📘 লাভ ম্যারেজ > 📄 পবিত্রতার প্রাচীরে মিসাইল হামলা

📄 পবিত্রতার প্রাচীরে মিসাইল হামলা


নারী পরম সম্মানিতা। ইসলাম তাদেরকে মাতৃত্বের আসন প্রদান করেছে। তাদের পদতলে সন্তানের বেহেশত ঘোষণা করেছে। তাই আদর্শ সন্তান ও আদর্শ নাগরিক গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজন নারীর সতীত্ব রক্ষা করা। কিন্তু আমরাই নারীর সতীত্ব রক্ষার প্রাচীরটি নড়বড়ে করে দিয়েছি। তাতে আমরাই চালিয়েছি মিসাইল হামলা।
অনেক সাধারণ মানুষের বক্তব্য হলো, আজকের আধুনিক যুগে কি এভাবে বিবাহ সম্পাদন সম্ভব?
তাদের জিজ্ঞাসার সহজ জবাব হলো, হ্যাঁ! অবশ্যই সম্ভব। আমি এভাবেই করেছি। আমার পাঁচটি মেয়ে রয়েছে। তাদের জন্যে যখন কেউ প্রস্তাব নিয়ে এসেছে তখন আমি ছেলের আচার আচরণ ও ধর্মভীরুতা লক্ষ করেছি। তাতে সন্তুষ্ট হলেই বলে দিয়েছি, ঠিক আছে দেনমোহর নির্ধারণ করে বিয়ের কাজ সম্পন্ন করুন। আমি সাধারণ প্রথা-রুসুমাতের ধার ধারিনি। মহিলাদের কথা বলার সুযোগও দেইনি; বরং শরিয়তের নির্দেশনা মোতাবেক সব কিছু সম্পাদিত হয়েছে। সাথে সাথে বিবেক-বুদ্ধি ও পরামর্শকেও কাজে লাগিয়েছি। আমার আয়োজনের কারণে আমিও লজ্জিত হইনি, আমার মেয়েদেরও লজ্জিত করিনি।
আমরা কিভাবে নারীর সতীত্বের দেয়াল নড়বড়ে করেছি কিংবা কোনো ক্ষেত্রে তা গুঁড়িয়ে ধ্বংস করেছি তা বোঝা খুব সহজ। আমাদের মিসাইল হামলায়ই যে নারীর পবিত্রতার দেয়ালে ভূমিকম্প সৃষ্টি হয়েছে তা তলিয়ে
দেখার মাথা খাটাতে চাই না। উল্টো যত দোষ নন্দঘোষের ঘাড়ে চাপিয়ে দিতেই যেন স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি।
এ ব্যাপারে কয়েকটি অপ্রিয় সত্য কথা বলতে চাই। তাহলো-
১. খোলামেলা চলাফেরা: অনেক বাবা আছেন, যারা মেয়েদের খোলামেলা পথে ছেড়ে দেন। পথচারী সবাই তাদের প্রতি ড্যাব ড্যাব করে তাকিয়ে থাকে; এমনকি গাধা-কুকুরও! কেউ বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে এলে এবং শরিয়তসম্মত পন্থায় মেয়ে দেখতে চাইলে তারা নানা আয়োজনে ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েন এবং চেঁচিয়ে ওঠেন পর্দা! দীনদারি! রুসুমাত! ইত্যাদি নিয়ে।
আমরা যুবকদের সামনে শরিয়তসম্মত বিবাহের পথে অন্তরায় তৈরি করে রেখেছি। পক্ষান্তরে তাদের সামনে শরিয়ত-নিষিদ্ধ সমস্ত বন্ধন খুলে দিয়েছি। শরিয়ত পর্দা ও পবিত্রতার বিধান আরোপ করেছে। অথচ আমরা আমাদের সন্তানকে সেই আলো থেকে বঞ্চিত করেছি। ফলে তারা বলে যে, আমরা পর্দাপ্রথায় ফিরে আসব? বন্দি জীবনে আবদ্ধ হব? এভাবে পবিত্রতার প্রধান প্রাচীরটি মিসাইল হামলার শিকার হয়ে ধসে পড়ে!
