📘 লাভ অফ আল্লাহ > 📄 ইহতিসাব তথা হিসাব-নিকাশই চাবিকাঠি

📄 ইহতিসাব তথা হিসাব-নিকাশই চাবিকাঠি


নিজের মধ্যে কোনো ধরনের পরিবর্তন ছাড়া আমাদের নামাজের হিসাব করা আবশ্যক। নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন যে আমরা ইবাদত কেন করছি? শুধু এ জন্য যে, আমাদের এরূপ করা উচিত? না এজন্য যে, এটা আমার দৈনন্দিন অভ্যাস? না এজন্য যে, অন্য লোকও এরূপ করে তাই আমিও করি।

পরিবর্তনের সময় এসেছে। খাঁটি মহব্বতের সাথে ইবাদত করতে হবে। এভাবে ইবাদত করুন যে, আপনি যাকে মহব্বত করেন, সেই মাহবুবের সান্নিধ্যে থাকার সুযোগ হচ্ছে। এমন প্রশান্তি ও আরাম লাভের নিমিত্তে ইবাদত করুন, যাতে আপনার ওই মুহূর্তটি হাসিল হয় যে, আপনি ওই সত্তার সান্নিধ্যে আছেন, যার প্রতি আপনার অগাধ ভালোবাসা রয়েছে। তাই আমাদেরকে পরিপূর্ণ ইখলাস, মহব্বত, মনোযোগ ও গুরুত্বের সাথে ইবাদত করতে হবে।

এমন ৩টি বিষয় রয়েছে, যার কারণে একে অপরকে মহব্বত করে।
১. এজন্য যে, সে সবচেয়ে বেশি সৌন্দর্যের অধিকারী।
২. অথবা এজন্য যে, সে তোমার সাথে সর্বদা স্নেহ ও দয়ার সম্পর্ক রাখে।
৩. অথবা এজন্য যে, কেউ তোমার প্রতি অনেক অনুগ্রহ করেছে।

এখন আল্লাহ পাকের ব্যাপারে চিন্তা করুন। তিনি সবকিছুর চেয়ে বড় ও শ্রেষ্ঠ কি-না? তিনি আমাদের সবচেয়ে বেশি মহব্বতের দাবিদার কি না? আল্লাহর ওপর সত্যিকার মহব্বতই আসল মহব্বত এবং এই মহব্বত দ্বারাই সত্যিকার ইমানের মজা লাভ হবে। নিজের চতুর্দিকে বিদ্যমান সৌন্দর্যমণ্ডিত সৃষ্টিকে দেখুন, চাই তা প্রকাশ্যে হোক বা অপ্রকাশ্যে হোক। এসব কিছুই আল্লাহ তাআলার সৌন্দর্যের এক ঝলক মাত্র। যদি প্রত্যেক মানুষকে ইউসুফ আলাইহিস সালাম-এর মতো সুন্দর বানানো হতো এবং সৌন্দর্যকে দৃশ্যমান সকল সৌন্দর্যের সাথে মিলানো হতো যা আমাদের চতুর্দিকে বিদ্যমান, তবুও এসকল সৌন্দর্য আল্লাহ পাকের সৌন্দর্যের সামনে এমন মনে হতো, যেমন সূর্যের আলোর বিপরীতে মিটিমিটি করে প্রজ্জ্বলিত মোমবাতির আলো। আল্লাহ তাআলার সৌন্দর্যের কোনো তুলনা নেই, যা তাঁর মর্যাদাকে দ্বিগুণ করে দেয়। একটু ভাবুন! যখন তোমরা নামাজে তাঁর সামনে দণ্ডায়মান হও, তখন তিনি তাঁর সবচেয়ে সুন্দর মর্যাদাপূর্ণ (কুদরতি) চেহারা তোমাদের জন্য সামনে রাখেন।

