📄 উপসংহার
তাক্বী সাহেবের বইটির জবাব শেষ হল। আমরা তাঁর ভুলগুলো দূর করার জন্য সাধ্যমত সংক্ষেপে জবাব দেয়ার চেষ্টা করেছি। আমরা বিরোধগুলো নিরসণ ও তার বিস্তৃতি রোধেরই উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা আমাদের চিরাচরিত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে বিষয়গুলো কথার চাইতে তাবলীগি কাজের মাধ্যমে প্রমাণ করার বেশী পক্ষপাতী।
তাক্বী সাহেব আমাদের প্রথম প্রকাশিত বইটি দেখলেও তা থেকে একটিমাত্র প্রশ্নের জবাব ছাড়া আর কোন উত্তর দেয়ার চেষ্টাটুকুও করেন নি। তাঁর দেয়া জবাবটিরও প্রকৃত জবাব আমরা উল্লেখ করেছি। এরপূর্বেও আমরা যেসব প্রশ্ন করেছিলাম তার জবাবও 'মাসিক ফারানের' মাধ্যমে তাক্বী সাহেব নিজের লেখা 'তাক্বলীদ কিয়া হে' প্রবন্ধটিতে দেন নি। বরং আমাদের প্রশ্নটি পরিবর্তন করে জবাব দিয়েছেন।
তাক্বী সাহেব! আপনি নিজেই অনেক মাসায়েল সুস্পষ্ট হাদীসের বিরোধী থাকায় প্রচলিত তাক্বলীদকে খারাপ জানার ইঙ্গিত দিয়েছেন। এ পর্যায়ে নিচের মাসআলাগুলোকেও মেনে নিন:
১) পুরুষ ও নারীর সালাত আদায়ের পদ্ধতিগত পার্থক্য সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নয়। সুতরাং এখন থেকে উভয়ের সালাতে পদ্ধতি একই হিসাবে ঘোষণা করুন。
২) অযুতে হাতের পাতার পিঠ দ্বারা গর্দান মাসেহ করা ছেড়ে দিন। কেননা মাসেহ করার এ পদ্ধতিটি কোন সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত নয়।
৩) জানাযার সালাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করা শুরু করে দিন।
৪) রুকু'তে যেতে ও রুকু' থেকে উঠতে রফ'উল ইয়াদাঈন করুন। কেননা, এটা সহীহ মুতওয়াতির হাদীস দ্বারা প্রমাণিত।
৫) ফরয সালাতের চার রাক'আতেই ক্বিরাআত পড়া ফরয গণ্য করুন।
৬) ইমামকে সাক্তা করার হুকুম দিন।
৭) সাক্তার মধ্যে মুক্তাদীকে সূরা ফাতিহা পাঠ করার হুকুম দিন।
৮) হালালাহ (হিল্লা) প্রথা বন্ধ করুন। এটা খুবই নিকৃষ্ট কাজ।