📄 অন্যদের ব্যক্তিত্বের অনুকরণ করবেন না
“প্রত্যেক জাতির জন্যই একটি দিক আছে যেদিকে সে মুখ করে। অতএব, তোমরা নেক কাজে প্রতিযোগিতা কর।” (২-সূরা বাক্বারা : আয়াত-১৪৮)
“এবং তিনিই তোমাদেরকে পৃথিবীতে প্রতিনিধি করে পাঠিয়েছেন এবং তোমাদের কাউকে মর্যাদায় অন্যের উপরে স্থান দিয়েছেন।” (৬-সূরা আল আ'নআম : আয়াত-১৬৫)
“প্রতিটি লোকই তাদের পানির ঘাট চিনে নিয়েছিল।” (২-সূরা বাক্বারা : আয়াত-৬০)
প্রতিটি লোকেরই তার নিজস্ব মেধা, যোগ্যতা, দক্ষতা ও পছন্দ-অপছন্দ আছে। নবী কারীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চরিত্রের একটি দিক ছিল তাঁর পরিচালনা করার যোগ্যতা; তিনি সাহাবীদেরকে প্রত্যেকের মেধা ও যোগ্যতা অনুসারে কাজে লাগাতেন। আলী (রা) সৎ ও বিজ্ঞ ছিলেন; তাই নবী কারীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন। নবী কারীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুয়ায (রা)-কে ইলমের জন্য, উবাই (রা)-কে কুরআনের জন্য, যায়িদ (রা)-কে ফারায়েযের জন্য, খালিদ (রা)-কে জিহাদের জন্য, হাসসান (রা)-কে কবিতার জন্য এবং কায়েস ইবনে সাবিত (রা)-কে জনসমক্ষে বক্তৃতা দেওয়ার জন্য কাজে লাগিয়ে ছিলেন।
যে কোন কারণেই হোক, অন্যের ব্যক্তিত্বে নিজেকে বিলীন করে দেওয়া আত্মহত্যার শামিল। অন্যের প্রাকৃতিক স্বভাবকে অনুকরণ করা নিজেকে মৃত্যুর আঘাত হানার শামিল। আল্লাহর যে সমস্ত নিদর্শনাবলিতে সকলের বিস্মিত হওয়া উচিত তার মধ্যে মানুষের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যাবলি অন্যতম যেমন তাদের মেধা, তারা যে বিভিন্ন ভাষায় কথা বলে তা এবং তাদের বিভিন্ন রং। উদাহরণস্বরূপ, আবু বকর (রা) তাঁর ভদ্রতা ও উদারতার মাধ্যমে ইসলাম ও মুসলিম জাতির অনেক উপকার করেছেন। অপর পক্ষে, ওমর (রা) তাঁর দৃঢ় আচরণ, কঠোর আত্মসংযম ও অনাড়ম্বরতার দ্বারা ইসলাম ও এর অনুসারীদেরকে সাহায্য করেছেন। তাই আপনার সহজাত প্রতিভা ও অক্ষমতাতে সন্তুষ্ট থাকুন। সেগুলোকে উন্নত করুন। সেগুলোকে প্রসারিত করুন এবং সেগুলো হতে উপকৃত হোন।
“আল্লাহ কারো উপর তার সাধ্যাতীত বোঝা চাপান না।” (২-সূরা বাক্বারা : আয়াত-২৮৬)
“প্রত্যেক জাতির জন্যই একটি দিক আছে যেদিকে সে মুখ করে। অতএব, তোমরা নেক কাজে প্রতিযোগিতা কর।” (২-সূরা বাক্বারা : আয়াত-১৪৮)
“এবং তিনিই তোমাদেরকে পৃথিবীতে প্রতিনিধি করে পাঠিয়েছেন এবং তোমাদের কাউকে মর্যাদায় অন্যের উপরে স্থান দিয়েছেন।” (৬-সূরা আল আ'নআম : আয়াত-১৬৫)
“প্রতিটি লোকই তাদের পানির ঘাট চিনে নিয়েছিল।” (২-সূরা বাক্বারা : আয়াত-৬০)
প্রতিটি লোকেরই তার নিজস্ব মেধা, যোগ্যতা, দক্ষতা ও পছন্দ-অপছন্দ আছে। নবী কারীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চরিত্রের একটি দিক ছিল তাঁর পরিচালনা করার যোগ্যতা; তিনি সাহাবীদেরকে প্রত্যেকের মেধা ও যোগ্যতা অনুসারে কাজে লাগাতেন। আলী (রা) সৎ ও বিজ্ঞ ছিলেন; তাই নবী কারীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন। নবী কারীম সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুয়ায (রা)-কে ইলমের জন্য, উবাই (রা)-কে কুরআনের জন্য, যায়িদ (রা)-কে ফারায়েযের জন্য, খালিদ (রা)-কে জিহাদের জন্য, হাসসান (রা)-কে কবিতার জন্য এবং কায়েস ইবনে সাবিত (রা)-কে জনসমক্ষে বক্তৃতা দেওয়ার জন্য কাজে লাগিয়ে ছিলেন।
