📄 নিজের চেহারাকে উৎফুল্ল রেখে পরহিতকারিতা
আবু যার আল-গিফার এর বরাতে বলা হয়েছে, “রসূলে করীম (সা) বলেছেন, তোমার ভাইয়ের মুখে হাসি ফুটানোই হলো পরহিতকারিতা। শুভকে আদেশ করা ও অশুভকে নিষেধ করাই পরহিতকারিতা; স্বল্প দৃষ্টির মানুষকে দেখতে সাহায্য করাই পরহিতকারিতা; লোকের পায়ে আঘাত লাগতে পারে এমন কোনো পাথর, কাঁটা বা হাঁড় পথ থেকে সরিয়ে ফেলাই পরহিতকারিতা এবং নিজের বালতি ভরা পানি তোমার ভাইয়ের শুন্য বালতিতে ঢেলে খালি করে ফেলাই পরহিতকারিতা।”
টিকাঃ
৮. ইবনে আবি আল দুনইয়া আল-আখলাক দ্রষ্টব্য। বদান্যতা ও দুস্থদের দান খয়রাত বিষয়ক অধ্যায়। হাদীস নং ৩৮৯।
📄 উৎফুল্ল চেহারা
আবু হুরায়রা উল্লেখ করেছেন, রসূলে করীম বলেছেন: “তোমার ধন-দৌলত দিয়ে মানুষের হৃদয়ে জয় করতে পারবে না, তবে নিজের উৎফুল্ল চেহারা ও সর্বোৎকৃষ্ট আচার-আচরণ দিয়ে জয় করতে পারবে।”
টিকাঃ
৯. ইবনে হিব্বান কর্তৃক তাঁর সহীহ হাদীসে বর্ণিত হাদীস নং ৫৩০। আল-তিরমিযী তাঁর সুনান গ্রন্থেও এর উল্লেখ করেছেন। সৎকর্ম করার সাথে কোনো সম্পর্কিত অধ্যায় হাদীস নং ১৯৪৯।
📄 হাস্যময় মহানবী
পথ প্রদর্শক রসূলে করীম ছিলেন বিশুদ্ধতম হৃদয়, সবচেয়ে দীপ্তময় চেহারা এবং সবচেয়ে সুন্দর হাসি। তিনি খুব বেশি হাসতেন না আবার স্মিত হাসির ভান করতেন না; বরং তিনি তাঁর স্মিত হাসির দীপ্তি দিয়ে এবং অনুচ্চ ও কোমল হাসি দিয়ে তাঁর সাহাবী এদের হৃদয়কে পরিশুদ্ধ করতেন।
টিকাঃ
১০. আল-বাইহাকীর সুরার আল-ইমাম গ্রন্থে উল্লিখিত। মুসলমানদের দেখা সাক্ষাতের সময় উৎফুল্লতা প্রদর্শন বিষয়ক অধ্যায় ৭৮০৩ নং হাদীস।
পথ প্রদর্শক রসূলে করীম ছিলেন বিশুদ্ধতম হৃদয়, সবচেয়ে দীপ্তময় চেহারা এবং সবচেয়ে সুন্দর হাসি। তিনি খুব বেশি হাসতেন না আবার স্মিত হাসির ভান করতেন না; বরং তিনি তাঁর স্মিত হাসির দীপ্তি দিয়ে এবং অনুচ্চ ও কোমল হাসি দিয়ে তাঁর সাহাবী এদের হৃদয়কে পরিশুদ্ধ করতেন।
টিকাঃ
১০. আল-বাইহাকীর সুরার আল-ইমাম গ্রন্থে উল্লিখিত। মুসলমানদের দেখা সাক্ষাতের সময় উৎফুল্লতা প্রদর্শন বিষয়ক অধ্যায় ৭৮০৩ নং হাদীস।
📄 মহানবী স্মিত হাসতেন
এই মহান শিক্ষক-এর জীবনের পাতাগুলি উল্টালে যা দেখবেন ও পাঠ করবেন তাতে অবাক হয়ে যাবেন। জীবনীকার সেখানে বলেছেন: “মহানবী ততক্ষণ পর্যন্তই স্মিত হাসতেন যতক্ষণ পর্যন্ত না আপনার মনে হয় তিনি কখনই বিরাগভাজন দেখান না।”
এই মহান শিক্ষক-এর জীবনের পাতাগুলি উল্টালে যা দেখবেন ও পাঠ করবেন তাতে অবাক হয়ে যাবেন। জীবনীকার সেখানে বলেছেন: “মহানবী ততক্ষণ পর্যন্তই স্মিত হাসতেন যতক্ষণ পর্যন্ত না আপনার মনে হয় তিনি কখনই বিরাগভাজন দেখান না।”