📄 বোনদের প্রতি সদয়বান হোন
বোনদের প্রতি সদয়বান হোন, তাদের সাথে হৃদ্যতা বজায় রাখুন, তাদের সাথে উত্তম আচরণ করুন এবং বিভিন্ন উপযোগী সময়ে তাদের নিকট বিভিন্ন ধরনের উপহার-উপঢৌকন প্রেরণ করুন। এতে মায়ের সুখ আরো বহু গুণে বৃদ্ধি পাবে। কেননা, মায়েরা তাদেরকে মহব্বত করেন, যারা তাঁর মেয়েদের প্রতি সদয়বান হন।
📄 লজ্জা দিবেন না
মাকে তাঁর এমন কোন কাজ বা হস্তক্ষেপের কারণে লজ্জা দিবেন না, যেটা তার বয়সের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ কিন্তু তাঁর আশপাশের লোকদের জন্য সঙ্গতিপূর্ণ নয়। বরং তাঁর ব্যাপারে গর্ববোধকারী হোন। তাঁর কাজ-কারবারে অন্যরা সন্তুষ্ট হোক, আর অসন্তুষ্ট হোক, আপনি অবশ্যই সন্তুষ্ট থাকবেন। আর এই সবগুলো তখন প্রযোজ্য হবে, যদি তা শরীয়ত বিরোধী না হয় এবং প্রচলন পরিপন্থী না হয়।
📄 নম্র-ভদ্র আচার-ব্যবহার শিক্ষা দিন
আপনার সন্তানদেরকে আপনার মায়ের সাথে নম্র-ভদ্র আচার-ব্যবহার করা শিক্ষা দিন। বিভিন্ন উপযোগী সময়ে আপনার ছেলে-মেয়েদেরকে দিয়ে মায়ের কাছে হাদিয়া-তুহফা পাঠিয়ে দিন।
জনৈক মনীষী বলেছেন- মানুষের সাথে এমন আচরণ কর যেমন তুমি তাদের থেকে আশা কর। আপনি আজ আপনার সন্তানদের সামনে আপনার মার সাথে ভালো আচরণ করেন, তাহলে আগামীতে আপনার সন্তান তার সন্তানের সামনে আপনার সাথে ভালো আচরণ করবে। বলা যায় এটা একটি পরম্পরা শিক্ষা। জনৈক মনীষী বলেছেন- দৈহিক খাবার যেমন দরকার, সন্তানের তেমনি আত্মিক খাবারেরও দরকার। আপনি লক্ষ্য রাখবেন যেন, আপনার প্রতিটি কর্ম আপনার সন্তানের অনুকরণীয় হয়।
📄 জুতা এগিয়ে দিন
বৃদ্ধকালে মাকে নিজ হাতে কাজ করা থেকে বিরত রাখুন। নিজে জুতা এগিয়ে দিন। তাঁকে চলার পথ দেখিয়ে দিন। কেননা, সকল মানুষের তুলনায় আপনিই মায়ের যত্ন নেওয়ার বেশী হকদার। আপনি আপনার মায়ের প্রয়োজনগুলো পূরণ করতে ও যথাসময়ে তাঁর চাহিদাগুলো উপস্থিত করতে সচেষ্ট হোন। এর দ্বারা আপনি তাঁর সান্নিধ্য অর্জন করতে পারবেন। আপনার তাঁর কোন রাগক্ষোভ থাকলে তা দূর হবে।
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন- আল্লাহর সর্বাধিক প্রিয় আমল হলো, কোনো মুসলিমকে সন্তুষ্ট করা। [তাবারানী : ১৩৬৪৬] রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামও এক সাহাবির জিজ্ঞাসার প্রেক্ষিতে মার খেদমতের ব্যাপারে তাগাদা দিয়েছেন। আসুন আমরা মার খেদমত করি। তাঁর জুতা এগিয়ে দিই।