📘 মাযহাব ও তাকলীদ 📄 সিরাতে মুস্তাক্বীম (সোজা) না মুনহানী (বক্র)?

📄 সিরাতে মুস্তাক্বীম (সোজা) না মুনহানী (বক্র)?


ফারান: 'সিরাতে মুস্তাক্বীম'-তো প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ'র নাযিলকৃত 'দ্বীন ইসলাম'। হানাফী, শাফে'য়ী, মালেকী, হাম্বলী ফিক্বহী মাযহাবসমূহ ও মসলকে আহলে হাদীস এই সিরাতে মুস্তাক্বীমের (দ্বীনে হক্ক) মধ্যবর্তী স্থানে। আর দলগুলোর অবস্থান সম্পর্কে বেশীর চাইতে বেশী বলা যায় যে, এগুলো সংকীর্ণ পথ। যা এই সিরাতে মুস্তাক্বীম থেকে সৃষ্টি হয়েছে এবং পুনরায় ঐ স্থানে গিয়েই মিলেছে। এর মধ্যকার কোন মসলকই (দল) বাতিল নয়।

জবাব: মাহারুল কাদিরী সাহেবের কথামত যদি ঐ দলগুলো সিরাতে মুস্তাকীমের সাথে মিলে গিয়ে থাকে তবে কেন তাদের মধ্যে তীব্র মতপার্থক্য ও যুদ্ধের দামামা বেজে উঠে, তাছাড়া আজ পর্যন্ত তারা আলাদা-আলাদাই থেকে গেল? সিরাতে মুস্তাকীমে মিলে গেল এবং আলাদা-আলাদাও থাকলো- এটা এক আজব ঘটনা!!

যদি আমি (তর্কের খাতিরে) ধরে নিই, এই মাযহাবগুলো সিরাতে মুস্তাক্বীম থেকে বের হয়ে পুনরায় একত্রে মিলে গেছে, তবে প্রশ্ন আসে যে, তারা কেন বের হল? সোজা রাস্তা ছেড়ে সংকীর্ণ পথে চলল এবং পুনরায় সোজা রাস্তায় এসে মিলল, শেষাবধি এ থেকে লাভবান হবার উদ্দেশ্যইবা কি?

পূণরায় একথাও গভীরভাবে লক্ষণীয়, এই সংকীর্ণ পথগুলো মুস্তাক্বীম (مستقیم -সোজা) না মুনহানী (منحنى -বক্র)। যদি সোজা হয় তবে তো এটা অসম্ভব যে, এক সরলরেখা অন্য সরলরেখার দু'টি স্থানকে ছেদ করে। জ্যামিতির সাধারণ ছাত্র- যে এ ব্যাপারে অনভিজ্ঞ সেও বলবে, এটা হবে না। সুতরাং এই সংকীর্ণ পথগুলো কখনো সিরাতে মুস্তাকীমের সাথে মিলতে পারবে না। আর এই সংকীর্ণ পথগুলো যদি বক্র হয় তবে সুস্পষ্ট যে, সেটা সোজা পথ নয়। এ কারণে এটি সিরাতে মুস্তাক্বীমও নয়। বিস্ময়ের বিষয় হল, মাহারুল কাদিরী সাহেব এই সংকীর্ণ পথগুলোকে হেদায়েত বলে মনে করেন- যদিও হাদীসে এরকম চারটি সংকীর্ণ পথকে গোমরাহীর পথ বলা হয়েছে।

জাবির বিন 'আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত: তিনি বলেন, আমরা নবী ﷺ-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। তিনি প্রথমে একটি সোজা রেখা টানলেন এবং তার ডানদিকে দুটো রেখা টানলেন এবং বাঁ দিকেও দুটো রেখা টানলেন। এরপর তিনি রেখার মধ্যবর্তী স্থানে হাত রেখে বললেন: এই সাবিলুল্লাহ। "এটা আল্লাহর রাস্তা।” অতঃপর এই আয়াতটি তিলাওয়াত করলেন:

ওয়া আন্না হাযা সিরাতি মুস্তাকিমান ফাত্তাবিউহু ওয়া লা তাত্তাবিউস সুবুলা ফাতাফাররাকা বিকুম আন সাবিলিহি।
"এটাই সিরাতে মুস্তাক্বীম। সুতরাং তোমরা এরই অনুসরণ করবে এবং ভিন্ন পথ অনুসরণ করবে না। করলে, তা তোমাদের তাঁর পথ থেকে বিচ্ছিন্ন করবে।” (সূরা আন'আম : ১৫৩ আয়াত)

