📘 লুগাতুল কোরআন 📄 সপ্তম পাঠ : কর্তবাচক সর্ব নাম

📄 সপ্তম পাঠ : কর্তবাচক সর্ব নাম


ব্যবহার পদ্ধতি:
সে (পুরুষ) هُوَ
তাহারা দুইজন (পুরুষ) هُمَا
তাহারা সবাই (পুরুষ) هُمْ
সে (স্ত্রীলোক) هِيَ
তাহারা দুইজন (স্ত্রীলোক) هُمَا
তাহারা সবাই (স্ত্রীলোক) هُنَّ
তুমি (পুরুষ) اَنْتَ
তোমরা দুইজন (পুরুষ) اَنْتُمَا
তোমরা সবাই (পুরুষ) اَنْتُمْ
তুমি (স্ত্রীলোক) اَنْتِ
তোমরা দুইজন (স্ত্রীলোক) اَنْتُمَا
তোমরা সবাই (স্ত্রীলোক) اَنْتُنَّ
আমি (পুরুষ বা নারী) اَنَا
আমরা (পুরুষ বা নারী) نَحْنُ

নিচে আরবী বাক্যগুলির অনুবাদ শিখুন:
সে (একজন পুরুষ) করিয়াছে। هُوَ فَعَلَ
তাহারা (দুইজন পুরুষ) করিয়াছে। هُمَا فَعَلاَ
তাহারা (সবাই পুরুষ) করিয়াছে। هُمْ فَعَلُوا
সে (একজন স্ত্রীলোক) করিয়াছে। هِيَ فَعَلَتْ
তাহারা (দুইজন স্ত্রীলোক) করিয়াছে। هُمَا فَعَلَتَا
তাহারা (সবাই স্ত্রীলোক) করিয়াছে। هُنَّ فَعَلْنَ
তুমি (একজন পুরুষ) করিয়াছ। أَنْتَ فَعَلْتَ
তোমরা (দুইজন পুরুষ) করিয়াছ। أَنْتُمَا فَعَلْتُمَا
তোমরা (সবাই পুরুষ) করিয়াছ। أَنْتُمْ فَعَلْتُمْ
তুমি (একজন স্ত্রীলোক) করিয়াছ। اَنْتِ فَعَلْتِ
তোমরা (দুইজন স্ত্রীলোক) করিয়াছ। أَنْتُمَا فَعَلْتُمَا
তোমরা (সবাই স্ত্রীলোক) করিয়াছ। أَنْتُنَّ فَعَلْتُنَّ
আমি (একজন পুরুষ বা নারী) করিয়াছি। أَنَا فَعَلْتُ
আমরা (পুরুষ বা নারী) করিয়াছি। نَحْنُ فَعَلْنَا

📘 লুগাতুল কোরআন 📄 অষ্টম পাঠ : ভবিষ্যৎ কাল

📄 অষ্টম পাঠ : ভবিষ্যৎ কাল


মানদণ্ড - ওজন:
সে করে বা করিবে (পুরুষ) يَفْعَلُ
তাহারা দুইজন করে বা করিবে (পুরুষ) يَفْعَلَانِ
তাহারা সবাই করে বা করিবে (পুরুষ) يَفْعَلُونَ
সে করে বা করিবে (স্ত্রী) تَفْعَلُ
তাহারা দুইজন করে বা করিবে (স্ত্রী) تَفْعَلَانِ
তাহারা সবাই করে বা করিবে (স্ত্রী) يَفْعَلْنَ
তুমি করো বা করিবে (পুরুষ) تَفْعَلُ
তোমরা দুইজন করো বা করিবে (পুরুষ) تَفْعَلَانِ
তোমরা সবাই করো বা করিবে (পুরুষ) تَفْعَلُونَ
তুমি করো বা করিবে (স্ত্রী) تَفْعَلِينَ
তোমরা দুইজন করো বা করিবে (স্ত্রী) تَفْعَلَانِ
তোমরা সবাই করো বা করিবে (স্ত্রী) تَفْعَلْنَ
আমি করি বা করিবো (পুরুষ বা স্ত্রী) أَفْعَلُ
আমরা করি বা করিবো (পুরুষ বা স্ত্রী) نَفْعَلُ