আল্লাহ পাকের সৌন্দর্য আমরা এ ধ্বংসশীল চোখে দেখতে পারব না, যদি তিনি তাঁর সৌন্দর্য আমাদের ওপর প্রকাশ করেন, তবে যা কিছু বিদ্যমান আছে সব জ্বলে ছাই হয়ে যাবে। মুসা আলাইহিস সালাম এর ঘটনা নতুন করে স্মরণ করুন। যখন তিনি আল্লাহ তাআলাকে দেখার আবেদন করলেন। আল্লাহ তাআলা বললেন, 'তুমি আমাকে দেখতে পাবে না তবে এ পাহাড়ের দিকে দেখ যদি সেটা নিজের স্থানে স্থির থাকতে পারে তবে তুমি আমাকে দেখতে পাবে। অতঃপর আল্লাহ তাআলা পাহাড়ের উপর আপন তাজাল্লি দান করলেন, যার ফলে পাহাড় চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে গেল এবং মুসা আলাইহিস সালাম বেহুঁশ হয়ে পড়ে গেলেন।'

এটা তো মুসা আলাইহিস সালাম-এর অবস্থা, যা আল্লাহ পাকের তাজাল্লি প্রাপ্ত পাহাড় দেখে হয়েছিল। এখন চিন্তা করুন, যদি তিনি সরাসরি আল্লাহ তাআলাকে দেখতেন তবে তাঁর অবস্থা কী হতো! আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জতের দয়া ও করুণার বিষয় যতদূর রয়েছে আপনি আপন চক্ষুদ্বয় কিছুক্ষণ বন্ধ করে দেখুন যে, এটা আল্লাহ তাআলার কত বড় নেয়ামত। আমরা যদি তাঁর নেয়ামতসমূহ গণনা করতে শুরু করি তবে তা গণনা করে শেষ করতে পারব না। আমরা যখন কোনো নেয়ামত থেকে বঞ্চিত হয়েছি, তখন কতটা অসন্তুষ্ট হয়েছি। আমরা ওই সময় স্বভাবজাত তাড়াহুড়াবশত এতে আল্লাহ পাকের গোপন রহস্য বুঝতে পারিনি যে, হতে পারে এতেই রয়েছে আমাদের জন্য কল্যাণ। পরে আমাদের বুঝে এসেছে যে, এতে কী পরিমাণ কল্যাণ নিহিত ছিল। যেহেতু আল্লাহ পাক হচ্ছেন পরিপূর্ণ কল্যাণময় ও দয়াশীল।

একটু চিন্তা করুন, যখন আমরা উক্ত মালিক এর বিরুদ্ধাচরণ করে পাপ করি, আমরা তাঁর দেয়া নেয়ামত ভোগ করে গুনাহের কাজ করি, তারপরও তিনি আমাদেরকে নেয়ামত দান করেন এবং হেফাজত করেন। বাস্তবিকপক্ষে আপনার জন্য তাঁর চেয়ে অধিক দয়ালু আর কেউ নেই। তাঁর চেয়ে অধিক দানশীল আপনার জন্য আর কেউ নেই। সুতরাং আপনার জন্য তাঁর চেয়ে অধিক মহব্বতের হকদার আর কেউ হতে পারে না। তাঁকে স্মরণ করুন, এ জীবনের স্বাদ তাঁকে স্মরণ করার মাঝেই রয়েছে। পরবর্তী জীবনের মজা তাঁর দিদারে রয়েছে। পরবর্তীতে যখন নামাজে যাবেন এজন্য যাবেন যে, আপনি তাঁকে মহব্বত করেন। এজন্য যাবেন যে, তাঁর স্মরণ আপনার হয়েছে এবং আপনি তাঁর সাথে সময় কাটাতে চাচ্ছেন। এসব ভেবে আপনার অন্তরে যখন আনন্দের ঢেউ খেলবে, তবেই আপনি নামাজের স্বাদ ও প্রশান্তি লাভ করবেন। যা নামাজের আসল উদ্দেশ্য।

টিকাঃ
১. সুরাতুল আরাফ-১৪৩।

📘 লাভ অফ আল্লাহ > 📄 আল্লাহু আকবার বলার রহস্য

📄 আল্লাহু আকবার বলার রহস্য


যখন আল্লাহু আকবার বলেন তখন কী হয়? তবে এটা জানার পূর্বে আমরা কি কখনো চিন্তা করেছি যে, নামাজের শুরু কেন আল্লাহু আকবার দ্বারা করা হয়? কেন সুবহানাল্লাহ বলি না?