২. অবাধ মেলামেশা: শরিয়ত নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা হারাম করেছে। ইসলাম ঘোষণা দিয়েছে যে, নির্জনে ছেলেমেয়ে একত্র হলে তাদের তৃতীয় সহচর হয়ে থাকে শয়তান।
নারীবাদীদের সামনে এসব শরিয়তি কথা বলতে গেলে তারা অবলীলায় এর জবাবে বলে যে, এ কেমন আচরণ? নারীর প্রতি এ কেমন তুচ্ছ মনোভাব? তাদেরকে কেন ইসলাম বিশ্বাস করতে চায় না? কেন নারীকে স্বাধীনতাবঞ্চিত করা হবে? কথিত নারীবাদীরা উল্টো অভিযোগের ডালি সাজিয়ে বসেন যে, আপনারাই তো হলেন নারীবিদ্বেষী!
আমরা বলি, আল্লাহর কসম! আমরা নারীবিদ্বেষী নই। আমরা বরং নারীহিতৈষী: তাদের সংরক্ষক। আমরা সমাজ ও পুরুষের জুলুম থেকে তাদের উদ্ধার করতে চাই। কিন্তু তারা আমাদের কথায় বিশ্বাস করেনি। আমাদের কর্মপন্থা বাস্তবায়নও করেনি।
মূলত কথিত নারীবাদীরাই নারীদেরকে প্রতারিত করেছে। তারাই একা একা বাইরে নামিয়ে দিয়েছে। তারা ডাক্তারের সামনে মুহাররাম ছাড়া কাপড় খুলে দিচ্ছে। বিচারালয়ে মকদ্দমার জন্যে দেহ উন্মোচন করে ফেলছে। এভাবে হাটে-ঘাটে, বন্দরে-কন্দরে, কলেজে-ভার্সিটিতে, সফরে-বাড়িতে এবং পার্কে ও নদীর পাড়ে তাদের দেহ প্রসাধনীর মতো খুলে দিয়েছে।
কথিত প্রগতিবাদীরা আরো বলে বেড়ায় যে, এটাই আধুনিকতা। মূলত এখানেও আদর্শকে পরাজিত করেছে কথিত ধ্বজাধারীরা। এভাবে তারা পবিত্রতার দ্বিতীয় প্রাচীরটিও ভেঙে ফেলেছে।
৩. লজ্জাবোধের তিরোধান: যুবক-যুবতির পবিত্রতা রক্ষার তৃতীয় প্রাচীর হলো লজ্জা। বর্তমানে অবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। লম্পট যুবকও অপরাধ করে বুক ফুলিয়ে গর্ব করে। বন্ধুদের কাছে হেসে, তামাশা করে অপরাধের কাহিনী শোনায়। তবে জিজ্ঞেস করা হলে অস্বীকার করে। এ সমস্ত ঘটনা এখন অহরহ ঘটছে। পাঠকবৃন্দ বিভিন্নজনের লেখায় এবং পত্র-পত্রিকায় অনেক ভয়াবহ বর্ণনাও পড়ে থাকবেন। তবে আফসোসের বিষয় হলো, এগুলো এতটাই ফলাও করে প্রচার করা হয় যে, এখন আর অপরাধ মনে হয় না। নির্লজ্জভাবে কলমে তোলা হয়, সংবাদপত্রে ছাপা হয় এবং টেলিভিশনে প্রচার হয়। এভাবে তৃতীয় প্রাচীরটিতেও শক্ত মিসাইল হামলা হওয়ায় তা হুড়মুড় করে পড়ে গেল।