مضارع এর চার্টটি পুরাপুরি মুখস্থ করিয়া ফেলুন। ইহার প্রত্যেকটি শব্দকে মনের মধ্যে বসাইয়া লউন। এইগুলি যত ভালোভাবে আপনার মনে থাকিবে ততই আপনার আরবী শেখার খাহেশ বাড়িয়া যাইবে। فعل ওযনের ভিত্তিতে এই পুরা চার্টটি দেখানো হইয়াছে। এখন এখানে অন্য ক্রিয়া পদ রাখিয়া আপনি সেইগুলির বাংলার অনুবাদ করিতে থাকুন। সুবিধার জন্য নমুনা স্বরূপ কয়েকটি শব্দ দেওয়া হইলোঃ-
যাফআলু (সে করে) يَفْعَلُ, ইয়াশরাবু (সে পান করে) يشرب, ইয়াফতাহু (সে উন্মুক্ত করে) يفتح, ইয়াজমাউ (সে জমা করে) يجمع।
আফআলু (আমি করি) أَفْعَلُ, আশরাবু (আমি পান করি) اشرب, আফতাহু (আমি উন্মুক্ত করি) افْتَحُ, আজমাউ (আমি জমা করি) اجمع।
ইয়াফআলুনা (তাহারা করে) يَفْعَلُونَ, ইয়াশরাবুনা (তাহারা পান করে) يشربون, ইয়াফতাহুনা (তাহারা উন্মুক্ত করে) يفتحون, ইয়াজমাউনা (তাহারা জমা করে) يجمعُونَ।
তাফআলু (তুমি করো) تَفْعَلُ, তাশরাবু (তুমি পান করো) تشرب, তাফতাহু (তুমি উন্মুক্ত করো) تفتح, তাজমাউ (তুমি জমা করো) تجمع।

উপরের শব্দগুলিকে সামনে রাখিয়া নিচের আরবীগুলি বাংলায় অনুবাদ করুনঃ-
يَشْكُرُونَ, يَكْفُرُونَ, يَتْلُونَ, نَتْلُونَ, يَعْلَمُونَ, هُوَ يَكْتُبُ كِتَابًا, هُمْ يَقْرَؤُونَ الْقُرْآنَ, لَا يَعْلَمُونَ شَيْئًا, أَعْلَمُ كُلَّ شَيْءٍ, تَعْلَمُ, يَعْمَهُونَ

জরুরী বিষয়ঃ-
ইতিপূর্বে ৩ নম্বর পাঠে আপনারা শিখিয়াছেন فعل কে فُعِلَ অর্থাৎ কর্তৃবাচ্য থেকে কর্মবাচ্য করিলে তাহার অর্থ কি হয়। এইভাবে يَفْعَلُ অর্থ হয় 'সে করে।' এ শব্দটিকে কর্মবাচ্যে يُفْعَلُ করিলে ইহার অর্থ হয় 'তাহা করা হয়।'
নিচের শব্দগুলি দেখুনঃ
সে হত্যা করে বা করিবে يَقْتُلُ -> তাহাকে হত্যা করা হয় বা হইবে يُقْتَلُ
তাহারা সাহায্য করে বা করিবে يَنْصُرُونَ -> তাহাদের সাহায্য করা হয় বা হইবে يُنْصَرُونَ
তুমি জিজ্ঞেস করো বা করিবে تَسْأَلُ -> তোমাকে জিজ্ঞেস করা হয় বা হইবে تُسْأَلُ

