📄 সম্পর্ক সুদৃঢ় রাখুন
ভাই-বোনদের সাথে আপনার সম্পর্ক সুদৃঢ় রাখুন। যদি এ ক্ষেত্রে আপনার ও তাদের মাঝে কোন সমস্যা ও জটিলতা থাকে, তাহলে সেগুলো একেবারে মায়ের চোখের সামনে তুলে ধরবেন না। কেননা, এ বিষয়টি তাঁকে বিচলিত করবে এবং কষ্ট দিবে।
📄 সমর্থন দিবেন না
মাতাপিতার দাম্পত্য জীবনে বহু পরিস্থিতি আসতে পারে। সুতরাং আপনি তাদেরকে মিলানোর ক্ষেত্রে মায়ের বিপক্ষে পিতাকে সমর্থন করতে যাবেন না। তবে যদি আপনি সমর্থনের পিছনে কিছু নির্দিষ্ট কারণ ও হেতু রয়েছে বলে মনে করেন, তাহলে পিতাকে আপনার সমর্থন করাটা এমনভাবে হতে হবে যে, এটি শুধু আপনার ও তাঁর মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকবে; মা জানবে না।
আর এ নিয়ে দুশ্চিন্তা করবেন না। কেননা, তাকদীর লেখা হয়ে গেছে। যা হবার তা হবেই। কলম সবকিছু লিখে ফেলেছে। কাগজ গুটিয়ে নেওয়া হয়েছে। সব কিছুই দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে।
📄 হেকমতে দ্বীনী বিষয়াদী শিখাবেন
মাকে হেকমতের সাথে এবং উত্তম উপদেশের মাধ্যমে দ্বীনের বিভিন্ন বিষয় শিখাবেন। এ মহৎ দায়িত্ব পালনের জন্য কোন ভাল আলেমকে বাড়ীতে নিয়ে আসতে পারেন। যথাপোযী কোন কিতাব প্রদান করতে পারেন। এমনিভাবে ইলম চর্চার ও ওয়াজ-নসীহতের মজলিসে নিয়ে যেতে পারেন।
📄 মাকে বঞ্চিত করবেন না
মাকে যিকিরের মজলিসে হাযির হওয়া থেকে বঞ্চিত করবেন না। অর্থাৎ তাঁকে দ্বীনী বক্তৃতা ও ওয়াজ-নসীহতের স্থানে পৌঁছে দেবেন। এমনিভাবে দ্বীনী তালীমের পয়েন্টে নিয়ে যাবেন। ধর্মীয় সংস্কৃতিমূলক অনুষ্ঠানে যাবেন।
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- নিশ্চয় আল্লাহর নিয়োজিত কিছু ফেরেশতা পৃথিবীর অলি- গলিতে ঘুরাফেরা করে আল্লাহর স্মরণকারীদের খোঁজতে থাকে। যখনই আল্লাহর স্মরণকারী কোনো দল পেয়ে যায়, তখনই তরা একে অন্যকে ডেকে বলতে থাকে, এসো, তোমাদের প্রয়োজনের দিকে এসো। [বুখারী: ৬০৪৫]