📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 আপনি যদি সেই শহরেই থাকেন

📄 আপনি যদি সেই শহরেই থাকেন


যে শহরে আপনার মায়ের বসবাস, আপনি যদি সেই শহরেই থাকেন, তবে আপনার মাঝে এবং তাঁর মাঝে দূরত্ব থাকে, তাহলে যথাসম্ভব তাঁর বাসস্থানের নিকটে থাকুন। এতে করে তাঁর খেদমতের সুযোগ হবে এবং তাঁর সাথে যোগাযোগ করা অনেক সহজ হবে।

📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 যদি অন্য কোন শহরে কাজ করেন

📄 যদি অন্য কোন শহরে কাজ করেন


আপনি যদি অন্য কোন শহরে কাজ করেন, যখনই সুবর্ণ সুযোগ পান, মায়ের সাথে যোগাযোগ করুন। এ ক্ষেত্রে বিলম্ব করবেন না। কেননা মা তো আপনার জন্য বহু কষ্ট সহ্য করেন এবং আপনার শান্তি লাভের পথ নিয়ে চিন্তিত থাকেন। সুতরাং বেশী বিলম্ব করবেন না; তাঁকে আপনার সাক্ষাতের মাধ্যমে প্রশান্তি লাভ করতে দিন।

📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 শুধু একাই সাক্ষাৎ করলে যথেষ্ট হবে না

📄 শুধু একাই সাক্ষাৎ করলে যথেষ্ট হবে না


যদি আপনি ভিন্ন শহরে থাকেন, তাহলে শুধু আপনি একাই মায়ের সাথে সাক্ষাৎ করতে গেলে হবে না। সন্তানের সন্তানেরাও সন্তান তুল্য। তাই আপনার ছেলে-মেয়ে ও স্ত্রীকেও সাথে সাথে নিয়ে যাবেন। যাতে করে আপনার মায়ের সাথে তাদের যথোপযুক্ত সম্পর্ক সৃষ্টি হয়। সেই সাথে তিনি যেন তাদেরকে দেখে পুলক অনুভব করতে পারেন, যাদেরকে নিয়ে তিনি একদিন স্বপ্ন দেখতেন。

আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন- 'নিশ্চয় যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্য দয়াময় আল্লাহ অবশ্যই ভালোবাসা সৃষ্টি করবেন।' [সূরা মারইয়াম : ৯৬]

'যে কোনো ঈমানদার পুরুষ কিংবা মহিলা নেক আমল করে, আমি তাকে অবশ্যই পবিত্র জীবন যাপন করাব এবং তাদেরকে তাদের কর্মের শ্রেষ্ঠ পুরস্কার দান করব।' [সূরা নাহল : ৯৭]

জনৈক মনীষী বলেছেন- পিতা-মাতার প্রতি সদাচরণ একটি রচনা, যা লিখছেন আপনি বর্ণনা করবে আপনার সন্তান।

📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 নফস ও প্রবৃত্তির বিরোধিতা

📄 নফস ও প্রবৃত্তির বিরোধিতা


বহু বিষয়ে নিজের নফস ও প্রবৃত্তির বিরোধিতা করুন। নিজের মায়ের নির্দেশ, ডাক এবং চাহিদাকে প্রাধান্য দিন। যদি তিনি তা প্রকাশ নাও করেন, তবুও। কেননা, পূর্ণ খেদমত ও সদ্ব্যবহার তো হচ্ছে কোনরূপ বলা ছাড়াই মায়ের স্বপ্ন ও চাহিদা পূরণ করা।

উত্তম আচরণ বরকত ও সৌভাগ্যের কারণ। মন্দ আচরণ দুঃখ-দুর্দশা ও দুর্ভাগ্যের কারণ। একটি হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন- ‘উত্তম আচরণের মাধ্যমে মানুষ সেই ব্যক্তির মর্যাদা লাভ করতে পারে, যে সারা দিন নফল রোযা ও সারা রাত নফল নামায আদায় করে।’ আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন- 'তুমি অবশ্যই মহান চরিত্রের অধিকারী।' [সূরা ক্বলাম : ৪]

ফন্ট সাইজ
15px
17px