📄 মেয়েদের সতর্ক থাকা উচিত
মায়ের কিছু কিছু প্রয়োজনীয় বস্তু রয়েছে, যেগুলো সম্পর্কে ছেলেরা তেমন একটা জানে না। সুতরাং মেয়েদের জন্য উচিত তারা যেন এ সব বিষয়ে সতর্ক থাকে এবং মায়ের জন্য এগুলোর ব্যবস্থা করে。
সর্বোপরি মনে রাখতে হবে, কালের বিবর্তনে আমরাও এক সময় বার্ধক্যে উপনীত হব। আমাদের সঙ্গে বৃদ্ধাবস্থায় তেমন আচরণ করা হবে, যেমন আমরা আমাদের মা-বাবার সঙ্গে করব। অন্তত এই দিকটি বিবেচনায় রেখে আমাদের উচিত মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণ করা।
📄 খেলা-ধূলা করতে দিবেন না
পরিবারের লোকদের সাথে যখন সাক্ষাৎ করতে যাবেন, তখন আপনার ছেলে-মেয়েকে ঘরের আসবাব-পত্র নিয়ে খেলা-ধূলা করতে দিবেন না। কেননা, তাদের চলে আসার পর, মায়ের জন্য এগুলো পুনরায় সাজানোর প্রয়োজন হবে। এতে তিনি ক্লান্ত হয়ে যাবেন। এমনিভাবে লক্ষ্য রাখবেন, তারা যেন আসবাব-পত্র রাখার ফার্নিচার নষ্ট করতে না পারে। কারণ, এগুলো দিয়ে পুনরায় ঘর-বাড়ি সুসজ্জিত করতে মায়ের অনেক পরিশ্রম হবে। তাদের এরূপ উপদ্রুপ মাকে পীড়িত করবে এবং পেরেশান করে তোলবে। কিন্তু তিনি আপনার সুখ-শান্তির কথা বিবেচনা করে চুপ থাকবেন।
📄 অতি দ্রুত পদক্ষেপ নিন
আপনার ছেলে-মেয়ে যখন ঘরের কোন আসবাব-পত্র কিংবা মূল্যবান কোন বস্তু নষ্ট করতে থাকে, তখন এই বিঘ্নতামূলক কাজ বন্ধ করতে নিজ থেকেই অতি দ্রুত পদক্ষেপ নিন। কোনটা নষ্ট করে ফেললে তার চেয়ে আরো ভালটা এনে দিন।
📄 অসুস্থ অবস্থায় মানুষের মন-মেজাজ
অসুস্থ থাকা অবস্থায় মানুষের মন-মেজাজ পরিবর্তন হয়ে যায়। সুতরাং আমাদের জন্য উত্তম কাজ হবে অসুস্থ হলে মায়ের সাথে সাক্ষাৎ করতে যাওয়া এবং মন-মেজাজ ভাল রাখার ব্যাপারে তাঁকে সাহায্য করা। তবে তখন আমাদের সতর্ক থাকতে হবে যে, বাচ্চাদেরকে একত্র করে যেন মাকে বিরক্ত করে না তুলি এবং কষ্ট না দেই।