📄 শত্রুতার আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগেই তা নিভিয়ে ফেলুন
আমার জীবন ভর আমি দেখেছি যে, যখনই আমি আমার বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতনের বিরোধিতা করেছিলাম তখনই এর প্রধান ফল হলো ক্ষতি ও অনুশোচনা। প্রথমে আমি মনে করতাম যে, যখন কেউ আমার সমালোচনা করল তখন আমার উচিত সব কিছু ঠিক করা; হোক সে সমালোচনা মৌখিক বা লিখিত। যাহোক, অবশেষে আমি দেখতে পেলাম যে, বিপরীতটাই সত্য। নিজেকে বাঁচাতে যাওয়ার ফলে আরো শত্রুতা সৃষ্টি হয়েছে এবং আমার সমালোচক ও আমার মাঝে সুসম্পর্ক সৃষ্টি করার পরিবর্তে তিনি বরং আমাকে আরো বেশি দোষী করার চেষ্টা করেছেন। অবশেষে আমি এই কামনা করতাম যে, আমি যদি প্রথমে কখনও তাঁর বিরোধিতা না করতাম! ক্ষমা করা, সহ্য করা, ধৈর্য দেখানো এবং তাঁর মানসিক মন্দতাকে অগ্রাহ্য করাই ভালো হতো। সর্বোপরি কুরআন আমাদেরকে এটাই শিক্ষা দেয়।
“ক্ষমা প্রদর্শন করো, সব কাজের আদেশ দাও এবং মূর্খদের (ভুলত্রুটি) থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও।” (৭-সূরা আ’রাফ : আয়াত-১৯৯)
(মূর্খদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার অর্থ হলো তাদের ভুল-ত্রুটিকে উপেক্ষা করা, ওসবের দিকে ভ্রূক্ষেপ না করা এবং ওসবের জন্য তাদেরকে শাস্তি না দেওয়া।)
“তারা যেন (তাদেরকে) ক্ষমা করে এবং (তাদের ভুল-ত্রুটিকে) উপেক্ষা করে।” (২৪-সূরা আন নূর : আয়াত-২২)
“তারাই (মুত্তাকী) যারা ক্রোধ সংবরণ করে এবং মানুষকে ক্ষমা করে।” (৩-সূরা আলে ইমরান : আয়াত-১৩৪)
“আর যখন তারা রাগান্বিত হয় তখন তারা ক্ষমা করে দেয়।” (৪২-সূরা আশ শুরা : আয়াত-৩৭)
“মূর্খরা যখন তাদেরকে মন্দ ভাষায় ডাকে বা মন্দ ভাষায় তাদের সাথে কথা বলে তখন তারা তাদের সাথে শান্তিদায়কভাবে কথা বলে বা তাদের থেকে বিদায় নিয়ে চলে যায়।” (২৫-সূরা আল ফুরকান : আয়াত-৬৩)
“উত্তম জিনিসের মাধ্যমে মন্দকে দূর কর; তখন দেখবে যে, তোমার মাঝে ও তোমার সাথে যার শত্রুতা আছে তার মাঝে অর্থাৎ তোমার মাঝে ও তোমার শত্রুর মাঝে এমন মধুর সম্পর্ক হয়ে যাবে যে, যেন সে (তোমার) অন্তরঙ্গ বন্ধু।” (৪১-সূরা হা-মীম-আস সাজদাহ : আয়াত-৩৪) (অর্থাৎ আল্লাহ মুমিনদেরকে আদেশ দিয়েছেন রাগের সময়ে ধৈর্য ধরতে এবং তাদের সাথে যারা খারাপ আচরণ করে তাদেরকে ক্ষমা করে দিতে।)
তাই, যদি আপনি কারো কাছ থেকে বিদ্বেষমূলক কথা শুনেন তবে প্রত্যুত্তর করবেন না; যদি জবাব দেন তবে এক কথায় বিপরীত ফল কথা শুনতে হবে।
