📄 যদি কোন অপরাধ করে ফেলেন
যখন আপনি মায়ের হকের ব্যাপারে কোন অপরাধ বা ত্রুটি করে ফেলেন, তাহলে তাঁর নিকট যে লোকটি খুব সম্মানিত, তাকে মধ্যস্থতাকারী বানান। যাতে করে মা আপনার ওযর গ্রহণ করেন এবং আপনার অপরাধ ক্ষমা করেন।
📄 তাঁর বার্ধক্য উপলব্ধি হয়
যখন মায়ের বয়স ভারি হয়ে যায়, তাঁর ক্ষেত্রে এমন কোন শব্দ বা উপাধি ব্যবহার করবেন না, যেটির কারণে তাঁর বার্ধক্য উপলব্ধি হয়। সুতরাং বৃদ্ধা, বয়স্কা, বুড়ি এ সব শব্দ তাঁকে কখনো দুঃচিন্তায় ফেলতে পারে, কখনো বা মনে আঘাত দিতে পারে।
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন- গোস্বার বহিঃপ্রকাশ প্রকৃত বীরত্ব নয়; গোস্বাকালে নিজেকে সংযত রাখাই প্রকৃত বীরত্ব। [সহীহ বুখারী]
📄 সরাসরি উপদেশ নয়
যখন আপনি আপনার পিতার সাথে মায়ের দাম্পত্য জীবনে মাকে এমন কোন হস্তক্ষেপ করতে দেখেন, যে হস্তক্ষেপের প্রতি আপনি সন্তুষ্ট নন, তাহলে মাকে সরাসরি উপদেশ দিবেন না। বরং সে বিষয়ে তাকে এমন কোন পন্থায় সতর্ক করুন যাতে তাঁর আত্মমর্যাদাবোধে আঘাত না লাগে।
📄 আপন জীবনে বাস্তবায়িত করুন
সব সময় মাকে রাজি-খুশী রাখার জন্য নতুন নতুন মাধ্যম নিয়ে ভাবুন। আপনার আশপাশের যে সকল লোক পিতা-মাতার অনুগত, তাদের বিভিন্ন অবস্থা নিয়ে চিন্তা করুন। তাদের চিন্তা-চেতনা ও ধ্যানধারণা লেখে রাখুন। আর মায়ের বেলায় তা আপন জীবনে বাস্তবায়িত করুন।