📄 তাক্বলীদ এবং আল্লাহর ওলী
ফারান: এই জাতীয় মুর্খতাসুলভ আক্বীদা রেখে অভিযোগকারী নিজের দ্বীন ও ঈমানকে শ্রেষ্ঠ মনে করেন। হাজারো 'অলী-আল্লাহগণ যারা কোন না কোন ফিক্বহী মাযহাবের সাথে অবশ্যই সম্পৃক্ত ছিলেন, তাক্বলীদের কারণে কি তাদেরকে হিন্দু সাধুদের কাতারে গণ্য করা যায়? তাক্বলীদ কি মুসলমানকে (মুসলিমকে) দ্বীন থেকে বের করে দেয়, এটা কি ধরণের চিন্তা? কি ধরণের মেজাজ? কি ধরণের বিশ্লেষণ- তওবা আস্তাগফিরুল্লাহ। (ফারান, পৃঃ ৩১)
জবাব: যখন তাক্বলীদই শিক, তখন মুক্বাল্লিদ আল্লাহর ওলী হতে পারে না। তবে আপনি যা ইচ্ছা বলতে পারেন। এমন অনেকেই আছেন যাঁরা তাক্বলীদকে নিজেদের জন্য বাধ্যতামূলক করে নিয়েছেন। এতদসত্ত্বেও তারা ঐ তাক্বলীদকেই কঠোরভাবে খণ্ডন করেছেন এবং তাদের কিতাবসমূহে খণ্ডন লিপিবদ্ধ করেছেন। মুকাল্লিদগণ এটা কি কখনো চেয়েছেন যে, কোন ব্যক্তি তাক্বলীদের গন্ডি থেকে বাইরে থাকুক। যিনি মুক্বাল্লিদ ছিলেন না তাকেও তারা মুক্বাল্লিদ হিসাবে গণ্য করেন। (চিঠির বিষয়বস্তু শেষ হল)
অতপর মাহারুল কাদিরী সাহেবের আবেদনের প্রেক্ষিতে মুহাম্মাদ তাক্বী উসমানী সাহেব আলোচ্য চিঠির জবাবে "তাক্বলীদ কিয়া হে" শিরোনামে একটি প্রবন্ধ লিখেছিলেন, তা আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। যা মাহারুল কাদিরী সাহেব নিজের মাসিক পত্রিকা "ফারান, মে, ১৯৬৫ 'ঈসায়ীতে প্রকাশ করেন। জনাব আব্দুস সামাদ খাঁ প্রবন্ধটি মাসউদ আহমাদ সাহেবের খিদমতে পেশ করেন। তিনি অনুরোধ করেন:
"মাস'উদ আহমাদ সাহেব যেন তাঁর প্রতি সপ্তাহের দারসে হাদীসে এই প্রবন্ধের উপর আলোচনা করেন। তাছাড়া তাক্বী উসমানী সাহেবের যে ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়েছে সেগুলোর সমাধান দিলে খুবই উপকৃত হব।"