📄 গুনাহের সাথে সম্পৃক্ততার বিচারে সবরের প্রকারভেদ
সবর তিন প্রকার : ১. নেক আমলের ওপর অবিচল থাকার যে কষ্ট, তার ওপর সবর করা, ২. আল্লাহর নাফরমানি থেকে বেঁচে থাকার যে কষ্ট, তার ওপর সবর করা এবং ৩. আল্লাহর দেওয়া পরীক্ষা অর্থাৎ বিভিন্ন বিপদাপদের যে কষ্ট, তার ওপর সবর করা।
প্রথম দুটি হলো: বান্দার কাজকর্মের সাথে সম্পর্কিত বিষয়াদির ওপর সবর। আর তৃতীয়টি হলো: এমন বিষয়ের ওপর সবর, বান্দার কাজকর্মের সাথে যার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
আমি শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যা -কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, 'মিশরের বাদশাহর স্ত্রীর খারাপ প্ররোচনার ওপর ইউসুফ যে সবর করেছিলেন, তা সেই সবরের তুলনায় অনেক বেশি পরিপূর্ণ ছিল, যে সবর তিনি করেছিলেন তার ভাইয়েরা তাকে কূপে নিক্ষেপ করার সময়, এরপর তাকে বিক্রয় করা ও তার পিতা থেকে তাকে বিচ্ছিন্ন করার সময়। কারণ এই সবগুলো হয়েছিল তার অনিচ্ছায়, সেখানে তার কিছুই করার ছিল না, এ রকম পরিস্থিতিতে বান্দার ধৈর্য ধরা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকে না।
কিন্তু ফাহিশা বা খারাপ কাজটিতে জড়িয়ে পড়া থেকে তার সবর করা ছিল স্বেচ্ছায়, সন্তুষ্টচিত্তে এবং নফসের সাথে যুদ্ধ করার সবর। বিশেষ করে এমন সব উপকরণ বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও, যা ছিল ওই পাপ কাজে লিপ্ত হওয়ার শক্তিশালী কারণ। যেমন তিনি ছিলেন যুবক; এ সময়টায় যৌবনের তাড়না থাকে যথেষ্ট প্রবল। তিনি ছিলেন অবিবাহিত; ফলে জৈবিক চাহিদা ও কামবাসনা পূরণের বিকল্প কোনো পথও ছিল না। তিনি ছিলেন প্রবাসী; আর প্রবাসীরা অপরিচিতদের ভিড়ে কোনো কাজ করতে তেমন লজ্জা অনুভব করে না, যেমনটি অনুভব করে নিজ দেশে পরিচিত ও আপনজনদের মাঝে থাকাবস্থায়। তিনি ছিলেন গোলাম; আর গোলামের কাজে স্বাধীন মানুষের মতো তেমন বেশি প্রতিবন্ধকতা থাকে না। নারীটিও ছিল বেশ সুন্দরী, উঁচু বংশের, তার মনিব, আবার সেখানে কোনো পর্যবেক্ষণকারীও ছিল না, সেই নারী নিজেই তাকে সে কাজে আহ্বান করেছে, সে ব্যাপারে ওই নারী ছিল প্রচণ্ড আগ্রহী, এতকিছু সত্ত্বেও তিনি যদি সে পাপ কাজে সাড়া না দেন, তাহলে তাকে বন্দি করা ও লাঞ্ছিত করার হুমকি দিয়েছিল বাদশাহর সেই স্ত্রী। কিন্তু ইউসুফ এত সব আয়োজন থাকা সত্ত্বেও নিজ ইচ্ছায় এবং আল্লাহর নিকট যা আছে, সেগুলোকে প্রাধান্য দিয়ে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন। এই সবরের সাথে তার সেই সবরের কী কোনো তুলনা হয়, যা তিনি কূপে নিক্ষিপ্ত হবার সময় করেছিলেন, যাতে তার কোনো অন্য উপায় ছিল না?!'
