📘 লা-তাহযানঃ হতাশ হবেন না 📄 অধিকাংশ গুজবই ভিত্তিহীন

📄 অধিকাংশ গুজবই ভিত্তিহীন


স্বদেশী আদিবাসীদের দমন করার জন্য প্রসিদ্ধ জেনারেল জর্জ ক্রাক তাঁর বিখ্যাত সাময়িকীর ৭৭ পৃষ্ঠায় লিখেছেন— “আদিবাসীদের প্রায় সকল দুর্দশা ও উদ্ধৃঙ্খতা তাদের কল্পনাপ্রসূত—বাস্তব নয়।”

“প্রতিটি বিকট শব্দ বা চিৎকারকেই তারা তাদের বিরুদ্ধে মনে করে।” (৬৩-সূরা আল মুনাফিকুন : আয়াত-৪)
“যদি তারা তোমাদের সাথে অভিযানে বের হতো তবে তারা শুধু বিশৃঙ্খলাই বৃদ্ধি করত এবং ফেতনা করার জন্য তোমাদের মাঝে ছুটাছুটি করত।” (৯-সূরা তাওবা : আয়াত-৪৭)

কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির প্রফেসর হুকস বলেছেন— “কোনো নির্দিষ্ট সমস্যার হয়তো সমাধান আছে নয়তো নেই। যদি কোনো নির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান থাকে তবে তা খুঁজে বের করুন। নচেৎ তা নিয়ে নিজেকে কষ্ট দিবেন না।” একখানি সহীহ হাদীসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন— “আল্লাহ তায়ালা দুনিয়াতে এমন কোনো রোগ পাঠাননি যার তিনি ঔষধ পাঠাননি। যে এটা জানল সে তো এটা জানলই আর যে এটা জানল না সে তো এটা জানলই না।”

স্বদেশী আদিবাসীদের দমন করার জন্য প্রসিদ্ধ জেনারেল জর্জ ক্রাক তাঁর বিখ্যাত সাময়িকীর ৭৭ পৃষ্ঠায় লিখেছেন— “আদিবাসীদের প্রায় সকল দুর্দশা ও উদ্ধৃঙ্খতা তাদের কল্পনাপ্রসূত—বাস্তব নয়।”

“প্রতিটি বিকট শব্দ বা চিৎকারকেই তারা তাদের বিরুদ্ধে মনে করে।” (৬৩-সূরা আল মুনাফিকুন : আয়াত-৪)
“যদি তারা তোমাদের সাথে অভিযানে বের হতো তবে তারা শুধু বিশৃঙ্খলাই বৃদ্ধি করত এবং ফেতনা করার জন্য তোমাদের মাঝে ছুটাছুটি করত।” (৯-সূরা তাওবা : আয়াত-৪৭)

কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির প্রফেসর হুকস বলেছেন— “কোনো নির্দিষ্ট সমস্যার হয়তো সমাধান আছে নয়তো নেই। যদি কোনো নির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান থাকে তবে তা খুঁজে বের করুন। নচেৎ তা নিয়ে নিজেকে কষ্ট দিবেন না।” একখানি সহীহ হাদীসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন— “আল্লাহ তায়ালা দুনিয়াতে এমন কোনো রোগ পাঠাননি যার তিনি ঔষধ পাঠাননি। যে এটা জানল সে তো এটা জানলই আর যে এটা জানল না সে তো এটা জানলই না।”

📘 লা-তাহযানঃ হতাশ হবেন না 📄 লোকেরা আপনার উপর নির্ভর করুক, কিন্তু আপনি তাদের উপর নির্ভর করবেন না

