📄 মায়ের ডাকে সাড়া দেওয়ার প্রতি মনোযোগ
মায়ের ডাকে সাড়া দেওয়া এবং সময়মত তাঁর প্রয়োজন ও ইচ্ছা পূরণ করার প্রতি মনোযোগী হওয়া চাই। নিঃসন্দেহে এটি মায়ের নৈকট্য অর্জন করার এবং তাঁর অসন্তুষ্টি ও ক্রোধ থেকে বেঁচে থাকার জন্য অধিক সহায়ক।
📄 অঙ্গীকার পূরণ
কোন অঙ্গীকার করে তা ভঙ্গ করবেন না। যখন যে অঙ্গীকার করবেন, তা পূরণ করতে আপ্রাণ চেষ্টা করবেন। আর যদি তা পূরণ করতে পারবেন না বলে মনে করেন তাহলে সে বিষয়ের অঙ্গীকারই করবেন না।
📄 প্রতিটি সফলতা কার অনুগ্রহে?
আপনার জীবনের প্রতিটি সফলতা ও কৃতকার্যতা প্রথমে মহান আল্লাহ পাকের অনুগ্রহের সাথে তারপর মায়ের অনুগ্রহপূর্বক লালন-পালন ও শিক্ষাদানের সাথে সমন্ধযুক্ত করুন। (অর্থাৎ আপনি যখনই যে সফলতা অর্জন করেন, তা আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহ এবং মায়ের স্নেহযুক্ত উত্তম লালনপালন ও শিক্ষাদানের ফলাফল মনে করবেন এবং প্রকাশ করে যাবেন।) নিঃসন্দেহে তাতে মায়ের মনে গর্বিত ও সৌভাগ্যবান হওয়ার অনুভূতি সৃষ্টি হবে। সেই সাথে তাঁর মন আনন্দে ভরে যাবে। কারণ, তিনি দেখতে পাবেন যে, তার লালনপালনের ফলাফল বিরাট বিরাট সফলতা ও কৃতকার্যতা রূপে তাঁর সন্তানদের জীবনে বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ তো তাঁরই উত্তম লালন-পালন ও শিক্ষা-দিক্ষাদানের ফল। অতএব সন্তানদের প্রতিটি সফলতা, কৃতকার্যতা যেন মাতাপিতারই সফলতা, কৃতকার্যতা।
📄 বিতর্ক করবেন না
কোন বিষয়ে মায়ের সাথে বিতর্ক করবেন না, চাই আপনারটাই সঠিক হোক না কেন। বরং আপনার মতামত উপস্থাপনের জন্য এবং আপনার চিন্তা-চেতনা তুলে ধরার জন্য কোন সহজ ও বিনম্র পদ্ধতি কাজে লাগান, যদি বিষয়টি প্রয়োজনীয় হয় এবং তাতে কোন কল্যাণ থাকে। আর যদি শুধু অনর্থক বিতর্কের বিষয় হয় তাহলে এর থেকে বেঁচে থেকে তাঁর কামনা বাস্তবায়িত করা এবং তাঁর মত শুনে যাওয়া অতি উত্তম, গুরুত্বপূর্ণ ও উপযুক্ত। আর ধৈর্য ধারণ করুন। ধৈর্য ধারণ করা ও সহ্য করতে পারা দৃঢ় প্রত্যয়ীদের গুণ। আপনি বা আমি যদি ধৈর্য ধারণ না করি, তবে আমাদের আর কীইবা করার আছে? ধৈর্যধারণ ছাড়া কি আমাদের আর কোনো উপায় আছে? এ ছাড়া কি আমাদের আর কোনো পথ আছে? মহৎ ব্যক্তিদের বিষয় এমনই। তারা ধৈর্যের সাথে বিপদ-আপদের মোকাবিলা করেন। সুন্দরভাবে বালা-মসিবত কাটিয়ে ওঠেন।