়ে বড়ো হক হলো স্রষ্টা আল্লাহর। আল্লাহর একত্ববাদের অস্বীকৃতি ও তার সাথে কাউকে শরীক করা হলো সবচেয়ে বড় গুনাহ। এটা এমন জঘন্য পাপ যে, তার ক্ষমা নেই। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, "বাস্তব কথা হলো, আল্লাহ শিরকের গুনাহ ক্ষমা করবেন না।” আল্লাহর পর সবচেয়ে বড় হক হলো মাতা-পিতার এবং আল্লাহর প্রতি অকৃতজ্ঞতা ও নাফরমানীর পর সবচেয়ে বড় গুনাহ হলো মাতা-পিতার প্রতি নাশোকরী এবং নাফরমানী। কেননা আল্লাহ নিজের অধিকারের পর তাদের অধিকারের কথাই বর্ণনা করেছেন এবং নিজের প্রতি শোকর গুজারীর সাথে মাতা- পিতার শোকর গুজারীর নির্দেশ দিয়েছেন। অর্থাৎ তুমি আমার এবং নিজের মাতা-পিতার শোকর গুজার হবে। কতিপয় রাওয়ায়েতে এ বর্ণনানুক্রম নেই বলেই হয়তো সেভাবে বর্ণনা করা হয়নি। পবিত্র কুরআনের প্রতিটি স্থানে এবং হাদীসেও এ ক্রমেই বর্ণিত হয়েছে।
📄 ইয়েমেনবাসীর প্রতি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পত্র
আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত আমর বিন হাযম রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাত দিয়ে ইয়েমেনবাসীদের নিকট একটি স্মরণীয় পত্র প্রেরণ করেছিলেন। তাতেও তিনি তাদেরকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন যে, "দেখ, আল্লাহর নিকট কিয়ামতের দিন সবচেয়ে বড়ো গুনাহ হবেঃ (১) আল্লাহর সাথে শরীক করা, (২) অন্যায়ভাবে মুমিনকে হত্যা করা, (৩) আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা থেকে পলায়ন করা, (৪) মাতা-পিতার নাফরমানী করা, (৫) পূত-পবিত্রা শরীফ মহিলাদের উপর তোহমদ আরোপ করা, (৬) যাদুটোনা শিখা, (৭) সুদ খাওয়া এবং (৮) ইয়াতীমের মাল ভক্ষণ করা।
আল্লাহর রাসূল মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত আমর বিন হাযম রাদিয়াল্লাহু আনহুর হাত দিয়ে ইয়েমেনবাসীদের নিকট একটি স্মরণীয় পত্র প্রেরণ করেছিলেন। তাতেও তিনি তাদেরকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন যে, "দেখ, আল্লাহর নিকট কিয়ামতের দিন সবচেয়ে বড়ো গুনাহ হবেঃ (১) আল্লাহর সাথে শরীক করা, (২) অন্যায়ভাবে মুমিনকে হত্যা করা, (৩) আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করা থেকে پলায়ন করা, (৪) মাতা-পিতার নাফরমানী করা, (৫) পূত-পবিত্রা শরীফ মহিলাদের উপর তোহমদ আরোপ করা, (৬) যাদুটোনা শিখা, (৭) সুদ খাওয়া এবং (৮) ইয়াতীমের মাল ভক্ষণ করা।
📄 রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অসীয়ত
হযরত মায়াজ বিন জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু একজন জালিলুল কদর সাহাবী ছিলেন। হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলতেন, মায়াজ যদি না হতো তাহলে আমি অবধারিতভাবে ধ্বংস হয়ে যেতাম। তাঁকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অনেক ওসীয়ত করেছেন। একবার তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে ওসীয়ত করেছেন, "আল্লাহর সাথে কখনো কাউকে শরীক করবে না। যদি তোমাকে হত্যাও করা হয় এবং আগুন দিয়ে জ্বালিয়েও দেয়া হয় এবং কখনো মাতা-পিতার নাফরমানী করা উচিত নয় যদি তারা নিজের সম্পদ এবং পরিবার-পরিজন থেকে দূরে থাকার নির্দেশও দেয়।”
হযরত মায়াজ বিন জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু একজন জালিলুল কদর সাহাবী ছিলেন। হযরত ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলতেন, মায়াজ যদি না হতো তাহলে আমি অবধারিতভাবে ধ্বংস হয়ে যেতাম। তাঁকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অনেক ওসীয়ত করেছেন। একবার তিনি বললেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাকে ওসীয়ত করেছেন, "আল্লাহর সাথে কখনো কাউকে শরীক করবে না। যদি তোমাকে হত্যাও করা হয় এবং আগুন দিয়ে জ্বালিয়েও দেয়া হয় এবং কখনো মাতা-পিতার নাফরমানী করা উচিত নয় যদি তারা নিজের সম্পদ এবং পরিবার-পরিজন থেকে দূরে থাকার নির্দেশও দেয়।”
📄 মাতা-পিতাকে কাঁদানো
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু অত্যন্ত উঁচু মর্যাদার সাহাবী ছিলেন। তিনি একজন জবরদস্ত আলেম, আবেদ এবং যাহেদ ছিলেন। প্রত্যেক ক্ষেত্রেই সুন্নাতের অত্যন্ত পাবন্দ ছিলেন। ৬০ বছর ধরে তিনি ফতওয়া দিয়েছিলেন। তিনি বলেছেন, মাতা-পিতাকে কাঁদানোর অর্থ হলো তাদের নাফরমানী করা এবং এ কাজ জবরদস্ত গুনাহর কাজ।
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু অত্যন্ত উঁচু মর্যাদার সাহাবী ছিলেন। তিনি একজন জবরদস্ত আলেম, আবেদ এবং যাহেদ ছিলেন। প্রত্যেক ক্ষেত্রেই সুন্নাতের অত্যন্ত পাবন্দ ছিলেন। ৬০ বছর ধরে তিনি ফতওয়া দিয়েছিলেন। তিনি বলেছেন, মাতা-পিতাকে কাঁদানোর অর্থ হলো তাদের নাফরমানী করা এবং এ কাজ জবরদস্ত গুনাহর কাজ।