বাংলায় অনুবাদ করুনঃ-
وَلَاهُمْ يَحْزَنُونَ, يَسْمَعُونَ كَلَامَ اللَّهِ, لَا نَعْبُدُ إِلَّا اللَّهَ, يُؤْمِنُونَ بِاللهِ وَرَسُولِهِ, يَكْتُبُونَ الْكِتَابَ بِأَيْডِيهِمْ ثُمَّ يَقُولُونَ هَذَا مِنْ عِنْدَ اللهِ, لَا أَعْبُدُ مَا تَعْبُدُونَ, لَا تُسْتَلُونَ, لَا يَفْقَهُونَ حَدِيثًا, يَجْهَلُونَ, نَسْخَرُونَ

নিচের বাক্যগুলি আরবীতে অনুবাদ করুনঃ-
১. আমি জানি
২. তুমি জানো
৩. সে জানে

📘 লুগাতুল কোরআন 📄 নবম পাঠ : আদেশ ও নিষেধ

📄 নবম পাঠ : আদেশ ও নিষেধ


কোন কাজ করার হুকুম দেওয়াকে বলা হয় امر (আদেশ) এবং কোন কাজ হইতে বিরত থাকার হুকুমকে বলা হয় نهى (নিষেধ)।

নিচে 'امر' বা আদেশবাচক ক্রিয়ার রূপান্তর দেখুন-
তুমি (একজন পুরুষ) করো : إِفْعَلْ
তোমরা (দুইজন পুরুষ) করো : إِفْعَلَا
তোমরা (সবাই পুরুষ) করো : إِفْعَلُوا
তুমি (একজন স্ত্রীলোক) করো : إِفْعَلِي
তোমরা (দুইজন স্ত্রীলোক) করো : إِفْعَلَا
তোমরা (সবাই স্ত্রীলোক) করো : إِفْعَلْنَ

এখন 'نهى' বা নিষেধবাচক ক্রিয়ার রূপান্তর দেখুন-
তুমি (একজন পুরুষ) করিও না : لَا تَفْعَلْ
তোমরা (দুইজন পুরুষ) করিও না : لَا تَفْعَلَا
তোমরা (সবাই পুরুষ) করিও না : لَا تَفْعَلُوا
তুমি (একজন স্ত্রীলোক) করিও না : لَا تَفْعَلِي
তোমরা (দুইজন স্ত্রীলোক) করিও না : لَا تَفْعَلَا
তোমরা (সবাই স্ত্রীলোক) করিও না : لَا تَفْعَلْنَ

লক্ষণীয় যে, امر (আদেশ) তৈরি করার জন্য مضارع (বর্তমান ও ভবিষ্যৎকাল)-এর শুরুতে একটি আলিফ যুক্ত হয় এবং শেষ অক্ষরে জজম (সাকিন) হয়। আর نهى (নিষেধ) তৈরি করার জন্য مضارع-এর শুরুতে একটি 'لَا' (লা) যুক্ত হয় এবং শেষ অক্ষরে জজম হয়।

নিচের উদাহরণগুলো লক্ষ্য করুন:
তুমি যেও না : لَا تَذْهَبْ
তোমরা শুনিও না : لَا تَسْمَعُوا
তোমরা তৈরী করিও না : لَا تَজْعَلُوا
তোমরা মর্মাহত হইও না : لَا تَحْজَنُوا
তোমরা দলে দলে বিভক্ত হইও না : لَا تَفَرَّقُوا
তুমি খুলিয়া দাও : اشْرَحْ

বাংলায় অনুবাদ করুনঃ-
لَا تَقْرَبَا هَذِهِ الشَّجَرَةَ - لَا تَسْأَلْنِي - اِشْرَحْ لِي صَدْرِي - اِسْمَعُوا كَلَامَهُمَا - وَلِلْكَافِرِينَ عَذَابٌ أَلِيمٌ - اِرْكَبُوا

নতুন শব্দের অর্থঃ-
এইটি, ঐটি (স্ত্রী) : هذه
গাছ : شجرة
বুক : صدر
এবং : ও
কাজ করা : عمل
জানা : عِلْمَ
খুলে যাওয়া, সম্প্রসারিত হওয়া : شرح
পান করা : شَرْবٌ
শাস্তি : عَذَابٌ
আরোহণ করা : ركب
নিকটবর্তী হওয়া : قَرُبَ
যন্ত্রণাদায়ক : اليم

কুরআন মজীদের কয়েকটি জরুরী নির্দেশিকাঃ-
১. কুরআন মজীদের প্রত্যেকটি রুকুর শেষে ৭ এর চিহ্ন লাগানো আছে। ইহার অর্থ, এইখানে রুকু শেষ হইয়া গিয়াছে।
২. রুকূর ওপর যে চিহ্ন লাগানো থাকে তাহাকে সংশ্লিষ্ট সূরার রুকূ নম্বর গণ্য করা হয়।
৩. আর মাঝখানের সংখ্যাটিকে ঐ রুকু ও উল্লেখিত আয়াত সংখ্যা হিসেবে গণ্য করা হয়।
৪. যদি আপনি সূরা বাকারার ৩৮ রুকূটি বাহির করিতে চাহেন তাহা হইলে ৩৮ সংখ্যা চিহ্নিত রুকূটি বাহির করুন। এইখানে উপরের ৩৮ সংখ্যাটি সূরা বাকারার ৩৮ তম রুকূ বলিয়া ঘোষণা করিয়াছে। নিচের ৬ সংখ্যাটি ঘোষণা করিয়াছে যে, এইটি তৃতীয় পারার ষষ্ঠ রুকূ। আর মাঝখানের ৮ সংখ্যাটি ৩৭ ও ৩৮তম রুকুর মাঝখানে কয়টি আয়াত আছে তাহা প্রকাশ করিতেছে।
৫. অধিকাংশ ক্ষেত্রে সূরার রুকূর প্রতি দৃষ্টি দেওয়াই সংগত হইবে। কারণ অধ্যয়নের সময় সূরাগুলির নম্বর দেখিয়া তাহার মধ্যে রুকু তালাশ করাই সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি।
৬. প্রতিদিন একটি রুকূর শব্দগুলি ভালোভাবে বুঝিয়া মুখস্থ করিয়া লউন। তাহার পর কোনো অনুবাদবিহীন কুরআন মজীদ তেলাওয়াত করিতে থাকুন এবং নিজে মুখস্থ করুন। শব্দগুলির অর্থ সেইখানে বসাইয়া দেখিয়া লউন আপনি এই রুকূতে কতটুকু শিখিতে পারিয়াছেন। কোথাও কঠিন মনে হইলে অনূদিত কুরআন মজীদের সাহায্যে নিজের কাজকে সহজ করিয়া লউন।

📘 লুগাতুল কোরআন 📄 ১. সূরা আল ফাতিহা

📄 ১. সূরা আল ফাতিহা


১. সূরা আল ফাতিহা
মক্কিয়া, আয়াত ৭ রুকু ১

الحمد : প্রশংসা।
لله : আল্লাহর জন্য।
رب : প্রতিপালক।
العالمين : জগতসমূহ (একবচন عالم)।
الرحمن : অতি দয়ালু।
الرحيم : পরম করুণাময়।
مالك : মালিক, অধিপতি।
يوم الدين : বিচার দিবস।
اياك : শুধুমাত্র তোমারই।
نعبد : আমরা ইবাদত করি (একবচন نعبد)।
نستعين : আমরা সাহায্য চাই।
اهدনা : আমাদিগকে পথ দেখাও।
الصراط : পথ।
المستقيم : সহজ-সরল।
الذين : যাহারা, ঐ সকল লোক।
أنعمت : তুমি নেয়ামত দিয়াছ।
عليهم : তাহাদের উপর।
غَيْرَ : ব্যতীত, ছাড়া, বাদে।
الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ : যাহারা গযবে পড়িয়াছে, যাহাদের উপর গযব পড়িয়াছে।
لا : না, নহে, নাই।
الضَّالِّينَ : পথভ্রষ্ট, গোমরাহ, বিভ্রান্ত (একবচন ضাল)।

ফন্ট সাইজ
15px
17px