📄 লোকেরা আপনার উপর নির্ভর করুক, কিন্তু আপনি তাদের উপর নির্ভর করবেন না


মহৎ হৃদয়ের মানুষেরা জনসেবা করেন কিন্তু জনগণকে তাঁর সেবা করার সুযোগ দেন না। অতএব তিনি এমন প্রকল্প গ্রহণ করেন না যার জন্য তাঁকে অন্যের উপর নির্ভর করতে হয়। (অন্যের উপর নির্ভর করে লাভ নেই) কেননা অন্যকে সাহায্য করার ব্যাপারে মানুষের একটি সীমা আছে সেই সীমার ভিতরে থেকেই তারা অন্যের জন্য চেষ্টা ও উৎসর্গ করতে চায় এবং এ সীমার বাইরে তারা যায় না বললেই চলে। উদাহরণস্বরূপ নবী করীম (সা)-এর নাতি ও আলী (রা)-এর ছেলে হুসাইন (রা)-এর কথা বিবেচনা করে দেখুন। তিনি খুন হলেন অথচ জাতি তাঁর জন্য আন্দোলন করল না বরং তাঁর খুনিরা তাদের বিজয়ের জন্য আল্লাহর প্রশংসা ধ্বনি দিয়ে দিয়ে রাস্তায় রাস্তায় আমোদ উল্লাস করেছিল। একজন আরব কবি লিখেছেন—

“হে মুহাম্মদের নাতি! তারা তোমার রক্তাক্ত শির নিয়ে এসেছে, (এটা নিয়ে) তারা (রাস্তায় রাস্তায়) আমোদ-উল্লাস করছে, তুমি নিহত হয়েছ তাই তারা আল্লাহর প্রশংসা ধ্বনি দিচ্ছে, অথচ তারা তোমাকে হত্যা করে তারা তাদের আল্লাহর প্রশংসাকরণকে ও তাদের ধর্মকে হত্যা করেছে।”

ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (রহ)-কে ভীষণভাবে চাবুক মেরে অত্যাচার করা হয়েছিল। তিনি মৃত্যুমুখে পতিত হয়ে গিয়েছিলেন অথচ কেউ তাঁকে সাহায্য করার জন্য এক ইঞ্চিও এগিয়ে আসেনি। ইমাম ইবনে তাইমিয়াকে বন্দী করে গাধার পিঠে চড়িয়ে প্রদর্শন করে অপমান করা হয়েছিল। পরবর্তীতে যে বিশাল জনতার দল তাঁর জানাযার সালাতে শরীক হয়েছিল, এ ঘটনা যখন ঘটে তারা তো তখন কিছুই করেনি। কিন্তু ব্যতিক্রম থাকলেও এর কারণ শুধুমাত্র এই যে, অন্যকে সাহায্য করার ব্যাপারে লোকের একটা সীমা আছে, তারা সে সীমা অতিক্রম করে অন্যকে সাহায্য করে না। (অতএব, অন্যের উপর নির্ভর করে লাভ নেই)।

“সুতরাং তুমি আল্লাহর সাথে অন্য কোন ইলাহকে ডেক না।” (২৬-সূরা আশ শোয়ারা: আয়াত-২১৩)
“এবং তারা তাদের নিজেদের কোন ক্ষতি বা উপকার করার ক্ষমতা রাখে না এবং তারা মৃত্যু, জীবন ও উত্থানের উপর কোন ক্ষমতা রাখে না।” (২৫-সূরা আল ফুরকান: আয়াত-৩)
“হে নবী (মুহাম্মাদ!), আপনার জন্য এবং যে সমস্ত ঈমানদারগণ আপনাকে অনুসরণ করে তাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট।” (৮-সূরা আনফাল: আয়াত-৬৪)
“এবং (হে মুহাম্মাদ!) সে চিরজীবীর উপর নির্ভর করুন যিনি কখনও মৃত্যুবরণ করবেন না।” (২৫-সূরা আল ফুরকান: আয়াত-৫৮)
“(আল্লাহ যদি তোমাকে শান্তি দিতে চান তবে) তারা আল্লাহর মোকাবিলায় তোমার কোনই উপকার করতে পারবে না।” (৪৮-সূরা আল জাছিয়া: আয়াত-১১)
“আর আল্লাহ যাকে অপমানিত করেন তাকে কেউ সম্মানিত করতে পারে না।” (২২-সুরা আল হাজ্জ: আয়াত-১৮)

