📄 হিংসা হিংসুককে ধ্বংস করে
হিংসা এমন এক ব্যাধি যা শুধুমাত্র মনেরই নয় দেহেরও ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। বলা হয় যে, হিংসুক লোকের কোন বিশ্রাম (ঘুম) নেই ও সে বন্ধুর লেবাসে একজন শত্রু। হিংসারোগ সম্বন্ধে ঠিকই বলা হয় যে, এটা কম পক্ষে একটা ভয়; কেননা, এটা হিংসুককেই প্রথমে হত্যা করে (অর্থাৎ হিংসা হিংসুককে তিলে তিলে ধ্বংস করে)।
আমি আমাকে ও আপনাকে উভয়কেই হিংসা করতে নিষেধ করছি; কেননা অন্যদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করার পূর্বে আমাদেরকে অবশ্যই প্রথমে নিজেদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করতে হবে। অন্যের প্রতি হিংসা করে আমাদের রক্তে মাংসের গড়া দেহখানাকে দুর্দশাগ্রস্ত করছি ও আমাদের গভীর ঘুমকে নষ্ট করছি। হিংসুক ব্যক্তি (যেন) আগুন জ্বালিয়ে সে আগুনে নিজেই ঝাঁপ দেয়। হিংসা দুঃখ-বেদনা ও ভোগান্তি এনে এক সময়ের শান্তিপূর্ণ ও পূর্ণময় জীবনকে ধ্বংস সাধন করে।
হিংসুক ব্যক্তির অভিশাপ এই যে, সে ভাগ্যকে অস্বীকার করে এবং তার স্রষ্টাকে অবিবেচক মনে করে। হিংসা কোন রোগের মতো? এটা তো অন্যান্য রোগের মতো নয়। হিংসুক ব্যক্তি এ রোগের কারণে পরকালে কোন পুরস্কার পাবে না। (অথচ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা তাদের রোগ ভোগ ও তাতে ধৈর্য ধারণের কারণে পরকালে পুরস্কার পাবে।)
হিংসুক ব্যক্তি তার মৃত্যুর দিন পর্যন্ত বা অন্যদের সৌভাগ্য তাদের থেকে বিদায় না নেওয়া পর্যন্ত প্রচণ্ড ক্রোধে জ্বলে পুড়ে শেষ হতে থাকবে। হিংসুক ব্যক্তি ছাড়া সকলের সাথেই মীমাংসা করা সম্ভব। কেননা, তাঁর সাথে মীমাংসার জন্য যা প্রয়োজন তা হলো– আপনি আপনার থেকে আল্লাহর সব কল্যাণ ও করুণা দূর করবেন বা আপনার সকল প্রতিজ্ঞা ও সদগুণ পরিত্যাগ করবেন। যদি আপনি এরূপ করেন তবে হয়তোবা সে সুখী হবে। আল্লাহর নিকট আমরা হিংসুকের ক্ষতি হতে আশ্রয় প্রার্থনা করি। হিংসুক এমন এক বিষধর কালো সাপের মতো হয়ে যায়– যে সাপ একটি নির্দোষ দেহে এর বিষ ঢেলে না দেওয়া পর্যন্ত কোন বিশ্রাম পায় না।
সুতরাং হিংসা থেকে বহু দূরে থাকুন এবং হিংসুক লোক থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করুন। কেননা, সে সর্বদা আপনাকে সতর্কভাবে লক্ষ্য করছে।
হিংসা এমন এক ব্যাধি যা শুধুমাত্র মনেরই নয় দেহেরও ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। বলা হয় যে, হিংসুক লোকের কোন বিশ্রাম (ঘুম) নেই ও সে বন্ধুর লেবাসে একজন শত্রু। হিংসারোগ সম্বন্ধে ঠিকই বলা হয় যে, এটা কম পক্ষে একটা ভয়; কেননা, এটা হিংসুককেই প্রথমে হত্যা করে (অর্থাৎ হিংসা হিংসুককে তিলে তিলে ধ্বংস করে)।
আমি আমাকে ও আপনাকে উভয়কেই হিংসা করতে নিষেধ করছি; কেননা অন্যদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করার পূর্বে আমাদেরকে অবশ্যই প্রথমে নিজেদের প্রতি দয়া প্রদর্শন করতে হবে। অন্যের প্রতি হিংসা করে আমাদের রক্তে মাংসের গড়া দেহখানাকে দুর্দশাগ্রস্ত করছি ও আমাদের গভীর ঘুমকে নষ্ট করছি। হিংসুক ব্যক্তি (যেন) আগুন জ্বালিয়ে সে আগুনে নিজেই ঝাঁপ দেয়। হিংসা দুঃখ-বেদনা ও ভোগান্তি এনে এক সময়ের শান্তিপূর্ণ ও পূর্ণময় জীবনকে ধ্বংস সাধন করে।
