📄 আওয়াজ উঁচু করবেন না
মায়ের নিকট আওয়াজ উঁচু করবেন না; বরং নিচু ও বিনম্র রাখুন। তাঁকে ডাকার সময় এবং তাঁর খেদমতকালে সহানুভূতিশীল হোন। এক হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেছেন- 'রাগ করো না, রাগ করো না, রাগ করো না।' এই হাদীসের এক অংশে আছে- 'রাগ হল আগুনের একটি অঙ্গার।'
📄 আপনি যদি সেই শহরেই থাকেন
যে শহরে আপনার মায়ের বসবাস, আপনি যদি সেই শহরেই থাকেন, তবে আপনার মাঝে এবং তাঁর মাঝে দূরত্ব থাকে, তাহলে যথাসম্ভব তাঁর বাসস্থানের নিকটে থাকুন। এতে করে তাঁর খেদমতের সুযোগ হবে এবং তাঁর সাথে যোগাযোগ করা অনেক সহজ হবে।
📄 যদি অন্য কোন শহরে কাজ করেন
আপনি যদি অন্য কোন শহরে কাজ করেন, যখনই সুবর্ণ সুযোগ পান, মায়ের সাথে যোগাযোগ করুন। এ ক্ষেত্রে বিলম্ব করবেন না। কেননা মা তো আপনার জন্য বহু কষ্ট সহ্য করেন এবং আপনার শান্তি লাভের পথ নিয়ে চিন্তিত থাকেন। সুতরাং বেশী বিলম্ব করবেন না; তাঁকে আপনার সাক্ষাতের মাধ্যমে প্রশান্তি লাভ করতে দিন।
📄 শুধু একাই সাক্ষাৎ করলে যথেষ্ট হবে না
যদি আপনি ভিন্ন শহরে থাকেন, তাহলে শুধু আপনি একাই মায়ের সাথে সাক্ষাৎ করতে গেলে হবে না। সন্তানের সন্তানেরাও সন্তান তুল্য। তাই আপনার ছেলে-মেয়ে ও স্ত্রীকেও সাথে সাথে নিয়ে যাবেন। যাতে করে আপনার মায়ের সাথে তাদের যথোপযুক্ত সম্পর্ক সৃষ্টি হয়। সেই সাথে তিনি যেন তাদেরকে দেখে পুলক অনুভব করতে পারেন, যাদেরকে নিয়ে তিনি একদিন স্বপ্ন দেখতেন。
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন- 'নিশ্চয় যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাদের জন্য দয়াময় আল্লাহ অবশ্যই ভালোবাসা সৃষ্টি করবেন।' [সূরা মারইয়াম : ৯৬]
'যে কোনো ঈমানদার পুরুষ কিংবা মহিলা নেক আমল করে, আমি তাকে অবশ্যই পবিত্র জীবন যাপন করাব এবং তাদেরকে তাদের কর্মের শ্রেষ্ঠ পুরস্কার দান করব।' [সূরা নাহল : ৯৭]
জনৈক মনীষী বলেছেন- পিতা-মাতার প্রতি সদাচরণ একটি রচনা, যা লিখছেন আপনি বর্ণনা করবে আপনার সন্তান।