তিনি আরও বলেছেন, 'নেককাজ আদায় করার যে কষ্ট, তার ওপর সবর করা, গুনাহ থেকে বেঁচে থাকার যে কষ্ট, তার ওপর সবর করার চেয়ে অধিক পরিপূর্ণ ও উত্তম। কারণ নেককাজ করার উপকারিতা, গুনাহ পরিত্যাগ করার উপকারিতার তুলনায় শারীআত প্রণেতার নিকট অধিক প্রিয়। এমনিভাবে গুনাহে লিপ্ত হওয়ার ক্ষতির তুলনায় নেককাজ না করার ক্ষতি তাঁর নিকট বেশি অপছন্দনীয়।'
📄 আল্লাহর সাথে সম্পৃক্ততার বিচারে সবরের প্রকারভেদ
এ ক্ষেত্রেও সবর তিন প্রকার:
১. আল্লাহর তাওফীকে সবর, ২. আল্লাহর জন্য সবর এবং ৩. আল্লাহর সাথে সবর।
১. আল্লাহর তাওফীকে সবর: এটি হলো আল্লাহ তাআলার নিকট সবরের প্রার্থনা করা এবং এই দৃষ্টিভঙ্গি রাখা যে, আল্লাহ তাআলাই সবর দানকারী এবং বান্দার সবর কেবল তাঁরই দান, এতে তার নিজের কোনো অর্জন নেই। যেমন আল্লাহ তাআলা বলেছেন,
وَاصْبِرْ وَمَا صَبْرُكَ إِلَّا بِاللَّهِ “সবর অবলম্বন করো আর তোমার এ সবর কেবল আল্লাহরই দান।” [৪৬২]
অর্থাৎ আল্লাহ যদি সবরের তাওফীক না দিতেন, তা হলে আপনি সবরের গুণে গুণান্বিত হতে পারতেন না।
২. আল্লাহর জন্য সবর: এ ক্ষেত্রে ধৈর্য ধারণের উদ্দেশ্য হবে আল্লাহ তাআলার মহব্বত, সন্তুষ্টি ও নৈকট্যলাভ। নিজের নফসের শক্তি প্রকাশ, মানুষের প্রশংসা লাভ বা অন্য কোনো উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য নয়।
৩. আল্লাহর সাথে সবর : বান্দা দ্বীনের ক্ষেত্রে কেবল আল্লাহ তাআলার চাওয়া ও তাঁর হুকুম-আহকামের সাথেই আবর্তিত হবে। তা তাকে সবর করতে বললে সে সবর করবে, চলতে বললে চলবে, থামতে বললে থামবে, যেদিকে নিয়ে যাবে সেদিকেই যাবে আর যেখানে অবতরণ করাবে সেখানেই অবতরণ করবে।
সুতরাং এটিই হলো 'আল্লাহর সাথে সবর করা'র অর্থ। অর্থাৎ বান্দা নিজেকে আল্লাহ তাআলার হুকুম ও মহব্বতের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িয়ে রাখবে। এটি সবরের সবচেয়ে কষ্টসাধ্য ও কঠিন প্রকার। এটি হলো সিদ্দীকের মর্যাদায় উত্তীর্ণ ব্যক্তিদের সবর।
সঠিক অভিমত হলো: আল্লাহর জন্য সবর হলো আল্লাহর তাওফীকে সবরের তুলনায় শ্রেষ্ঠ ও বেশি মর্যাদাপূর্ণ। এর একটি কারণ হচ্ছে, আল্লাহর জন্য সবর হলো: তাঁর ইলাহিয়্যাত বা ইবাদাতসংক্রান্ত বিষয়াদির সাথে সম্পর্কিত এবং আল্লাহর তাওফীকে সবর হলো: তাঁর রুবুবিয়্যাত বা পরিচালনাগত বিষয়াদির সাথে সম্পর্কিত। আর তাঁর ইলাহিয়্যাতের সাথে সম্পর্কিত বিষয়াদি তাঁর রুবুবিয়্যাতের সাথে সম্পর্কিত বিষয়াদির তুলনায় অধিক পরিপূর্ণ ও মহত্তর।
আরেকটি কারণ : আল্লাহর জন্য সবর করা হলো ইবাদাত আর আল্লাহর তাওফীকে সবর করা হলো সাহায্য প্রার্থনা। ইবাদাত হলো উদ্দেশ্য আর সাহায্য প্রার্থনা করা হলো মাধ্যম। সুতরাং মাধ্যমের তুলনায় উদ্দেশ্যই হয় প্রত্যাশিত ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
আরেকটি কারণ : আল্লাহর তাওফীকে সবর করা এতে মুমিন-কাফির, সৎ-অসৎ সবাই অন্তর্ভুক্ত। আসলে যে-ই গভীরভাবে আল্লাহ তাআলার সৃষ্টিজগতের প্রকৃত অবস্থা প্রত্যক্ষ করে, সে-ই আল্লাহর নিকট সবরের তাওফীক চায়। আর আল্লাহর জন্য সবর হলো নবি, রাসূল, সিদ্দীক এবং إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ -এর গুণে গুণান্বিত ব্যক্তির মানযিল।
আরেকটি কারণ: আল্লাহর জন্য সবর কেবল সেসব ক্ষেত্রেই হয়ে থাকে; যা আল্লাহর হক, পছন্দনীয় এবং সন্তুষ্টিজনক। পক্ষান্তরে আল্লাহর তাওফীকে সবর কখনো তাঁর পছন্দনীয় ক্ষেত্রে হয়ে থাকে আবার কখনো তার অপছন্দনীয় ও ঘৃণিত ক্ষেত্রেও হয়ে থাকে। এ জন্য এই সবর দুইয়ের মধ্যে রয়েছে অনেক ব্যবধান!
এ কারণে নূহ, ইবরাহীম, মূসা ও ঈসা আল্লাহ তাআলার দ্বীনের জন্য স্বেচ্ছায় ও স্বপ্রণোদিত হয়ে যে সবর করেছিলেন, তা আইয়্যুব -এর সবরের চেয়ে পরিপূর্ণ ছিল। কারণ আইয়্যুব যে কষ্ট ও বিপদাপদের মধ্যে পড়েছিলেন, তা তার ইচ্ছাধীন ছিল না এবং তাতে তার কর্মেরও কোনো প্রভাব ছিল না।
এমনিভাবে ইসমাঈল যবীহ ও তাঁর পিতা ইবরাহীম আল্লাহর তাআলার হুকুম বাস্তবায়ন করতে গিয়ে যে সবর করেছিলেন, তা ইয়া'কূব তাঁর ছেলে ইউসুফ -কে হারিয়ে যে সবর করেছিলেন তার তুলনায় পূর্ণাঙ্গ ছিল।
ওপরের আলোচনার মাধ্যমে আপনি জানতে পারলেন যে, আল্লাহর জন্য সবর করা, আল্লাহর তাওফীকে সবরের চেয়ে পরিপূর্ণ। এমনিভাবে আল্লাহর আনুগত্য করা ও তাঁর অবাধ্যতা থেকে বেঁচে থাকার ওপর সবর করা, আল্লাহর তাকদীরি ফায়সালা ও পরীক্ষার ওপর সবর করার চেয়ে পরিপূর্ণ। আল্লাহ তাআলাই সাহায্য-লাভের একমাত্র উৎস, ভরসা করতে হবে কেবল তাঁরই ওপর, মহামহিম আল্লাহ ছাড়া না আছে কারও কোনো শক্তি, আর না আছে কোনো সামর্থ্য।
টিকাঃ
[৪৬২] সূরা নাহল, ১৬: ১২৭।
📄 আল্লাহর নিকট অভিযোগ করা সবর-পরিপন্থি নয়
আল্লাহ তাআলার নিকট অভিযোগ করা সবরের পরিপন্থি কিছু নয়। কারণ ইয়া'কূব উত্তম সবর (الصَّبْرُ الجَمِيلُ)-এর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, আর নবিগণ কোনো প্রতিশ্রুতি দিলে তা ভঙ্গ করেন না, এরপরেও তিনি বলেছিলেন,
إِنَّمَا أَشْكُوْ بَنِي وَحُزْنِي إِلَى اللَّهِ "আমি আমার অসহ্য যন্ত্রণা ও দুঃখের ব্যাপারে কেবল আল্লাহর নিকটই ফরিয়াদ করছি।”[৪৬৩]
এমনিভাবে আল্লাহ তাআলা আইয়্যুব -এর ব্যাপারে জানিয়ে দিয়েছেন যে, তিনি তাকে ধৈর্যশীল পেয়েছেন। এ সত্ত্বেও আইয়্যুব বলেছিলেন,
أَنِّي مَسَّنِيَ الضُّرُّ وَأَنْتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ "আমি রোগাক্রান্ত হয়েছি; অথচ তুমি করুণাকারীদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ করুণাকারী। ” [৪৬৪]
আসলে সবর-পরিপন্থি হলো আল্লাহর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা এবং আল্লাহর নামে অভিযোগ করা। আল্লাহর কাছে অভিযোগ করা নয়। যেমন পূর্ববর্তী মনীষীদের কেউ এক ব্যক্তিকে দেখলেন, নিজের অভাব-অনটনের ব্যাপারে আরেকজনের কাছে অভিযোগ করছে। তখন তিনি তাকে বললেন, 'হে অমুক, যে তোমার ওপর দয়া- অনুগ্রহ করে, তাঁর নামে এমন ব্যক্তির কাছে অভিযোগ করছো, যে তোমার ওপর সামান্যতম দয়া-অনুগ্রহও করে না? এরপর তিনি আবৃত্তি করেন,
وَإِذَا عَرَتْكَ بَلِيَّةٌ فَاصْبِرْ لَهَا ... صَبْرَ الْكَرِيمِ فَإِنَّهُ بِكَ أَعْلَمُ وَإِذَا شَكَوْتَ إِلَى ابْنِ آدَمَ إِنَّمَا ... تَشْكُو الرَّحِيمَ إِلَى الَّذِينَ لَا يَرْحَمُ
তোমার কাছে বিপদাপদ এলে সবর কোরো ভদ্রমতো; কারণ তোমার ব্যাপারে আল্লাহ আছেন অধিক জ্ঞাত। তুমি আদম-সন্তানের কাছে অভিযোগ করছো—এর অর্থ যে দয়া করে না তার কাছে দয়ালুর নামে নালিশ অবিরত।
টিকাঃ
[৪৬৩] সূরা ইউসুফ, ১২: ৮৬।
[৪৬৪] সূরা আম্বিয়া, ২১:৮৩।
📄 সবর এবং মহাব্বত
মহাব্বত বা আল্লাহকে ভালোবাসার পথে সবর হলো সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকরী মানযিল। মহাব্বতকারীরা একেই আঁকড়ে ধরে। তারা অন্য সব মানযিলের চেয়ে এর প্রতি বেশি মুখাপেক্ষী থাকে। এটি হলো তাওহীদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে প্রজ্ঞাময় ও সুস্পষ্ট মানযিল। মহাব্বতকারীর জন্য এর প্রয়োজনীয়তা অত্যাবশ্যক।
যদি প্রশ্ন করা হয় : মহাব্বতকারীদের জন্য কীভাবে সবরের প্রয়োজন অনেক বেশি?