হিংসুক ব্যক্তির অভিশাপ এই যে, সে ভাগ্যকে অস্বীকার করে এবং তার স্রষ্টাকে অবিবেচক মনে করে। হিংসা কোন রোগের মতো? এটা তো অন্যান্য রোগের মতো নয়। হিংসুক ব্যক্তি এ রোগের কারণে পরকালে কোন পুরস্কার পাবে না। (অথচ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা তাদের রোগ ভোগ ও তাতে ধৈর্য ধারণের কারণে পরকালে পুরস্কার পাবে।)
হিংসুক ব্যক্তি তার মৃত্যুর দিন পর্যন্ত বা অন্যদের সৌভাগ্য তাদের থেকে বিদায় না নেওয়া পর্যন্ত প্রচণ্ড ক্রোধে জ্বলে পুড়ে শেষ হতে থাকবে। হিংসুক ব্যক্তি ছাড়া সকলের সাথেই মীমাংসা করা সম্ভব। কেননা, তাঁর সাথে মীমাংসার জন্য যা প্রয়োজন তা হলো– আপনি আপনার থেকে আল্লাহর সব কল্যাণ ও করুণা দূর করবেন বা আপনার সকল প্রতিজ্ঞা ও সদগুণ পরিত্যাগ করবেন। যদি আপনি এরূপ করেন তবে হয়তোবা সে সুখী হবে। আল্লাহর নিকট আমরা হিংসুকের ক্ষতি হতে আশ্রয় প্রার্থনা করি। হিংসুক এমন এক বিষধর কালো সাপের মতো হয়ে যায়– যে সাপ একটি নির্দোষ দেহে এর বিষ ঢেলে না দেওয়া পর্যন্ত কোন বিশ্রাম পায় না।
সুতরাং হিংসা থেকে বহু দূরে থাকুন এবং হিংসুক লোক থেকে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করুন। কেননা, সে সর্বদা আপনাকে সতর্কভাবে লক্ষ্য করছে।
📄 হিংসা নতুন কিছু নয়
আপনি যদি আপনার কানে কিছু রূঢ় কথা-বার্তার শব্দ বাজতে শুনতে পান তবে এতে উদ্বিগ্ন হবেন না—কেননা, হিংসা নতুন কিছু নয়। যেমনটি একজন কবি বলেছেন—
“মহৎ গুণাবলি অর্জন করতে মনোযোগ দাও এবং প্রচেষ্টা কর, যে ব্যক্তি তোমার নিন্দা করে তার হিংসার জ্বালা ঠান্ডা করে তার প্রতি পৃষ্ঠ প্রদর্শন কর। জেনে রাখ যে, জীবনটা নেক আমল করার মওসুম; আর মৃত্যুর পর সব হিংসা বন্ধ হয়ে থাকে।”
আপনি যদি আপনার কানে কিছু রূঢ় কথা-বার্তার শব্দ বাজতে শুনতে পান তবে এতে উদ্বিগ্ন হবেন না—কেননা, হিংসা নতুন কিছু নয়। যেমনটি একজন কবি বলেছেন—
“মহৎ গুণাবলি অর্জন করতে মনোযোগ দাও এবং প্রচেষ্টা কর, যে ব্যক্তি তোমার নিন্দা করে তার হিংসার জ্বালা ঠান্ডা করে তার প্রতি পৃষ্ঠ প্রদর্শন কর। জেনে রাখ যে, জীবনটা নেক আমল করার মওসুম; আর মৃত্যুর পর সব হিংসা বন্ধ হয়ে থাকে।”
📄 হিংসুকের ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়
কুরআনের শেষ দু'টি সুরা ‘সুরা ফালাকু ও সুরা নাস’ তেলাওয়াত করুন, আল্লাহর জিকির করুন ও তাঁর নিকট আকুল আবেদন করুন—
“এবং হিংসুক যখন হিংসা করে তখন তার হিংসার ক্ষতি থেকে (আপনার নিকট আশ্রয় চাই)।” (১১৩-সুরা আল ফালাক : আয়াত-৫)
হিংসুক লোকদের থেকে আপনার বিষয়াদি গোপন রাখুন—
“হে আমার পুত্রগণ! (ডাকাত দল বলে মানুষের সন্দেহ হতে পারে এজন্য) তোমরা এক দরজা দিয়ে (শহরে) প্রবেশ করবে না বরং বিভিন্ন দরজা দিয়ে প্রবেশ করবেন।” (১২-সুরা ইউসুফ : আয়াত-৬৭)
যে লোক আপনার ক্ষতি করার উদ্যোগ নেয় তার প্রতি উদার হোন, তাহলে সম্ভবত সে (আপনার ক্ষতি করা থেকে) বিরত হবে।
“উত্তম কিছু দ্বারা মন্দকে দূর করুন।” (২৩-সুরা আল মুমিনুন : আয়াত-৯৬)
কুরআনের শেষ দু'টি সুরা ‘সুরা ফালাকু ও সুরা নাস’ তেলাওয়াত করুন, আল্লাহর জিকির করুন ও তাঁর নিকট আকুল আবেদন করুন—
