📘 লা-তাহযানঃ হতাশ হবেন না 📄 গবেষণালব্ধ পরিকল্পনার অনুসরণ করুন

📄 গবেষণালব্ধ পরিকল্পনার অনুসরণ করুন


আল্লামা শাওকানী (রহ) বলেছেন- "কিছু সংখ্যক আলেম আমাকে উপদেশ দিয়েছেন যে, লেখা ছেড়ে দেয়া আমার কখনও উচিত হবে না, যদি সে লেখা প্রতিদিন দু'লাইনও হয়। আমি এ উপদেশ অনুসারে কাজ করেছি এবং এর ফলও ভোগ করেছি।"

আর নিয়োগ হাদীসের এটাই অর্থ -
خَيْرُ الْعَمَلِ مَا دَادَمَ عَلَيْهِ صَاحِبُهُ وَإِنْ قَلَّ
ভাবার্থ: “উত্তম আমল হলো তা যা আমলকারী নিয়মিত করে, যদিও তা অল্প।”

আর এককথা বলা হয় যে, ফোঁটা ফোঁটা পানি (জমেই) মহাপ্রবাহন ঘটায়।

আমরা সবকিছু একই সময়ে বা একসাথে করতে চাইলে সবকিছু তালগোল পাকিয়ে যাবে। তখন ফল যা হবে তা হলো বিরক্তি, ক্লান্তি ও সর্বাপেক্ষা খারাপ যা ঘটবে তাহলো কর্মত্যাগ। আমরা যদি আমাদের কাজকে বিভিন্ন স্তরে ভাগ করে এক সময়ে একটি মাত্র স্তরের কাজ করি বা একটি পদক্ষেপ নেই তবে আমরা অনেক বেশি অর্জন করতে পারবো। সালাতের কথা ভেবে দেখুন। একদিনে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত বিভিন্ন সময়ে আমাদেরকে আদায় করতে আদেশ করা হয়েছে। বিভিন্ন সালাতের মধ্যবর্তী বিরতিসমূহের কারণে সালাত আদায়কারী ব্যক্তি অন্যান্য কাজ করার সুযোগ পায় এবং এক সালাত থেকে অপর সালাতের মাঝে ঠিক ততটা পর্যাপ্ত সময় থাকে যতটুকু সময়ের মধ্যে সালাত আদায়কারী ব্যক্তি উৎসাহভরে আবার আরেক সালাতের জন্য ফিরে আসতে পারে। সকল সালাত যদি একই সময়ে পড়া বাধ্যতামূলক হতো তাহলে সালাত আদায়কারী ব্যক্তি বিরক্ত ও ক্লান্ত হয়ে যেত।

একটি বিশেষ হাদীসের অর্থ এই যে, যে ব্যক্তি দীর্ঘ যাত্রাপথে তার ঘোড়াকে পূর্ণ বেগে দৌড়ানো জন্য বোঁচা মারে সে শুধুমাত্র ঘোড়া হারাবে তা-ই নয়, অধিকন্তু সে তার গন্তব্যস্থলেও পৌঁছতে পারবে না।

📘 লা-তাহযানঃ হতাশ হবেন না 📄 কাজকর্মে অগোছালো হবেন না

📄 কাজকর্মে অগোছালো হবেন না


ঋণ, পার্থিব দায়িত্ব ও পাওনা পরিশোধে বিশ্বস্ততা ও উন্মুক্ততা উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এ বিষয়ে তিনটি মূলনীতি আছে- যা আমাদেরকে অবশ্যই বুঝতে হবে ও প্রয়োগ বা বাস্তবায়িত করতে হবে।

১. বিচক্ষণ লোক অন্যের উপর নির্ভর করবে না। প্রয়োজন মাফিক খরচ করে ও অপচয় না করে যে ব্যক্তি ব্যয় করবে, সে আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্য পাবে।
إِنَّ الْمُبَذِّرِينَ كَانُوا إِخْوَانَ الشَّيَاطِينِ
“নিশ্চয় অপচয়কারীরা শয়তানের ভাই।” (১৭-সূরা বনী ইসরাঈল: আয়াত-২৭)

“আর তারা যখন ব্যয় করে তখন তারা অপচয় করে না এবং কার্পণ্যও করে না বরং তারা এতদুভয়ের মাঝে মধ্যপন্থা অবলম্বন করে।” (২৫-সূরা আল নূর: আয়াত-৬৭)