মহৎ হৃদয়ের মানুষেরা জনসেবা করেন কিন্তু জনগণকে তাঁর সেবা করার সুযোগ দেন না। অতএব তিনি এমন প্রকল্প গ্রহণ করেন না যার জন্য তাঁকে অন্যের উপর নির্ভর করতে হয়। (অন্যের উপর নির্ভর করে লাভ নেই) কেননা অন্যকে সাহায্য করার ব্যাপারে মানুষের একটি সীমা আছে সেই সীমার ভিতরে থেকেই তারা অন্যের জন্য চেষ্টা ও উৎসর্গ করতে চায় এবং এ সীমার বাইরে তারা যায় না বললেই চলে। উদাহরণস্বরূপ নবী করীম (সা)-এর নাতি ও আলী (রা)-এর ছেলে হুসাইন (রা)-এর কথা বিবেচনা করে দেখুন। তিনি খুন হলেন অথচ জাতি তাঁর জন্য আন্দোলন করল না বরং তাঁর খুনিরা তাদের বিজয়ের জন্য আল্লাহর প্রশংসা ধ্বনি দিয়ে দিয়ে রাস্তায় রাস্তায় আমোদ উল্লাস করেছিল। একজন আরব কবি লিখেছেন—

“হে মুহাম্মদের নাতি! তারা তোমার রক্তাক্ত শির নিয়ে এসেছে, (এটা নিয়ে) তারা (রাস্তায় রাস্তায়) আমোদ-উল্লাস করছে, তুমি নিহত হয়েছ তাই তারা আল্লাহর প্রশংসা ধ্বনি দিচ্ছে, অথচ তারা তোমাকে হত্যা করে তারা তাদের আল্লাহর প্রশংসাকরণকে ও তাদের ধর্মকে হত্যা করেছে।”

ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (রহ)-কে ভীষণভাবে চাবুক মেরে অত্যাচার করা হয়েছিল। তিনি মৃত্যুমুখে পতিত হয়ে গিয়েছিলেন অথচ কেউ তাঁকে সাহায্য করার জন্য এক ইঞ্চিও এগিয়ে আসেনি। ইমাম ইবনে তাইমিয়াকে বন্দী করে গাধার পিঠে চড়িয়ে প্রদর্শন করে অপমান করা হয়েছিল। পরবর্তীতে যে বিশাল জনতার দল তাঁর জানাযার সালাতে শরীক হয়েছিল, এ ঘটনা যখন ঘটে তারা তো তখন কিছুই করেনি। কিন্তু ব্যতিক্রম থাকলেও এর কারণ শুধুমাত্র এই যে, অন্যকে সাহায্য করার ব্যাপারে লোকের একটা সীমা আছে, তারা সে সীমা অতিক্রম করে অন্যকে সাহায্য করে না। (অতএব, অন্যের উপর নির্ভর করে লাভ নেই)।

“সুতরাং তুমি আল্লাহর সাথে অন্য কোন ইলাহকে ডেক না।” (২৬-সূরা আশ শোয়ারা: আয়াত-২১৩)
“এবং তারা তাদের নিজেদের কোন ক্ষতি বা উপকার করার ক্ষমতা রাখে না এবং তারা মৃত্যু, জীবন ও উত্থানের উপর কোন ক্ষমতা রাখে না।” (২৫-সূরা আল ফুরকান: আয়াত-৩)
“হে নবী (মুহাম্মাদ!), আপনার জন্য এবং যে সমস্ত ঈমানদারগণ আপনাকে অনুসরণ করে তাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট।” (৮-সূরা আনফাল: আয়াত-৬৪)
“এবং (হে মুহাম্মাদ!) সে চিরজীবীর উপর নির্ভর করুন যিনি কখনও মৃত্যুবরণ করবেন না।” (২৫-সূরা আল ফুরকান: আয়াত-৫৮)
“(আল্লাহ যদি তোমাকে শান্তি দিতে চান তবে) তারা আল্লাহর মোকাবিলায় তোমার কোনই উপকার করতে পারবে না।” (৪৮-সূরা আল জাছিয়া: আয়াত-১১)
“আর আল্লাহ যাকে অপমানিত করেন তাকে কেউ সম্মানিত করতে পারে না।” (২২-সুরা আল হাজ্জ: আয়াত-১৮)

