📄 সফরে দৈনিক যোগাযোগ বজায় রাখুন
সফরে থাকা অবস্থায় সামান্য সময়ের জন্য হলেও দৈনিক মায়ের সাথে যোগাযোগ করার প্রতি যত্নবান হোন। আপনি কি জানেন? আপনার এই সামান্য সময়ের কথোপকথন তাঁর মন আনন্দে ভরে দিবে। তাঁর মনের দুঃচিন্তা ও ভয়ভিতি বিদূরিত করবে। পেরেশানি তাঁর কাছে ভিড়তে পারবে না। আপনি কোথায় আছেন, কী করছেন, অল্প সময়ে তার সাথে শেয়ার করুন। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- مَنْ سَرَّهُ أَنْ يُبْسَطَ لَهُ رِزْقُهُ أَوْ يُنْسَأَ لَهُ فِي أَثَرِهِ فَلْيَصِلْ رَحِمَهُ. যে চায় তার রিযিকে বরকত হোক এবং আয়ু বৃদ্ধি পাক, সে যেন আত্মীয়তার বন্ধন মিলিত করে। [সহীহ বুখারী : ৫৯৮৫]
📄 মায়ের সাথে দৈনিক সাক্ষাৎ করো
যখন আপনি নিজ এলাকায় থাকেন এবং পার্থিব ব্যস্ততা আপনাকে মায়ের সাথে সাক্ষাৎ করা ও স ম্ভাব বজায় রাখা থেকে দূরে সরিয়ে না দেয়, তাহলে এ সময়গুলোতে আপনি প্রতিদিন মায়ের সাথে সাক্ষাৎ করবেন। এতেও তাঁর কিঞ্চিৎ হক আদায় হবে। আর এ ব্যাপারেও আপনাকে আগ্রহী হতে হবে যে, তাঁর সাথে এই সাক্ষাৎ যেন তাঁর মহব্বতের পরিমাণ ও তাঁর মর্যাদাপূর্ণ স্তর উপযোগী হয়। সুতরাং কেউ যেন এমনটি না করে যে, খুব তড়িঘড়ি করে মায়ের নিকট আসল তারপর সাথে সাথে চলে গেল। অথবা এসে সালাম করল আর বারবার ঘড়ির দিকে তাকাতে থাকল ও অস্থির হয়ে গেল। বরং মায়ের হক তো এর চেয়ে অনেক বেশী, অনেক বড়।
📄 মা যদি অন্য এলাকায় থাকেন
মা যদি অন্য এলাকা থাকেন, তাহলে অবশ্যই তাঁর সাতে দৈনিক যোগাযোগ বজায় রাখবেন। কোন কারণবশতই তাঁর সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করবেন না। আপনি তাকে কল করে অথবা ম্যাসেজ করেও যোগাযোগ রক্ষা করতে পারেন।
📄 মাকে দেওয়ার অন্যতম বস্তু
মাকে আমরা যা কিছু দিয়ে থাকি, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মা যাদেরকে ভালবাসেন এবং যাদের সাথে মায়ের আত্মীয়তা বা নৈকট্যতা রয়েছে, আমরাও তাদেরকে ভালবাসবো, তাদের সাথে হৃদ্যতা রাখব এবং তাদের নৈকট্যশীল হবো। আর মায়ের কাছে সবচেয়ে বেশী প্রিয় ও ভালবাসার পাত্র হচ্ছে তাঁর সন্তানগণ। সুতরাং তাদের (নিজ ভাই-বোনদের) সাথে বিনম্র আচরণকারী হোন এবং তাদের প্রতি সদয়বান হোন। তাদের প্রয়োজন পূরণে সহযোগিতা করুন এবং তাদের জীবনের বিভিন্ন কাজে সাহায্য করুন। আপনি কি জানেন আপনার মা যারপর নাই আনন্দিত হবেন যখন তিনি দেখতে পাবেন, তার লালন-পালন ও প্রশিক্ষণের বৃক্ষ অতি উত্তম ও সুস্বাদু ফল ফলেছে।