“এবং হিংসুক যখন হিংসা করে তখন তার হিংসার ক্ষতি থেকে (আপনার নিকট আশ্রয় চাই)।” (১১৩-সুরা আল ফালাক : আয়াত-৫)
হিংসুক লোকদের থেকে আপনার বিষয়াদি গোপন রাখুন—
“হে আমার পুত্রগণ! (ডাকাত দল বলে মানুষের সন্দেহ হতে পারে এজন্য) তোমরা এক দরজা দিয়ে (শহরে) প্রবেশ করবে না বরং বিভিন্ন দরজা দিয়ে প্রবেশ করবেন।” (১২-সুরা ইউসুফ : আয়াত-৬৭)
যে লোক আপনার ক্ষতি করার উদ্যোগ নেয় তার প্রতি উদার হোন, তাহলে সম্ভবত সে (আপনার ক্ষতি করা থেকে) বিরত হবে।
“উত্তম কিছু দ্বারা মন্দকে দূর করুন।” (২৩-সুরা আল মুমিনুন : আয়াত-৯৬)
📄 নির্ঘুম রাত
রাতে যদি আপনার ঘুম না আসে আর আপনি (বিছানায় শুয়ে শুয়ে) এ পাশ ও পাশ করেন বা গড়াগড়ি দিতে থাকেন তবে নিম্নোক্ত আমলগুলো করুন :
১. আল্লাহকে স্মরণ করুন : নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাৎলানো দোয়ার মাধ্যমে অথবা কুরআনের আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহকে স্মরণ করুন—
“জেনে রাখ! আল্লাহর যিকিরের মাঝেই আত্মা প্রশান্তি লাভ করে।” (১৩-সূরা রা’আদ : আয়াত-২৮)
২. নিক্ষিপ্ত না হলে দিনে ঘুমাবেন না : আল্লাহ তায়ালা বলেন “আর আমি দিনকে জীবিকার জন্য সৃষ্টি করেছি।” (৭৮-সুরা আন নাবা : আয়াত-১১)
৩. ঘুম না আসা পর্যন্ত লেখা-পড়া করুন : “এবং বল, হে আমার প্রভু! আমার ইলম বৃদ্ধি করুন।” (২০-সুরা ত্বাহা : আয়াত-১১৪)
৪. দিনে কঠোর পরিশ্রম করুন : “এবং তিনি দিনকে সমুত্থানের জন্য সৃষ্টি করেছেন।” (২৫-সুরা আল ফুরকান : আয়াত-৪৭)
৫. কফি বা চায়ের মতো কোনো (হালাল) উত্তেজক খাদ্য গ্রহণ করুন। [বি. দ্র. একান্ত প্রয়োজন না হলে উত্তেজক দ্রব্য (খাদ্য বা ঔষধ বা প্রসাধনী ইত্যাদি) ব্যবহার করা (গ্রহণ করা) উচিত নয়—তা হালাল হলেও না। কেননা, উত্তেজক দ্রব্য বিপরীত ক্রিয়ায় (রিয়্যাকশনে) অবসাদ সৃষ্টি করে। –অনুবাদক]
রাতে যদি আপনার ঘুম না আসে আর আপনি (বিছানায় শুয়ে শুয়ে) এ পাশ ও পাশ করেন বা গড়াগড়ি দিতে থাকেন তবে নিম্নোক্ত আমলগুলো করুন :
১. আল্লাহকে স্মরণ করুন : নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাৎলানো দোয়ার মাধ্যমে অথবা কুরআনের আয়াতের মাধ্যমে আল্লাহকে স্মরণ করুন—
“জেনে রাখ! আল্লাহর যিকিরের মাঝেই আত্মা প্রশান্তি লাভ করে।” (১৩-সূরা রা’আদ : আয়াত-২৮)
২. নিক্ষিপ্ত না হলে দিনে ঘুমাবেন না : আল্লাহ তায়ালা বলেন “আর আমি দিনকে জীবিকার জন্য সৃষ্টি করেছি।” (৭৮-সুরা আন নাবা : আয়াত-১১)
৩. ঘুম না আসা পর্যন্ত লেখা-পড়া করুন : “এবং বল, হে আমার প্রভু! আমার ইলম বৃদ্ধি করুন।” (২০-সুরা ত্বাহা : আয়াত-১১৪)
৪. দিনে কঠোর পরিশ্রম করুন : “এবং তিনি দিনকে সমুত্থানের জন্য সৃষ্টি করেছেন।” (২৫-সুরা আল ফুরকান : আয়াত-৪৭)
৫. কফি বা চায়ের মতো কোনো (হালাল) উত্তেজক খাদ্য গ্রহণ করুন। [বি. দ্র. একান্ত প্রয়োজন না হলে উত্তেজক দ্রব্য (খাদ্য বা ঔষধ বা প্রসাধনী ইত্যাদি) ব্যবহার করা (গ্রহণ করা) উচিত নয়—তা হালাল হলেও না। কেননা, উত্তেজক দ্রব্য বিপরীত ক্রিয়ায় (রিয়্যাকশনে) অবসাদ সৃষ্টি করে। –অনুবাদক]