📘 মাগফিরাতের পথ ও পাথেয় 📄 মাগফিরাত লাভের অন্যতম একটি উপায়

📄 মাগফিরাত লাভের অন্যতম একটি উপায়


অন্তরের অন্তস্থল হতে আশাবাদী মন নিয়ে দুআ করা

আশাবাদী হওয়ার জন্য প্রথম ও গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো অন্তরের গভীর হতে আল্লাহ তাআলার রহমতের প্রতি আশাবাদী হয়ে দুআ করা।
আবু হুরাইরা রাসূলাল্লাহ -এর ইরশাদ নকল করেন, তিনি বলেন,
ادْعُوا اللَّهَ وَأَنْتُمْ مُوقِنُونَ بِالإِجَابَةِ، وَاعْلَمُوا أَنَّ اللَّهَ لَا يَسْتَجِيبُ دُعَاءً مِنْ قَلْبٍ غَافِلٍ لَاهٍ
“কবুল হওয়ার দৃঢ় বিশ্বাস রেখে তোমরা আল্লাহ -এর কাছে দুআ করবে। জেনে রাখো, উদাসীন ও অমনোযোগী মনের দুআ আল্লাহ তাআলা কবুল করেন না।”
আব্দুল্লাহ বিন উমর রাসূলাল্লাহ -এর ইরশাদ নকল করেন, তিনি বলেন,
الْقُلُوبُ أَوْعِيَةً، وَبَعْضُهَا أَوْعَى مِنْ بَعْضٍ، فَإِذَا سَأَلْتُمُ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ، أَيُّهَا النَّاسُ، فَاسْأَلُوهُ وَأَنْتُمْ مُوقِنُونَ بِالْإِجَابَةِ، فَإِنَّ اللَّهَ لَا يَسْتَجِيبُ لِعَبْدٍ دَعَاهُ عَنْ ظَهْرِ قَلْبٍ غَافِلٍ
“মানুষের অন্তর হলো পাত্রের মতো। কোনো কোনোটি অন্যটির চেয়ে গভীর হয়। অতএব তোমরা যখন আল্লাহ -এর চাইবে তখন দুআ কবুল হওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে চাইবে। কেননা, আল্লাহ তাআলা এমন বান্দার ডাকে সাড়া দেন না, যে উদাসীন মনে তাঁকে ডাকে।”
এ জন্যই বুখারীর এক হাদিসে আবু হুরাইরা রাসূলুল্লাহ-এর ইরশাদ নকল করেন, তিনি বলেন,
لَا يَقُولَنَّ أَحَدُكُمْ اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي إِنْ شِئْتَ، اللَّهُمَّ ارْحَمْنِي إِنْ شِئْتَ، لِيَعْزِمِ الْمَسْأَلَةَ، فَإِنَّهُ لَا مُكْرِهَ لَهُ
"তোমাদের কেউ কখনো এ কথা বলবে না যে, হে আল্লাহ, আপনার ইচ্ছে হলে আমাকে ক্ষমা করুন। হে আল্লাহ, আপনার ইচ্ছে হলে আমাকে দয়া করুন। বরং দৃঢ় আশা নিয়ে দুআ করবে। কারণ, আল্লাহকে বাধ্য করার কেউ নেই।”
উলামায়ে কেরام দুআর ক্ষেত্রে তাড়াহুড়া এবং দুআ কবুলে বিলম্বিত হওয়ার কারণে হতাশ হয়ে দুআ হতে মুখ ফিরিয়ে নিতে নিষেধ করেছেন।
দুআ কবুলের ক্ষেত্রে বান্দা যেন কখনোই নিরাশ না হয়। কারণ, আল্লাহ তাআলার রহমতের প্রতি নিরাশ হয়ে পড়া দুআ কবুলের পথে বড় ধরনের অন্তরায়।

টিকাঃ
২৫. সুনানে তিরমিযি, হাদিস নং ৩৪৭৯। সনদ হাসান গরিব। অধ্যায় ৪৫, দুআ। অনুচ্ছেদ: ৬৬, শিরোনামহীন।
২৬. মুসনাদে আহমাদ, হাদিস নং: ৬৬৫৫। সনদ যঈফ। কিন্তু মূল বক্তব্যের ওপর একাধিক গ্রহণযোগ্য বর্ণনা থাকায় মতন বা বক্তব্য সহীহ।
২৭. সহীহ বুখারী, হাদিস নং: ৬৩৩৯। অধ্যায়: ৮০, দুআ। অনুচ্ছেদ: ২১, কবুল হওয়ার দৃঢ় আশা নিয়ে দুআ করবে। কারণ, কবুল করতে আল্লাহকে বাধাদানকারী কেউ নেই।

📘 মাগফিরাতের পথ ও পাথেয় 📄 অনুনয়-বিনয়ের সাথে দুয়ায় মগ্ন বান্দাকে আল্লাহ পছন্দ করেন

📄 অনুনয়-বিনয়ের সাথে দুয়ায় মগ্ন বান্দাকে আল্লাহ পছন্দ করেন


দুআতে দীর্ঘ সময় ব্যয় করা চাই। কেননা, আল্লাহ তাআলা বান্দার চোখের নোনাজল পছন্দ করেন। পছন্দ করেন তার কাকুতি-মিনতি। এক বর্ণনায় রয়েছে,
إِنَّ الْعَبْدَ إِذَا دَعَا رَبَّهُ وَهُوَ يُحِبُّهُ، قَالَ: يَا جِبْرِيلُ، لَا تُعَجِّلْ بِقَضَاءِ حَاجَةِ عَبْدِي، فَإِنِّي أُحِبُّ أَنْ أَسْمَعَ صَوْتَهُ
“বান্দা যখন আল্লাহ তাআলার দরবারে দুআ করে আর আল্লাহ তাআলা তাকে পছন্দ করেন। তখন আল্লাহ তাআলা বলেন, 'জিবরীল, আমার বান্দার চাহিদা পূরণে তাড়াহুড়া কোরো না। আমি তার আওয়াজ শুনতে পছন্দ করি।”
আল্লাহ বলেন: وَادْعُوهُ خَوْفًا وَطَمَعًا إِنَّ رَحْمَتَ اللَّهِ قَرِيبٌ مِّنَ الْمُحْسِنِينَ
“তাঁকে ডাকো ভয় ও আশা-সহকারে। নিশ্চয় আল্লাহর করুণা সৎকর্মশীলদের নিকটবর্তী।"
বান্দা যখন অনুনয়-বিনয়ের সাথে দুআ করতে থাকে, নিরাশ না হয়ে আশায় বুক বেঁধে দুআয় মগ্ন থাকে, তখন তার দুআ কবুলের সম্ভাবনা ঘনিয়ে আসতে শুরু করে। দরজায় কড়া নাড়তে থাকলে খুলে যাওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। এটাই স্বতঃসিদ্ধ রীতি।
আল মুসতাদরাকু আলাস সহীহাইন গ্রন্থে আনাস বিন মালিক হতে মারফু সূত্রে বর্ণিত আছে যে,
لَا تَعْجِرُوا فِي الدُّعَاءِ فَإِنَّهُ لَا يَهْلِكُ مَعَ الدُّعَاءِ أَحَدٌ
“তোমরা দুআ করতে অক্ষম হয়োনা। কেননা, দুআ করে কেউ কখনো ধ্বংস হয় না।"

