📘 মাযহাব ও তাকলীদ 📄 ভূমিকা

📄 ভূমিকা


بسم الله الرحمن الرحيم
কিছুকাল পূর্বে "তালাশে হক্ক" নামে একটি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছিল। গ্রন্থটির আলোচনা প্রসঙ্গে "মাসিক ফারান" পত্রিকায় সম্পাদক মাহারুল ক্বাদিরী সাহেব জুন' ১৯৬৪ ঈসায়ী সংখ্যায় লিখেছেন:
"এটি (তালাশে হক্ক) মাস'উদ আহমাদ সাহেব (বি,এস,সি,) ও নওয়াব মুহীউদ্দীন সাহেবের মধ্যে "তাক্বলীদে শাখসী" (ব্যক্তির অন্ধ- অনুসরণ) ও অন্যান্য মতবিরোধপূর্ণ মাসায়েলের উপর একটি লিখিত মুনাযারা- যা গ্রন্থাবদ্ধ হয়েছে।"
মাহারুল কাদিরী সাহেব "তালাশে হজ্বের” ব্যাপারে যে খেদ (বিদ্বেষ) প্রকাশ করেছেন সে সম্পর্কে ধারণা পাবার জন্য নিচের উদ্ধৃতি লক্ষণীয়:
"এই গ্রন্থে (তালাশে হক্ক) এতটাই অশ্লীল কথা ও অনর্থক বিষোধগারের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে যে তা পাঠ করে বুঝা যায়, এই যামানাতে..... "তালাশে হজ্বের" লেখক (মাস'উদ আহমাদ সাহেব) যে দ্বীনি মেজাজ রাখেন তা সুস্পষ্টভাবে অজ্ঞতার নামান্তর।" (মাসিক ফারান, পৃঃ ৩২)
মাহারুল কাদিরী সাহেব তাঁর পর্যালোচনার প্রতি মনোযোগ আকর্ষণের জন্য একটি চিঠি প্রেরণ করেন। বর্ণিত চিঠিটি প্রকাশের মাধ্যমে তিনি তা একজন দেওবন্দি 'আলেমের খিদমতে পাঠিয়ে দেন- যেন তিনি এর জবাব দেন। মাহারুল কাদিরী সাহেব এ ব্যাপারে নিজের পত্রিকা "ফারান" মে, ১৯৬৫' সংখ্যায় লিখেছেন:
"এই (মাস'উদ আহমাদের) চিঠি আমি শায়েখ তাক্বী উসমানী (উস্তাদ, দারুল 'উলুম করাচী)-এর খিদমতে পাঠিয়ে ছিলাম। (তিনি) প্রেরিত আবেদনের প্রেক্ষিতে গবেষণা, জ্ঞানান্বেষণ ও পাঠদানে ব্যস্ত থাকা সত্ত্বেও একটি বিস্তারিত আলোচনা লিখে পাঠিয়েছিলেন। এই আলোচনার মাধ্যমে বর্ণিত চিঠির জটিল প্রশ্নের জবাব দেয়া হয়েছে।"
মাহারুল কাদিরী সাহেবকে বর্ণিত (আমার) যে চিঠিটির কারণে পিছু হটতে হয়েছিল- তা পাঠকের নিকট সুস্পষ্ট হওয়ার জন্য নিচে পেশ করা হল।

ফন্ট সাইজ
15px
17px