📄 ভালবাসা পূর্বনির্ধারিত
আয়েশা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী করীম-এর স্ত্রীদের মধ্যে কারো প্রতি এতটুকু ঈর্ষা পোষণ করিনি। যতটুকু খাদিজা-এর প্রতি পোষণ করেছি। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ যখন বকরি জবাই করতেন, তখন বলতেন, এটা খাদিজার বান্ধবীদের নিকট পাঠিয়ে দাও। আয়েশা বলেন, একথা শুনে একদিন আমি গোস্বা হয়ে বললাম, খাদিজার বান্ধবী? রসূলুল্লাহ বলছেন, আমাকে (আল্লাহর তরফ থেকে) তার প্রতি ভালবাসা দান করা হয়েছে।।
টিকাঃ
৩. সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১২৫৪
📄 মিষ্টি খাদ্য এবং মিষ্টি ভালবাসা
আনাস থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ-এর এক প্রতিবেশী ছিল পারস্য বংশোদ্ভূত। সে তরি-তরকারী ভাল পাক করতে পারত। একদা সে রসূলুল্লাহ-এর জন্য (গোশতের তরকারী) পাক করে তাঁকে দাওয়াত দিতে আসল। তিনি বললেন, আয়েশাকেও দাওয়াত দাও। সে বলল, না। রসূলুল্লাহ বললেন, তাহলে আমিও দাওয়াত গ্রহণ করব না। লোকটি আবার এসে তাকে দাওয়াত দিল, তিনি পুনরায় আয়েশার দিকে ইঙ্গিত করলেন। সে এবারও তাকে দাওয়াত দিতে রাজী হলো না। রসূলুল্লাহ ও দাওয়াত গ্রহণ করলেন না। সে আবারও তাকে দাওয়াত দিল। এবার রসূলুল্লাহ আয়েশার দিকে ইঙ্গিত করলেন। তখন তৃতীয়বার সে বলল, হ্যাঁ অতঃপর তারা উভয়ে রওনা হলেন এবং তার বাড়িতে গিয়ে হাযির হলেন।
টিকাঃ
৪. সহীহ মুসলিম হাদীস নং ৩৯১০।
📄 ভালবাসার পূর্ণরূপ
উরওয়াহ হতে বর্ণিত। মুসলিমগণ জানতেন নবী আয়েশা -কে কিরূপ ভালবাসতেন। যদি তারা নবীকে কোনো কিছু হাদিয়া পাঠাতে ইচ্ছা করতেন তবে তারা আয়েশা এর গৃহে নবী-এর অবস্থানের দিন নবী-এর নিকট হাদিয়া পাঠাতেন।
টিকাঃ
৫. সহীহ আল বুখারী হাদীস নং ২৪৯৪।
📄 উদ্বোধনী স্থান
সম্মানিত নেতা নবী-এর বিবাহিত জীবনের একটা প্রতিষ্ঠিত মূলনীতি ছিল মানসিকভাবে যার প্রতি দুর্বল থাকুন না কেন তিনি তার সামর্থ্যের আলোকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করতেন সকল স্ত্রীদের মহান সুযোগ-সুবিধা দিত। তিনি সবকিছু ন্যায়পরায়ণতার সাথে বণ্টন করতে অভ্যস্ত ছিলেন এবং বলতেন, “ইয়া আল্লাহ! আমার পক্ষে যা সম্ভব, আমি তা করেছি। আর আপনি যার (অন্তরের) মালিক এবং আমি নই, সে ব্যাপারে আমাকে দোষারোপ করবেন না।”
টিকাঃ
৬. সুনান আবু দাউদ, কিতাবুল নিকাহ হাদীস নং ১৮৫৬।