📄 ফারানের মন্তব্য
'মাসিক ফারান', জুন' ১৯৬৪ 'ঈসায়ী সংখ্যায় সম্পাদক সাহেব 'তালাশে হক্কের' উপর নিজের মন্তব্য প্রকাশ করেছিলেন। সম্পাদক সাহেব শেষাবধি একজন সম্মানিত আলেম নওয়াব সিদ্দিক হাসান খান ভূপালির উদ্ধৃতির মাধ্যমে আমার উপর অভিযোগ আরোপ করেছেন। যার আসল দাবী ছিল: "তিনি মুক্বাল্লিদগণকেও ফিরক্বায়ে নাজিয়ার অন্তর্ভূক্ত মনে করতেন।"
এর সংক্ষিপ্ত জবাব হল, আমি কারো মুক্বাল্লিদ নই। সুতরাং কোন আলেমের কথা বা লেখার দ্বারা আমার উপর অভিযোগ করার অর্থ- আমার প্রতি জুলুম করা।
নওয়াব সাহেব যদি উক্ত কথাগুলো লিখে থাকেন, তবে তার দায়-দায়িত্ব তাঁরই। নওয়াব সিদ্দিক হাসান সাহেব সূরা আলে-ইমরানের মুবাহালার আয়াতের তাফসীর প্রসঙ্গে লিখেছেন: "কিতাব ও সুন্নাতে তাক্বলীদের তিরষ্কার রয়েছে। মুক্বাল্লিদগণ চার ইমামের অনুসরণ ওয়াজিব গণ্য করেছে। তারা শিরক ফিল উলুহিয়্যাত করত, এরা শিরক ফির রিসালাতে লিপ্ত।”
নওয়াব সাহেব আরো লিখেছেন: "কোন আলেম বা দরবেশের তাক্বলীদ আল্লাহর দ্বীনের মধ্যে শিরক।” নওয়াব সাহেব 'আদ-দ্বীনুল খালেস' গ্রন্থটির শুরুতেই লিখেছেন: "তাক্বলীদ শিরকের প্রকারভেদের একটি প্রকার। আল্লাহ আমাদের এ থেকে হেফাযতে রাখুন।”
মাহারুল কাদিরী সাহেবের কাছে আবেদন, আলোচ্য উদ্ধৃতিগুলো পাঠ করুন এবং নিজেকে সংশোধন করুন।