📘 মানুষের চিরশত্রু শয়তান > 📄 শয়তানের কুমন্ত্রণা ও বিভ্রান্তি থেকে বাঁচার উপায় : কুরআনের বাণী

📄 শয়তানের কুমন্ত্রণা ও বিভ্রান্তি থেকে বাঁচার উপায় : কুরআনের বাণী


কুরআন মজিদে শয়তানের কুমন্ত্রণা ও বিভ্রান্তি থেকে আত্মরক্ষার উপায় বলে দেয়া হয়েছে। সেসব উপায় ও প্রক্রিয়া অবলম্বন করলেই শয়তানের প্রতারণা থেকে আত্মরক্ষা করা সম্ভব। সেগুলো হলো:
১. শয়তানের প্ররোচনা অনুভব করলেই আল্লাহর আশ্রয় চাইতে হবে :
وَإِمَّا يَتَزَغَنَّكَ مِنَ الشَّيْطَانِ نَزْغٌ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ إِنَّهُ سَمِيعٌ عَلِيمٌ
অর্থ: যদি কোনো সময় শয়তান তোমাকে উস্কানি দেয় তাহলে আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাও। তিনি সবকিছু শুনেন ও জানেন। (সূরা ৭ আ'রাফ: আয়াত ২০০)
২. শয়তানের প্ররোচনা অনুভব করার সাথে সাথে আল্লাহকে স্মরণ করতে হবে :
إِنَّ الَّذِينَ اتَّقَوْا إِذَا مَسَّهُمْ طَائِفٌ مِنَ الشَّيْطَانِ تَذَكَّرُوا فَإِذَا هُم مُّبْصِرُونَ
অর্থ : যারা সতর্ক-মুত্তাকি, শয়তানের কারণে কোনো মন্দ ভাব তাদের মনে জাগার সাথে সাথেই তারা সাবধান সতর্ক হয়ে যায়। তখন তারা স্পষ্ট দেখতে পায় (তাদের জন্যে সঠিক পথ কোন্টি)। (সূরা ৭ আ'রাফ: আয়াত ২০১)
৩. শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় চেয়ে কুরআন পাঠ শুরু করতে হবে :
فَإِذَا قَرَأْتَ الْقُرْآنَ فَاسْتَعِذْ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّحِيمِ •
অর্থ : যখন তোমরা কুরআন পড়তে শুরু করো তখন ধিকৃত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও। (সূরা ১৬ নহল : আয়াত ৯৮)
৪. শয়তানকে দুশমন হিসেবে গ্রহণ করতে হবে :
إِنَّ الشَّيْطَانَ لَكُمْ عَدُوٌّ فَاتَّخِذُوهُ عَدُوًّا •
অর্থ : নিশ্চয়ই শয়তান তোমাদের দুশমন। তাই তোমরাও তাকে তোমাদের দুশমন হিসেবে গ্রহণ করো। (সূরা ৩৫ ফাতির : আয়াত ৬)
৫. শয়তানের প্ররোচনা থেকে সবসময় এভাবে দোয়া করতে থাকুন :
رَّبِّ أَعُوذُ بِكَ مِنْ هَمَزَاتِ الشَّيَاطِينِ . وَأَعُوذُ بِكَ رَبِّ أَن يَحْضُرُونِ .
অর্থ : প্রভু! শয়তানের প্ররোচনা থেকে আমি তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করছি। প্রভু! আমি তোমার আশ্রয় প্রার্থনা করছি আমার নিকট তাদের (শয়তানদের) উপস্থিতি থেকে। (সূরা ২৩ আল মুমিনূন: আয়াত ৯৭-৯৮)

টিকাঃ
১২. শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাওয়ার পদ্ধতি হলো: 'আউযুবিল্লাহি মিনাশ্ শাইতানির রাজিম' বলা, অথবা নিম্নে (৫নম্বরে) উদ্ধৃত দোয়াটি পড়া।

📘 মানুষের চিরশত্রু শয়তান > 📄 শয়তানের প্রতারণা ও বিপথগামিতা থেকে রক্ষা পাওয়ার কৌশল : হাদিসের আলোকে