৪. রোগের নির্ভয়তা: যুবক-যুবতিদের অন্যতম পবিত্রতা রক্ষাবাঁধ ছিল রোগের ভয়। অধুনা কিছু চিকিৎসক উচ্চৈঃস্বরে আওয়াজ তুলছেন যে, পাপাচারীরা! তোমাদের ভয় নেই। কারণ, আমাদের কাছে এর প্রতিষেধক ব্যবস্থা রয়েছে। তোমরা অবৈধ উপায়ে যে কোনো রোগ সৃষ্টি কর না কেন, আমরা প্রতিহত করব। আমরা আছি তোমাদের পাশে। ইদানীং যুবক-যুবতিদের অবৈধ যৌন চাহিদা চরিতার্থ করার সাময়িক কনডম, চব্বিশ ঘণ্টা কিংবা এক সপ্তাহের মধ্যে নির্দিষ্ট পিল বাজারজাত হয়েছে। সুতরাং নো রিস্ক! অন্যদিকে অবৈধ যৌনমিলনে সংক্রমিত মরণব্যাধি এইডস-এর প্রতিষেধকও ইতিমধ্যে নারীবাদীদের কুশলে আবিষ্কার হয়ে গেছে। অতএব তোমরা এগিয়ে যাও অবলীলায়!
ব্যাস! যুবক-যুবতিরা বিড়ালের শুঁটকির ডোলে পড়ার মতো অগ্রসর হতে থাকল। এক পর্যায়ে চতুর্থ রক্ষাবাঁধটিও মিসাইল হামলায় খানখান হয়ে ভেঙে পড়ল।
৫. প্রশাসনিক শৈথিল্য: পবিত্রতার পঞ্চম রক্ষাপ্রাচীরটি ছিল প্রশাসনের ভয়। একসময় রাষ্ট্র সৎকাজের নির্দেশ দিত এবং অন্যায় কাজে বাধা দিত। কিন্তু কালের আবর্তনে সব পাল্টে গেছে। শান্তিবিধি ফ্রান্স থেকে ধার নেয়া হয়েছে। যারা পাপাচারের কারণে সাত বছরে জার্মানের কাছে তিনবারই পরাজিত হয়েছিল। ফলে আমাদের সংবিধানে অবৈধ যৌনতা একরকম বৈধতা পেয়ে গেল। ব্যভিচারিণীর বিরুদ্ধে স্বামী ছাড়া অন্যের অভিযোগ
বাতিল করা হলো। মা-ছেলে, বাবা-মেয়ের যৌনাচারের শাস্তি সাধারণ চুরি থেকেও লঘু করা হলো!
কী আর করা! আমরা নীরবে বসে রইলাম। ওলামা-সুলাহা, মুফতি-নবাব, বিচারক সবাই নীরবতা অবলম্বন করলেন। ফলে পঞ্চম বাঁধটিও মিসাইল হামলা হওয়ায় সৃষ্ট বানের পানির তোড়ে ধসে গেল।
৬. ধর্মীয় অনুশাসনের অনুপস্থিতি: পবিত্রতার সবচেয়ে শক্তিশালী ও রক্ষণশীল প্রাচীর ছিল আল্লাহর ভয় ও জাহান্নামের ভয়। কিন্তু আমরা নতুন প্রজন্মকে দীনি শিক্ষা থেকে দূরে সরিয়েছি। আল্লাহ ও জাহান্নামের ভয়মুক্ত মনমানসিকতা গড়ে দিয়েছি। ফলে একজন যুবক মুসলিম হয়েও মসজিদের পথ চেনে না; খ্রিস্টান হয়েও খুঁজে পায় না গির্জার পথ।
মূলত যুবক-যুবতিদের পবিত্রতার এটিই ছিল সর্বাধিক মজবুত ভিত। কিন্তু তা-ও ধসে গেল। আমাদের অতি আধুনিক দাবিদার প্রগতিবাদীরা যুবতিদের মাঝে ঘোষণা দিল: যাও! বেরিয়ে পড়। ব্যাস, তারা পথে নেমে পড়ল। রাস্তায় এমনভাবে চলাফেরা শুরু করল যে, আজ থেকে চল্লিশ বছর আগে নিজের ঘরে বাবার সামনেও একজন নারী এ পোশাকে আসতে লজ্জা পেত। এভাবে আমরাই সন্তানদের পবিত্রতার দেয়ালে মিসাইল হামলা করে তা ধসিয়ে দিয়েছি।

