📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 দাম্পত্য কলহে রায় দিতে যাবেন না

📄 দাম্পত্য কলহে রায় দিতে যাবেন না


আপনার মাতা-পিতার দাম্পত্য কলহের বিষয়ে রায় দেওয়া থেকে বেঁচে থাকুন। এ দায়িত্ব পালন করার প্রয়োজন নেই আপনার। বরং প্রকাশ্য নিরপেক্ষতাকে কাজে লাগান। আর পরোক্ষভাবে উপদেশ ও মিমাংসা করার চেষ্টা চালিয়ে যান।

📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 খুঁত বের করতে যাবেন না

📄 খুঁত বের করতে যাবেন না


মায়ের পোশাক-পরিচ্ছদ, অবয়ব, পছন্দ-অপছন্দ, মন-মেজাজ, রীতি-নীতি এবং কাজের পদ্ধতির মাঝে খুঁত বের করতে যাবেন না। তবে যদি আপনি মনে করেন যে, এগুলো একেবারেই প্রকাশ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং আপনি আশঙ্কা করেন যে, অন্যরা এ ব্যাপারে খুঁত বের করবে ও দোষ ধরবে, তাহলে আপনার জন্য আবশ্যক হচ্ছে বিষয়টি মায়ের কাছে এমন হেকমতপূর্ণ পদ্ধতিতে পেশ করা, যাতে তিনি মনে আঘাত না পান এবং তাঁর দোষোমোচন না হয়। অন্যথায় তিনি ব্যথিত ও বিচলিত হবেন।

মানুষের ত্রুটিবিচ্যুতি বিবিধ- কতগুলো বড়, কতগুলো ছোট। তবে যেমনই হোক, তার প্রতিকারবিধান সম্ভব। তা ছাড়া ভুলত্রুটি সংশোধন করতে গিয়ে আমরা এমন পন্থা অবলম্বন করি, যা স্বতন্ত্র আরেক ভুল।

📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 সম্পর্ক সুদৃঢ় রাখুন

📄 সম্পর্ক সুদৃঢ় রাখুন


ভাই-বোনদের সাথে আপনার সম্পর্ক সুদৃঢ় রাখুন। যদি এ ক্ষেত্রে আপনার ও তাদের মাঝে কোন সমস্যা ও জটিলতা থাকে, তাহলে সেগুলো একেবারে মায়ের চোখের সামনে তুলে ধরবেন না। কেননা, এ বিষয়টি তাঁকে বিচলিত করবে এবং কষ্ট দিবে।

📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 সমর্থন দিবেন না

📄 সমর্থন দিবেন না


মাতাপিতার দাম্পত্য জীবনে বহু পরিস্থিতি আসতে পারে। সুতরাং আপনি তাদেরকে মিলানোর ক্ষেত্রে মায়ের বিপক্ষে পিতাকে সমর্থন করতে যাবেন না। তবে যদি আপনি সমর্থনের পিছনে কিছু নির্দিষ্ট কারণ ও হেতু রয়েছে বলে মনে করেন, তাহলে পিতাকে আপনার সমর্থন করাটা এমনভাবে হতে হবে যে, এটি শুধু আপনার ও তাঁর মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকবে; মা জানবে না।

আর এ নিয়ে দুশ্চিন্তা করবেন না। কেননা, তাকদীর লেখা হয়ে গেছে। যা হবার তা হবেই। কলম সবকিছু লিখে ফেলেছে। কাগজ গুটিয়ে নেওয়া হয়েছে। সব কিছুই দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px