টিকাঃ
২৮. হুবহু এই বর্ণনাটির কোনো সনদ নেই। জামিউল উলুমি ওয়াল হিকাম: ১১৫৮। তাফসীরে ইবনে রজব হাম্বলি: ২/২৩২, সূরা মুমিনের ৬০ নং আয়াতের ব্যাখ্যায়। তবে শব্দের ভিন্নতায় একই মর্মাথ-বিশিষ্ট হাদিস পাওয়া যায়। কিন্তু তাও দুর্বল। হাদিসটি নিম্নরূপ: إِنَّ الْعَبْدَ يَدْعُو اللَّهَ، وَهُوَ يُحِبُّهُ فَيَقُولُ اللهُ - عَزَّ وَجَلَّ: يَا جِبْرِيلُ، اقْضِ لِعَبْدِي هَذَا حَاجَتَهُ وَأَخْرُهَا: فَإِنِّي أُحِبُّ أَنْ أَسْمَعَ صَوْتَهُ মজমাউজ জাওয়াইদ: ১০/১৫১, হাদিস নং: ১৭২২৪; আল মুজামুল আওসাত লিত তাবরানী: ৮/২১৬, হাদিস নং: ৮৪৪২। জাবির বিন আব্দুল্লাহ হতে।
২৯. সূরা আরাফ, ৭:৫৬
৩০. আল মুসতাদরাকু আলাস সহীহাইন: ১৮১৮; সহীহ ইবনু হিব্বان: ৮৭১। দুই দুটি সহীহ কিতাবে উল্লেখ থাকলেও হাদিসটির একজন বর্ণনাকারী উমর বা আমর বিন মুহাম্মাদকে মুহাদ্দিসগণের মধ্যে ব্যাপক ধোঁয়াশা ও আপত্তি রয়েছে। এ কারণে হাদিসটি মুহাদ্দিসগণের মতে খুবই দুর্বল। দ্রষ্টব্য, তাহযীবুত তাহযীব: ৭/৪৬৪-৪৬৫, ব্যক্তি নং: ৭৭৩

📘 মাগফিরাতের পথ ও পাথেয় 📄 গুনাহের জন্য মাগফিরাতের দুআকারী বান্দার অবশ্যকর্তব্য

📄 গুনাহের জন্য মাগফিরাতের দুআকারী বান্দার অবশ্যকর্তব্য


যে ব্যক্তি নিজের গুনাহের মাগফিরাতের জন্য মহান আল্লাহ গফুরুর রহীমের দরবারে হাত তুলবে, তার জন্য অবশ্যকর্তব্য হলো বিভীষিকাময় জাহান্নাম হতে আশ্রয় প্রার্থনা করা এবং চিরস্থায়ী শান্তি ও সুখের নিআমাতে পূর্ণ জান্নাত কামনা করা। সুনানে আবু দাউদে এসেছে, কোনো এক সাহাবী বলেন,
قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِرَجُلٍ: كَيْفَ تَقُولُ فِي الصَّلَاةِ، قَالَ: أَتَشَهَدُ وَأَقُولُ: اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ أَمَا إِنِّي لَا أُحْسِنُ دَنْدَنَتَكَ وَلَا دَنْدَنَةً مُعَاذٍ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «حَوْلَهَا نُدَنْدِنُ».
“নবীজি এক ব্যক্তিকে বলেন, তুমি শেষ বৈঠকে কী ধরনের দুআ পাঠ করে থাকো? লোকটি বললেন, আমি তাশাহহুদ পড়ে থাকি, অতঃপর বলি, 'اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْجَنَّةَ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنَ النَّارِ হে আল্লাহ, আমি আপনার নিকট জান্নাত কামনা করি এবং জাহান্নাম হতে আশ্রয় প্রার্থনা করি'। কিন্তু আমি আপনার ও মুআয -এর অস্পষ্ট শব্দ বুঝতে সক্ষম হই না। নবীজি বলেন, আমিও বেহেশত ও দোযখের আশেপাশে ঘুরে থাকি, দুআয় লিপ্ত থাকি। "
আবু মুসলিম খাওলানী বলেন,
مَا عُرِضَتْ لِي دَعْوَةً فَذَكَرْتُ النَّارَ إِلَّا صَرَفْتُهَا إِلَى الاسْتِعَاذَةِ مِنْهَا
"দুআতে জাহান্নামের কথা উল্লেখ করলেই আমি তা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করে থাকি।”

টিকাঃ
৩১. সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং: ৭৯২। সনদ সহীহ বিশ শাওয়াহিদ। অধ্যায়: ২, নামায। অনুচ্ছেদ: ১৩৪, নামায সংক্ষিপ্ত করা。
৩২. হিদায়াতুল ওয়িলদান শরহু ওয়াসায়া লুকমান: ৯৬; আল ওয়াফী ফি শরহি আরবাঈনান নববী: ৩৭২

📘 মাগফিরাতের পথ ও পাথেয় 📄 কখনো কখনো দুআ কবুল না হওয়ার কারণ

📄 কখনো কখনো দুআ কবুল না হওয়ার কারণ


কখনো এমন হয় যে বান্দা আল্লাহ রব্বুল আলামীনের দরবারে পার্থিব কোনো বিষয়ে দুআ করে কিন্তু তা কবুল হয় না। এতে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। সামান্য ইহকালীন চাহিদা পূরণ না করে এর চেয়ে ভালো ও কল্যাণকর কিছু যদি আল্লাহ তাআলা দান করেন। তবে তা সেই পাক জাতের বিশেষ রহমতই বলতে হবে। আল্লাহ বাহ্যিকভাবে দুআ কবুল না করলেও বিনিময়ে কিছু দান করেন। যেমন:
১. দুআকারীর ওপর হতে অকল্যাণ বা বিপদাপদ দূর করে দেন।
২. দুআর বিনিময়ে আখিরাতে তাকে রক্ষা করেন।
৩. দুআকারীর গুনাহ মাফ করে দেন।
জাবির বিন আব্দুল্লাহ রাসূলুল্লাহ ﷺ এর ইরশাদ নকল করেন, তিনি বলেন,
مَا مِنْ أَحَدٍ يَدْعُو بِدُعَاءِ إِلَّا آتَاهُ اللهُ مَا سَأَلَ أَوْ كَفَّ عَنْهُ مِنَ السُّوءِ مِثْلَهُ، مَا لَمْ يَدْعُ بِإِثْمٍ أَوْ قَطِيعَةِ رَحِمٍ
“কোনো ব্যক্তি যখন দুআ করে আল্লাহ তাআলা তাকে তা দান করেন কিংবা তার বিনিময়ে তার ওপর হতে কোনো অকল্যাণ প্রতিহত করেন, যতক্ষণ পর্যন্ত সে কোনো গুনাহের কাজে লিপ্ত হওয়ার বা আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করার জন্য দুআ না করে।”
মুসনাদে আহমাদ ও আল মুসতাদরাকু আলাস সহীহাইন গ্রন্থদ্বয়ে আবু সাঈদ খুদরী রাসূলুল্লাহ-এর ইরশাদ নকল করেন, তিনি বলেন,
مَا مِنْ مُسْلِمٍ يَدْعُو بِدَعْوَةٍ لَيْسَ فِيهَا إِثْمٌ، وَلَا قَطِيعَةُ رَحِمٍ، إِلَّا أَعْطَاهُ اللهُ بِهَا إِحْدَى ثَلَاثٍ: إِمَّا أَنْ يُعَجِّلَ لَهُ دَعْوَتَهُ، وَإِمَّا يَدَّخِرَهَا لَهُ فِي الْآخِرَةِ، وَإِمَّا أَنْ يَكْشِفَ عَنْهُ السُّوءَ بِمِثْلِهَا ، قَالُوا: إِذًا نُكْثِرُ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ: اللهُ أَكْثَرُ.
“কোনো বান্দা যখন গুনাহ ও আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন ব্যতীত অন্য কোনো বিষয়ে দুআ করে, আল্লাহ তাআলা তাকে (দুআর বিনিময়ে) তিনটি বিষয়ের যেকোনো একটি দান করেন।
১. দ্রুত তার দুআ কবুল করবেন।
২. আখিরাতে এর বিনিময় দান করবেন। অথবা
৩. দুআর সমপরিমাণ অকল্যাণ হতে তাকে নিরাপদ রাখবেন।
সাহাবায়ে কেরام ﷇ আরজ করলেন, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমরা যদি বেশি বেশি দুআ করি?’ রাসূল ﷺ বললেন, ‘আল্লাহ সবচেয়ে বেশি দিতে পারেন।”
ইমাম তাবরানী তার মুজামুল আওসাত লিত-তাবরানী গ্রন্থে যে বর্ণনা এনেছেন তাতে বিপদমুক্তির পরিবর্তে গুনাহ মাফের কথা রয়েছে। বলা হয়েছে, 'إِمَّا أَنْ يَغْفِرَ لَهُ بِهَا ذِنْبًا قَدْ سَلَفَ' অথবা তার পূর্বের গুনাহ মাফ করে দেবেন।
ইমাম তিরমিযি � তার সুনানে তিরমিযিতে উবাদাহ ইবনু সামিত � এর একই অর্থবিশিষ্ট হাদিস বর্ণনা করেছেন।