অন্য হাদীসে (সাহাবী ইবনে মাস'উদ) থেকে বর্ণিত হয়েছে, কুল্লু সাবিলিন মিনহা শয়তানুন ইয়াদউ ইলাইহি। "প্রত্যেক সংকীর্ণ পথের উপর শয়তান রয়েছে যে (লোকদেরকে) নিজেদের দিকে ডাকছে।” [আহমাদ, নাসায়ী, দারেমী, মিশকাত (এমদা) ১/১৫৯ নং]

এখন আমরা হাদীসকে মানব না মাহারুল কাদিরী সাহেবকে মানব? "তালাশে হক্ক-এ” লেখা হয়েছিল: “এখন বলুন- ফেক্বাহর কিতাবসমূহে যেসব (বিধান) আছে তার সবই কি আল্লাহর পক্ষ থেকে (নাযিলকৃত)? যদি হয় তবে চোখ বুঝে মেনে নিন, আর যদি না হয় এবং অবশ্যই নয়- তবে এর অনুসরণ হারাম। (তালাশে হক্ক পৃঃ ৩৬, খোলাসায়ে তালাশে হক্ক পৃ: ৩১)

"তালাশে হক্কের” আলোচ্য উদ্ধৃতির উপর পর্যালোচনা করতে যেয়ে মাহারুল কাদিরী সাহেব বলেছেন-

টিকাঃ
৪. সহীহ: ইবনে মাজাহ (বাব اتباع سنة رسول الله ﷺ); আলবানী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। [তাহক্বীকুকৃত ইবনে মাজাহ হা/১১] (অনুঃ)
৫. হাসান: আলবানী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। [তাহক্বীকুকৃত মিশকাত ১/১৬৬ নং (অনু:)

📘 মাযহাব ও তাকলীদ 📄 ‘উলুল আমর’-এর অনুসরণ

📄 ‘উলুল আমর’-এর অনুসরণ


ফারান: “মাস'উদ সাহেব কতটা নির্বোধের মত কথা বলেছেন, কুরআনুল কারীমে যখন আল্লাহ ও তাঁর রসূল ﷺ-এর অনুসরণের সাথে, অনুসরণের পরে বা অনুসরণ হিসাবে 'উলূল আমর'-এর অনুসরণ করার হুকুম এসেছে। তখন 'উলূল আমর'-এর অনুসরণ কি হারাম হয়? তাক্বলীদের বৈধতা তো কুরআনুল কারীমের এই আয়াতের মাধ্যমেই এসেছে।

জবাব: বিস্ময়ের বিষয় হল, মাহারুল সাহেব এই আয়াতের মাধ্যমে তাক্বলীদের বৈধতা প্রমাণ করেছেন, অথচ এ আয়াত থেকে ফরয হওয়া প্রমাণিত হয়। বুঝতে পারলাম না- মাহারুল সাহেব আল্লাহর হুকুমকে ফরয থেকে দূরে সরিয়ে কিভাবে বৈধ বা জায়েয হিসাবে গণ্য করলেন?!