যে কোন কারণেই হোক, অন্যের ব্যক্তিত্বে নিজেকে বিলীন করে দেওয়া আত্মহত্যার শামিল। অন্যের প্রাকৃতিক স্বভাবকে অনুকরণ করা নিজেকে মৃত্যুর আঘাত হানার শামিল। আল্লাহর যে সমস্ত নিদর্শনাবলিতে সকলের বিস্মিত হওয়া উচিত তার মধ্যে মানুষের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যাবলি অন্যতম যেমন তাদের মেধা, তারা যে বিভিন্ন ভাষায় কথা বলে তা এবং তাদের বিভিন্ন রং। উদাহরণস্বরূপ, আবু বকর (রা) তাঁর ভদ্রতা ও উদারতার মাধ্যমে ইসলাম ও মুসলিম জাতির অনেক উপকার করেছেন। অপর পক্ষে, ওমর (রা) তাঁর দৃঢ় আচরণ, কঠোর আত্মসংযম ও অনাড়ম্বরতার দ্বারা ইসলাম ও এর অনুসারীদেরকে সাহায্য করেছেন। তাই আপনার সহজাত প্রতিভা ও অক্ষমতাতে সন্তুষ্ট থাকুন। সেগুলোকে উন্নত করুন। সেগুলোকে প্রসারিত করুন এবং সেগুলো হতে উপকৃত হোন।
“আল্লাহ কারো উপর তার সাধ্যাতীত বোঝা চাপান না।” (২-সূরা বাক্বারা : আয়াত-২৮৬)
📄 গঠনমূলক সমালোচনাকে সাদরে গ্রহণ করুন
এন্ডি মেরো বলেছেন— “যা কিছু আমাদের ব্যক্তিগত স্বভাবের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বা সামঞ্জস্যপূর্ণ তাই আমাদের কাছে সত্য মনে হয় আর অন্য সবকিছু শুধুমাত্র আমাদের ক্রোধ উৎপন্ন করে।”
যখন আমাদেরকে উপদেশ দেওয়া হয় বা আমাদের সমালোচনা করা হয় তখনকার অবস্থার সাথে এ উদাহরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমরা প্রশংসাকে অত্যন্ত ভালোবাসি এবং যখন আমাদের প্রশংসা করা হয় তখন আমাদের মনটা বড় হয়ে যায় এমনকি আমাদেরকে অযৌক্তিক প্রশংসা করা হলেও। অপরপক্ষে আমরা সমালোচনা ও নিন্দাকে ঘৃণা করি এমনকি আমাদের সম্বন্ধে যা বলা হয় তা সত্য হয়ে থাকলেও।
“এবং যখন তাদের মাঝে ফয়সালা করে দেওয়ার জন্য তাদেরকে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নিকট আহ্বান করা হয় তখন তাদের একদল মুখ ফিরিয়ে নেয়। আর যদি তাদের কোনো হক্ব বা প্রাপ্য থাকে তবে তারা তাঁর নিকট বিনীতভাবে আসে।” (২৪-সূরা আন নূর : আয়াত-৪৮-৪৯)
উইলিয়াম জেমস বলেছেন— “আপনার প্রচেষ্টার ফলাফল সম্বন্ধে যে উদ্বিগ্নতা আপনাকে পেয়ে বসে ও আপনাকে পরাভূত বা পরাজিত করে তা থেকে আপনি তখন সম্পূর্ণরূপে মুক্ত হয়ে যাবেন—যখন আপনি কোনো নির্দিষ্ট দিনে কোনো কিছু করার দৃঢ় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।” তিনি যা বুঝাতে চাচ্ছেন তা হচ্ছে যখন আপনি যৌক্তিক সিদ্ধান্ত ও সুস্থ প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করবেন তখন আপনার সে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত করা উচিত। অধিকন্তু আপনাকে অবশ্যই সন্দেহের কাছে পরাজিত হওয়া যাবে না। কেননা, সন্দেহ শুধু আরো সন্দেহেরই জন্ম দেয় এবং তারপর পিছনের দিকে ফিরে তাকানো যাবে না।