'আল্লাহু আকবার' এমন একটি বাক্য, যা দ্বারা আমরা এ কথার স্বীকৃতি দিই যে, ওই সত্তা যাঁর সামনে আমরা দণ্ডায়মান আছি, তিনি আমার নিকট দুনিয়া এবং তন্মধ্যে যা কিছু আছে সবকিছুর চেয়ে উচ্চতর ও শ্রেষ্ঠ। তিনি আমাদের চাকরি, কাজ-কারবার, আমাদের নিদ্রা, আমাদের সম্পদ, আমাদের বংশ, আমাদের সন্তান, আমাদের সকল সমস্যা ও সকল প্রয়োজনের চেয়ে বড়।

আমরা কেন হাত উত্তোলন করি? এজন্য যে, আমরা সবকিছু পেছনে ফেলেছি। আমরা এ জন্য আমাদের হাত উঠাই যে, আল্লাহ পাকের কাছে নিজেকে পরিপূর্ণ সোপর্দ করা প্রকাশ পায়।

বান্দা যখন নামাজে দাঁড়ায় তখন আল্লাহ তাআলা হুকুম দেন, আমার ও বান্দার মাঝে সকল পর্দা সরিয়ে দাও। তাই বান্দা যখন 'আল্লাহু আকবার' বলে তখন আল্লাহ তাআলা তাঁর বরকতপূর্ণ ও মহান দয়ার চেহারা তাঁর সম্মুখে করে দেন এবং তিনি আপনার থেকে ওই পর্যন্ত চেহারাকে ফিরান না, যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি নিজে না ফেরান। আর এ ফিরিয়ে নেয়া ওই সময় হয়, যখন আপনি আপনার দৃষ্টি এবং অন্তর দুনিয়াবি বিষয়াদির দিকে আকৃষ্ট করেন। আর আপনি যখন পাল্টে যান, তখন আপনাকে আওয়াজ দেয়া হয়, তুমি কেন পাল্টে গেছ, এমন কী আছে যা আমার চেয়েও শ্রেষ্ঠ? তখন হুকুম করেন যে, পুনরায় পর্দা ঢেলে দাও।

আপনি যখন 'আল্লাহু আকবার' এর ঘোষণা করেন, তখন এ কল্পনা করুন যে, আপনি ক্যামেরার সম্মুখে আছেন এবং 'On the air' এর লাল বুতাম টিপ দেয়া হয়েছে। আপনি এমন সত্তার সামনে দণ্ডায়মান আছেন, যিনি সকল সৃষ্টিকুলের ওপর পূর্ণ ক্ষমতাবান। যিনি সবকিছুর উপর এখতিয়ার রাখেন, সবকিছু তাঁর ক্ষমতার অধীনে। এখন আপনার অবস্থা কেমন হবে? আপনার মনের অস্থিরতা একটু অনুভব করুন!

'আল্লাহু আকবার' বলে যখনই আমরা সামনে অগ্রসর হই, আমাদের অঙ্গসমূহের দ্বারা সংগঠিত পাপসমূহ উপরে উঠতে থাকে এমনকি তা আমাদের মাথা এবং কাঁধ বরাবর পৌঁছে যায়। অতঃপর প্রত্যেক রুকু ও সিজদাতে উক্ত পাপসমূহকে আমরা নিজেরাই দূরে নিক্ষেপ করতে থাকি। (রবের সামনে দীর্ঘ সময় অবস্থান করার বাহানা হিসেবে আমরা এ বিষয়গুলো নির্ধারণ করি।)

