📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 কথা নির্বাচনে আগ্রহী হোন

📄 কথা নির্বাচনে আগ্রহী হোন


মায়ের সাথে কথা বলার পূর্বে কোন কোন শব্দ ও বাক্য ব্যবহার করবেন বা কোন কথাটা বলবেন, তা নির্বাচন করে নেওয়ার প্রতি আগ্রহী হোন। যাতে করে আপনার মুখ থেকে এমন কোন বাক্য বা কথা বের হয়ে না যায়, যা শুনে আপনার মা কষ্ট পান। কারণ, কুরআনে কারীমে উহ শব্দটি পর্যন্ত বলতে নিষেধ করা হয়েছে। সুতরাং এর চেয়ে জটিল কিছু বলে কিভাবে মা জননীকে কষ্ট দিবেন, বলেন? আয়াতে তাঁদেরকে উহ-ও বলবে না। এখানে উহ শব্দটি বলে এমন শব্দ বোঝানো হয়েছে, যদ্বারা বিরক্তি প্রকাশ পায়। এমনকি, তাঁদের কথা শুনে বিরক্তিবোধক দীর্ঘশ্বাস ছাড়াও এর অন্তর্ভুক্ত।

হযরত আলী রাযি. বর্ণিত এক হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, পীড়া দানের ক্ষেত্রে উহ বলার চাইতেও কম কোন স্তর থাকলে তাও অবশ্য উল্লেখ করা হত। (মোটকথা, যে কথায় মা সামান্য কষ্ট হয়, তাও নিষিদ্ধ।) বরং মার সাথে সম্প্রীতি ও ভালবাসার সাথে নম্র স্বরে কথা বলতে হবে। হযরত সাইদ ইবনে মুসাইয়্যিব বলেন, যেমন কোন গোলাম তার রূঢ় স্বভাবসম্পন্ন প্রভুর সাথে কথা বলে। তার সামনে নিজেকে অক্ষম ও হেয় করে পেশ করবে; যেমন গোলাম প্রভুর সামনে।

📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 যখন সফর করার সংকল্প করেন

📄 যখন সফর করার সংকল্প করেন


যখন সফরে যাওয়ার দৃঢ় সংকল্প করেন, তখন এ বিষয়ে খুবই যত্নবান থাকবেন যে, যাদের কে আপনি বিদায় জানাবেন, তাদের সর্বশেষ ব্যক্তি যেন হয় আপনার মমতাময়ী মা। বিদায়কালের সর্বশেষ দৃষ্টি যেন তাঁর প্রতিই থাকে। পুরোপুরি তাঁর মুখামুখী হয়ে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানান। বিদায়কালে যেন তিনি খুশী থাকেন। বিদায় নেওয়ার পূর্বে তাঁর কাছে একটু দীর্ঘ সময় অবস্থান করেন। সেই সাথে বাড়ী থেকে আপনার সর্বশেষ বের হওয়াটা যেন এই মায়ের কাছ থেকেই হয়, এ ব্যাপারে যত্নবান হোন। তাহলে মায়ের সেই দুআর বদৌলতে সৌভাগ্যবান হতে পারবেন, যে দুআ আল্লাহর অনুগ্রহে মাকবুল। আর যদি আপনি অন্য এলাকায় থাকেন তাহলে যোগাযোগ করাই হচ্ছে এসব কাজের বিকল্প।

📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 যখন সফর থেকে ফিরে আসেন

📄 যখন সফর থেকে ফিরে আসেন


যখন সফর থেকে ফিরে আসেন তখন আপনার জন্য একান্ত আবশ্যক হচ্ছে সর্বপ্রথম মায়ের সাথে সাক্ষাত করা। মায়ের সামনে গিয়ে তাঁকে সালাম দিবেন। তাঁর পাশে গিয়ে বসবেন। কুশল বিনিময় করবেন। ভাল-মন্দ খোঁজ-খবর জিজ্ঞেস করবেন। সফর থেকে আপনার সহীহ-সালামতে ফিরে আসার ব্যাপারে তাঁকে প্রশান্ত করবেন। আপনার উপস্থিতির সময় সম্পর্কে তাঁকে পূর্বেই ভাল করে অবগত করবেন। যাতে করে তাঁর নিকট আপনার প্রবেশ যেন হঠাৎ করে না হয়। হতে পারে আপনার আনন্দদায় আচানক আগমন তার মধ্যে বিরূপ প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। ফলে এটা তাঁর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। মায়ের সাথে বিলম্বে দেখা করার ইচ্ছা করবেন না। কিংবা এটাও মনে করবেন না যে, এখন দেখা করার উপযোগী সময় নয়; পরে সময় বুঝে দেখা করবো। কারণ, কখন আসবে আপনার সেই সময়? এ দিকে তো আপনার মা স্থির থাকতে পারবেন না, তাঁর মন প্রশান্ত হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তিনি নিজ চোখে তাঁর ছেলে দেখতে না পারবেন এবং যতক্ষণ পর্যন্ত ছেলের সাক্ষাৎ লাভের মাধ্যমে তাঁর চক্ষু শীতল না হবে।

📘 মা কে খুশী করার ১৫০ উপায় 📄 সফরে দৈনিক যোগাযোগ বজায় রাখুন

📄 সফরে দৈনিক যোগাযোগ বজায় রাখুন


সফরে থাকা অবস্থায় সামান্য সময়ের জন্য হলেও দৈনিক মায়ের সাথে যোগাযোগ করার প্রতি যত্নবান হোন। আপনি কি জানেন? আপনার এই সামান্য সময়ের কথোপকথন তাঁর মন আনন্দে ভরে দিবে। তাঁর মনের দুঃচিন্তা ও ভয়ভিতি বিদূরিত করবে। পেরেশানি তাঁর কাছে ভিড়তে পারবে না। আপনি কোথায় আছেন, কী করছেন, অল্প সময়ে তার সাথে শেয়ার করুন। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- مَنْ سَرَّهُ أَنْ يُبْسَطَ لَهُ رِزْقُهُ أَوْ يُنْسَأَ لَهُ فِي أَثَرِهِ فَلْيَصِلْ رَحِمَهُ. যে চায় তার রিযিকে বরকত হোক এবং আয়ু বৃদ্ধি পাক, সে যেন আত্মীয়তার বন্ধন মিলিত করে। [সহীহ বুখারী : ৫৯৮৫]

ফন্ট সাইজ
15px
17px