২. হালাল উপায়ে আপনার রিযিক উপার্জনের চেষ্টা করুন। কেননা, আল্লাহ নিজে পবিত্র এবং পবিত্র ছাড়া অন্য কিছু কবুল করেন না। হারাম উপায়ে অর্জিত রিযিকে আল্লাহ বরকত দেন না।
وَلَوْ أَعْجَبَكَ كَثْرَةُ الْخَبِيثِ
“খবিস ও মন্দ বিষয়ের আধিক্য তোমাকে চকিত করে।” (৫-সূরা মায়িদা: আয়াত-১০০)

৩. হালাল উপায়ে সম্পদ উপার্জনের জন্য অধ্যবসায়ের সাথে কাজ করে যান এবং অকর্মণ্য ও অলস হওয়া পরিহার করুন। আব্দুল্লাহ ইবনে আউফ (রা) যখন মদীনায় হিজরত করেন, তখন তিনি তার সঙ্গে কিছুই নেননি। মদীনার আনসারদের একজন তাঁকে তাঁর সম্পদের অর্ধেক দেওয়ার প্রস্তাব করলেন। কারণ নবী করীম ﷺ তাঁর মাঝে ও ইবনে আউফ (রা)-এর মাঝে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন প্রতিষ্ঠিত করে দিয়েছিলেন, আব্দুল্লাহ ইবনে আউফ (রা) এই উদার উপহারকে নিতে নারাজ হলেন এবং শুধুমাত্র বললেন, “আমাকে বাজারের পথ দেখিয়ে দিন।”

📘 লা-তাহযানঃ হতাশ হবেন না 📄 যে কাজ করতে আপনার আনন্দ লাগে সে কাজ চালিয়ে যান

📄 যে কাজ করতে আপনার আনন্দ লাগে সে কাজ চালিয়ে যান


আল্লামা ইমাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (র) বলেন- “একবার আমি অসুস্থ হয়ে পড়লাম আর চিকিৎসকগণ আমাকে বলে যে, পাঠ করা ও পাঠদান করা শুধুমাত্র আমার (অসুস্থ) অবস্থাকে আরো খারাপ করবে। আমি তাকে বললাম যে, আমি সে সব কাজ বাদ দিতে পারব না এবং যদি সম্ভব হয় তবে আমি তার নিজের জ্ঞানকে আমাদের মাঝে বিচারক বানাতে চাইলাম। আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম যে, ব্যাপার কি এ নয় যে, মন সুস্থ ও আনন্দবোধ করে তবে দেহ শক্তিশালী হয় ও রোগ দূর হয়ে যায়? চিকিৎসকগণ হ্যাঁ বাচক উত্তর দিলেন। আমি তাকে বললাম, অতএব, আমার আত্মা জ্ঞান চর্চায় আনন্দ, আরাম ও শক্তি পায়। চিকিৎসকগণ আত্মসমর্পণ করলেন এবং স্বীকার করলেন যে আমার অবস্থা তার চিকিৎসা শাস্ত্রের চৌহদ্দির বাইরে।”

لَا تَحْسَبُوهُ شَرًّا لَكُمْ بَلْ هُوَ خَيْرٌ لَكُمْ
“এটাকে তোমাদের জন্য খারাপ বা ক্ষতিকর মনে করো না; বরং এটা তোমাদের জন্য উত্তম বা উপকারী। (২৪-সূরা আন নূর: আয়াত-১১)”

📘 লা-তাহযানঃ হতাশ হবেন না 📄 সিদ্ধান্ত নিতে দৃঢ় প্রত্যয়ী হোন

📄 সিদ্ধান্ত নিতে দৃঢ় প্রত্যয়ী হোন


“তাহলে তুমি যখন দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিতে তখন তুমি আল্লাহ্র উপর নির্ভর করিও।” (৩-সূরা আল ইমরান : আয়াত-১৫৯)

“নিশ্চয় আল্লাহ্ তাদেরকে ভালোবাসেন যারা আল্লাহ্র উপর ভরসা রাখে।” (৩-সূরা আল ইমরান : আয়াত-১৫৯)

যখন সিদ্ধান্ত নিতে হয় তখন আমাদের অনেকেই দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভোগে ও ফল প্রায়ই মাথা ব্যথা হয়। যখন পছন্দের বিষয় আসে বা পছন্দের ব্যাপার ঘটে তখন মুসলমানের উচিত অন্যদের (মুসলিমদের) সাথে পরামর্শ করা এবং ইস্তেখারা সালাত পড়া (সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য এ সালাতের বিধান দেওয়া হয়েছে)। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বা কোন দিকে প্রথম পদক্ষেপ নেওয়ার মতো ব্যাপার নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে দেখে আপনার উচিত; কিন্তু, যদি নিশ্চিত হন যে এ পথ অপরটির চেয়ে ভালো তবে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ছাড়াই আপনার পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। তখন পরামর্শ ও পরিকল্পনার সময় শেষ এবং কাজের সময় শুরু।