আমার জীবন ভর আমি দেখেছি যে, যখনই আমি আমার বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতনের বিরোধিতা করেছিলাম তখনই এর প্রধান ফল হলো ক্ষতি ও অনুশোচনা। প্রথমে আমি মনে করতাম যে, যখন কেউ আমার সমালোচনা করল তখন আমার উচিত সব কিছু ঠিক করা; হোক সে সমালোচনা মৌখিক বা লিখিত। যাহোক, অবশেষে আমি দেখতে পেলাম যে, বিপরীতটাই সত্য। নিজেকে বাঁচাতে যাওয়ার ফলে আরো শত্রুতা সৃষ্টি হয়েছে এবং আমার সমালোচক ও আমার মাঝে সুসম্পর্ক সৃষ্টি করার পরিবর্তে তিনি বরং আমাকে আরো বেশি দোষী করার চেষ্টা করেছেন। অবশেষে আমি এই কামনা করতাম যে, আমি যদি প্রথমে কখনও তাঁর বিরোধিতা না করতাম! ক্ষমা করা, সহ্য করা, ধৈর্য দেখানো এবং তাঁর মানসিক মন্দতাকে অগ্রাহ্য করাই ভালো হতো। সর্বোপরি কুরআন আমাদেরকে এটাই শিক্ষা দেয়।
“ক্ষমা প্রদর্শন করো, সব কাজের আদেশ দাও এবং মূর্খদের (ভুলত্রুটি) থেকে মুখ ফিরিয়ে নাও।” (৭-সূরা আ’রাফ : আয়াত-১৯৯)
(মূর্খদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার অর্থ হলো তাদের ভুল-ত্রুটিকে উপেক্ষা করা, ওসবের দিকে ভ্রূক্ষেপ না করা এবং ওসবের জন্য তাদেরকে শাস্তি না দেওয়া।)
“তারা যেন (তাদেরকে) ক্ষমা করে এবং (তাদের ভুল-ত্রুটিকে) উপেক্ষা করে।” (২৪-সূরা আন নূর : আয়াত-২২)
“তারাই (মুত্তাকী) যারা ক্রোধ সংবরণ করে এবং মানুষকে ক্ষমা করে।” (৩-সূরা আলে ইমরান : আয়াত-১৩৪)
“আর যখন তারা রাগান্বিত হয় তখন তারা ক্ষমা করে দেয়।” (৪২-সূরা আশ শুরা : আয়াত-৩৭)
“মূর্খরা যখন তাদেরকে মন্দ ভাষায় ডাকে বা মন্দ ভাষায় তাদের সাথে কথা বলে তখন তারা তাদের সাথে শান্তিদায়কভাবে কথা বলে বা তাদের থেকে বিদায় নিয়ে চলে যায়।” (২৫-সূরা আল ফুরকান : আয়াত-৬৩)
“উত্তম জিনিসের মাধ্যমে মন্দকে দূর কর; তখন দেখবে যে, তোমার মাঝে ও তোমার সাথে যার শত্রুতা আছে তার মাঝে অর্থাৎ তোমার মাঝে ও তোমার শত্রুর মাঝে এমন মধুর সম্পর্ক হয়ে যাবে যে, যেন সে (তোমার) অন্তরঙ্গ বন্ধু।” (৪১-সূরা হা-মীম-আস সাজদাহ : আয়াত-৩৪) (অর্থাৎ আল্লাহ মুমিনদেরকে আদেশ দিয়েছেন রাগের সময়ে ধৈর্য ধরতে এবং তাদের সাথে যারা খারাপ আচরণ করে তাদেরকে ক্ষমা করে দিতে।)
তাই, যদি আপনি কারো কাছ থেকে বিদ্বেষমূলক কথা শুনেন তবে প্রত্যুত্তর করবেন না; যদি জবাব দেন তবে এক কথায় বিপরীত ফল কথা শুনতে হবে।