উত্তরে বলা হবে : সবরই হলো সেই রহস্য, যার কারণে এটি মহাব্বতের পথে সবচেয়ে শক্তিশালী মানযিল। সবরের মাধ্যমেই মহাব্বতের বিষয়ে খাঁটি ও ভেজালের মধ্যে পার্থক্য রচিত হবে, জানা যাবে কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা। কারণ প্রিয় মানুষের পছন্দ ও অপছন্দের ক্ষেত্রে কষ্টকর বিষয়ে সবর করার শক্তির মাধ্যমেই প্রমাণ হবে মহাব্বতের বিশুদ্ধতা।
এখানে এসেই বোঝা যায় যে, অধিকাংশ মানুষের মহাব্বত মিথ্যা ছিল। কারণ প্রত্যেকেই আল্লাহর মহাব্বতের দাবি করে, কিন্তু কষ্টকর কোনো বিপদাপদ দিয়ে পরীক্ষা করার সময় তারা প্রকৃত মহাব্বত থেকে বেরিয়ে যায়। তখন তাতে কেবল ধৈর্যশীল ব্যক্তিরাই টিকে থাকে। যদি দুঃখ-কষ্ট ও ব্যথা-বেদনার মধ্য দিয়ে যেতে না হতো, তা হলে তাদের মহাব্বতের বিশুদ্ধতা প্রমাণিত হতো না। এগুলোর দ্বারাই পরিষ্কার হয়ে যায় যে, সেই ব্যক্তিই মহাব্বতের দাবিতে সবচেয়ে খাঁটি, যার সবর থাকে সবচেয়ে কঠিন।
এ কারণেই আল্লাহ তাআলা তাঁর সবচেয়ে প্রিয় ও বিশেষ বিশেষ বান্দাদের সবরের গুণে গুণান্বিত করেছেন। তিনি তাঁর পছন্দনীয় বান্দা আইয়্যুব সম্পর্কে বলেছেন,
إِنَّا وَجَدْنَاهُ صَابِرًا "আমি তাঁকে ধৈর্যশীল পেয়েছি।”[৪৬৫]
এরপর তাঁর প্রশংসা করে বলেছেন,
نِعْمَ الْعَبْدُ إِنَّهُ أَوَّابٌ "উত্তম বান্দা ছিল সে, নিজের রবের অভিমুখী।”[৪৬৬]
আল্লাহ তাআলা সবরের মাহাত্ম্যের কারণে তাঁর সবচেয়ে প্রিয় বান্দাদের সবর করার আদেশ দিয়েছেন। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন যে, তাদের সবর হলো আল্লাহর তাওফীকেই এবং তাঁরই সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে। তিনি সবরকারীদের উত্তম প্রশংসা করেছেন। অন্য আমলকারীদের সাওয়াব করেছেন গণনাযোগ্য আর সবরকারীদের সাওয়াব করেছেন বেহিসাব। সবরকে ইসলাম, ঈমান, ইহসান ইত্যাদির সাথে যুক্ত করেছেন; যেমন পূর্বে এর আলোচনা অতিবাহিত হয়েছে। ফলে তিনি সবরকে তাওয়াক্কুল, ইয়াকীন, ঈমান, আমল ও তাকওয়ার নিকটবর্তী করেছেন।
টিকাঃ
[৪৬৫] সূরা সাদ, ৩৮: ৪৪।
[৪৬৬] সূরা সাদ, ৩৮:৪৪।