📄 মনমানসিকতা উপলব্ধির চেষ্টা করুন
মায়ের ব্যক্তিত্ব ও মনমানসিকতা উপলব্ধি করার চেষ্টা করুন এবং সেই অনুসারে তাঁর সাথে আচার-ব্যবহার করুন। তাঁর জীবনের গতি-বেধ বুঝে নিন এবং তাঁর সাথে তৎ উপযোগী মোয়ামেলা করুন। তাঁর আগ্রহ ও রুচি জেনে নিন এবং তাঁকে সেগুলো বেশী বেশী প্রদান করুন। আপনি আপনার মার জীবনের সকল স্তরকে উত্তমরূপে বুঝুন। বয়স অনুযায়ী তাঁর সঙ্গে সদাচার অবলম্বন করুন।
📄 মেয়েদের জন্য উচিত নয়
মেয়েদের জন্য দাম্পত্য জীবন নিয়ে ব্যাতি-ব্যস্ত হয়ে মায়ের ব্যাপারে উদাসিন ও বে-খবর হওয়া উচিত নয়। স্বামীর বন্ধন এবং সংসারকে তারা যেন মায়ের সেবা-যত্নের উপর প্রাধান্য না দেয়। যদিও অধিকাংশ সময় ছেলেরা মায়ের পাশে থাকে, তবুও মায়ের মনে মেয়েদের জন্য ভিন্ন ধরনের একটা টান ও অবস্থান থাকে। যে সব বিষয়ে মায়ের মনে খটকা লাগে, সে সব বিষয়ে মেয়েরাই তো তাঁর পরামর্শের পাত্র।
📄 মেয়েদের সতর্ক থাকা উচিত
মায়ের কিছু কিছু প্রয়োজনীয় বস্তু রয়েছে, যেগুলো সম্পর্কে ছেলেরা তেমন একটা জানে না। সুতরাং মেয়েদের জন্য উচিত তারা যেন এ সব বিষয়ে সতর্ক থাকে এবং মায়ের জন্য এগুলোর ব্যবস্থা করে。
সর্বোপরি মনে রাখতে হবে, কালের বিবর্তনে আমরাও এক সময় বার্ধক্যে উপনীত হব। আমাদের সঙ্গে বৃদ্ধাবস্থায় তেমন আচরণ করা হবে, যেমন আমরা আমাদের মা-বাবার সঙ্গে করব। অন্তত এই দিকটি বিবেচনায় রেখে আমাদের উচিত মা-বাবার সঙ্গে সদাচরণ করা।
📄 খেলা-ধূলা করতে দিবেন না
পরিবারের লোকদের সাথে যখন সাক্ষাৎ করতে যাবেন, তখন আপনার ছেলে-মেয়েকে ঘরের আসবাব-পত্র নিয়ে খেলা-ধূলা করতে দিবেন না। কেননা, তাদের চলে আসার পর, মায়ের জন্য এগুলো পুনরায় সাজানোর প্রয়োজন হবে। এতে তিনি ক্লান্ত হয়ে যাবেন। এমনিভাবে লক্ষ্য রাখবেন, তারা যেন আসবাব-পত্র রাখার ফার্নিচার নষ্ট করতে না পারে। কারণ, এগুলো দিয়ে পুনরায় ঘর-বাড়ি সুসজ্জিত করতে মায়ের অনেক পরিশ্রম হবে। তাদের এরূপ উপদ্রুপ মাকে পীড়িত করবে এবং পেরেশান করে তোলবে। কিন্তু তিনি আপনার সুখ-শান্তির কথা বিবেচনা করে চুপ থাকবেন।