📄 শয়তানের প্রতারণা ও বিপথগামিতা থেকে রক্ষা পাওয়ার কৌশল : হাদিসের আলোকে


০১. রাতে ঘুম থেকে জেগে আল্লাহকে স্মরণ করুন এবং অযু করে নামায পড়ুন : আবু হুরায়রা রা. বলেন, রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: রাতে যখন তোমরা ঘুমিয়ে পড়ো, তখন শয়তান এসে তোমাদের প্রত্যেকের শিয়রে বসে এবং তোমাদের মাথার শেষাংশে তিনটি গিরা দেয় এবং প্রতিটি গিরায় এই বলে ফু দিয়ে দেয় : 'রাত এখনো অনেক বাকি, ঘুমিয়ে থাকো।' তখন ঐ ব্যক্তি যদি রাতে জেগে উঠে এবং আল্লাহকে স্মরণ করে, তাতে একটি গিরা খুলে যায়। তারপর যদি উঠে অযু করে, তখন আরেকটি গিরা খুলে যায়। অতপর যদি নামায পড়ে, তখন (শয়তানের) সবগুলো গিরাই খুলে যায়। ফলে সুন্দর, পবিত্র ও উৎফুল্ল মনে এই ব্যক্তির দিবসের শুভ সূচনা হয়। আর সে যদি এ কাজগুলো না করে, তবে কলুষ মন আর অলস দেহে এ ব্যক্তির দিবসের সূচনা হয়। (সহীহ আল বুখারি: সৃষ্টির সূচনা অধ্যায়, শয়তান ও তার বাহিনীর কর্মপদ্ধতি অনুচ্ছেদ, হাদিস নম্বর ৩০২৮)
০২. যখন ঘুমাতে যাবেন আয়াতুল কুরসি পড়ুন: আবু হুরায়রা রা. বলেন, রসূলুল্লাহ সা. আমাকে রমযানের যাকাত (সদাকুতল ফিতর) পাহারার দায়িত্বে নিয়োগ করেন। আমি পাহারারত থাকাকালেই এক আগন্তুক দু'হাত ভরে খাদ্যসমাগ্রী নিয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু আমি তাকে ধরে ফেললাম। বললাম, তোমাকে আমি রসূলুল্লাহ সা.-এর কাছে হাযির করবো। তখন সে বললো, আমাকে ছেড়ে দাও, আমি তোমাকে মোক্ষম একটি বিষয় শিখিয়ে দেবো। সে বললো: তুমি যখন ঘুমানোর জন্যে বিছানায় যাবে, তখন আয়াতুল কুরসি পড়ে নেবে। তাতে সর্বদা আল্লাহ তোমাকে হিফাযত করবেন এবং সকাল হওয়া পর্যন্ত কোনো শয়তান তোমার কাছেও ঘেষতে পারবেনা।' - ঘটনাটি আমি রসূলুল্লাহ সা.কে অবহিত করলাম, তিনি বললেন: সে ছিলো শয়তান। সে (ছাড়া পাওয়ার জন্যে) তোমাকে সত্য বিষয়টি বলেছে, অথচ সে ডাহা মিথ্যাবাদী। (সহীহ আল বুখারি: সৃষ্টির সূচনা অধ্যায়, শয়তান ও তার বাহিনীর কর্মপদ্ধতি অনুচ্ছেদ, হাদিস নম্বর ৩০৩৩)
০৩. আল্লাহ সম্পর্কে প্রশ্ন সৃষ্টি হলে 'আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম' বলুন : আবু হুরায়রা রা. বলেন, রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: তোমাদের একেক জনের কাছে শয়তান এসে বলবে এটা কে সৃষ্টি করেছে, ওটা কে সৃষ্টি করেছে? শেষ পর্যন্ত বলবে : আল্লাহকে কে সৃষ্টি করেছে? এখান পর্যন্ত আসলেই তুমি বলবে 'আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম -আমি ধিকৃত শয়তান থেকে আল্লাহ্ আশ্রয় চাই।'-তারপর নিবৃত্ত হয়ে যাবে- আর সম্মুখে অগ্রসর হবেনা। (সহীহ আল বুখারি: সৃষ্টির সূচনা অধ্যায়, শয়তান ও তার বাহিনীর কর্মপদ্ধতি অনুচ্ছেদ, হাদিস নম্বর ৩০৩৪)
০৪. সন্ধ্যায় শিশুদের ঘরে রাখুন, আল্লাহ্র নাম নিয়ে দরজা বন্ধ করুন: জাবির রা. বলেন, রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: সন্ধ্যা নেমে এলে তোমরা তোমাদের শিশুদের ঘরে রাখো। কারণ এসময় শয়তানরা ছড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যা শেষ হলে (প্রয়োজনে) তাদের বাইরে যেতে দিতে পারো। বিসমিল্লাহ বলে ঘরের দরজা বন্ধ করো। বিসমিল্লাহ বলে বাতি নেভাও। বিসমিল্লাহ বলে পানির পাত্র ঢেকে রাখো। বিসমিল্লাহ বলে খাবার পাত্র ঢেকে রাখো। ঢাকার কিছু না পেলে যৎসামান্য কিছু হলেও উপরে দিয়ে রাখো। (সহীহ আল বুখারি: সৃষ্টির সূচনা অধ্যায়, শয়তান ও তার বাহিনীর কর্মপদ্ধতি অনুচ্ছেদ, হাদিস নম্বর ৩০৩৮)
