📄 কিছু ওয়াকফ করুন
মায়ের নামে কিছু ওয়াকফ করুন, যাতে এর মাধ্যমে তাঁর নেক ও সাওয়াব বৃদ্ধি পেতে থাকে। ওয়াকফ করার সুরত এমন হতে পারে যেমন, মসজিদ নির্মাণে অংশগ্রহণ, এতিমদের লালন-পালনের যিম্মাদারি নেওয়া, আল্লাহ তাআলার কিতাবের হাফেযদের তত্ত্বাবধান করা, আর্থিক দুর্বল ও অসহায়দেরকে আর্থিক সাহায্য-সহযোগিতা করে চালিয়ে নেওয়া।
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এতিমের দুঃখ কষ্ট বুঝে তাকে সান্ত্বনা প্রদান ও তার জন্য উত্তম প্রতিপালনের উদ্যোগ নিতেন। যেন সে পূর্ণ মনুষ্যত্বের উপর বেড়ে ওঠে। সঠিক শিক্ষা-দীক্ষার উপর তার মেধাবিকাশ ঘটে। সমাজের অন্য শিশুদের দেখে যেন তার মনে পিতৃবিয়োগের পরিতাপ সৃষ্টি না হয়। আপনি আপনার মার জন্য ওয়াকফ হিসেবে এতিমদের দেখাশোনা করতে পারেন। কোনো এতিম দেখলে তাকে কাছে ডাকুন। তাকে আহার দিন। তার মাথায় হাত বুলিয়ে দিন। তাকে আপনার খাদ্য দিন। কারণ, তা আপনার অন্তরকে নম্র করবে। আর এতে আপনার প্রয়োজন পূর্ণ হবে। [জামেউল আহাদিস : ৯৯৭ আলবানীর তাহকীককৃত সহীহ]
আপনার মার সওয়াবের নিয়ত করলে, তিনিও সওয়াব পাবেন।
📄 যথা সম্ভব স্বপ্ন পূরণ করুন
যখন মা তার মনের কোন স্বপ্ন বা আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা, কিংবা নিজের সংশ্নিষ্ট কোন বস্তুর কথা আলোচনা করেন, তখন আপনার নিকট মা চাইবেন এই অপেক্ষায় বসে থাকবেন না। বরং আপনার সাধ্যানুসারে তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়ন ও আশা পূরণে দ্রুত পদক্ষেপ নিন।
আপনি আপনার মায়ের সাথে কৃত প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করবেন না। প্রতিশ্রুতি দিলে তা যথাযথভাবে পূর্ণ করুন, অন্যথায় প্রতিশ্রুতি থেকে বিরত থাকুন। আপনি যতটুকু পারবেন ততটুকুই আপনি আপনার মায়ের আশা-আকাঙ্ক্ষা বা স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চেষ্টা করবেন।
📄 আপনার সকল ব্যস্ততার উপর প্রাধান্য দিন
আপনার সকল কাজ ও ব্যস্ততার উপর মাকে প্রাধান্য দিন। আপনার সকল বন্ধু-বান্ধব এমনকি আপনার স্ত্রী ও সন্তাদের তুলনায়ও অগ্রাধিকার দিন। যদি আপনি আর আপনার মা একই শহরে বাস করেন। তাহলে প্রতিদিন আপনি আপনার মায়ের সাথে দেখা করুন। বাহ্যিক ব্যস্ততা যেন তাঁর সাক্ষাত ও তাঁর প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়ার মাঝে অন্তরায় না হয়।
📄 মাকে আপনার বাড়ির মাধ্যমেও সম্মান করুন
মাকে আপনার বাড়ির মাধ্যমেও সম্মান প্রদর্শন করুন। সব সময় তাঁর নিকট আপনার সাক্ষাতের আবেদন করুন। আপনার বাড়িতে রাত্রি যাপনের মাধ্যমে তাঁকে তুষ্ট করুন। নিশ্চয়ই এতে তাঁর জীবনের মোড় ঘুরে যাবে এবং তিনি সন্তানের সদাচারণের মাধ্যমে সুখ লাভ করবেন।