📘 লা-তাহযানঃ হতাশ হবেন না 📄 বোকাদের গালিতে আপনার কিছু হবে না

📄 বোকাদের গালিতে আপনার কিছু হবে না


আমেরিকার ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন বলেছেন— “আমার নিকট যেসব বিদ্বেষপূর্ণ ও শত্রুতাপূর্ণ চিঠি পাঠানো হয়েছে তা আমি কখনো পড়ে দেখিনি, আমি কখনো সেসব চিঠির খাম খুলে দেখিনি এবং সেগুলোর উত্তর দেয়ার ঝামেলা পোহাইনি, আমি যদি এসব বিষয় নিয়ে ব্যস্ত থাকতাম তবে আমার জনগণের জন্য কিছু করার সময় আমার থাকত না।”

“অতএব, (তাদেরকে শাস্তি না দিয়ে বরং) তাদেরকে উপেক্ষা করুন।” (৪-সূরা আন নিসা : আয়াত-৬৩)
“অতএব, আপনি তাদেরকে সৌজন্যমূলক ক্ষমা করুন।” (১৫-সূরা হিজর : আয়াত-৮৫)
“অতএব, আপনি তাদেরকে উপেক্ষা করুন এবং বলুন ‘সালাম’।” (৪৬-সূরা আল আহকাফ : আয়াত-১৮)

দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময় আমেরিকার নৌ-বাহিনীর যিনি কমাণ্ডার ছিলেন তিনি খুবই মেধাবী ও রাশভারী লোক ছিলেন এবং ফলে তিনি উল্লেখযোগ্য খ্যাতি অর্জন করেন। যা হোক, তাঁর অধীনস্থদের সাথে তাঁকে কাজ কারবার করতে হতো এর মধ্যে কিছু লোক এমন ছিল যারা তাঁর প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করত এবং তাঁর পিছনে সর্বদা তাঁকে গালি-গালাজ করত ও তাঁর সমালোচনা করত। আর ঘটনা যখন এমনই তখন তিনিও এ ব্যাপারে ভালোভাবে জানতেন যে তারা তাঁর সম্বন্ধে কী বলে। এ ব্যাপারে তিনি মন্তব্য করেন একথা বলে যে, “এখন আমার সমালোচনার প্রতি প্রতিরোধ ক্ষমতা সৃষ্টি হয়েছে। এখন আমি বয়স্ক হয়েছি এবং এ বিষয়ে অবগত আছি যে, কথা মাহাত্ম্যকে ধ্বংস করতে পারে না এবং শক্তিশালী বাধাও সৃষ্টি করতে পারে না।”

একজন আরব কবি বলেছেন— “(আমাকে মৌখিকভাবে আক্রমণ করে) কবিরা আমার কাছ থেকে কী প্রত্যাশা করে? অথচ আমি বয়সে ছত্রিশের সীমা পেরিয়ে গেছি!”

একথা দাবি করা হয়েছে যে, ঈসা (আ) বলেছেন যে, “তোমার শত্রুকে ভালোবাস।” এ কথার অর্থ এই যে, আপনার শত্রুদেরকে আপনার সাধারণ ক্ষমা করা উচিত। এভাবেই আপনি প্রতিশোধ গ্রহণের আশঙ্কা, ঘৃণা ও বিদ্বেষ থেকে মুক্ত হতে পারবেন।

“এবং তাঁরাও যারা মানুষকে ক্ষমা করে; আর আল্লাহ তো অবশ্যই সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন।” (৩-সূরা আলে ইমরান : আয়াত-১৩৪)

মক্কা বিজয়ের পূর্বে যারা নবী করীম ﷺ-কে কষ্ট দিয়েছে ও তাঁর অনেক ক্ষতি করেছে, মক্কার শাসনভার অধিকার করার পর আল্লাহর রাসূল ﷺ তাদেরকে বলেছেন, “তোমরা চলে যাও, কেননা তোমরা স্বাধীন।” “আজ তোমাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ নেই।” (১২-সূরা ইউসুফ : আয়াত-৯২) “যা অতীত হয়ে গেছে আল্লাহ তা ক্ষমা করে দিয়েছেন।” (৫-সূরা মায়িদা : আয়াত-১০৫)