টিকাঃ
৩০. সুনানে তিরমিযি, হাদিস নং: ৩৩৮১। সনদ হাসান। অধ্যায় ৪৫, দুআ। অনুচ্ছেদ: ৯, মুসলমানের দুআ কবুল হয়। মুসনাদে আহমাদ, হাদিস নং: ১৪৮৭৯
৩৪. মুসান্নাফু ইবনি আবী শাইবা: ২৯১৭০। গ্রন্থকার মূল গ্রন্থে উল্লেখিত মুসনাদে আহমাদ ও মুসতাদরাকু হাকিমের নাম উল্লেখ করে যে মতন তুলে ধরেছেন তা উভয় কিতাবের কোনোটিতেই নেই। এই মতন রয়েছে মুসান্নাফু ইবনে আবী শাইবাতে। উল্লেখিত গ্রন্থদ্বয়ের বর্ণনাটি নিম্নরূপ:
مَا مِنْ مُسْلِمٍ يَدْعُو اللَّهَ بِدَعْوَةٍ لَيْسَ فِيهَا مَأْتَمُ، وَلَا قَطِيعَةُ رَحِمٍ إِلَّا أَعْطَاهُ إِحْدَى ثَلَاثٍ: إِمَّا أَنْ يَسْتَجِيبَ لَهُ دَعْوَتَهُ أَوْ يَصْرِفَ عَنْهُ مِنَ السُّوءِ مِثْلَهَا، أَوْ يَدَّخِرَ لَهُ مِنَ الْأَجْرِ مِثْلَهَا ». قَالُوا : يَا رَسُولَ اللهِ، إِذَا نُكْثِرُ. قَالَ: «اللَّهُ أَكْثَرُ هَذَا حَدِيثُ صَحِيحُ الْإِسْنَادِ إِلَّا أَنَّ الشَّيْخَيْنِ لَمْ يُخَرِّجَاهُ عَنْ عَلِيِّ بْنِ عَلِيَّ الرِّفَاعِيَّ
মুসনাদে আহমাদ, হাদিস নং: ১১১৩৩; আল মুসতাদরাকু আলাস সহীহাইন: ১৮১৬, সনদ সহীহ。
৩৫. মুজামুল আওসাত লিত-তাবরানী: ৪/৩৩৭। হাদিস নং: ৪৩৬৮。
৩৬. সুনানে তিরমিযি, হাদিস নং: ৩৩৭৫। সনদ হাসান সহীহ। অধ্যায়: ৪৫, দুআ। অনুচ্ছেদ: ১১৬, সুদিনের অপেক্ষা।

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية