📄 দাম্পত্য কলহে রায় দিতে যাবেন না
আপনার মাতা-পিতার দাম্পত্য কলহের বিষয়ে রায় দেওয়া থেকে বেঁচে থাকুন। এ দায়িত্ব পালন করার প্রয়োজন নেই আপনার। বরং প্রকাশ্য নিরপেক্ষতাকে কাজে লাগান। আর পরোক্ষভাবে উপদেশ ও মিমাংসা করার চেষ্টা চালিয়ে যান।
📄 খুঁত বের করতে যাবেন না
মায়ের পোশাক-পরিচ্ছদ, অবয়ব, পছন্দ-অপছন্দ, মন-মেজাজ, রীতি-নীতি এবং কাজের পদ্ধতির মাঝে খুঁত বের করতে যাবেন না। তবে যদি আপনি মনে করেন যে, এগুলো একেবারেই প্রকাশ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং আপনি আশঙ্কা করেন যে, অন্যরা এ ব্যাপারে খুঁত বের করবে ও দোষ ধরবে, তাহলে আপনার জন্য আবশ্যক হচ্ছে বিষয়টি মায়ের কাছে এমন হেকমতপূর্ণ পদ্ধতিতে পেশ করা, যাতে তিনি মনে আঘাত না পান এবং তাঁর দোষোমোচন না হয়। অন্যথায় তিনি ব্যথিত ও বিচলিত হবেন।
মানুষের ত্রুটিবিচ্যুতি বিবিধ- কতগুলো বড়, কতগুলো ছোট। তবে যেমনই হোক, তার প্রতিকারবিধান সম্ভব। তা ছাড়া ভুলত্রুটি সংশোধন করতে গিয়ে আমরা এমন পন্থা অবলম্বন করি, যা স্বতন্ত্র আরেক ভুল।
📄 সম্পর্ক সুদৃঢ় রাখুন
ভাই-বোনদের সাথে আপনার সম্পর্ক সুদৃঢ় রাখুন। যদি এ ক্ষেত্রে আপনার ও তাদের মাঝে কোন সমস্যা ও জটিলতা থাকে, তাহলে সেগুলো একেবারে মায়ের চোখের সামনে তুলে ধরবেন না। কেননা, এ বিষয়টি তাঁকে বিচলিত করবে এবং কষ্ট দিবে।
📄 সমর্থন দিবেন না
মাতাপিতার দাম্পত্য জীবনে বহু পরিস্থিতি আসতে পারে। সুতরাং আপনি তাদেরকে মিলানোর ক্ষেত্রে মায়ের বিপক্ষে পিতাকে সমর্থন করতে যাবেন না। তবে যদি আপনি সমর্থনের পিছনে কিছু নির্দিষ্ট কারণ ও হেতু রয়েছে বলে মনে করেন, তাহলে পিতাকে আপনার সমর্থন করাটা এমনভাবে হতে হবে যে, এটি শুধু আপনার ও তাঁর মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকবে; মা জানবে না।
আর এ নিয়ে দুশ্চিন্তা করবেন না। কেননা, তাকদীর লেখা হয়ে গেছে। যা হবার তা হবেই। কলম সবকিছু লিখে ফেলেছে। কাগজ গুটিয়ে নেওয়া হয়েছে। সব কিছুই দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে।