📘 লুগাতুল কোরআন 📄 প্রথম পাঠ : উদ্দেশ্য ও বিধেয়

📄 প্রথম পাঠ : উদ্দেশ্য ও বিধেয়


আল্লাহ পরওয়ারদেগার اللهُ خَالِقٌ
মুহাম্মদ নবী مُحَمَّدٌ نَبِيٌّ
তারিক মুজাহিদ (বীর যোদ্ধা) طَارِق مُجَاهِد
এইখানে দেখা যাইতেছে প্রত্যেকটি বাক্যে দুইটি করিয়া শব্দ।
আল্লাহ কে? খালেক خالق
মুহাম্মদ (সাঃ) কে? নবী نبی
তারিক কে? মুজাহিদ مُجَاهد
এই ধরনের বাক্যের প্রথমটি উদ্দেশ্য এবং দ্বিতীয়টি বিধেয়। এইখানে উদ্দেশ্যের (مبتدأ) শেষে দুই পেশ এবং বিধেয়ের (خبر) শেষেও দুই পেশ বসে। এইবার নিচের বাক্যগুলির বাংলায় অনুবাদ করুনঃ
حَامِدٌ عَالِمٌ مَحْمُودُ ذَكَى خَالِدٌ قَوِی ابن صغير جند كبير عبد صالح

উপরের শব্দগুলি ছিল مذکر (পুংলিঙ্গ)। এইবার مؤنث (স্ত্রীলিংঙ্গ) এর চিহ্ন দেখুন। বাংলায় যেমন শব্দের শেষে ঈ, আ, বা, নী সংযুক্ত করিয়া পুংলিঙ্গকে স্ত্রীলিংগ করা যায় আরবীতেও তেমনি ة বিশেষ্যের শেষে বসাইয়া مذکر কে مؤنث -এ পরিণত করা যায়। যেমন দেখুনঃ
مذكر مؤنث
راشد راشدة
جَمِيلٌ جَمِيلَةٌ
صالح صالحة
خالد خالدة
عابد عَابِدَةٌ
নিচের বাক্যগুলি মশক করুনঃ
ابْنُ جَمِيلٌ بِنْتُ جَمِيلةٌ اب صالح أم صالحة أخ ذكي أُخْتُ ذَكِيَّةٌ خال كبير خَالَةٌ كَبِيرَةٌ

জরুরী বিষয়ঃ এইখানে একটি কথা মনে রাখিতে হবে। কোনো শব্দকে নির্দিষ্ট বা তাহার মধ্যে বিশেষত্ব সৃষ্টি করিতে হইলে الْ ব্যবহার করা হয়। ঠিক যেমন ইংরেজীতে The এবং বাংলায় টি, টা, খানা, খানি শব্দের শেষে বসাইয়া তাহাকে নির্দিষ্ট বা তাহার মধ্যে বিশেষ গুণ সৃষ্টি করা হয়। আরবীতে কোনো শব্দের প্রথমে الْ বসাইলে তাহার শেষ হরফের দুই পেশ এক পেশে পরিণত হয়। উদাহরণস্বরূপ নিচে দেখুনঃ
حَمْدٌ الْحَمْدُ
اِنْسَانُ الْإِنْسَانُ
رَسُولُ الرَّسُولُ
নিচের বাক্যগুলির মধ্যে ال এর ব্যবহার দেখুনঃ
اَبٌ صَالِحٌ الرَّجُلُ قَوِيٌ
الأَبُ صَالِحٌ رَجُلٌ قَوِيٌ

বাংলায় অনুবাদ করুনঃ
بَيْتُ رَفِيعُ - البَيْتُ رَفِيعُ - الْإِسْلَامُ دِيْنٌ - رَسُولُ صَادِقٌ الرَّسُولُ صَادِقٌ - نُوحٌ نَبِي - قُرآنُ مَجِيدٌ

এই পাঠ হইতে নিম্নোক্ত বিষয়গুলি জানা গেলোঃ
(১) مبتدأ ও خبر উভয়ের শেষে দুই পেশ বসে।
(২) ال ব্যবহার করিলে দুই পেশের জায়গায় কেবল এক পেশ থাকে।
(৩) مؤنথ এর চিহ্ন হচ্ছে ة
(৪) প্রথম শব্দটি অর্থাৎ مبتدأ যদি مؤنথ হয় তাহা হইলে তাহার خبر ও مؤنথ হইবে।

এই পাঠে ব্যবহৃত শব্দগুলির অর্থঃ
প্রশংসা حَمْدٌ
আলেম, জ্ঞানী عَالِمٌ
শক্তিশালী قوى
ইবাদতকারী عابدٌ
বুদ্ধিমান ذكى
মানুষ إنسانٌ
পুত্র ابنٌ
ইবাদকারিণী عَابدَةٌ
কন্যা বِنْتٌ
লোকটি الرَّجُلُ
সুন্দরী جَمِيلَةٌ
ঘর বَيْتٌ
পিতা آب
ঘরটি الْبَيْتُ
সৎ, নেককার صَالِحٌ
সত্যবাদী صَادِقٌ
মাতা أم
মর্যাদাসম্পন্ন مَجِيدٌ
ভাই اخٌ
বড় كَبِيرٌ
বোন أخت
উঁচু رَفِيْعٌ
মামা خال
ছোট صَغِيرٌ
রাস্তা صراط
মামী, খালা خَالَةٌ

📘 লুগাতুল কোরআন 📄 দ্বিতীয় পাঠ: যার সাথে যায় সম্বন্ধ

📄 দ্বিতীয় পাঠ: যার সাথে যায় সম্বন্ধ


কুরআনের হকুম حُكْمُ قُرْآنٍ
হুদ জাতি قَوْمُ هُود
রসূলের দাওয়াত دَعْوَةُ رَسُولٍ
আল্লাহর বান্দাগণ عباد الله
আল্লাহর ঘর بَيْتُ الله
আল্লাহর সৃষ্টি خَلْقُ الله

এইখানে দুইটি করিয়া শব্দ। একটি শব্দের সাথে আর একটি শব্দের সম্বন্ধ সৃষ্টি হইয়াছে। যে শব্দটির সম্বন্ধ সৃষ্টি হইয়াছে সেইটি হইতেছে مضاف এবং যাহার সাথে সম্বন্ধ সৃষ্টি হইয়াছে সেইটি مضاف الیه। এইক্ষেত্রে مضاف اليه এর শেষে দুই যের বসে। তবে مضاف اليه এর শুরুতে যদি ال থাকে তাহা হইলে শেষে দুই যেরের স্থলে এক যের হয়। مضاف প্রথমে ও مضاف اليه পরে বসে। এইবার নীচের শব্দগুলির বাংলায় অনুবাদ করুনঃ

নিচের আরবী শব্দগুলির বাংলা করুনঃ
كِتَابُ اللهِ ، كَلَامُ اللهِ ، سُنَّةُ الرَّسُولِ، ذِكْرُ الرَّحْمَنِ
رَيْبُ الْإِنْسَانِ ، فَضْلُ اللَّهِ ، يَوْمُ الدِّينِ، أَقَامَةُ الصَّلُوةِ
رَحْمَةُ اللَّهِ ، أَطَاعَةُ الوَالِدَينِ

আরবী বানাওঃ
আল্লাহর পৃথিবী, আখেরাতের ঘর, মানুষের বিদ্রোহ, গুনাহগারের খাদ্য, লোকমানের পুত্র, মিসরের বাদশাহ, সমুদ্রের পানি, হামিদের ঘর, পাখির খাবার।

জরুরী বিষয়ঃ
(১) اضافت কে বাংলায় সম্বন্ধ পদ বলে।
(২) দুইটি শব্দের মধ্যে সম্বন্ধ হবার পর তাহার মধ্যে “এর” অর্থ সৃষ্টি করে, যেমন মজীদের বই (كِتَابُ مَجِيد) প্রথম শব্দটি অর্থাৎ مضاف এর শেষে এক পেশ এবং পরবর্তী শব্দটির (মضاف اليه) এর শেষে দুই যের বসে।
(৩) ال ব্যবহৃত হইলে مضاف اليه এর শেষে কেবলমাত্র একযের বসে।

নতুন শব্দগুলির অর্থঃ
ঘর دَارُ
জাতি قَوم
বিদ্রোহ طُغْيَانُ
আহবান دَعُوة
গুনাহগার اَثِيْم
বান্দাগণ عِبَاد
আখেরাত آخرة
সৃষ্টি خَلْق
খাদ্য طعام
পৃথিবী ارْض
পুত্র اِبْنُ
মিসর مِصر
সমুদ্র بحর
বাদশাহ মَلك
সন্দেহ رَيب
পানি মَاء
আদব, পন্থা سُنَّة
কায়েম করা اِقَامَة
আনুগত্য করা اِطَاعَةُ
পিতা-মাতা وَالِدَيْنِ

📘 লুগাতুল কোরআন 📄 তৃতীয় পাঠ : অতীত কাল

📄 তৃতীয় পাঠ : অতীত কাল


মানদণ্ড- ওজন
সে (পুরুষ) করিয়াছে فَعَلَ
তাহারা দুইজন (পুরুষ) করিয়াছে فَعَلَا
তাহারা সবাই (পুরুষ) করিয়াছে فَعَلُوا
সে (স্ত্রীলোক) করিয়াছে فَعَلَتْ
তাহারা দুইজন (স্ত্রীলোক) করিয়াছে فَعَلَتَا
তাহারা সবাই (স্ত্রীলোক) করিয়াছে فَعَلْنَ
তুমি (পুরুষ) করিয়াছ فَعَلْتَ
तुमরা দুইজন (পুরুষ) করিয়াছ فَعَلْتُمَا
তোমরা সবাই (পুরুষ) করিয়াছ فَعَلْتُمْ
তুমি (স্ত্রীলোক) করিয়াছ فَعَلْتِ
তোমরা দুইজন (স্ত্রীলোক) করিয়াছ فَعَلْتُمَا
তোমরা সবাই (স্ত্রীলোক) করিয়াছ فَعَلْتُنَّ
আমি (পুরুষ বা নারী) করিয়াছি فَعَلْتُ
আমরা দুইজন বা সবাই (পুরুষ বা নারী) করিয়াছি فَعَلْنَا

ক্রিয়াপদের রূপান্তরের এই চার্টটি ভালোভাবে মুখস্থ করিয়া লউন। আরবী ক্রিয়াপদের মধ্য হইতে শুধুমাত্র فعل শব্দটিকে এইখানে ব্যবহার করা হইয়াছে। الفعل মানে করা। فعل এর যেইভাবে রূপান্তর ঘটিয়াছে তিন শব্দ বিশিষ্ট ক্রিয়াপদের ماضی (অতীত কাল) এর সকল শব্দের রূপান্তরও এই নিয়মে হইবে। তাদের অর্থের মধ্যে পরিবর্তন এইখানে যেইভাবে হইয়াছে ঠিক সেইভাবেই হইবে। যেমন فعل এর জায়গায় যদি نصر বসানো হয়, তাহা হইলে ইহার অর্থ হইবে সে (পুরুষ) সাহায্য করিয়াছে। তেমনি فعلاً এর জায়গায় نصراً হইলে ইহার অর্থ হইবে তাহারা দুইজন (পুরুষ) সাহায্য করিয়াছে। নীচের চার্টে فَعَلَ এর وزن (মানদন্ডে)-এ আরো কয়েকটি ক্রিয়াপদ বসাইয়া দেখানো হইল।

ক্রিয়াসমূহ افعال:
সে (পুরুষ) শুনিয়াছে سَمِعَ
সে (পুরুষ) পড়িয়াছে قَرَأَ
সে (পুরুষ) সাহায্য করিয়াছে نَصَرَ
সে (পুরুষ) চাহিয়াছে طَلَبَ
সে (পুরুষ) খুলিয়া দিয়াছে فَتَحَ
(এই ওজন অনুযায়ী সকল রূপ হবে, যথা: سَمِعَا, سَمِعُوا, سَمِعَتْ, سَمِعْنَا... ইত্যাদি)

নিচের শব্দগুলির বাংলায় অনুবাদ করুনঃ
فَعَلْتُ, دَخَلْتُ, شَرِبْتُ, وَجَدْتُ, خَرَجْتُ, فَعَلْتُمْ, نَصَرْتُمْ, كَفَرْتُمْ, ذَهَبْتُم, فَعَلْنَ, سَمِعْنَ, وَجَدْنَ, ذَهَبْنَ, نَصَرْنَ, فَعَلْتُنَّ, دَخَلْتُنَّ, كَفَرْتُنَّ, كَتَبْتُنَّ, شَرِبْتُنَّ, فَعَلْتُ, دَخَلْتُ, وَصَلْتَ, ذَهَبْتَ, كَفَرْتَ

তাহা হইলে আমরা বুঝিতে পারিলাম فعل অর্থ সে করিয়াছে। এখন যদি এই শব্দটিকে فُعِلَ পড়ি তাহা হইলে ইহার অর্থ হইবে-“করা হইয়াছে” আরবীতে ইহাকে বলা হয় فعل مجهুল (Passive voice)। বাংলায় যাহাকে বলা হয় কর্মবাচ্য।

কর্তৃবাচ্য (Active voice) -> কর্মবাচ্য (Passive voice):
খলকতুম (তোমরা পয়দা করিয়াছ) خَلَقْتُمْ -> খুলিকতুম (তোমাদের পয়দা করা হইয়াছে) خُلِقْتُمْ
কতলা (সে হত্যা করিয়াছে) قَتَلَ -> কুতিলা (তাহাকে হত্যা করা হইয়াছে) قُتِلَ
জাআলতু (আমি তৈরী করিয়াছি) جَعَلْتُ -> জুইলতু (আমাকে তৈরী করা হইয়াছে) جُعِلْتُ

এইবার নিজে নিজে নিচের শব্দগুলোর অনুবাদ করুন:
তাহাকে ডাকা হইল طُلِبَ, তাহারা চাহিলো طَلَبُوا, তাহাকে পাঠানো হইল بُعِثَ, সে পাঠাইল بَعَثَ, আমরা রিযিকপ্রাপ্ত হইয়াছি رُزِقْنَا, আমরা রিযিক দিয়াছি رَزَقْنَا, সে রিযিকপ্রাপ্ত হইয়াছে رُزِقَ, সে রিযিক দিয়াছে رَزَقَ।

জরুরী বিষয়ঃ
(১) ماضی বলা হয় এমন একটি ক্রিয়াকে যাহা অতীতে হইয়া গিয়াছে। বাংলায় ইহাকে বলা হয় অতীত কাল।
(২) ماضی مجہول বলা হয় অতীত কালের এমন একটি ক্রিয়াকে যার সম্পর্ক হয় مفعول বা কর্মপদের সাথে এবং তার সাথে فاعل বা কর্তার উল্লেখ থাকেনা।

তৃতীয় পাঠের নতুন শব্দগুলোর অর্থঃ
করা فَعَلَ
প্রবেশ করা دَخَلَ
পান করা شَرِبَ
পাওয়া وَجَدَ
বাহির হওয়া خرج
অস্বীকার করা, অমান্য করা كَفَرَ
সংযুক্ত করা وصل
যাওয়া ذَهَبَ
খোলা فتح
অন্বেষণ করা طلب
পাঠানো بعث
সাহায্য করা نَصَرَ
সৃষ্টি করা خَلَقَ
হত্যা করা قتل
রিযিক দেওয়া رزق
পাঠ করা قرأ

জরুরী বিষয়ঃ ضرب শব্দটি কুরআন মজীদে দুই অর্থে ব্যবহৃত হইয়াছে। ইহার একটি অর্থ হইতেছে মারা বা আঘাত করা। আর অন্য অর্থটি হইতেছে দৃষ্টান্ত বর্ণনা করা। যেমন সূরা আল্ বাকারার ৬০ নং আয়াতে বলা হইয়াছেঃ فَقُلْنَا اضْرِبْ بِعَصَاكَ الْحَجَرَ (তাহারপর আমি বলিলাম তোমার ছড়িটি দিয়া পাথরে আঘাত করো)। আবার সূরা ইয়াসীনের ১৩নং আয়াতে বলা হইয়াছেঃ وَاضْرِبْ لَهُمْ مَثَلاً أَصْحَابَ الْقَرْيَةِ (আর তাদের জন্য জনপদ বাসীদের দৃষ্টান্ত বর্ণনা করো) উভয় বাক্যে শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। কিন্তু বাক্যটির পূর্বাপর সম্পর্কই ইহার একটি অর্থ নির্দিষ্ট করিয়া দিতেছে।

📘 লুগাতুল কোরআন 📄 চতুর্থ পাঠ : ক্রিয়া কর্তা কর্ম

📄 চতুর্থ পাঠ : ক্রিয়া কর্তা কর্ম


আরবীতে বাক্যের প্রথমে فعل বসে তাহার পর বসে فاعل এবং তাহারপরে আসে مفعول। فاعل এর শেষ অক্ষরের উপর দুইপেশ এবং مفعول এর শেষ অক্ষরে যবর লাগানো হয়।

হামীদ কুরআন পড়িয়াছে। قَرَأَ حَمِيدٌ قُرْآنًا
এই বাক্যটিতে 'পড়িয়াছে' ক্রিয়া। কে পড়িয়াছে? হামীদ। অর্থাৎ পড়ার কাজটি করিয়াছে হামীদ। তাই হামীদ কর্তা। আর কি পড়িয়াছে? কুরআন অর্থাৎ কুরআন পড়া হইয়াছে। কাজেই কুরআন কর্ম। আরবীতে এই বাক্যটিকে এইভাবে বলা হবেঃ قَرَأَ حَمِيدٌ قُرْآنًا
তেমনি হইবে- سَمِعَ مُنِيرٌ أَذَانًا এবং كَتَبَ مُنِيرٌ كِتَابًا

বাংলায় অনুবাদ করুনঃ
قرأ حَميدٌ قُرْآنًا
شَرِبَ طَارِقٌ مَاءًا
انْزَلَ اللَّهُ كِتَابًا
خَدَعَ الشَّيْطَانُ الْإِنْسَانَ
جَعَلَ اللَّهُ مُحَمَّدًا رَسُولاً
جَمَعَ مَالاً
فَرَقْنَا الْبَحْرَ
خَلَقَ اللَّهُ الْأَرْضِ وَالنَّاسِ

জরুরী জ্ঞাতব্যঃ اسم বা বিশেষ্য পদের শুরুতে যখন ال বসে (যেমন الارض) তখন সেইটি কর্মপদ হিসাবে ব্যবহৃত হইলে তাহার শেষ হরফে একটি যবর কমিয়া যায়। ইতিপূর্বে আমরা দেখিয়াছি محمدا كتابা رسولا শব্দগুলির উপর দুই যবর কিন্তু الْأَرْضُ এবং الإِنْسَانُ এর উপর দুই যবরের জায়গায় এক যবর। একইভাবে اسم বা বিশেষ্যটি যদি কর্তা হয় তাহা হইলে তাহার প্রথমে ال বসিলে শেষ হরফে দুই পেশের জায়গায় এক পেশ হয়। যেমন طارق এর উপর দুই পেশ কিন্তু الشَّيْطَانُ এর উপর এক পেশ।

নতুন শব্দগুলির অর্থঃ
পৃথিবী الْأَرْضِ
সৃষ্টি করা خَلَقَ
তৈরী করা جَعَلَ
নাযিল করা انْزَلَ
পানি ماء
ধোঁকা দেয়া خَدَعَ
মানুষ إِنْسَانُ
জমা করা, সংগ্রহ করা جَمَعَ
অর্থ, ধন-সম্পদ মَالُ

ফন্ট সাইজ
15px
17px