📘 লাভ ম্যারেজ > 📄 সব ধর্মই নারীকে শালীন হওয়ার শিক্ষা দেয়

📄 সব ধর্মই নারীকে শালীন হওয়ার শিক্ষা দেয়


আল্লাহর কসম! ইসলাম ধর্ম, খ্রিস্টধর্ম এবং পৃথিবীর সব ধর্মই নারীদের অঙ্গ ঢেকে রাখার নির্দেশ দেয়। যেখানে ফেতনার আশঙ্কা আছে, সেখানে দেহ প্রকাশ অবৈধ বলে ঘোষণা দেয়।
আমি সিরিয়ার এক গির্জায় নারীসংক্রান্ত ঘোষণাপত্রে দেখেছি, যারা সেখানে উপাসনায় গমন করবে, তাদের মাথার চুল লম্বা স্কার্ফ দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে এবং চেহারায় কোনো ধরনের পালিশ করা যাবে না। অথচ আজ মোড়ে মোড়ে গড়ে ওঠেছে বিউটি পার্লার। শুধু নারীদের জন্য নয়, পুরুষদেরকে স্মার্ট করে তোলার জন্যও আছে জেন্টস পার্লার। এতে এ কথা প্রতীয়মান হয় যে, আমাদের যুবক-যুবতিরা কোনো ধর্মের অনুশাসনই মানে না। তা না হলে তো অন্তত যে কোনো ধর্মের আদেশ মেনে নিলেই এভাবে খোলামেলা বিচরণ সম্ভব হতো না।
আমারা গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ করছি যে, ধীরে ধীরে নারীদের পোশাক একেক আঙুল করে ছোট হচ্ছে। আর যখন তারা সমুদ্রতীরে ভ্রমণে বের হয়, তখন দেহে কখনো এক টুকরো বিকিনি থাকে কিংবা কোনো পোশাকই থাকে না। এই হলো যুগের হাল। তাহলে বলুন তো, যুবক-যুবতির অপরাধ কোথায়?
একজন যুবকের হৃদয়ে যৌনচাহিদা প্রবলভাবে উপলব্ধি হয়। কিন্তু সে বিয়ের সব পথ রুদ্ধ পায়। পক্ষান্তরে ব্যভিচারের সদর দরজা দেখে খোলা। ফলে তার কাছে যৌনসম্ভোগ বড়ই স্বাদের অনুভূত হয়। আর ব্যভিচারিণীরাও থাকে সবখানে হাজির। তাহলে একজন যুবক আর কিভাবে নিজেকে সামাল দিতে পারবে? কিভাবে পুস্তক অধ্যয়নে মনোযোগ বসাতে সমর্থ হবে?
এটি গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সমস্যা। এর প্রতিবিধানে প্রশাসন, সংগঠন, জ্ঞানসাধক, কলম চর্চাকারী এবং বৃহত্তর নারীগোষ্ঠীর উদ্যোগী হওয়া প্রয়োজন।
আমাদের সমাজে অসংখ্য নারী নির্যাতনের শিকার। অবলা নারীরা নিষ্ঠুরভাবে বলি হচ্ছে। সবাই একযোগে বিহিত ব্যবস্থাগ্রহণ করলে এ সমস্ত মজলুম নারীর পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব।