০৫. কারো মনে সন্দেহ সৃষ্টি হতে পারে- এমন বিষয়গুলো স্পষ্ট করে বলে দিন: উম্মুল মুমিনিন সুফিয়া বিনতে হুয়াই রা. বলেন: রসূলুল্লাহ সা. মসজিদে ই'তেকাফরত ছিলেন- এমতাবস্থায় একরাত্রে আমি তাঁর সাথে সাক্ষাত করতে গেলাম এবং কিছু প্রয়োজনীয় কথা বললাম। অতপর আমি ঘরে ফেরার সময় রসূলুল্লাহ সা. আমাকে এগিয়ে দিতে উঠে এলেন। এসময় দুজন আনসার সাহাবি ওখান দিয়ে অতিক্রম করছিল। তারা আল্লাহর রসূলকে দেখেই দ্রুত হাঁটতে লাগলো। তখন রসূলুল্লাহ সা. তাদের বললেন: 'একটু থামো, এহলো আমার স্ত্রী সুফিয়া বিনতে হুয়াই।' এ কথা শুনে তারা বললো: 'সুবহানাল্লাহ, হে আল্লাহর রসূল! আমরা কি আপনার ব্যাপারে অন্য কিছু ধারণা করতে পারি? তখন রসূলুল্লাহ সা. বললেন: শোনো, শয়তান রক্তের মতোই মানুষের ধমনীতে প্রবাহিত হয়। আমার আশংকা হয়েছিল, সে তোমাদের অন্তরে কোনো কুধারণা সৃষ্টি করে দেয় নাকি। (সহীহ আল বুখারি: সৃষ্টির সূচনা অধ্যায়, শয়তান ও তার বাহিনীর কর্মপদ্ধতি অনুচ্ছেদ, হাদিস নম্বর ৩০৩৯)
০৬. রাগান্বিত হলে 'আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম' বলুন: সুলাইমান বিন সুরাদ বলেন, একবার আমি রসূলুল্লাহ সা.-এর কাছে বসা ছিলাম। এসময় দুজন লোক পরস্পরকে গালাগাল করছিল। রাগে তাদের একজনের চেহারা লাল হয়ে গেলো এবং গলার রগ ফুলে উঠলো। তখন রসূলুল্লাহ সা. বললেন : আমি এমন একটি বাক্য জানি, এ ব্যক্তি যদি সেটি উচ্চারণ করে, তবে তার রাগ পড়ে যাবে। সে যদি বলে: “আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম- আমি ধিকৃত শয়তান থেকে আল্লাহর আশ্রয় চাই”, তবে তার রাগ পড়ে যাবে। (সহীহ আল বুখারি: সৃষ্টির সূচনা অধ্যায়, শয়তান ও তার বাহিনীর কর্মপদ্ধতি অনুচ্ছেদ, হাদিস নম্বর ৩০৪০)
০৭. সারাদিন শয়তান থেকে রক্ষাকারী একটি বাক্য :
لا اله الا اللهُ وَحْدَهُ لاَ شَرِيكَ لَه لَه الْمُلْكُ وَلَه الْحَمْدُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِير
অর্থ: “আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই, তিনি এক, তাঁর কোনো অংশীদার ও সমকক্ষ নেই, সমস্ত কর্তৃত্ব তাঁর, সমস্ত প্রশংসা তাঁর এবং তিনি সর্বশক্তিমান।”
-যে ব্যক্তি দিনে শতবার এই বাক্যটি উচ্চারণ করবে, সে দশজন মানুষকে গোলামির বন্ধন থেকে মুক্ত করার সমপরিমাণ পুরস্কার লাভ করবে, তার জন্যে শতটি পূণ্য লেখা হবে, তার শতটি পাপ মুছে দেয়া হবে এবং এ বাক্যটি সন্ধ্যা না হওয়া পর্যন্ত ঐদিন তার জন্যে প্রতিরক্ষা বুহ্য রচনা করবে। (সহীহ আল বুখারি : সৃষ্টির সূচনা অধ্যায়, শয়তান ও তার বাহিনীর কর্মপদ্ধতি অনুচ্ছেদ, হাদিস নম্বর ৩০৫১)
০৮. শয়তানকে নিজের থেকে দূরে রাখার কৌশল: আনাস রা. বলেন, রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন: কেউ যদি ঘর থেকে বের হবার সময় নিম্নোক্ত কথাগুলো বলে, তখন (আল্লাহ্ পক্ষ থেকে) তাকে বলা হয়: 'তোমাকে সঠিক পথ দেখানো হবে, আল্লাহ তোমার জন্যে যথেষ্ট হবেন এবং তোমাকে নিরাপদ রাখা হবে।' অতপর শয়তান তার থেকে দূরে চলে যায়। তারা পরস্পরকে বলে: তুমি কিভাবে ওর উপর প্রভাব বিস্তার করবে, যাকে সঠিক পথ দেখানো হয়েছে, আল্লাহ যার জন্যে যথেষ্ট হয়েছেন এবং যাকে নিরাপত্তা দেয়া হয়েছে? সেই কথাগুলো হলো :
بِسْمِ اللهِ تَوَكَّلْتُ عَلَى اللهِ لاَ حَوْلَ وَلا قُوَّةَ إِلا بِاللَّهِ
অর্থ: 'আমি আল্লাহ্ নামে আরম্ভ করছি এবং আল্লাহ্র উপর তাওয়াক্কুল করছি। আল্লাহ ছাড়া কারো কোনো শক্তি ক্ষমতা নেই।' (তিরমিযি, আবু দাউদ, নাসায়ী)
০৯. শয়তানকে আপনার ঘরে ঢুকতে এবং আহারে অংশ নিতে দেবেন না : জাবির রা. বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সা.কে বলতে শুনেছি: শয়তানরা তোমাদের ঘরের সদর (আগ) দরজায় ওঁৎ পেতে বসে থাকে। সে এই সংকল্প নিয়ে বসে থাকে যে, তোমাদের কেউ যখন ঘরে প্রবেশ করবে, সেও তার সাথে ঘরে প্রবেশ করবে এবং তার খাবার গ্রহণে অংশগ্রহণ করবে। যখন কোনো ব্যক্তি আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে ঘরে প্রবেশ করে এবং আল্লাহ্ নাম নিয়ে খেতে আরম্ভ করে, তখন (ওঁৎ পেতে থাকা) শয়তান তার সাথিদের বলে: 'এ ঘরে আজ তোমাদের রাত্রিযাপন হলোনা এবং রাতের খাবারও জুটলোনা।' আর কোনো ব্যক্তি যখন আল্লাহ্ নাম উচ্চারণ ছাড়াই ঘরে প্রবেশ করে, শয়তান তার সাথিদের বলে: 'যাও, আজ এ বাড়িতেই তোমরা রাত কাটাবে।' অতপর ঐ ব্যক্তি যদি আহার গ্রহণকালেও আল্লাহ্র নাম উচ্চারণ না করে, তখন শয়তান তার সাথিদের বলে: এ বাড়িতেই আজ তোমরা রাত কাটানোর এবং খানা খাবার সুযোগ পেলে। (সহীহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ)
১০. দীনের সঠিক ও যথার্থ জ্ঞানার্জন করুন: শয়তানের প্রতারণা ও বিভ্রান্তি থেকে আত্মরক্ষা করার সবচেয়ে বড়, কার্যকর ও মোক্ষম হাতিয়ার হলো, দীন সম্পর্কে, ইসলাম সম্পর্কে সঠিক ও যথার্থ জ্ঞানার্জন করা। কুরআন সুন্নাহর সঠিক জ্ঞান রাখেন এমন লোকদের শয়তান ভয় পায় এবং খুব কমই তাদের প্রতারিত করতে পারে। কারণ,
ক. যিনি সঠিক পথ জানেন, আসল জিনিস চেনেন, তাকে কেউ ভুল পথে নিতে পারেনা এবং মেকি জিনিস গচাতে পারেনা।
খ. তিনি যদি কখনো ভুল করেও ফেলেন, তিনি তা বুঝতে পারেন। ফলে তিনি তওবা করেন, অনুতপ্ত হন এবং ভুল শুধরে নেন।
গ. তাঁর সংগি-সাথি এবং আশে পাশের লোকদের তিনি সব সময় জ্ঞান দান করনে, তাদের উপদেশ নসিহত করেন, তাদের ভুল শুধরে দেন এবং শয়তানের বিভ্রান্তি থেকে তাদের সতর্ক রাখেন। এসব কারণেই রসূলুল্লাহ সা. বলেছেন :
فَقِيهُ وَاحِدٌ أَشَدُّ عَلَى الشَّيْطَانِ مِنْ أَلْفِ عَابِدِ
অর্থ: দীনের সঠিক ও যথার্থ জ্ঞানের অধিকারী একজন সমুঝদার ব্যক্তি শয়তানের জন্যে হাজার (অজ্ঞ) ইবাদতগুজারের চাইতেও ভয়াবহ। (ইবনে মাজাহ)
সমাপ্ত

টিকাঃ
১৩. এ সময় লা হাওলা ওয়ালা কুওয়্যাতা ইল্লা বিল্লাহ (আল্লাহ ছাড়া আর কারো কোনো শক্তি-ক্ষমতা নেই)' বলে আল্লাহকে স্মরণ করুন। অথবা 'আউযুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম' বলুন।
১৪. এ থেকে বুঝা গেলো, রাগ সৃষ্টি হয় শয়তানের উস্কানিতে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00