📄 অধ্যায় সারাংশ
এ যুগে ফিক্হশাস্ত্র ইসলামি জ্ঞানের একটি স্বতন্ত্র শাখা হিসেবে বিকাশ লাভ করে।
উমাইয়া শাসনামলের শেষের দিকে যেসব মাযহাবের উৎপত্তি হয়েছিল সেগুলো এ যুগে বিকশিত হয় এবং রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতার ফলে 'আব্বাসি খিলাফাতের সর্বত্র শিক্ষাকেন্দ্রের সংখ্যা অনেক বৃদ্ধি পায়।
বিভিন্ন মাযহাবের ফিক্হ বৃহৎ পরিসরে ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে প্রথমবারের মতো সফলতার সাথে সংকলিত হয়।
ফিক্হ শাস্ত্র সুসংগঠিত হয়ে দুটি প্রধান শাখায় বিভক্ত হয়ে যায়: উসূল (মৌলিক নীতিমালা) ও ফুরু' (শাখা-প্রশাখা)। ইসলামি আইনের প্রধান উৎসগুলোকে সুস্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত ও শ্রেণিবদ্ধ করা হয়।
এ পর্যায়ের শেষের দিকে নাবি ﷺ-এর সব হাদীস সংগ্রহ করে গ্রন্থাকারে সংকলিত করা হয়।
এ যুগের প্রথমার্ধে মাযহাবগুলোর প্রতিষ্ঠাতা 'আলিমগণের মধ্যে ব্যাপক পারস্পরিক মতবিনিময় হতো। তবে, ছাত্রদের দ্বিতীয় প্রজন্মে এসে কঠোরতা ও গোঁড়ামির একটি প্রবণতা দেখা দেয়, যা ছিল পূর্ববর্তী মহান ইমাম ও বিশেষজ্ঞদের উদার মানসিকতার সাথে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।