📘 লাভ ম্যারেজ > 📄 সব ঘর পুড়ে হবে ছাই

📄 সব ঘর পুড়ে হবে ছাই


আজ এক পত্রলেখকের মেয়ে নষ্টা হয়েছে। সে বাবা-মা কিংবা অভিভাবক কারো কথাই শুনছে না। উল্টো তাকে কিছু বললে সে বলল তার নিজের প্রাণের জন্যই তা হুমকি হয়ে দাঁড়ায়! মনে রাখবেন, আমাদের অবহেলার দরুন এই বিষক্রিয়া দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে সবদিকে। এর প্রভাব আপনার আমার পর্যন্তও পৌছবে। ঘরে-ঘরে লেলিহান শিখার মতো ছড়িয়ে পড়বে। সব ঘর পুড়ে হবে ছাই, হবে ভস্ম।
তবে কি আমরা নীরবে বসে থাকব! সর্বধ্বংসী এ অগ্নি কি নিরোধ করব না! নাকি জ্বলন্ত শিখায় আরও ইন্ধন যোগাতে থাকব!
তাহলে কিভাবে আমরা অগ্নি থেকে রেহাই পাব?
বলুন! জবাব দিন! হে বিবেকবান সম্প্রদায়!
নাকি বিবেকের কপাটে খিল মেরেছি সবাই! বিবেকের লোহার কপাটে কি ঝং ধরেছে?
আসুন সবাই মিলে এই বদ্ধ কপাটের খিল ভেঙে ফেলতে অগ্রসর হই। আসুন, আমাদের দেশ ও জাতিকে রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ হই। আসুন কথিত নারীবাদী ও প্রগতির ধ্বজাধারীদের সম্পর্কে সজাগ হই। আসুন সবাই নিজ ছেলেমেয়ের গতিবিধি নিরীক্ষা করি।

📘 লাভ ম্যারেজ > 📄 পাগলের মাথা খারাপ

📄 পাগলের মাথা খারাপ


'আল-মুসলিমুন' পত্রিকার তৃতীয় সংখ্যা। এ সংখ্যাটি ছিল একটি বিশেষ সংখ্যা। এতে সমকালীন বেশ কয়েকটি বিষয়ের অবতারণা করা হয়। এতে আমার একটি প্রবন্ধও গুরুত্বের সাথে ছাপা হয়েছিল। সামাজির নানা অপকর্মের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রবন্ধটি রচিত হয়েছিল। প্রবন্ধটি পাঠ করে অনেকে লিখে পাঠিয়েছেন যে, বুঝলাম এটি একটি ব্যাধি। কিন্তু এর প্রতিষেধক কী?
হ্যাঁ, আগ্রহোদ্দীপক পাঠকের সেই প্রতিষেধক সম্পর্কেই আজকের কলম ধরা। এক্ষেত্রে এক কথায় বলতে গেলে বলতে হয় যে, প্রতিষেধক আমাদের কাছেই আছে। আমরা অতি সহজেই তা গ্রহণ করতে পারি। অথচ তার খোঁজে, তার অন্বেষায় আমরা দূরদূরান্তে ছুটে চলি।
মানুষের ধারণা প্রান্তিকতায় অবস্থান করে। কারও কারও চিন্তাধারা আধুনিক মানের। তাদের ধারণা হলো, অপকর্ম ওপেন সিক্রেট হয়ে গেলে আর কেউ অপকর্ম করবে না। বিশেষত যুবক-যুবতির জন্যে যৌনদুয়ার অবাধভাবে খুলে দিলে এর প্রতি কারো আর আকর্ষণ থাকবে না। তখন আর এসব অপকর্মও আর হবে না।
কী আজগুবি ধারণা! পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মানুষের মাথা হতে কিভাবে যে এমন অহেতুক ও আজগুবি কল্পনা পয়দা হয়, তা ভাবতেই আমার রক্ত হিম হয়ে আসে। নাকি আমরা সবাই পাগল হয়ে যাচ্ছি। নাকি পাগলের চেয়েও জঘন্য? তাহলে কি পাগলের মাথা খারাপ পর্যায়ে? পশুর মতো প্রকাশ্যে অপকর্মের পথ খুলে দিলেই কি এসব অপকর্ম থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব?

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00