📄 অধ্যায় সারাংশ
১ প্রধান মাযহাবগুলো ছিল হানাফি, মালিকি, শাঁফি'ই, হানবালি ও যায়দি মাযহাব। এ মাযহাবগুলো প্রধানত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ও প্রথম প্রজ- ন্মের কিছু অসাধারণ ছাত্রের কারণে ব্যাপক প্রসার লাভ করেছিল।
২ কম প্রসিদ্ধ মাযহাবগুলোর মধ্যে ছিল আওযা'ই মাযহাব, লাইসি মাযহাব, সাওরি মাযহাব, জাহিরি মাযহাব ও জারীরি মাযহাব। রাজনৈ- তিক কারণ কিংবা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে মাযহাবকে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে ছাত্রদের ব্যর্থতার কারণে এ মাযহাবগুলো বিলুপ্ত হয়ে যায়।
৩ ইসলামি আইনের যে সকল উৎসের ব্যাপারে প্রধান মাযহাবগুলোর মধ্যে মতৈক্য লক্ষ্য করা যায় সেগুলো হলো: আল-কুর'আন, আস-সুন্নাহ, সহাবিগণের ইজমা' ও কিয়াস।
৪ সুন্নাহকে ইসলামি আইনের একটি প্রাথমিক উৎস হিসেবে গ্রহণ করার ক্ষেত্রে সবগুলো মাযহাবই কোনো না কোনো শর্ত জুড়ে দিয়েছে। ৪. ক. হানাফি মাযহাবের শর্ত হলো, হাদীসটি ব্যাপকভাবে পরিচিত হতে হবে। ৪.খ. মালিকি মাযহাবের শর্ত হলো, হাদীসটি মাদীনাবাসীদের ইজমা'র সাথে সাংঘর্ষিক হতে পারবে না। ৪.গ. শাফি'ই মাযহাব হাদীসটি সহীহ হওয়ার উপর জোর দিয়েছে। ৪.ঘ. হানবালি মাযহাবের একমাত্র শর্ত হলো, হাদীসটির বর্ণনাকারী- দের ধারা নাবি পর্যন্ত পৌঁছাতে হবে এবং তা জাল হতে পারবে না। ফলে, নির্ভরযোগ্যতা সন্দেহ রয়েছে এমন হাদীসকেও হানবালি মাযহাবে সুন্নাহর অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
৫ ইসলামি আইনের বিতর্কিত উৎসগুলো হলো:
৫.ক. হানাফি মাযহাবে সমর্থিত ইসতিহসান ও বিশেষজ্ঞদের ইজমা'।
৫.খ. মালিকি মাযহাবে অনুসৃত ইসতিস্লাহ্, মাদীনাবাসীদের ইজমা' ও তাঁদের প্রথাগুলো।
৫.গ. হানাফি ও মালিকি মাযহাবে সমর্থিত 'উরফ (প্রথা)।
৫.ঘ. হানবালি মাযহাবে সমর্থিত দুর্বল হাদীস।
৫.ঙ. যায়দি মাযহাবে সমর্থিত আকওয়াল 'আলি অর্থাৎ চতুর্থ খলীফা 'আলির বক্তব্য ও সিদ্ধান্তগুলো।
১ প্রধান মাযহাবগুলো ছিল হানাফি, মালিকি, শাঁফি'ই, হানবালি ও যায়দি মাযহাব। এ মাযহাবগুলো প্রধানত রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা ও প্রথম প্রজ- ন্মের কিছু অসাধারণ ছাত্রের কারণে ব্যাপক প্রসার লাভ করেছিল।
২ কম প্রসিদ্ধ মাযহাবগুলোর মধ্যে ছিল আওযা'ই মাযহাব, লাইসি মাযহাব, সাওরি মাযহাব, জাহিরি মাযহাব ও জারীরি মাযহাব। রাজনৈ- তিক কারণ কিংবা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে মাযহাবকে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে ছাত্রদের ব্যর্থতার কারণে এ মাযহাবগুলো বিলুপ্ত হয়ে যায়।
৩ ইসলামি আইনের যে সকল উৎসের ব্যাপারে প্রধান মাযহাবগুলোর মধ্যে মতৈক্য লক্ষ্য করা যায় সেগুলো হলো: আল-কুর'আন, আস-সুন্নাহ, সহাবিগণের ইজমা' ও কিয়াস।
৪ সুন্নাহকে ইসলামি আইনের একটি প্রাথমিক উৎস হিসেবে গ্রহণ করার ক্ষেত্রে সবগুলো মাযহাবই কোনো না কোনো শর্ত জুড়ে দিয়েছে। ৪. ক. হানাফি মাযহাবের শর্ত হলো, হাদীসটি ব্যাপকভাবে পরিচিত হতে হবে। ৪.খ. মালিকি মাযহাবের শর্ত হলো, হাদীসটি মাদীনাবাসীদের ইজমা'র সাথে সাংঘর্ষিক হতে পারবে না। ৪.গ. শাফি'ই মাযহাব হাদীসটি সহীহ হওয়ার উপর জোর দিয়েছে। ৪.ঘ. হানবালি মাযহাবের একমাত্র শর্ত হলো, হাদীসটির বর্ণনাকারী- দের ধারা নাবি পর্যন্ত পৌঁছাতে হবে এবং তা জাল হতে পারবে না। ফলে, নির্ভরযোগ্যতা সন্দেহ রয়েছে এমন হাদীসকেও হানবালি মাযহাবে সুন্নাহর অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
৫ ইসলামি আইনের বিতর্কিত উৎসগুলো হলো:
৫.ক. হানাফি মাযহাবে সমর্থিত ইসতিহসান ও বিশেষজ্ঞদের ইজমা'।
৫.খ. মালিকি মাযহাবে অনুসৃত ইসতিস্লাহ্, মাদীনাবাসীদের ইজমা' ও তাঁদের প্রথাগুলো।
৫.গ. হানাফি ও মালিকি মাযহাবে সমর্থিত 'উরফ (প্রথা)।
৫.ঘ. হানবালি মাযহাবে সমর্থিত দুর্বল হাদীস।
৫.ঙ. যায়দি মাযহাবে সমর্থিত আকওয়াল 'আলি অর্থাৎ চতুর্থ খলীফা 'আলির বক্তব্য ও সিদ্ধান্তগুলো।