📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 একটি বিশেষ বাক্স রাখুন

📄 একটি বিশেষ বাক্স রাখুন


মায়ের জন্য একটি স্বতন্ত্র বাক্স বা আলমারির ব্যবস্থা করুন। সেখানে তাঁর জন্য সব সময় বিভিন্ন প্রকার বিস্কুট, মিষ্টিদ্রব্য, ছোট ছোট হাদিয়া এবং কিছু খেলনা। এগুলো এ জন্য যে, যখন তাঁর নাতী-নাতনীরা তাঁর নিকট আসবে তখন যেন তিনি তাদেরকে সেগুলো দিতে পারেন। এর দ্বারা তাঁর প্রতি বাচ্চাদের মায়া-মহব্বত সৃষ্টি হবে এবং তাঁর সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করতে আগ্রহী হবে।

📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 মা যখন সফরে যান

📄 মা যখন সফরে যান


আপনার মা যখন সফরে যান কিংবা দূরবর্তী কোন গন্তব্যের উদ্দেশ্যে বের হন, তখন তাঁর সাথে (সম্ভব হলে দেখা করুন। দেখা করা সম্ভব না হলে কমপক্ষে) যোগাযোগ করুন। মা বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছার আগ পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষণে, প্রতিটি মুহূর্তে তাঁর (সাথে যোগাযোগ করে তাঁর) সম্পর্কে নিশ্চিত হোন। অতপর তাঁর অনুপস্থিতির দিনগুলোতে বারবার তাঁর সাথে যোগাযোগ করবেন। অল্পক্ষণ বা অল্পকথা দিয়ে হলেও তাকে আশ্বস্ত করুন; মা সুখ অনুভব করবে; সকল প্রকার সংশয়, দুশ্চিন্তা ও উৎকণ্ঠা দূর হয়ে যাবে। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন-

কেয়ামতের দিন প্রত্যেক আত্মীয়তার বন্ধন তার সাথীর কাছে এসে তার পক্ষে-বিপক্ষে সাক্ষ্য দিবে। যদি সে বন্ধন মিলিত করে থাকে তাহলে তার পক্ষে সাক্ষ্য দিবে। আর যদি বন্ধন ছিন্ন করে থাকে তাহলে তার বিপক্ষে সাক্ষ্য দিবে। [আল-আদাবুল মুফরাদ-৭৩]

📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 সব ব্যথা বলতে নেই

📄 সব ব্যথা বলতে নেই


মায়ের কাছে আপনার এমন সব পেরেশানির কথা বলবেন না, যেগুলো তাঁকে ব্যথিত করে। তাঁর কাছে এমন সব কষ্টের অভিযোগ করবেন না, যেগুলো তাঁর জন্য পিড়াদায়ক হয়। বরং (তিনি কোন কষ্টের বিষয় জেনে গেলে) তাঁকে বলুন যে, বিষয়টি একেবারেই সাধারণ। (এতে পেরেশান হওয়ার কোন কারণ নেই।) আমি এ বিষয়ে চিন্তিত নই; বরং নিশ্চিন্ত আছি। আল্লাহ তাআলা আমার এই পেরেশানি দূর করে দিবেন। আমি এক্ষেত্রে ভাল কিছু আশা করি।

📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 বৈবাহিক সমস্যা প্রকাশ করবেন না

📄 বৈবাহিক সমস্যা প্রকাশ করবেন না


মায়ের কাছে আপনার দাম্পত্যজীবনের সমস্যাগুলো প্রকাশ করবেন না। তিনি একারণে বিচলিত হয়ে পরবেন। কেননা, যখন তিনি দেখবেন তাঁর কলিজার টুকরা ছেলে দাম্পত্য জীবনে বহু কষ্টের সম্মুখীন হয়েছে, তখন তিনি আবেগে ব্যাকুল হয়ে আপনার জন্য কোন সমাধান করতে যাবেন। যে কোন পন্থায় সমাধান বের করে আপনাকে জীবনে সুখী ও সৌভাগ্যবান দেখতে চাইবেন। (এতে করে তাঁকে অনেক কষ্ট ও মেহনত সহ্য করতে হবে।) সুতরাং তাঁর সাথে এবং আপনার জীবনের সাথে দয়াদ্র ও বিনম্র আচরণ এটাই যে, আপনার মা আপনার সমস্যার বিষয়গুলো থেকে অনেক দূরে থাকবেন।

আপনি আপনার সমস্যাসমূহকে লাগাম পড়িয়ে দিন। ওগুলোকে স্বাধীনভাবে ছেড়ে দিবেন না। তা হলে ওগুলো মুক্ত হয়ে এদিক-সেদিক ইতস্তত ঘোরাঘুরি করে অবাধ্য হয়ে যাবে। আপনি আর ওগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না, বরং তারাই আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করবে। আপনার সামনে দুশ্চিন্তা আর পেরেশানীর যাবতীয় ফাইল মেলে ধরবে। আপনার জন্ম থেকে নিয়ে আজ পর্যন্ত যাবতীয় ঘটনা-দুর্ঘটনা আর বালা-মসিবতের ইতিবৃত্ত খুলে বসবে। বেদনাবিধুর অতীত আর শঙ্কিত ভবিষ্যতকে টেনে আনবে। ফলে আপনি হয়ে পড়বেন হতাশ, হতোদ্যম। আপনার অনুভূতি লোপ পাবে, আগ্রহ হারিয়ে যাবে। আর এতে আপনার ও আপনার মার সমস্যা বাড়বে, কমবে না।

ফন্ট সাইজ
15px
17px