📄 জীবনে বিশৃঙ্খল হবেন না
একদিন আমি কুরআনের বারোটি তাফসীর গ্রন্থ জমা করলাম। আর তা ছিল : ১. তাবারী, ২. ইবনে কাছীর, ৩. বাগাবী, ৪. যামাখশারী, ৫. কুরতুবী, ৬. আয়িমাল, ৭. আবু সিনহুয়ি, ৮. আররাযী, ৯. ফাতহুল কাদীর, ১০. তাফসীরে খাযেন, ১১. আবু মাসউদ ও ১২. কাসেমি। (এ তালিকার মধ্যে কিছু আছে লেখকের নাম আর কিছু আছে প্রকৃত কিতাবের নামে)। আমি প্রতিদিন কুরআনের একটি আয়াতের ব্যাখ্যা (তাফসীর) এসব গ্রন্থ (কিতাব) থেকে পড়তে ইচ্ছা করেছিলাম। আমি প্রতিদিনকার আয়াতটি প্রথম কিতাব, দ্বিতীয় কিতাব এভাবে সব ক’টি কিতাব থেকে পড়ার পরিকল্পনা করলাম। এভাবে আমি কিছুকাল চেষ্টা করলাম, কিন্তু শীঘ্রই আমি ক্লান্ত ও বিরক্ত বোধ করলাম। একথা সত্য যে আমি উদ্যমী ছিলাম; কিন্তু, পরিকল্পনা করতে এবং পড়ানোর সঠিক পদ্ধতি বাছাই করতে আমি খুব বেশি তাড়াহুড়া করেছিলাম। ইসলামী বিজ্ঞানের ছাত্রদেরকে আমি এই উপদেশ দেই যে, অনেক কিতাব দিয়ে নিছক ভারাক্রান্ত হবেন না। উত্তমপন্থা হলো আপনি যা পড়েন, তাকে সতর্কতার সাথে বিন্যাস ও বাছাইই করা। সর্বপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ হলো তা সুবিন্যস্ত হতে হবে, যদিও আপনি কেবলমাত্র সামান্য কিছু করেন। নবী করীম ﷺ-এর সবচেয়ে প্রিয় কাজ ছিল যা নিয়মিত বা আমল করা যায়। আর যে কাজ ছোট কিছু ছিল।