'আল্লাহু আকবার' বলার সাথে পূর্বের সামান্য জায়েজ বস্তুও এখন আমাদের জন্য নিষেধ হয়ে যায়। যেমন- খানা-পিনা, কথা-বার্তা বা অপ্রয়োজনীয় নড়াচড়া ইত্যাদি। এমন কী হয়ে গেল? পূর্বের অবস্থা আর এখনকার মধ্যে কী ভিন্নতা? এমনিতেই তো এ সকল কাজ এ ধরনের পবিত্র সাক্ষাতে উপযুক্ত না। আপনি আপনার মালিকের ডাকে সাড়া দিয়ে হাত বেঁধে দাঁড়িয়েছেন। এখন আপনি এক বিরাট মর্যাদায় উপবিষ্ট। একটু লক্ষ করুন, এখনো কি আপনি অমনোযোগী থাকবেন? এজন্যই আমরা 'আল্লাহু আকবার' এ মহান শব্দ বারবার বলি। প্রত্যেক উঠা বসাতে বলি। এটা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, এটা মনোযোগ দেয়ার জায়গা।

📘 লাভ অফ আল্লাহ > 📄 বাদশার অভ্যর্থনা এবং ঝামেলাকারীকে বের করে দেয়া

📄 বাদশার অভ্যর্থনা এবং ঝামেলাকারীকে বের করে দেয়া


'আল্লাহু আকবার' বলে আপনি নিয়মতান্ত্রিকভাবে নামাজে প্রবেশ করেছেন। আপনি আপনার দৃষ্টি সেজদার স্থানে নিবদ্ধ করছেন এবং নিজের হস্তদ্বয় অন্তরের কাছাকাছি বাঁধছেন এটা কেন? ভাবুন যে, আপনি শাহী মহলে চলছেন এবং আপনি এমন লোকদের নিকট দিয়ে অতিক্রম করছেন, যারা আপনার থেকে কিছু দূরে দাঁড়ানো। তাদের কিছু লোকের দৃষ্টি আপনার প্রতি স্থির করে হাত বেঁধে দাঁড়িয়ে আছেন, আর কিছু লোক দৃষ্টি অবনত করে হাত বেঁধে দাঁড়িয়ে আছেন।

উক্ত অবস্থা দ্বারাই বোঝা যায় কে বাদশা এবং কে নওকর। বিষয়টি এমন নয় কি? সুতরাং আমাদের জন্য এটা উচিত নয় কি যে, আমরা যখন প্রকৃত মালিকের সামনে দাঁড়াই, তখন অত্যন্ত বিনয় ও নম্রতার সাথে দাঁড়াই। আমরা যখন জানতে পারবো আমরা কার সামনে দাঁড়াচ্ছি, তখন বিনয় এমনিতেই সৃষ্টি হবে। তবে মনে রাখতে হবে যে, আল্লাহ তাআলার সম্মুখে আমাদের বিনয় মূলত আমাদের ইজ্জত। যেহেতু আমাদের এ অক্ষমতা অন্য লোকের সামনে অক্ষম হওয়া থেকে মুক্তি দেয়। যেমন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, যে আল্লাহর সামনে বিনয় প্রকাশ করে আল্লাহ তাঁর মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন।

সে এক সেজদা যা তুমি মনে করো ভারি- হাজার সেজদা থেকে তোমাকে দেবে মুক্তি।

এখন নিয়মানুসারে আপন বাদশাকে সালাম পেশ করবে।
সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা, ওয়া তাবারাকাসমুকা, ওয়া তাআলা জাদ্দুকা, ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা। (سُبْحَانَكَ اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِكَ، وَتَبَارَكَ اسْمُكَ، وَتَعَالَى جَدُّكَ، وَلَا إِلَهَ غَيْرُكَ.)
হে আল্লাহ! তোমার সত্তা পবিত্র এবং সকল প্রশংসা তোমারই জন্য, তোমার নাম বরকতপূর্ণ, তোমার মর্যাদা সর্বোচ্চ, তুমি ছাড়া ইবাদতের উপযুক্ত আর কেউ নেই।

রাসুলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর শিখানো কতেক 'হামদ' হতে যেকোনো 'হামদ' দ্বারা সালাম পেশ করা যায়। বর্ণিত প্রতিটি 'হামদ' আমাদের মধ্যে নতুন চেতনা জাগ্রত করে। আমাদের প্রত্যেক নামাজে বিভিন্ন হামদ উক্ত বরকতপূর্ণ মুহূর্তে মনোযোগ স্থায়ী করার সহযোগী হয়।

📘 লাভ অফ আল্লাহ > 📄 কু-মন্ত্রনাদানকারী (শয়তান)-কে দূরে ভাগানো

📄 কু-মন্ত্রনাদানকারী (শয়তান)-কে দূরে ভাগানো


আপনি যখন রাব্বুল ইজ্জতের দরবারে দাঁড়ান, তখন এ বরকতপূর্ণ মুহূর্তে এবং এ বরকতপূর্ণ আমলে সবচেয়ে বড় শত্রু হলো শয়তান। সুতরাং সে যথাসাধ্য চেষ্টায় লেগে যায়, যেন আপনার সর্বাধিক প্রিয় মাহবুবের সাক্ষাতের মুহূর্তে আপনার বিনিময় এবং সওয়াব ছিনিয়ে নিতে পারে। ফলে আপনার পূর্ণ নামাজের ১/৩ বা ১/৪ বা ১/১০ অংশই গ্রহণযোগ্য হয়। কেননা এটা একটা কঠিন বাস্তবতা যে, আপনার নামাজের ওই পরিমাণই গ্রহণযোগ্য হয়, যা পূর্ণ মনোযোগ ও ইখলাসের সাথে আদায় করা হয়। (কিয়ামতের দিন এক ব্যক্তি নিজের সাথে ৯০ বছরের নামাজ নিয়ে আসবে; কিন্তু সে এতে বিস্মিত হবে যে, তার আমল নামায় ৪, ৫ বা ৬ বছরের নামাজ লেখা হবে।)

এরূপ এজন্য হবে যে, শয়তান আমাদেরকে ধোঁকা দিয়েছে। আপনি কি চিন্তা করেননি, কত ধরনের নিত্যনতুন কল্পনা, অনুভূতি কীভাবে নামাজের মাঝে এসে পড়ে? যে বস্তু আপনি দীর্ঘকাল ধরে ভুলে গেছেন, হঠাৎ আপনার সামনে এসে উপস্থিত। এমনকি জায়নামাজের মনোরম দৃশ্য আপনার সামনে এক নতুন ঘটনার অবতারণা করে। আপনি কী করেন? তাকে মন থেকে তাড়িয়ে পুনরায় মনোযোগ দেয়ার চেষ্টা করেন, কিন্তু তা পুনরায় ফিরে আসে। আপনি পুনরায় চেষ্টা করেন, কিন্তু পুনরায় উক্ত কল্পনা মাছির ন্যায় ফিরে আসে। যা আপনাকে ছাড়তে চায় না।

এর সমাধান কী? আমরা তো খুবই দুর্বল। আমরা আপন মাহবুবের আশ্রয় কামনা করি বিতাড়িত শয়তান থেকে, যে আল্লাহ পাকেরই সৃষ্টি। তাঁর বরকতময় নাম নিয়ে, যে নামে সকল পেরেশানি থেকে মুক্তি মিলে। তাই আমরা নামাজের শুরুতেই অত্যন্ত বিশ্বাসের সাথে বলি- আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজিম (أعُوْذُ بِاللَّهِ مِنَ الشَّيْطَانِ الرَّحِيمِ.)

আমি আল্লাহর কাছে বিতাড়িত শয়তান থেকে আশ্রয় কামনা করছি। এটা বলার সাথে নিজের মধ্যে তার শক্তিও উপলব্ধি করি।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00