📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 আপনার ওযর ও অপারগতা পেশ করুন

📄 আপনার ওযর ও অপারগতা পেশ করুন


আপনার যে ভাই/বোন ভুল বা অন্যায় করে, তাকে শাসন করার ব্যাপারে আপনার ওযর ও অপারগতা পেশ করুন। তাদের প্রতি আপনার মায়ের শাসনকে সুদৃঢ় করুন। তাদের থেকে যে ভুল বা অন্যায় প্রকাশ পেয়েছে, তা শয়তানের কুমন্ত্রণায় হয়েছে। আল্লাহ তাআলা অচিরেই তাকে সঠিক বুঝ ও সরল পথে ফিরিয়ে দিবেন।

📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 অন্যদের ভুলত্রুটি বড় করে তুলবেন না

📄 অন্যদের ভুলত্রুটি বড় করে তুলবেন না


মায়ের নিকট অন্যদের ভুলত্রুটি বড় করে পেশ করবেন না। অন্যদের বলতে যে, ছেলে-মেয়ে, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব প্রমুখ। বরং এদের ভুলের প্রতিক্রিয়া ও প্রভাব তাঁর উপর একেবারে হালকা ও ছোট করবেন। নিশ্চয়ই তাতে তাঁর ব্যথা লাঘব হবে। প্রিয়জনদের মান-মর্যাদা রক্ষা করা হবে।

হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- লَمَّا عَرَجَ بِي رَبِّي عَزَّ وَجَلَّ ، مَرَرْتُ بِقَوْمٍ لَهُمْ أَظَافِرُ مِنْ نُحَاسٍ يَحْمِشُونَ وُجُوهَهُمْ وَصُدُورَهُمْ فَقُلْتُ : مَنْ هَؤُلَاءِ يَا جِبْرِيلُ ؟ فَقَالَ : هَؤُلَاءِ الَّذِينَ يَأْكُلُونَ لُحُومَ النَّاسِ وَيَقَعُونَ فِي أَعْرَاضِهِمْ মেরাজের রাত্রিতে আমি এমন সম্প্রদায়ের নিকট দিয়ে অতিক্রম করলাম, যাদের নখগুলো হলো তামার। সেই নখগুলো দিয়ে তারা নিজেদের চেহারা ও বক্ষগুলো খামচিয়ে ক্ষতবিক্ষত করে দিচ্ছে। জিবরিলকে জিজ্ঞেস করলাম, এরা কারা? বললেন, তারা ওই সব লোক, যারা মানুষের নিন্দা করে বেড়াত, তাদের কুৎসা রটনা করত। [আবু দাউদ : ৪৮৮০]

📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 হঠাৎ করে দুঃসংবাদ জানাবেন না

📄 হঠাৎ করে দুঃসংবাদ জানাবেন না


মাকে দুঃসংবাদ বা দুঃচিন্তার বিষয় হঠাৎ করে জানাবেন না। বরং এর জন্য প্রথমে এমন একটি ভূমিকা পেশ করবেন, যেন সংবাদের প্রভাব একেবারে হালকা হয়ে যায়। এ জাতীয় সংবাদ মোবাইল ও টেলিফোনের মাধ্যমেও জানাবেন না। বরং নিজে উপস্থিত হয়ে তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করবেন। প্রথমে সালাম দিয়ে তাঁর নিকট যাবেন। তারপর বিষয়টির জন্য সাজিয়ে-গুছিয়ে একটি ভূমিকা বলবেন। অতপর তাঁর কাছে সংবাদটি পেশ করবেন এবং ধৈর্যশীলদের সাওয়াব ও পুরষ্কারের বিষয়ে আলোচনা করবেন।

বলবেন, ধৈর্য ধারণ করা ও সহ্য করতে পারা দৃঢ় প্রত্যয়ীদের গুণ। এঁরা ধৈর্য্য, সহ্য ও দৃঢ়তার সঙ্গে বিপদ-আপদের মোকাবিলা করেন। আপনি বা আমি যদি ধৈর্য ধারণ না করি, তবে আমাদের আর কীইবা করার আছে? ধৈর্যধারণ ছাড়া কি আমাদের আর কোনো উপায় আছে? এ ছাড়া কি আমাদের আর কোনো পথ আছে?

📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 “মহিলা” সে যে বয়সেরই হোক না কেন

📄 “মহিলা” সে যে বয়সেরই হোক না কেন


নারী সে যে বয়সেরই হোক না কেন, আবেগময়ী কথার প্রতি আগ্রহী হয়। রোমঞ্চক কথা শুনতে অস্থির হয়ে পড়ে। সুতরাং আপনি তাঁকে সুমধুর কণ্ঠে মিষ্টি (ইসলামী) সংগীত শ্রবণ থেকে বঞ্চিত করবেন না। তিনি নিজের সন্তানের সুরলিত কণ্ঠে যে সংগীত শোনবেন, তা কখনো ভুলতে পারবেন না। মায়ের সাথে কথোপকথনকালে উৎকৃষ্ট বাক্য নির্বাচন করুন, অন্যথায় কষ্টদায়ক ও মর্মব্যথী কোনো কথা শুনে হয়তো তিনি ‘উফ (আল-কুরআনে নিষেধকৃত) বলে ওঠবেন।

মাকে বলুন- তোমার উপস্থিতি, আমার প্রশান্তি। তোমার দোয়া, আমার মুক্তি। তোমার পদতল, আমার জান্নাত। প্রভু হে! আমার মা থেকে বঞ্চিত করো না আমায়...। আমাকে তাঁর চক্ষুর শীতলতা বানান। এভাবে আপনি আপনার মার সামনে বিভিন্নধরনের কথাবার্তা বলতে পারেন। ইনশাআল্লাহ! এতে তাঁর মন খুশিতে ভরে উঠবে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px