📘 লিডারশিপ > 📄 স্নেহময় স্পর্শের প্রভাব

📄 স্নেহময় স্পর্শের প্রভাব


শাইবাহ বলেন, আমি তাঁর দিকে তাকালাম তিনি আমার নিকট আমার শ্রবণ, আমার দৃষ্টি এবং এগুলোর চেয়েও বেশি প্রিয়। তিনি আমাকে বললেন, "ও শাইবাহ, অবিশ্বাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর”

টিকাঃ
১১৮. আল-মুজাদ আল-কাবির লিত তাবরানী হাদীস নং ৭০২০৮ মাজমা আল-জাওয়ায়ীদ ৬/১৮৭ দালাইলুন নুবুওয়াহ লিল বাইহাকী ৫/১৪৫

শাইবাহ বলেন, আমি তাঁর দিকে তাকালাম তিনি আমার নিকট আমার শ্রবণ, আমার দৃষ্টি এবং এগুলোর চেয়েও বেশি প্রিয়। তিনি আমাকে বললেন, "ও শাইবাহ, অবিশ্বাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর”

টিকাঃ
১১৮. আল-মুজাদ আল-কাবির লিত তাবরানী হাদীস নং ৭০২০৮ মাজমা আল-জাওয়ায়ীদ ৬/১৮৭ দালাইলুন নুবুওয়াহ লিল বাইহাকী ৫/১৪৫

শাইবাহ বলেন, আমি তাঁর দিকে তাকালাম তিনি আমার নিকট আমার শ্রবণ, আমার দৃষ্টি এবং এগুলোর চেয়েও বেশি প্রিয়। তিনি আমাকে বললেন, "ও শাইবাহ, অবিশ্বাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর”

টিকাঃ
১১৮. আল-মুজাদ আল-কাবির লিত তাবরানী হাদীস নং ৭০২০৮ মাজমা আল-জাওয়ায়ীদ ৬/১৮৭ দালাইলুন নুবুওয়াহ লিল বাইহাকী ৫/১৪৫

শাইবাহ বলেন, আমি তাঁর দিকে তাকালাম তিনি আমার নিকট আমার শ্রবণ, আমার দৃষ্টি এবং এগুলোর চেয়েও বেশি প্রিয়। তিনি আমাকে বললেন, "ও শাইবাহ, অবিশ্বাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর”

টিকাঃ
১১৮. আল-মুজাদ আল-কাবির লিত তাবরানী হাদীস নং ৭০২০৮ মাজমা আল-জাওয়ায়ীদ ৬/১৮৭ দালাইলুন নুবুওয়াহ লিল বাইহাকী ৫/১৪৫

শাইবাহ বলেন, আমি তাঁর দিকে তাকালাম তিনি আমার নিকট আমার শ্রবণ, আমার দৃষ্টি এবং এগুলোর চেয়েও বেশি প্রিয়। তিনি আমাকে বললেন, "ও শাইবাহ, অবিশ্বাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কর”

টিকাঃ
১১৮. আল-মুজাদ আল-কাবির লিত তাবরানী হাদীস নং ৭০২০৮ মাজমা আল-জাওয়ায়ীদ ৬/১৮৭ দালাইলুন নুবুওয়াহ লিল বাইহাকী ৫/১৪৫

📘 লিডারশিপ > 📄 আমার বুকে এবং পিঠে

📄 আমার বুকে এবং পিঠে


উসমান ইবনে আবুল আস-সাকাফী থেকে বর্ণিত। নবী তাকে বলেছেন, তুমি তোমাদের গোত্রের লোকদের নামাযে ইমামত কর। রাবী বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি আমার অন্তরে কিছু একটা অনুভব করি। তিনি আমাকে বললেন, নিকটে আস। তিনি আমাকে তাঁর সামনে বসালেন। অতঃপর আমার বুকের মাঝখানে হাত রাখলেন। অতঃপর তিনি বললেন, তুমি তোমার গোত্রের লোকদের ইমামত কর। যে ব্যক্তি কোনো সম্প্রদায়ের ইমামত করে সে যেন নামায সংক্ষেপ করে। কেননা, তাদের মধ্যে বৃদ্ধ, অসুস্থ, দুর্বল এবং বিভিন্ন কাজে ব্যাস্ত লোক রয়েছে। তোমাদের কেউ যখন একাকি নামায পড়ে, সে তখন নিজ ইচ্ছেমত নামায পড়তে পারে।

