📄 ভালবাসার পূর্ণরূপ
উরওয়াহ হতে বর্ণিত। মুসলিমগণ জানতেন নবী আয়েশা -কে কিরূপ ভালবাসতেন। যদি তারা নবীকে কোনো কিছু হাদিয়া পাঠাতে ইচ্ছা করতেন তবে তারা আয়েশা এর গৃহে নবী-এর অবস্থানের দিন নবী-এর নিকট হাদিয়া পাঠাতেন।
টিকাঃ
৫. সহীহ আল বুখারী হাদীস নং ২৪৯৪।
📄 উদ্বোধনী স্থান
সম্মানিত নেতা নবী-এর বিবাহিত জীবনের একটা প্রতিষ্ঠিত মূলনীতি ছিল মানসিকভাবে যার প্রতি দুর্বল থাকুন না কেন তিনি তার সামর্থ্যের আলোকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতেন সকল স্ত্রীদের মহান সুযোগ-সুবিধা দিত। তিনি সবকিছু ন্যায়পরায়ণতার সাথে বণ্টন করতে অভ্যস্ত ছিলেন এবং বলতেন, “ইয়া আল্লাহ! আমার পক্ষে যা সম্ভব, আমি তা করেছি। আর আপনি যার (অন্তরের) মালিক এবং আমি নই, সে ব্যাপারে আমাকে দোষারোপ করবেন না।”
টিকাঃ
৬. সুনান আবু দাউদ, কিতাবুল নিকাহ হাদীস নং ১৮৫৬।
📄 একজন সাধারণ মানুষ
একবার আয়েশা আমাকে প্রশ্ন করা হলো, "রসূলুল্লাহ ঘরে কি কাজ করতেন? তিনি বললেন" তিনি ছিলেন অন্যান্য সাধারণ মানুষের মতই। তিনি তার পোশাক মেরামত (সেলাই) করতেন। ছাগলের দুধ দোহন করতেন, এবং নিজের পরিচর্যা করতেন।" অপর বর্ণনায় এসেছে, "তিনি তার পোশাক সেলাই করতেন, জুতা মেরামত করতেন এবং অন্যান্য সাধারণ মানুষ বাসায় যেসব কাজ করে তিনিও তাই করতেন।"
টিকাঃ
৭. সহীঃ ইবনু হিব্বান। হাদীস নং ৪২৪৪।
৮. সহীহ ইবনে হিব্বান হাদীস নং ৫৭৫৯।
৯. সহীহ ইবনে হিব্বান হাদীস নং ৫৭৬১।
📄 একজন সাহায্যকারী স্বামী
আসওয়াদ হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়েশা আমাকে জিজ্ঞেস করলাম, নবী ঘরে থাকা অবস্থায় কি করতেন? তিনি বললেন, ঘরের কাজ কর্মে ব্যস্ত থাকতেন। অর্থাৎ পরিজনের সহায়তা করতেন। আর সালাতের সময় এলে সালাতে চলে যেতেন”। রসূলুল্লাহ তার সুউচ্চ মর্যাদা এবং উচ্চাসন থাকার পরও ঘরের মধ্যে 'সিংহের মত' ভয়ংকর ব্যক্তিত্ব পছন্দ করেন নি। যা আজকের দিনে অনেকেই পছন্দ করে থাকেন। তারা এটাকে পৌরুষত্ব প্রদর্শনের উপায় বলে মনে করেন। আল্লাহর কসম, তারা সঠিক সিদ্ধান্ত থেকে অনেক দূরে অবস্থান করছেন।
টিকাঃ
১০. সহীহ ইবনে হিব্বান হাদীস নং ৬৫৫।