আরব দেশের একজন কবি বলেছেন— “যদি তুমি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পার, তবে স্থির সিদ্ধান্ত নাও বা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হও, কেননা ভুল সিদ্ধান্ত পরিবর্তনশীল।” সিদ্ধান্ত নিতে সাহস প্রদর্শন আপনাকে উদ্বিগ্নতা ও দ্বিধা-দ্বন্দ্ব থেকে সন্দেহাতীতভাবে রক্ষা করতে পারে। “স্থির সিদ্ধান্ত নেবার পর যদি তারা আল্লাহর সত্যতা স্বীকার করত (বা আল্লাহর সাথে কৃত তাদের অঙ্গীকার পূর্ণ করত) তবে তা তাদের জন্য অবশ্যই কল্যাণকর হতো।” (৪৭-সূরা মুহাম্মাদ বা কেতাল : আয়াত-২১)
এন্ডি মেরো বলেছেন— “যা কিছু আমাদের ব্যক্তিগত স্বভাবের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ বা সামঞ্জস্যপূর্ণ তাই আমাদের কাছে সত্য মনে হয় আর অন্য সবকিছু শুধুমাত্র আমাদের ক্রোধ উৎপন্ন করে।”
যখন আমাদেরকে উপদেশ দেওয়া হয় বা আমাদের সমালোচনা করা হয় তখনকার অবস্থার সাথে এ উদাহরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমরা প্রশংসাকে অত্যন্ত ভালোবাসি এবং যখন আমাদের প্রশংসা করা হয় তখন আমাদের মনটা বড় হয়ে যায় এমনকি আমাদেরকে অযৌক্তিক প্রশংসা করা হলেও। অপরপক্ষে আমরা সমালোচনা ও নিন্দাকে ঘৃণা করি এমনকি আমাদের সম্বন্ধে যা বলা হয় তা সত্য হয়ে থাকলেও।
“এবং যখন তাদের মাঝে ফয়সালা করে দেওয়ার জন্য তাদেরকে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নিকট আহ্বান করা হয় তখন তাদের একদল মুখ ফিরিয়ে নেয়। আর যদি তাদের কোনো হক্ব বা প্রাপ্য থাকে তবে তারা তাঁর নিকট বিনীতভাবে আসে।” (২৪-সূরা আন নূর : আয়াত-৪৮-৪৯)
উইলিয়াম জেমস বলেছেন— “আপনার প্রচেষ্টার ফলাফল সম্বন্ধে যে উদ্বিগ্নতা আপনাকে পেয়ে বসে ও আপনাকে পরাভূত বা পরাজিত করে তা থেকে আপনি তখন সম্পূর্ণরূপে মুক্ত হয়ে যাবেন—যখন আপনি কোনো নির্দিষ্ট দিনে কোনো কিছু করার দৃঢ় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।” তিনি যা বুঝাতে চাচ্ছেন তা হচ্ছে যখন আপনি যৌক্তিক সিদ্ধান্ত ও সুস্থ প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করবেন তখন আপনার সে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত করা উচিত। অধিকন্তু আপনাকে অবশ্যই সন্দেহের কাছে পরাজিত হওয়া যাবে না। কেননা, সন্দেহ শুধু আরো সন্দেহেরই জন্ম দেয় এবং তারপর পিছনের দিকে ফিরে তাকানো যাবে না।
আরব দেশের একজন কবি বলেছেন— “যদি তুমি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পার, তবে স্থির সিদ্ধান্ত নাও বা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হও, কেননা ভুল সিদ্ধান্ত পরিবর্তনশীল।” সিদ্ধান্ত নিতে সাহস প্রদর্শন আপনাকে উদ্বিগ্নতা ও দ্বিধা-দ্বন্দ্ব থেকে সন্দেহাতীতভাবে রক্ষা করতে পারে। “স্থির সিদ্ধান্ত নেবার পর যদি তারা আল্লাহর সত্যতা স্বীকার করত (বা আল্লাহর সাথে কৃত তাদের অঙ্গীকার পূর্ণ করত) তবে তা তাদের জন্য অবশ্যই কল্যাণকর হতো।” (৪৭-সূরা মুহাম্মাদ বা কেতাল : আয়াত-২১)
📄 অধিকাংশ গুজবই ভিত্তিহীন
স্বদেশী আদিবাসীদের দমন করার জন্য প্রসিদ্ধ জেনারেল জর্জ ক্রাক তাঁর বিখ্যাত সাময়িকীর ৭৭ পৃষ্ঠায় লিখেছেন— “আদিবাসীদের প্রায় সকল দুর্দশা ও উদ্ধৃঙ্খতা তাদের কল্পনাপ্রসূত—বাস্তব নয়।”