টিকাঃ
১১৯. সহীহ মুসলিম হাদীস নং ৭৫৪

উসমান ইবনে আবুল আস-সাকাফী থেকে বর্ণিত। নবী তাকে বলেছেন, তুমি তোমাদের গোত্রের লোকদের নামাযে ইমামত কর। রাবী বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি আমার অন্তরে কিছু একটা অনুভব করি। তিনি আমাকে বললেন, নিকটে আস। তিনি আমাকে তাঁর সামনে বসালেন। অতঃপর আমার বুকের মাঝখানে হাত রাখলেন। অতঃপর তিনি বললেন, তুমি তোমার গোত্রের লোকদের ইমামত কর। যে ব্যক্তি কোনো সম্প্রদায়ের ইমামত করে সে যেন নামায সংক্ষেপ করে। কেননা, তাদের মধ্যে বৃদ্ধ, অসুস্থ, দুর্বল এবং বিভিন্ন কাজে ব্যাস্ত লোক রয়েছে। তোমাদের কেউ যখন একাকি নামায পড়ে, সে তখন নিজ ইচ্ছেমত নামায পড়তে পারে।

টিকাঃ
১১৯. সহীহ মুসলিম হাদীস নং ৭৫৪

উসমান ইবনে আবুল আস-সাকাফী থেকে বর্ণিত। নবী তাকে বলেছেন, তুমি তোমাদের গোত্রের লোকদের নামাযে ইমামত কর। রাবী বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি আমার অন্তরে কিছু একটা অনুভব করি। তিনি আমাকে বললেন, নিকটে আস। তিনি আমাকে তাঁর সামনে বসালেন। অতঃপর আমার বুকের মাঝখানে হাত রাখলেন। অতঃপর তিনি বললেন, তুমি তোমার গোত্রের লোকদের ইমামত কর। যে ব্যক্তি কোনো সম্প্রদায়ের ইমামত করে সে যেন নামায সংক্ষেপ করে। কেননা, তাদের মধ্যে বৃদ্ধ, অসুস্থ, দুর্বল এবং বিভিন্ন কাজে ব্যাস্ত লোক রয়েছে। তোমাদের কেউ যখন একাকি নামায পড়ে, সে তখন নিজ ইচ্ছেমত নামায পড়তে পারে।

টিকাঃ
১১৯. সহীহ মুসলিম হাদীস নং ৭৫৪

উসমান ইবনে আবুল আস-সাকাফী থেকে বর্ণিত। নবী তাকে বলেছেন, তুমি তোমাদের গোত্রের লোকদের নামাযে ইমামত কর। রাবী বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি আমার অন্তরে কিছু একটা অনুভব করি। তিনি আমাকে বললেন, নিকটে আস। তিনি আমাকে তাঁর সামনে বসালেন। অতঃপর আমার বুকের মাঝখানে হাত রাখলেন। অতঃপর তিনি বললেন, তুমি তোমার গোত্রের লোকদের ইমামত কর। যে ব্যক্তি কোনো সম্প্রদায়ের ইমামত করে সে যেন নামায সংক্ষেপ করে। কেননা, তাদের মধ্যে বৃদ্ধ, অসুস্থ, দুর্বল এবং বিভিন্ন কাজে ব্যাস্ত লোক রয়েছে। তোমাদের কেউ যখন একাকি নামায পড়ে, সে তখন নিজ ইচ্ছেমত নামায পড়তে পারে।

