📘 লিডারশিপ > 📄 উত্তম স্ত্রী গড়ার পাঁচটি মূলনীতি

📄 উত্তম স্ত্রী গড়ার পাঁচটি মূলনীতি


মহান নেতা এবং শিক্ষক নবী এবং জীবনের বিভিন্ন দিক, দাম্পত্য জীবনের বিভিন্ন মুহূর্ত এবং কিছু পরিস্থিতি বিবেচনা করে একই রকম ঘটনাগুলি একসাথে করে কিছু মূলনীতি তৈরি করেছি। আমার মতে সেগুলো মোট পাঁচটি।
প্রথম মূলনীতি: কানায় কানায় পূর্ণ ভালবাসা। ভালবাসা হচ্ছে জীবনের ঔষধ এবং চলার পথের অনুপ্রেরণা। এটা হচ্ছে হৃদয়াকর্ষী সেই অনুভূতি যা সকল সৃষ্টিকে আকৃষ্ট করে এবং প্রত্যেক জীবনের মধ্যে মিশে আছে। হাসি এবং কান্না যদি শুধু মনুষ্য প্রজাতীর নিজস্ব অনুভূতি হয়ে থাকে, ভালবাসা বেষ্টন করে আছে সমস্ত প্রাণীকূলকে এবং ছড়িয়ে আছে জীবনের প্রত্যেক মুহূর্তে। পৃথিবীর প্রত্যেক কোণে এবং পৃথিবীবাসীর অন্তরগুলিতে ভালবাসা ছড়িয়ে আছে। জাতি-বর্ণ নির্বিশেষে।

📘 লিডারশিপ > 📄 ঘর এবং ভালবাসা

📄 ঘর এবং ভালবাসা


কোনো ঘরে যতই পানির প্রবাহ থাকুক না কেন তা মরুভূমির মত শুষ্ক যদি সেই ঘরে ভালবাসার অস্থিত্ব না থাকে। কোনো ঘরের মানুষ যতই উচ্চস্বরে কথা বলুক না কেন তা নিস্তব্ধ যদি সেই ঘরে ভালবাসার চেতনা কাজ না করে। হৃদপিন্ডের গভীরে শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে যত বায়ুই প্রবেশ করুক না কেন তা বায়ুশূন্য যদি সেখানে ভালবাসার কম্পন না থাকে। আদর্শ মহামানব-এর দাম্পত্য জীবনের দিকে লক্ষ্য করলে সর্বপ্রথম যেই জিনিসটি প্রতীয়মান হয় তা হলো উপচেপড়া ভালবাসা। তার বাড়িটি ছিল মরুভূমির ভিতর এক টুকর ছোট সবুজ বাগান আর আনন্দের সবুজ বৃক্ষ।

📘 লিডারশিপ > 📄 ভালবাসা পূর্বনির্ধারিত

📄 ভালবাসা পূর্বনির্ধারিত


আয়েশা থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী করীম-এর স্ত্রীদের মধ্যে কারো প্রতি এতটুকু ঈর্ষা পোষণ করিনি। যতটুকু খাদিজা-এর প্রতি পোষণ করেছি। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ যখন বকরি জবাই করতেন, তখন বলতেন, এটা খাদিজার বান্ধবীদের নিকট পাঠিয়ে দাও। আয়েশা বলেন, একথা শুনে একদিন আমি গোস্বা হয়ে বললাম, খাদিজার বান্ধবী? রসূলুল্লাহ বলছেন, আমাকে (আল্লাহর তরফ থেকে) তার প্রতি ভালবাসা দান করা হয়েছে।।

টিকাঃ
৩. সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১২৫৪

📘 লিডারশিপ > 📄 মিষ্টি খাদ্য এবং মিষ্টি ভালবাসা

📄 মিষ্টি খাদ্য এবং মিষ্টি ভালবাসা


আনাস থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ-এর এক প্রতিবেশী ছিল পারস্য বংশোদ্ভূত। সে তরি-তরকারী ভাল পাক করতে পারত। একদা সে রসূলুল্লাহ-এর জন্য (গোশতের তরকারী) পাক করে তাঁকে দাওয়াত দিতে আসল। তিনি বললেন, আয়েশাকেও দাওয়াত দাও। সে বলল, না। রসূলুল্লাহ বললেন, তাহলে আমিও দাওয়াত গ্রহণ করব না। লোকটি আবার এসে তাকে দাওয়াত দিল, তিনি পুনরায় আয়েশার দিকে ইঙ্গিত করলেন। সে এবারও তাকে দাওয়াত দিতে রাজী হলো না। রসূলুল্লাহ ও দাওয়াত গ্রহণ করলেন না। সে আবারও তাকে দাওয়াত দিল। এবার রসূলুল্লাহ আয়েশার দিকে ইঙ্গিত করলেন। তখন তৃতীয়বার সে বলল, হ্যাঁ অতঃপর তারা উভয়ে রওনা হলেন এবং তার বাড়িতে গিয়ে হাযির হলেন।

টিকাঃ
৪. সহীহ মুসলিম হাদীস নং ৩৯১০।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00