নিঃসন্দেহে কুরআনুল কারীমে 'উলূল আমর'-কে অনুসরণ করার হুকুম আছে। এখন জিজ্ঞাসা হল, এই অনুসরণ দ্বীনি হুকুমের বিষয়ে না রাষ্ট্রীয় হুকুমের বিষয়ে? যদি দ্বীনি হুকুমের বিষয়ে হয় তবে তার আদেশের মর্যাদা শর'য়ী আইনের মর্যাদা রাখে। তখন মতপার্থক্যের সুযোগ থাকল কোথায়? আর 'উলুল আমর'-এর সাথে যে মতপার্থক্য হলে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের দিকে ফেরার নির্দেশ দেয়া হল কেন? এর অর্থ এই দাঁড়ায় যে, তার নির্দেশ শর'য়ী কানুন হবে আবার তার সাথে মতপার্থক্য করা যাবে- অথচ এটা অসম্ভব। সুতরাং প্রমাণিত হল যে, তার হুকুম দ্বীনি হুকুমের মর্যাদা রাখে না। এই হুকুম খণ্ডন করা যেতে পারে এবং কুরআন ও হাদীস থেকে বিশ্লেষণ করে সহীহ মাসআলার উপর আমল করা যেতে পারে; বরং এটাই করা জরুরী। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার হুকুম অনুযায়ী ফারুদ্দুহু ইলাল্লাহি ওয়ার রসূল। "আল্লাহ ও রসূলের দিকে ফিরে যাও” (সূরা নিসা : ৫৯) - হুকুমটি ফরয। আর আমীরের সাথে মতপার্থক্য করা এবং পূনরায় পর্যালোচনা করে হক বোঝা দু'টি বিষয়ই বিদ্যমান আছে, আর এ দু'টি বিষয়ই তাক্বলীদের বিপরীত। মাহারুল কাদিরী সাহেব কর্তৃক একে তাক্বলীদ বলা ও এই আয়াত থেকে দলিল নেয়া- দিনকে রাত বলার নামান্তর।

পক্ষান্তরে আমীরের অনুসরণ যদি বৈষয়িক ও রাষ্ট্রীয় নির্দেশের বিষয়ে হয়- তবে এ বিষয়টি পরিষ্কার হয় যে, শরী'আতি আইন শুধুমাত্র আহকামে ইলাহী, যা অহীর মাধ্যমে নাযিল হয়েছে।

তাছাড়া এ আয়াতে ‘উমারা-এর অনুসরণের বর্ণনা এসেছে, আলেমদের নয়। যদি এটাও মেনে নিই- তবে এর থেকে আলেমদের অনুসরণ ফরয হয়, কিন্তু এর থেকে কিভাবে প্রমাণিত হয় যে, চার ইমামদের মধ্যে কোন একজনের তাক্বলীদ করতে হবে। 'খাস' দাবীর প্রমাণে 'আম দলিল যথেষ্ট নয়।

টিকাঃ
৬. অনেকে সাংগঠনিক আমীরের সাথে মত-পার্থক্যকেও দ্বীন থেকে বহিষ্কার হবার কারণ মনে করেন। আলোচ্য উদ্ধৃতির মাধ্যমে তাদের দাবীও খণ্ডিত হল। (অনুবাদক)

📘 মাযহাব ও তাকলীদ 📄 অনুসরণের সঠিক দাবী

📄 অনুসরণের সঠিক দাবী


ফারান: এভাবে ফিক্বাহর ঐ সমস্ত মাসায়েল যা কুরআন ও সুন্নাহ মোতাবেক অথবা তার সাথে সাংঘর্ষিক ও বিরোধী নয়- সেগুলোর ইত্তিবা' ও তাক্বলীদ জায়েয, সেগুলো কেন হারাম হবে? (ফারান, পৃঃ ৩০)

জবাব: এক্ষেত্রে প্রথম প্রশ্ন হলো, কুরআন ও সুন্নাত মোতাবেক হলে সেগুলোর ইত্তিবা' শুধুমাত্র জায়েয হবে কেন, আর তা আবশ্যকীয় (ফরয) নয় কেন? দ্বিতীয় প্রশ্ন হল- যে মাসায়েল কুরআন ও সুন্নাত মোতাবেক সেগুলোর ইত্তিবা'তো কুরআন ও সুন্নাতেরই ইত্তিবা'। কুরআন ও সুন্নাত অনুযায়ী সব কথাইতো (যার যার মান অনুযায়ী) আমল করা ওয়াজিব (ফরয)। এরমধ্যে আয়িম্মা ও ফুক্বাহাগণের প্রয়োজনটা কোথায়? বাকী থাকল ঐ মাসায়েল যা কিতাব ও সুন্নাতের বিরোধী সেগুলোর ইত্তিবা' আপনাদের মতেও হারাম। কিন্তু মুক্বাল্লিদগণ তো সবগুলোর উপর আমল করা জরুরী মনে করে। এখন বলুন, কিতাব ও সুন্নাতের বিরোধী মাসায়েলের উপর 'আমল করা কি জায়েয? এই আমল করাকে জরুরী মনে করার কারণে সে কুফরীর দোষে দোষী হয়, না হয় না?