আল্লাহ্র রাসূল ﷺ উহুদের যুদ্ধের দিন মুসলমানের সাথে পরামর্শ করেছিলেন। তাঁরা রাসূল ﷺ-কে যুদ্ধে বের হওয়ার পরামর্শ দিলেন আর তাই রাসূল ﷺ তাঁর যুদ্ধবর্ম পরিধান করলেন ও তাঁর তরবারী (হাতে) নিলেন। যখন তাঁর সাহাবীগণ বললেন, “হে আল্লাহ্র রাসূল ﷺ! আমরা সম্ভবত আপনাকে বের হওয়ার জন্য জোর করলাম।” তখন তিনি উত্তর দিলেন।
مَا كَانَ لِنَبِيٍّ إِذَا لَبِسَ لَأْمَتَهُ أَن يَنزِعَهَا حَتَّى يَقْضِيَ اللَّهُ بَيْنَهُ وَبَيْنَ عَدُوِّهِ.
“কোন নবীর শোভা পায় না যে সে যুদ্ধের জন্য বর্ম পরিধান করে এবং আল্লাহ্ তাঁর মাঝে ও তাঁর শত্রুর মাঝে কোন ফয়সালা করার আগেই সে তা খুলে ফেলে।”

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার বের হওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত নিলে তাঁর জন্য বিশেষ বিবেচনার প্রয়োজন ছিল না, বরং দৃঢ়প্রত্যয় বা দৃঢ় ইচ্ছা, কাজ, নেতৃত্ব ও বীরত্বের প্রয়োজন ছিল।

অনুরূপভাবে বদরের যুদ্ধের আগেও আল্লাহ্র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের সাথে পরামর্শ করেছিলেন।
“আর কাজের বিষয়ে তাদের সাথে পরামর্শ করুন।” (৩-সূরা আল ইমরান : আয়াত-১৫৯)
“আর তাদের কাজ হলো তাদের মাঝে পারস্পরিক পরামর্শ করা (অর্থাৎ তারা পারস্পরিক পরামর্শের মাধ্যমে তাদের কাজ নির্ধারণ করে)।” (৪২-সূরা আশ শুরা : আয়াত-৩৮)

তারা তাদের মতামত জানালেন, দৃঢ় সিদ্ধান্ত নেয়া হলো এবং তারা তখন যুদ্ধ করতে এগিয়ে গেলেন। সর্বদা দ্বিধাগ্রস্ত করা চরিত্রের দোষ বিশেষ এবং প্রায়ই (একাজ) মানুষকে ব্যর্থতার পথে নিয়ে যায়। আমি এমন কিছু লোকের কথা জানি যারা বহুবছর ধরে সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব করেছে। অথচ সে সব কাজ নিয়মিত ও সহজ হওয়া উচিত ছিল। তারা নিজেরাই ব্যর্থতা ও হতাশাকে তাদের জীবনে প্রবেশ করার জন্য নিমন্ত্রণ (আমন্ত্রণ দাওয়াত) করেছে। আপনার পরিকল্পনা ও ধারণার বাস্তবতার বিষয়ে আপনার গবেষণা করা উচিত। বিষয়াদি সম্বন্ধে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে ভেবে দেখার জন্য নিজেকে সময় দিন, অভিজ্ঞ ও জ্ঞানী লোকের নিকট পরামর্শ চান এবং একাধিক পদক্ষেপের মাঝে সর্বোত্তম দিকের দিকে আপনাকে পথ-প্রদর্শন করার জন্য আপনার প্রভুর নিকট আপনি প্রার্থনা করুন। কিন্তু অবশেষে কাজের পদক্ষেপ নিন এবং সিদ্ধান্ত করতে বিলম্ব করবেন না।

আল্লাহ্র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইন্তেকাল করার পর অনেক আরব গোত্র যাকাত প্রদান করতে অস্বীকার করল। আবু বকর (রা) এ অবস্থায় কী করা যায় সে বিষয়ে জনগণের সাথে পরামর্শ করলেন। উমর (রা) সহ লোকজন তাকে এসব গোত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা না করার পরামর্শ দিলেন। বিভিন্ন তর্ক-বিতর্কপূর্ণ বিবেচিত হওয়া সত্ত্বেও আবু বকর (রা) সিদ্ধান্ত নিলেন যে তাদের বিরুদ্ধে তাদেরকে যুদ্ধ করতে হবে।

