📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 বিতর্ক করবেন না

📄 বিতর্ক করবেন না


কোন বিষয়ে মায়ের সাথে বিতর্ক করবেন না, চাই আপনারটাই সঠিক হোক না কেন। বরং আপনার মতামত উপস্থাপনের জন্য এবং আপনার চিন্তা-চেতনা তুলে ধরার জন্য কোন সহজ ও বিনম্র পদ্ধতি কাজে লাগান, যদি বিষয়টি প্রয়োজনীয় হয় এবং তাতে কোন কল্যাণ থাকে। আর যদি শুধু অনর্থক বিতর্কের বিষয় হয় তাহলে এর থেকে বেঁচে থেকে তাঁর কামনা বাস্তবায়িত করা এবং তাঁর মত শুনে যাওয়া অতি উত্তম, গুরুত্বপূর্ণ ও উপযুক্ত। আর ধৈর্য ধারণ করুন। ধৈর্য ধারণ করা ও সহ্য করতে পারা দৃঢ় প্রত্যয়ীদের গুণ। আপনি বা আমি যদি ধৈর্য ধারণ না করি, তবে আমাদের আর কীইবা করার আছে? ধৈর্যধারণ ছাড়া কি আমাদের আর কোনো উপায় আছে? এ ছাড়া কি আমাদের আর কোনো পথ আছে? মহৎ ব্যক্তিদের বিষয় এমনই। তারা ধৈর্যের সাথে বিপদ-আপদের মোকাবিলা করেন। সুন্দরভাবে বালা-মসিবত কাটিয়ে ওঠেন।

📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 খাটো করবেন না

📄 খাটো করবেন না


কখনো মানুষের সামনে কিংবা ভাই-বোনদের সামনে মায়ের অভিমতকে খাটো করবেন না, চাই তিনি সেখানে উপস্থিত থাকেন বা না থাকেন। তাঁর মতকে খাটো করা গহীত কথা ও এমন আলোচনার অন্তর্ভুক্ত যা তিনি অপছন্দ করেন। তাছাড়া এটা মায়ের সাথে বেয়াদবিও বটে, চাই তাঁর উপস্থিতিতে হোক বা অনুপস্থিতিতে।

📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 ছোট করবেন না

📄 ছোট করবেন না


আপনার মা যদি জীবনের কোন বিষয়ে অনবগত থাকেন, তাহলে এ কারণে তাঁকে কখনো ছোট করবেন না কিংবা তাঁর মূল্যায়ন হ্রাস করবেন না। বরং সেই বিষয়ে এমনভাবে তাঁর জ্ঞান বৃদ্ধি করবেন, যেন আপনি নিজেই সে সম্পর্কে অজ্ঞ।

আল্লাহ বলেন, 'তুমি যা জানতে না, আল্লাহ তোমাকে তা শিক্ষা দিয়েছেন। আর তোমার প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ চির মহান।' [সূরা নিসা : ১১৩]

📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 জোরে হাসবেন না

📄 জোরে হাসবেন না


মায়ের সামনে উচ্চ আওয়াজে হাসাহাসি করা থেকে বিরত থাকবেন। উঁচু আওয়াজে কথা বলবেন না। যখন তাঁর সামনে থাকেন, তখন বিরক্তির দৃষ্টিতে তাকাবেন না। যখন তাঁর মজলিসে থাকেন, তখন ক্রোধের দৃষ্টি নিবদ্ধ করবেন না। তাঁর উপস্থিতিতে ভ্রূকুঞ্চিত করবেন না। তিনি ব্যক্তিগতভাবে যে বস্তু বা বিষয় পছন্দ করেন, তাঁর সামনে সে বিষয়ের প্রতি আপনার অনিহা ও অসন্তুষ্টি প্রকাশ করবেন না।

কেননা, এগুলি তাঁর উপরে প্রভাব ফেলে এবং তাঁর ব্যক্তিত্বে আঘাত হানে। তবে পরিমিত ও সংযত হাসি- দুশ্চিন্তা, পেরেশানী ও হতাশার ঔষধি। আত্মিক প্রশান্তি ও মানসিক উৎফুল্লতায় হাসির ক্রিয়া অত্যন্ত কার্যকরী। শুনে আশ্চর্য হবেন, হযরত আবু দারদা রাযিয়াল্লাহু আনহু বলেন, 'আমার আত্মার প্রশান্তির জন্য আমি হাসি।' নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামও হাসতেন। কখনও তাঁর মাড়ির দাঁত দেখা যেত।

তবে এক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি কাম্য নয়। 'অতিরিক্ত হাসি দিলকে মেরে ফেলে।' মধ্যম পন্থা অবলম্বন করতে হবে।

'সে তার কথা শুনে হেসে ফেলল।' [সূরা নাম্ল : ১৯]

তবে মনে রাখতে হবে, কাউকে অবজ্ঞা করা কিংবা হেয় করার জন্য হাসা যাবে না।

ফন্ট সাইজ
15px
17px