টিকাঃ
১১৯. সহীহ মুসলিম হাদীস নং ৭৫৪

উসমান ইবনে আবুল আস-সাকাফী থেকে বর্ণিত। নবী তাকে বলেছেন, তুমি তোমাদের গোত্রের লোকদের নামাযে ইমামত কর। রাবী বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি আমার অন্তরে কিছু একটা অনুভব করি। তিনি আমাকে বললেন, নিকটে আস। তিনি আমাকে তাঁর সামনে বসালেন। অতঃপর আমার বুকের মাঝখানে হাত রাখলেন। অতঃপর তিনি বললেন, তুমি তোমার গোত্রের লোকদের ইমামত কর। যে ব্যক্তি কোনো সম্প্রদায়ের ইমামত করে সে যেন নামায সংক্ষেপ করে। কেননা, তাদের মধ্যে বৃদ্ধ, অসুস্থ, দুর্বল এবং বিভিন্ন কাজে ব্যাস্ত লোক রয়েছে। তোমাদের কেউ যখন একাকি নামায পড়ে, সে তখন নিজ ইচ্ছেমত নামায পড়তে পারে।

টিকাঃ
১১৯. সহীহ মুসলিম হাদীস নং ৭৫৪

📘 লিডারশিপ > 📄 কান মলে দেয়া

📄 কান মলে দেয়া


ইবন আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার খালা নবী-এর সহধর্মিনী মায়মুনা বিনতে হারিস-এর ঘরে এক রাত্রি যাপন করছিলাম। নবী তাঁর পালার রাতে সেখানে ছিলেন। নবী ইশার সালাত আদায় করে তাঁর ঘরে চলে আসলেন এবং চার রাকআত সালাত আদায় করে শুয়ে পড়লেন। কিছুক্ষণ পর উঠে বললেন, বালকটি কি ঘুমিয়ে গেছে? বা এ ধরনের কোনো কথা বললেন। তারপর (সালাতে) দাঁড়িয়ে গেলেন, আমিও তাঁর বাঁ দিকে গিয়ে দাঁড়ালাম। তিনি আমাকে তাঁর ডান দিকে এনে দাঁড় করালেন। তারপর তিনি পাঁচ রাকআত সালাত আদায় করলেন। পরে আরো দুরাকআত আদায় করলেন। এরপর শুয়ে পড়লেন। এমনকি আমি তাঁর নাক ডাকার শব্দ শুনতে পেলাম। এরপর উঠে তিনি (ফজরের) সালাতের জন্য বের হলেন।

ইবন আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার খালা নবী-এর সহধর্মিনী মায়মুনা বিনতে হারিস-এর ঘরে এক রাত্রি যাপন করছিলাম। নবী তাঁর পালার রাতে সেখানে ছিলেন। নবী ইশার সালাত আদায় করে তাঁর ঘরে চলে আসলেন এবং চার রাকআত সালাত আদায় করে শুয়ে পড়লেন। কিছুক্ষণ পর উঠে বললেন, বালকটি কি ঘুমিয়ে গেছে? বা এ ধরনের কোনো কথা বললেন। তারপর (সালাতে) দাঁড়িয়ে গেলেন, আমিও তাঁর বাঁ দিকে গিয়ে দাঁড়ালাম। তিনি আমাকে তাঁর ডান দিকে এনে দাঁড় করালেন। তারপর তিনি পাঁচ রাকআত সালাত আদায় করলেন। পরে আরো দুরাকআত আদায় করলেন। এরপর শুয়ে পড়লেন। এমনকি আমি তাঁর নাক ডাকার শব্দ শুনতে পেলাম। এরপর উঠে তিনি (ফজরের) সালাতের জন্য বের হলেন।

ইবন আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার খালা নবী-এর সহধর্মিনী মায়মুনা বিনতে হারিস-এর ঘরে এক রাত্রি যাপন করছিলাম। নবী তাঁর পালার রাতে সেখানে ছিলেন। নবী ইশার সালাত আদায় করে তাঁর ঘরে চলে আসলেন এবং চার রাকআত সালাত আদায় করে শুয়ে পড়লেন। কিছুক্ষণ পর উঠে বললেন, বালকটি কি ঘুমিয়ে গেছে? বা এ ধরনের কোনো কথা বললেন। তারপর (সালাতে) দাঁড়িয়ে গেলেন, আমিও তাঁর বাঁ দিকে গিয়ে দাঁড়ালাম। তিনি আমাকে তাঁর ডান দিকে এনে দাঁড় করালেন। তারপর তিনি পাঁচ রাকআত সালাত আদায় করলেন। পরে আরো দুরাকআত আদায় করলেন। এরপর শুয়ে পড়লেন। এমনকি আমি তাঁর নাক ডাকার শব্দ শুনতে পেলাম। এরপর উঠে তিনি (ফজরের) সালাতের জন্য বের হলেন।

ইবন আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার খালা নবী-এর সহধর্মিনী মায়মুনা বিনতে হারিস-এর ঘরে এক রাত্রি যাপন করছিলাম। নবী তাঁর পালার রাতে সেখানে ছিলেন। নবী ইশার সালাত আদায় করে তাঁর ঘরে চলে আসলেন এবং চার রাকআত সালাত আদায় করে শুয়ে পড়লেন। কিছুক্ষণ পর উঠে বললেন, বালকটি কি ঘুমিয়ে গেছে? বা এ ধরনের কোনো কথা বললেন। তারপর (সালাতে) দাঁড়িয়ে গেলেন, আমিও তাঁর বাঁ দিকে গিয়ে দাঁড়ালাম। তিনি আমাকে তাঁর ডান দিকে এনে দাঁড় করালেন। তারপর তিনি পাঁচ রাকআত সালাত আদায় করলেন। পরে আরো দুরাকআত আদায় করলেন। এরপর শুয়ে পড়লেন। এমনকি আমি তাঁর নাক ডাকার শব্দ শুনতে পেলাম। এরপর উঠে তিনি (ফজরের) সালাতের জন্য বের হলেন।

ইবন আব্বাস থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার খালা নবী-এর সহধর্মিনী মায়মুনা বিনতে হারিস-এর ঘরে এক রাত্রি যাপন করছিলাম। নবী তাঁর পালার রাতে সেখানে ছিলেন। নবী ইশার সালাত আদায় করে তাঁর ঘরে চলে আসলেন এবং চার রাকআত সালাত আদায় করে শুয়ে পড়লেন। কিছুক্ষণ পর উঠে বললেন, বালকটি কি ঘুমিয়ে গেছে? বা এ ধরনের কোনো কথা বললেন। তারপর (সালাতে) দাঁড়িয়ে গেলেন, আমিও তাঁর বাঁ দিকে গিয়ে দাঁড়ালাম। তিনি আমাকে তাঁর ডান দিকে এনে দাঁড় করালেন। তারপর তিনি পাঁচ রাকআত সালাত আদায় করলেন। পরে আরো দুরাকআত আদায় করলেন। এরপর শুয়ে পড়লেন। এমনকি আমি তাঁর নাক ডাকার শব্দ শুনতে পেলাম। এরপর উঠে তিনি (ফজরের) সালাতের জন্য বের হলেন।

📘 লিডারশিপ > 📄 দুই নওমুসলিম

📄 দুই নওমুসলিম


আবু আব্দুর রহমান আল-জুহানী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী-এর নিকট ছিলাম, এসময় দূর থেকে দুই আরোহী দৃষ্টিগোচর হলো। তিনি যখন তাদের দেখলেন তখন বললেন, "দুই কিন্দি এবং মাজঝী ব্যক্তি" তারা তার নিকট আসলেন এবং সেখানে মাজঝী গোত্রের কিছু মানুষ ছিল।
রাবী বলেন, তাদের মধ্যে একজন বাইয়াত গ্রহণের জন্য নবী-এর নিকটবর্তী হলেন। যখন নবী তার হাত ধরলেন তিনি বললেন, “হে আল্লাহর রসূল! তার কি হবে যে আপনাকে দেখেছে, আপনার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছে, আপনার সত্যতার স্বীকৃতি দিয়েছে এবং আপনাকে অনুসরণ করেছে? তার পুরস্কার কি হবে?” নবী বললেন, “কল্যাণ তার জন্য” নবী তাঁর হাতে হাত বুলিয়ে দিলেন এবং লোকটি চলে গেল।
অন্য ব্যক্তি এগিয়ে এলেন এবং বাইয়াত গ্রহণের জন্য তাঁর হাত ধরলেন। তিনি বললেন, “হে আল্লাহর রসূল! তার কি হবে যে আপনাকে বিশ্বাস করেছে, আপনার সত্যতার স্বীকৃতি দিয়েছে, আপনাকে অনুসরণ করেছে কিন্তু আপনাকে দেখেনি? তার পুরস্কার কি হবে?” নবী বললেন, “কল্যাণ তার জন্য! কল্যাণ তার জন্য! কল্যাণ তার জন্য!” তিনি লোকটির হাত বুলিয়ে দিলেন এবং লোকটি চলে গেল।