যদি কুরআন ও সুন্নাতের বিরোধী মাসায়েলের উপর আমল করা হারাম হয়, তবে মুক্বাল্লিদ এটা কিভাবে বুঝবে যে অমুক অমুক মাসায়েল (কুরআন-সুন্নাহর) বিরোধী? এ ব্যাপারে তাদের পর্যালোচনার অনুমতি আছে কি? যদি অনুমতি থাকে তবে তারা মুজতাহিদ (গবেষক) হল, নাকি মুক্বাল্লিদ (অন্ধ অনুসারী) হল? আর যদি অনুমতি না থাকে, তবে তো তারা কিতাব ও সুন্নাতের বিরোধী আমল করতে বাধ্য হবে। কেননা ঐ হারাম কাজটি করা শুধুমাত্র তাক্বলীদের কারণেই হয়। সুতরাং তাক্বলীদ হারাম, আর হারামকে হালাল বা ওয়াজিব বলা কুফরী।

মাহারুল কাদিরী সাহেবের কথা হল, "আয়িম্মায়ে উসূলে ফিক্বাহ হানাফীদের নিকট গ্রহণযোগ্য।" আপনি হানাফী মাযহাবের পক্ষে যে কথা বলেছেন তা হানাফীগণ গ্রহণ করে নাই। আপনি তাক্বলীদের যে অর্থ নিয়েছেন- সে অর্থে হানাফী ফিকাহবিদগণ কি এ ব্যাপারে একমত হয়েছেন?

📘 মাযহাব ও তাকলীদ 📄 ফিক্বহী মাসায়েলে মানবরচিত সিদ্ধান্ত

📄 ফিক্বহী মাসায়েলে মানবরচিত সিদ্ধান্ত


ফারান: ফিক্বাহতো- আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার তরফ থেকে যা নাযিল হয়েছে তার ব্যাখ্যা বা বিস্তারিত বর্ণনা।

জবাব: খুব ভাল কথা-
১. নারীদের বুকের উপর হাত বাঁধা আর পুরুষদের নাভীর নিচে' -এটা আল্লাহর নাযিলকৃত কোন হুকুমের ব্যাখ্যা?
২. সালাতে মুখে নিয়্যাত উচ্চারণ করে পড়া' -এটা কোন আয়াত?
৩. বিত্র এক বা পাঁচ রাক'আত আদায় না করা' -এটা কোন অহী?
৪. পশু, মৃতনারী এবং নাবালিগ কন্যার লজ্জাস্থানকে বিছানার ছিদ্র ভাবা' -এটা কোন হাদীস বা আয়াতের ব্যাখ্যা? একে জ্ঞানশূন্যতা বা ঈমানহীনতা বলে।
৫. যদি কোন ব্যক্তি পশু, মৃতনারী বা নাবালিগ কন্যার সাথে সহবাস করে আর বীর্য বের না হয়, তবে গোসল ওয়াজিব হবে না' -এটা কোন হাদীসে আছে?

এ ধরণের অসংখ্য মাসায়েল রয়েছে যার সাথে আল্লাহর নাযিলকৃত শরী'আতের দূরতম সম্পর্কও নেই। এ জাতীয় মাসায়েলকে কি আল্লাহর নাযিলকৃত বিষয়ের ব্যাখ্যা বলা যেতে পারে?

[সংযোজন: মাযহাবী ফিক্বাহতে এমন অনেক মাসআলা রয়েছে- যা আল্লাহর কিতাব ও রসূলের সুন্নাতে নেই। অথচ তারা সেটাকে আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিলকৃত তথা আল্লাহর হুকুম ও রসূলের সুন্নাত মনে করে আমল করে। এ পর্যায়ে এ ধরণের ইয়াহুদী আমল সম্পর্কে আল্লাহ বলেন:

ফাওয়াইলুল লিল্লাযীনা ইয়াকতুবুনাল কিতাবা বিআইদীহিম ছুম্মা ইয়াকুলুনা হাযা মিন ইন্দিল্লাহি লিয়াশতারু বিহী ছামানান কালীলা। ফাওয়াইলুল লাহুম মিম্মা কাতাবাত আইদীহিম ওয়া ওয়াইলুল লাহুম মিম্মা ইয়াকসিবুন।
"অতএব, তাদের জন্য আফসোস! যারা নিজ হাতে কিতাব লেখে এবং বলে, এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিলকৃত, যেন এর বিনিময়ে সামান্য অর্থ উপার্জন করতে পারে। অতএব তাদের জন্য ওয়েল (জাহান্নাম), তাদের কিতাব লেখার জন্য এবং তাদের জন্য ওয়েল (জাহান্নাম), তাদের উপার্জনের জন্য।" [সূরা বাক্বারাহঃ ৭৯ আয়াত]

