📘 লিডারশিপ > 📄 অন্য সকল কিছু তিনি পরিত্যাগ করেন

📄 অন্য সকল কিছু তিনি পরিত্যাগ করেন


আবু সাঈদ হতে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ জ্বিন এবং মানুষের কু-দৃষ্টি হতে আশ্রয় চাইতেন। তারপর সূরা ফালাক ও সূরা নাস নাযিল হলে তিনি এ সূরা দুটি গ্রহণ করেন এবং বাকিগুলো পরিত্যাগ করেন।

টিকাঃ
৬৯. সুনানে তিরমিযী হাদীস- ২০৬১

📘 লিডারশিপ > 📄 তোমার সন্তানকে দেখে রাখ

📄 তোমার সন্তানকে দেখে রাখ


জাবির ইবনে আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ বলেছেন- যখন সন্ধ্যা হয়, তখন তোমাদের সন্তানদের ঘরে আটকিয়ে রাখবে। কেননা, এ সময় শয়তানরা ছড়িয়ে পড়ে। তবে রাতের কিছু সময় অতিক্রম হলে তখন তাদের ছেড়ে দিতে পার। আর ঘরের দরজা বন্ধ করবে। কেননা, শয়তান বন্ধ দরজা খুলতে পারে না। আর তোমরা আল্লাহর নাম নিয়ে (বিসমিল্লাহ বলে) তোমাদের মশকের মুখ বন্ধ করে দেবে এবং আল্লাহর নাম নিয়ে তোমাদের পাত্রগুলোকে ঢেকে রাখবে। কমপক্ষে পাত্রগুলোর ওপর কোনো জিনিস আড়াআড়িভাবে রেখে হলেও। আর (শয়নকালে) তোমরা তোমাদের চেরাগগুলো নিভিয়ে দেবে।
মহান নেতা এবং স্নেহশীল পিতা নবী তার সন্তানদের ততদিন পর্যন্ত দেখাশুনা করেছেন যতদিন পর্যন্ত না তারা বয়ঃপ্রাপ্ত শক্তসমর্থ নারী পুরুষে পরিণত হয়।

টিকাঃ
৭০. সহীহ আল-বুখারী- হাদীস নং ৫৩২০

📘 লিডারশিপ > 📄 ছোট বালক বেড়ে ওঠে

📄 ছোট বালক বেড়ে ওঠে


আনহা আলী থেকে বর্ণিত যে। একদা ফাতিমা যাঁতা ব্যবহারে তাঁর হাতে যে কষ্ট পেতেন তার অভিযোগ নিয়ে নবী -এর কাছে আসলেন। তাঁর কাছে নবী -এর নিকট দাস আসার খবর পৌঁছেছিল। কিন্তু তিনি নবী কে পেলেন না। তখন তিনি তাঁর অভিযোগ আয়েশার কাছে বললেন। নবী ঘরে আসলে আয়েশা আনহা তাঁকে জানালেন। আলী বলেন- রাতে আমরা যখন শুয়ে পড়েছিলাম, তখন তিনি আমাদের কাছে আসলেন। আমরা উঠতে চাইলাম, কিন্তু তিনি বললেন, তোমরা উভয়ে নিজ স্থানে থাক। তিনি এসে আমার ও ফাতিমার মাঝখানে বসলেন। এমনকি আমি আমার পেটে তাঁর পায়ের শীতলতা অনুভব করেছিলাম। তারপর তিনি বললেন- 'তোমরা যা চেয়েছ তার চেয়ে কল্যাণকর বিষয় সম্মন্ধে তোমাদের অবহিত করব না? তোমরা যখন তোমাদের বিছানায় যাবে, তখন তেত্রিশবার সুবহানাল্লাহ, তেত্রিশবার আল্ হাম্দুলিল্লাহ্ এবং চৌত্রিশবার আল্লাহ্ আকবার পাঠ করবে। খাদেম অপেক্ষা ইহা তোমাদের জন্য অধিক কল্যাণকর।

টিকাঃ
৭১. সহীহ আল-বুখারী হাদীস নং ৫০৬৪

📘 লিডারশিপ > 📄 চতুর্থ দিক: শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়া

📄 চতুর্থ দিক: শিশুর আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়া


শিশু তার নিজের প্রতি নির্ভরতা এবং আত্মবিশ্বাস সেভাবেই গড়ে ওঠে যেমন তার চারপাশের মানুষ থেকে সে পায়। পড়াশুনা করে যদি মানসিকতাটা উদ্বিগ্ন থেকে যায়, সে সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগে, অন্তঃমুখী হয় অথবা লজ্জাহীন হয়, দৃঢ় সংকল্প না হতে পারে, তার সাহস যদি একটা মুরগির বাচ্চার সমান হয় তাহলে সেই পড়াশুনা করে ডিগ্রী অর্জন ছাড়া অন্য কোনো লাভ আছে কি? তাই, নতুন প্রজন্মের মধ্যে আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে দেয়া সুস্থ পড়াশুনার জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।
দয়ালু প্রশিক্ষক নবী শিশুর মনের মধ্যে বিশ্বাস জন্মানো বলতে প্রাসংগিক বিষয়ে আলোকপাত করেছেন। এই প্রাসঙ্গিক বিষয়গুলি মহান নেতা নবী-এর জীবনীতে এবং শিশুদের আচরণের ব্যাপারে তার নির্দেশনার মধ্যে পাওয়া যায় সেগুলো নিম্নরূপঃ

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00