টিকাঃ
১২০. মুসনাদে ইমাম আহমাদ- হাদীস নং ১৭০৮৪

আবু আব্দুর রহমান আল-জুহানী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী-এর নিকট ছিলাম, এসময় দূর থেকে দুই আরোহী দৃষ্টিগোচর হলো। তিনি যখন তাদের দেখলেন তখন বললেন, "দুই কিন্দি এবং মাজঝী ব্যক্তি" তারা তার নিকট আসলেন এবং সেখানে মাজঝী গোত্রের কিছু মানুষ ছিল।
রাবী বলেন, তাদের মধ্যে একজন বাইয়াত গ্রহণের জন্য নবী-এর নিকটবর্তী হলেন। যখন নবী তার হাত ধরলেন তিনি বললেন, “হে আল্লাহর রসূল! তার কি হবে যে আপনাকে দেখেছে, আপনার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছে, আপনার সত্যতার স্বীকৃতি দিয়েছে এবং আপনাকে অনুসরণ করেছে? তার পুরস্কার কি হবে?” নবী বললেন, “কল্যাণ তার জন্য” নবী তাঁর হাতে হাত বুলিয়ে দিলেন এবং লোকটি চলে গেল।
অন্য ব্যক্তি এগিয়ে এলেন এবং বাইয়াত গ্রহণের জন্য তাঁর হাত ধরলেন। তিনি বললেন, “হে আল্লাহর রসূল! তার কি হবে যে আপনাকে বিশ্বাস করেছে, আপনার সত্যতার স্বীকৃতি দিয়েছে, আপনাকে অনুসরণ করেছে কিন্তু আপনাকে দেখেনি? তার পুরস্কার কি হবে?” নবী বললেন, “কল্যাণ তার জন্য! কল্যাণ তার জন্য! কল্যাণ তার জন্য!” তিনি লোকটির হাত বুলিয়ে দিলেন এবং লোকটি চলে গেল।

টিকাঃ
১২০. মুসনাদে ইমাম আহমাদ- হাদীস নং ১৭০৮৪

আবু আব্দুর রহমান আল-জুহানী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী-এর নিকট ছিলাম, এসময় দূর থেকে দুই আরোহী দৃষ্টিগোচর হলো। তিনি যখন তাদের দেখলেন তখন বললেন, "দুই কিন্দি এবং মাজঝী ব্যক্তি" তারা তার নিকট আসলেন এবং সেখানে মাজঝী গোত্রের কিছু মানুষ ছিল।
রাবী বলেন, তাদের মধ্যে একজন বাইয়াত গ্রহণের জন্য নবী-এর নিকটবর্তী হলেন। যখন নবী তার হাত ধরলেন তিনি বললেন, “হে আল্লাহর রসূল! তার কি হবে যে আপনাকে দেখেছে, আপনার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছে, আপনার সত্যতার স্বীকৃতি দিয়েছে এবং আপনাকে অনুসরণ করেছে? তার পুরস্কার কি হবে?” নবী বললেন, “কল্যাণ তার জন্য” নবী তাঁর হাতে হাত বুলিয়ে দিলেন এবং লোকটি চলে গেল।
অন্য ব্যক্তি এগিয়ে এলেন এবং বাইয়াত গ্রহণের জন্য তাঁর হাত ধরলেন। তিনি বললেন, “হে আল্লাহর রসূল! তার কি হবে যে আপনাকে বিশ্বাস করেছে, আপনার সত্যতার স্বীকৃতি দিয়েছে, আপনাকে অনুসরণ করেছে কিন্তু আপনাকে দেখেনি? তার পুরস্কার কি হবে?” নবী বললেন, “কল্যাণ তার জন্য! কল্যাণ তার জন্য! কল্যাণ তার জন্য!” তিনি লোকটির হাত বুলিয়ে দিলেন এবং লোকটি চলে গেল।

