📘 মাদারিজুস সালিকীন 📄 মানযিলসমূহের ক্রমবিন্যাসে লেখকের তরীকা

📄 মানযিলসমূহের ক্রমবিন্যাসে লেখকের তরীকা


আমাদের জন্য সর্বোত্তম হলো আমরা কুরআন-সুন্নাহয় বর্ণিত ইবাদাত ও দাসত্বের মানযিলগুলো উল্লেখ করব এবং এর সীমা ও স্তরের পরিচয় তুলে ধরব। কারণ সেগুলো সম্পর্কে জানা আল্লাহ তাআলা তাঁর রাসূলের ওপর যা কিছু নাযিল করেছেন, তার সীমারেখা সম্পর্কে জানাকে পূর্ণতা দান করে। আর যারা তা জানে না, আল্লাহ তাআলা তাদেরকে মূর্খতা ও নিফাকের দোষে দোষী করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন,
الْأَعْرَابُ أَشَدُّ كُفْرًا وَنِفَاقًا وَأَجْدَرُ أَلَّا يَعْلَمُوا حُدُودَ مَا أَنْزَلَ اللَّهُ عَلَى رَسُوْلِهِ
“বেদুইন আরবরা কুফরি ও মুনাফিকিতে অত্যন্ত কঠোর এবং আল্লাহ তাঁর রাসূলের প্রতি যা কিছু নাযিল করেছেন, তার সীমারেখা সম্পর্কে তাদের অজ্ঞ থাকার আশঙ্কাই বেশি।” [৪২]
সুতরাং প্রত্যেকের জন্য আবশ্যক হলো ইসলামের নির্ধারিত সীমারেখা সম্পর্কে গভীরভাবে জানা এবং খুব যত্নসহকারে তা পালন করা। তা হলে বান্দা এর মাধ্যমে তার ঈমানকে পরিপূর্ণ করে নেবে এবং সে إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ -এর গুণে গুণান্বিত বলে সাব্যস্ত হবে।
আমরা মানযিলসমূহের একটি ক্রমবিন্যাস উল্লেখ করব, তবে তা অপরিহার্য কোনো বিষয় নয়; বরং উত্তমতার ভিত্তিতে এবং বাহ্যিক অবস্থা অনুসারে তা উপস্থাপন করব। যাতে বিষয়টি উপলব্ধি করতে সুবিধা হয়, ভালোভাবে জানা যায় এবং সহজেই তা আয়ত্ত করা যায়।

টিকাঃ
[৪২] সূরা তাওবা, ৯: ৯৭।

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية