📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 বয়স বড় করে দেখাবেন না

📄 বয়স বড় করে দেখাবেন না


কখনো মাকে তাঁর বয়স বড় করে দেখাবেন না। কখনো এবিষয়টি প্রকাশ করবেন না যে, তিনি বার্ধক্যের কারণে নিজের অত্যাবস্ককীয় কাজগুলো করতে অক্ষম হয়ে গেছেন। বরং তাঁকে এমন সব কথা বলে উৎসাহিত করবেন, যাতে করে বুঝে আসে যে, তিনি তাঁর যৌবনের শ্রেষ্ঠাংশে আছে। সুন্দর সুন্দর কথার মাধ্যমে তাঁর কষ্ট লাঘব করবেন এবং তাঁর জীবনের প্রতিটি স্টেশনে সদ্ব্যবহার করুন।

📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 পছন্দনীয় বস্তু থেকে

📄 পছন্দনীয় বস্তু থেকে


মাকে এমন সব বস্তু থেকে বঞ্চিত করবেন না, সাধারণত নারীজাতী যেগুলো পছন্দ করে, চাই মা বৃদ্ধা হয়ে যাক না কেন। এ সব বস্তুর মধ্যে রয়েছে যেমন, খোশবো-সুগন্ধি, সাজ-সজ্জার সরঞ্জামাদি, নতুন কাপড়, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য সুন্দর ও উন্নতমানের কাপড় ইত্যাদি। মাকে নতুনত্বের সাথে জীবন যাপন করতে দিন।

📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 যদি সৎমাও থাকে

📄 যদি সৎমাও থাকে


যদি আপনার পিতার একাধিক স্ত্রী থাকে এবং তাদের পরস্পরের মাঝে অমিল থাকে, তাহলে আপনার মায়ের সামনে তাদের প্রশংসা করবেন না। কোন বিষয়ে মায়ের বিরুদ্ধে ও তাদের পক্ষে রায় দিতে যাবেন না। এমনকি যদি উক্ত বিষয়ে সৎ মা হকের উপর থাকে, তবুও। বরং এ ধরনের পরিস্থিতিতে নিজেকে ঝামেলা মুক্ত রাখার কোন বিকল্প নেই। তবে হ্যাঁ, আপনি তাদের মাঝে এমন পদ্ধতিতে মিমাংসা করুন, যাতে আপনার মায়ের নিকট এটা প্রকাশ না পায় যে, আপনি সৎ মায়ের পক্ষাবলম্বন করছেন।

জনৈক প্রজ্ঞাবান জিজ্ঞাসিত হলেন, মানুষের মধ্যে সবচেয়ে সুখী কে? বললেন, যে মানুষকে সুখ দেয়। আপনি সত্যবাদী হলেও মায়ের সাথে কখনো বিতর্কে যাবেন না। কল্যাণকর বিষয় হলে সহজ ও উৎকৃষ্ট পন্থায় আপনার মতামত তুলে ধরুন। অযথা ও অহেতুক বিষয় হলে তা থেকে বিরত থাকুন; মায়ের চাহিদা পূরণই উত্তম ও অধিক গুরুত্বপূর্ণ।

📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 অন্যদের লালন-পালনের প্রশংসা

📄 অন্যদের লালন-পালনের প্রশংসা


মায়ের সামনে অন্যদের লালন-পালনের বেশী প্রশংসা করবেন না। এরূপ আকাঙ্ক্ষা করবেন না যে, যদি মা তাদের মত হতেন! অথবা মা যদি এ ক্ষেত্রে সেই স্তরের হতেন, যে স্তরে তারা পৌঁছেন। এ বিষয়টি তাঁর ব্যক্তিত্বকে দোষারূপ করে এবং তাতে পরিষ্কারভাবে বুঝে আসে যে, আপনি তাঁর লালন-পালনের প্রতি সন্তুষ্ট নন। আপনার জন্য উচিত তাঁর সে সব কাজের প্রতি দৃষ্টি দেওয়া, যেগুলো তিনি জীবনভর করে অভ্যস্ত। ভাইদের কাছে বা মানুষের সামনে মাকে কখনো খাটো করবেন না। কারণ, উপস্থিতি-অনুপস্থিতিতে এটি তাঁর প্রতি অসদাচরণতুল্য।

আপনি সত্যবাদী হলেও মায়ের সাথে কখনো বিতর্কে যাবেন না। কল্যাণকর বিষয় হলে সহজ ও উৎকৃষ্ট পন্থায় আপনার মতামত তুলে ধরুন। অযথা ও অহেতুক তার লালন-পালন বিষয়ের বিতর্ক থেকে বিরত থাকুন।

ফন্ট সাইজ
15px
17px