টিকাঃ
১২০. মুসনাদে ইমাম আহমাদ- হাদীস নং ১৭০৮৪

আবু আব্দুর রহমান আল-জুহানী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী-এর নিকট ছিলাম, এসময় দূর থেকে দুই আরোহী দৃষ্টিগোচর হলো। তিনি যখন তাদের দেখলেন তখন বললেন, "দুই কিন্দি এবং মাজঝী ব্যক্তি" তারা তার নিকট আসলেন এবং সেখানে মাজঝী গোত্রের কিছু মানুষ ছিল।
রাবী বলেন, তাদের মধ্যে একজন বাইয়াত গ্রহণের জন্য নবী-এর নিকটবর্তী হলেন। যখন নবী তার হাত ধরলেন তিনি বললেন, “হে আল্লাহর রসূল! তার কি হবে যে আপনাকে দেখেছে, আপনার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছে, আপনার সত্যতার স্বীকৃতি দিয়েছে এবং আপনাকে অনুসরণ করেছে? তার পুরস্কার কি হবে?” নবী বললেন, “কল্যাণ তার জন্য” নবী তাঁর হাতে হাত বুলিয়ে দিলেন এবং লোকটি চলে গেল।
অন্য ব্যক্তি এগিয়ে এলেন এবং বাইয়াত গ্রহণের জন্য তাঁর হাত ধরলেন। তিনি বললেন, “হে আল্লাহর রসূল! তার কি হবে যে আপনাকে বিশ্বাস করেছে, আপনার সত্যতার স্বীকৃতি দিয়েছে, আপনাকে অনুসরণ করেছে কিন্তু আপনাকে দেখেনি? তার পুরস্কার কি হবে?” নবী বললেন, “কল্যাণ তার জন্য! কল্যাণ তার জন্য! কল্যাণ তার জন্য!” তিনি লোকটির হাত বুলিয়ে দিলেন এবং লোকটি চলে গেল।

টিকাঃ
১২০. মুসনাদে ইমাম আহমাদ- হাদীস নং ১৭০৮৪

আবু আব্দুর রহমান আল-জুহানী হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা নবী-এর নিকট ছিলাম, এসময় দূর থেকে দুই আরোহী দৃষ্টিগোচর হলো। তিনি যখন তাদের দেখলেন তখন বললেন, "দুই কিন্দি এবং মাজঝী ব্যক্তি" তারা তার নিকট আসলেন এবং সেখানে মাজঝী গোত্রের কিছু মানুষ ছিল।
রাবী বলেন, তাদের মধ্যে একজন বাইয়াত গ্রহণের জন্য নবী-এর নিকটবর্তী হলেন। যখন নবী তার হাত ধরলেন তিনি বললেন, “হে আল্লাহর রসূল! তার কি হবে যে আপনাকে দেখেছে, আপনার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করেছে, আপনার সত্যতার স্বীকৃতি দিয়েছে এবং আপনাকে অনুসরণ করেছে? তার পুরস্কার কি হবে?” নবী বললেন, “কল্যাণ তার জন্য” নবী তাঁর হাতে হাত বুলিয়ে দিলেন এবং লোকটি চলে গেল।
অন্য ব্যক্তি এগিয়ে এলেন এবং বাইয়াত গ্রহণের জন্য তাঁর হাত ধরলেন। তিনি বললেন, “হে আল্লাহর রসূল! তার কি হবে যে আপনাকে বিশ্বাস করেছে, আপনার সত্যতার স্বীকৃতি দিয়েছে, আপনাকে অনুসরণ করেছে কিন্তু আপনাকে দেখেনি? তার পুরস্কার কি হবে?” নবী বললেন, “কল্যাণ তার জন্য! কল্যাণ তার জন্য! কল্যাণ তার জন্য!” তিনি লোকটির হাত বুলিয়ে দিলেন এবং লোকটি চলে গেল।

টিকাঃ
১২০. মুসনাদে ইমাম আহমাদ- হাদীস নং ১৭০৮৪

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00