প্রায় একই মর্মে আল্লাহ বলেন:

ওয়া লা তাশতারু বিআয়াতি ছামানান কালীলাঁও ওয়ামালাম ইয়াহকুম বিমা আনঝালাল্লাহু ফাউলাইকা হুমুল কাফিরুন।
"তোমরা আমার আয়াতকে সামান্য ও নগণ্য বিনিময়ে বিক্রি করো না। যারা আল্লাহ'র নাযিলকৃত আইন দ্বারা বিচার করে না, তারাই কাফির।" (সূরা মা'য়িদা: ৪৪-৪৭ আয়াত)

সুতরাং আলেম, হাকিম বা শাসক যে কেউ-ই আল্লাহ যা নাযিল করেন নি, এমন কিছুকে আল্লাহ হুকুম বলে গণ্য করলে সে সুস্পষ্ট কাফির। পক্ষান্তরে আল্লাহর সাথে এ ধরণের মিথ্যারোপ ও অস্বীকার না করে কেবল ভিন্ন বিধি-বিধান হুকুমদাতা ও পালনকারী কেবলই ফাসিকু। অথচ এই পার্থক্য না বুঝার কারণে অনেকে মানব রচিত মাযহাবী ফিক্বাহর মাধ্যমে ইসলামী শরী'আতের বিকৃতিকে মেনে নিচ্ছেন। পক্ষান্তরে শাসক- যারা নিজের বিধানকে আল্লাহ নাযিলকৃত বলেন না- তাদেরকে কাফির বলছেন। অথচ তারা কখনই ইবরাহীম ও মূসা আলাইহিমাস সালাম-এর ন্যায় নিজ নিজ শাসকের ভুল ধারণাগুলো সংশোধনের চেষ্টাটুকুও করেন নি। বিস্তারিত জানার জন্য পড়ুন: “তাফসীর হুকুম বি-গয়রি মা-আনঝালাল্লাহ” -কামাল আহমাদ। - অনুবাদক]

টিকাঃ
৭. হিদায়াহ (করাচী: কুরআন মহল) ১/১০২ পৃ; ইলমুল ফিক্বাহ ২/৭১ পৃঃ। (লেখক)
৮. আল কাসদু মাআ লাফজিহি আফদালু ও ইউহাসসানু যালিকা লিজতিমায়ি আজীমাতিহি (হিদায়াহ ১/৯৬ পৃঃ)। (শরহে বেকায়াহ ১/১৫৯)। (লেখক)
৯. আল বিতরু ছালাছু রাকাআতিন ওয়াজাবাত (শরহে বেকায়াহ ১/১৯৯ - প্রকাশক: আনওয়ার মাহমুদী প্রকাশানালয়)। (লেখক)
১০. মাহারুল কাদিরী সাহেব নিজেই লিখেছেনঃ "পশুর মলদারে কাপড় প্রভৃতি দ্বারা বানানো খোলকে চার পাবিশিষ্ট আসনের ছিদ্রের সাথে কিয়াস করা হবে। যেখানে কেবল (লিঙ্গ) প্রবেশের কারণে গোসল ফরয হয় না। (ফারান- জুন' ১৯৬৪ পৃঃ ৩০) (লেখক)
১১. লা ওয়াত ই বাহীমাতিন বিলা ইনঝালিন (হিদায়াহ: ২/৫১) বিলাফীল বাহীমাতি (লা ইউরমা) (শারহে বিকায়া) (ওয়ালা ইনদা ওয়াত ই বাহীমাতিন আও মাইয়িতাতিন আও সাগীরাতিন গাইরা মুশতাহাত (২/৫০ মুখতার ১/১২২ পৃষ্ঠা -কোয়েটা, মাতবু'আতে মাকতাবাহ মাজেদীয়াহ, প্রথম প্রকাশ, ১৩৯৯ হিঃ) (লেখক)

ফন্ট সাইজ
15px
17px