📘 লা-তাহযানঃ হতাশ হবেন না 📄 যাদের সঙ্গ দুর্বিসহ তাদের সঙ্গ শান্তি নষ্ট করে

📄 যাদের সঙ্গ দুর্বিসহ তাদের সঙ্গ শান্তি নষ্ট করে


যাদের সঙ্গ বিরক্তিকর ও অপ্রীতিকর তাদেরকে ইসলামী পণ্ডিতবর্গের লেখা কিতাবাদিতে ভুরিভুরি জায়গায় ‘দুর্বিষহ’ বলা হয়েছে। তারা এমন লোক যাদের সঙ্গ অসহায়ক। ইমাম আহমদ তাদেরকে বিদআতী বা অভিনব লোক বলেছেন। কেউ কেউ বলেছেন যে তারা সমাজের বোকা লোকজন। আবার কেউ কেউ এদেরকে অমার্জিত লোকজন বলে আখ্যায়িত করেছেন। অথবা তারা হলো নিরস ও বেচারিন চরিত্রের লোকজন।

“তারা যেন (দেয়ালে) ঠেকান কাঠের গুঁড়ি।” (৬৩-সুরা আল মুনাফিকুন : আয়াত-৪)
“অতএব এসব লোকদের কী হলো যে তারা কোন কথা বুঝার উপক্রম করে না।” (৪-সুরা আন নিসা : আয়াত-৭৮)

ইমাম শাফিঈ বলেছেন— “যখন কোন বোকা লোক আমার পাশে বসতে আসে, তখন আমার মনে হতে থাকে যেন তাঁর সাহচর্যের কারণে তাঁর নিচের মাটি দেবে যাচ্ছে।” আল আ’মাশ এ ধরনের লোক দেখলে তেলাওয়াত করতেন— “হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের থেকে শাস্তি দূর করুন। আমরা অবশ্যই ঈমানদার (হব)!” (৪৪-সূরা আদ দোখান : আয়াত-১২)

মহান আল্লাহ বলেছেন— “আর যারা আয়াতসমূহ নিয়ে বাজে কথায় লিপ্ত হয় আপনি তাদেরকে দেখলে এড়িয়ে চলুন...!” (৬-সূরা আল আন’আম : আয়াত-৬৮) “অতএব, তোমরা তাদের সাথে বসবে না।” (৪-সূরা আন নিসা : আয়াত-১৪০)

গুণহীন লোকজনের উদ্দেশ্য নীচমানের এবং যারা সহজেই তাদের আকাঙ্ক্ষার কাছে হার মানে তাদের সাহচর্য সর্বাপেক্ষা বেশি অসহ্যকর। “অতএব যতক্ষণ না তারা অন্য কথা বলতে শুরু করে ততক্ষণ তোমরা তাদের সাথে বসবে না, (অন্যথায়) তোমরাও অবশ্যই তাদের মতো হয়ে যাবে।” (৪-সূরা আন নিসা : আয়াত-১৪০)

একজন আরবী কবি বলেছেন— “এই যে তুমি তো ভারী, মোটা ও বিশাল দেহী, তুমি দেখতে মানুষ অথচ ওজনে হাতি।”

ইবনুল কায়্যিম বলেছেন— “অসহায়ত্ব কোন লোকের কথা যদি তোমাকে জোর করে শোনানো হয় তবে তুমি তাঁর কথা কান দিয়ে শুনিও কিন্তু মন দিয়ে গ্রহণ করিও না এবং তোমার মন নিয়ে তুমি অন্যত্র চলে যেও (অর্থাৎ তাঁর কথায় মন দিও না)। যতক্ষণ না আল্লাহ তোমাকে তাঁর সঙ্গ ত্যাগ করে যাওয়ার পথ করে দেন ততক্ষণ তুমি তাঁর কথা শুনেও শুনবে না ও তাঁকে দেখেও দেখবে না।”

“এবং আপনি তাঁর অনুসরণ করবেন না যার অন্তরকে আমি আমার স্মরণ বা যিকির থেকে গাফেল করে দিয়েছি এবং যে তাঁর প্রবৃত্তির অনুসরণ করে আর কাজ কর্ম লাগামহীন।” (১৮-সূরা আল কাহাফ : আয়াত-২৮)

ফন্ট সাইজ
15px
17px