আবু বকর (রা) স্থির সিদ্ধান্ত নিলেন এবং তিনি একটুও দ্বিধা-দ্বন্দ্ব করেননি। তিনি বলেছিলেন : “যার হাতে আমার জীবন তাঁর কসম করে বলছি, যে ব্যক্তি সালাত ও যাকাতের মাঝে কোনরূপ পার্থক্য করবে আমি তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করব। আল্লাহ্র কসম, আল্লাহ্র রাসূলের কাছে তারা যে লাগাম (বা পশুর গলার রশি) দিত তাও যদি তারা দিতে অস্বীকার করে তবে এর জন্য আমি তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ করব।” উমর (রা) বললেন, “তখন আমি বুঝতে পারলাম যে আল্লাহ্ আবু বকর (রা)-এর অন্তরকে (জিহাদ করার জন্য) খুলে দিয়েছেন বা প্রশস্ত করে দিয়েছেন, আমি বুঝতে পারলাম যে, তিনি সঠিক ছিলেন।

বিভিন্ন মতামতের মূল্য নির্ধারণ করার পর আবু বকর (রা) সেই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তারা মুরতাদদের (ধর্মত্যাগীদের) সাথে জিহাদ করে বিজয়ী হলেন。

মুনাফিকদের একটা চরিত্র হলো যা করা যেত তাকে সীমাহীন প্রশ্ন করে নস্যাৎ করা এবং যা আরো বিশেষভাবে বিবেচিত (বিলম্বিত) হওয়ার কথা তা (তাড়াতাড়ি) করার জন্য অনুরোধ করে তা নস্যাৎ করা। “যদি তারা তোমাদের সাথে (জিহাদে) বের হতো তবে তারা শুধুমাত্র তোমাদের (মাঝে) বিশৃঙ্খলাহ ব‌ৃদ্ধি করত এবং ফিতনা করার জন্য তোমাদের মাঝে তারা অস্থায়ী ছোঁড়াছুড়ি করত।” (৯-সূরা তাওবা : আয়াত-৪৭) “তারাই তাদের মৃত ভাইদের সম্বন্ধে বলেছিল, “যদি তারা আমাদের কথা শুনত তবে তারা নিহত হতো না।” অথচ তারা ঘরে বসেছিল। (হে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম !) আপনি বলে দিন, “যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাক তবে তোমরা তোমাদের নিজেদের থেকে মৃত্যুকে ফিরিয়ে রাখ।”” (৩-সূরা আল ইমরান : আয়াত-১৬৮)

তাদের প্রিয় শব্দ হলো ‘যদি’, ‘হায়!’ এবং ‘সম্ভবত’। তারা নড়বড়বড়ে ভিত্তির উপর সর্বদা দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভোগে।
“তারা দোদুল্যমান, না এদের দিকে না ওদের দিকে।” (৪-সূরা আন নিসা : আয়াত-১৪৩)

মাঝে মাঝে তারা আমাদের সাথে আর মাঝে মাঝে তারা ওদের সাথে। সংকটের সময় তারা বলে- “যদি আমরা জানতাম যে, যুদ্ধ হবে তবে অবশ্যই আমরা তোমাদের অনুসরণ করতাম।” (৩-সূরা আল ইমরান : আয়াত-১৬৭) তারা সর্বদা মিথ্যা কথা বলে। সুসময়ে তারা উপস্থিত, কিন্তু যদি জটিল পরিস্থিতির উদ্ভব হয়েই যায় তবে তারা হাত গুটিয়ে থাকে নয়তো পালায়। তাদের কেউ বলে- “আমাকে (যুদ্ধ থেকে) অব্যাহতি দিন এবং আমাকে বিপদে ফেলবেন না।” (৯-সূরা তাওবা : আয়াত-৪৯) কর্তব্য থেকে পালানোর জন্য তারা আহযাবের যুদ্ধের আগে বলেছিল : “(শত্রুদের নিকট) আমাদের ঘর-বাড়ি সত্যিই উন্মুক্ত (অরক্ষিত) পড়ে আছে। অথচ সেগুলো খোলা (অরক্ষিত) ছিল না।” (৩৩-সূরা আহযাব : আয়াত-১৩)

ফন্ট সাইজ
15px
17px