“প্রতিটি বিকট শব্দ বা চিৎকারকেই তারা তাদের বিরুদ্ধে মনে করে।” (৬৩-সূরা আল মুনাফিকুন : আয়াত-৪)
“যদি তারা তোমাদের সাথে অভিযানে বের হতো তবে তারা শুধু বিশৃঙ্খলাই বৃদ্ধি করত এবং ফেতনা করার জন্য তোমাদের মাঝে ছুটাছুটি করত।” (৯-সূরা তাওবা : আয়াত-৪৭)
কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির প্রফেসর হুকস বলেছেন— “কোনো নির্দিষ্ট সমস্যার হয়তো সমাধান আছে নয়তো নেই। যদি কোনো নির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান থাকে তবে তা খুঁজে বের করুন। নচেৎ তা নিয়ে নিজেকে কষ্ট দিবেন না।” একখানি সহীহ হাদীসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন— “আল্লাহ তায়ালা দুনিয়াতে এমন কোনো রোগ পাঠাননি যার তিনি ঔষধ পাঠাননি। যে এটা জানল সে তো এটা জানলই আর যে এটা জানল না সে তো এটা জানলই না।”
স্বদেশী আদিবাসীদের দমন করার জন্য প্রসিদ্ধ জেনারেল জর্জ ক্রাক তাঁর বিখ্যাত সাময়িকীর ৭৭ পৃষ্ঠায় লিখেছেন— “আদিবাসীদের প্রায় সকল দুর্দশা ও উদ্ধৃঙ্খতা তাদের কল্পনাপ্রসূত—বাস্তব নয়।”
“প্রতিটি বিকট শব্দ বা চিৎকারকেই তারা তাদের বিরুদ্ধে মনে করে।” (৬৩-সূরা আল মুনাফিকুন : আয়াত-৪)
“যদি তারা তোমাদের সাথে অভিযানে বের হতো তবে তারা শুধু বিশৃঙ্খলাই বৃদ্ধি করত এবং ফেতনা করার জন্য তোমাদের মাঝে ছুটাছুটি করত।” (৯-সূরা তাওবা : আয়াত-৪৭)
কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির প্রফেসর হুকস বলেছেন— “কোনো নির্দিষ্ট সমস্যার হয়তো সমাধান আছে নয়তো নেই। যদি কোনো নির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান থাকে তবে তা খুঁজে বের করুন। নচেৎ তা নিয়ে নিজেকে কষ্ট দিবেন না।” একখানি সহীহ হাদীসে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন— “আল্লাহ তায়ালা দুনিয়াতে এমন কোনো রোগ পাঠাননি যার তিনি ঔষধ পাঠাননি। যে এটা জানল সে তো এটা জানলই আর যে এটা জানল না সে তো এটা জানলই না।”
📄 লোকেরা আপনার উপর নির্ভর করুক, কিন্তু আপনি তাদের উপর নির্ভর করবেন না
মহৎ হৃদয়ের মানুষেরা জনসেবা করেন কিন্তু জনগণকে তাঁর সেবা করার সুযোগ দেন না। অতএব তিনি এমন প্রকল্প গ্রহণ করেন না যার জন্য তাঁকে অন্যের উপর নির্ভর করতে হয়। (অন্যের উপর নির্ভর করে লাভ নেই) কেননা অন্যকে সাহায্য করার ব্যাপারে মানুষের একটি সীমা আছে সেই সীমার ভিতরে থেকেই তারা অন্যের জন্য চেষ্টা ও উৎসর্গ করতে চায় এবং এ সীমার বাইরে তারা যায় না বললেই চলে। উদাহরণস্বরূপ নবী করীম (সা)-এর নাতি ও আলী (রা)-এর ছেলে হুসাইন (রা)-এর কথা বিবেচনা করে দেখুন। তিনি খুন হলেন অথচ জাতি তাঁর জন্য আন্দোলন করল না বরং তাঁর খুনিরা তাদের বিজয়ের জন্য আল্লাহর প্রশংসা ধ্বনি দিয়ে দিয়ে রাস্তায় রাস্তায় আমোদ উল্লাস করেছিল। একজন আরব কবি লিখেছেন—
“হে মুহাম্মদের নাতি! তারা তোমার রক্তাক্ত শির নিয়ে এসেছে, (এটা নিয়ে) তারা (রাস্তায় রাস্তায়) আমোদ-উল্লাস করছে, তুমি নিহত হয়েছ তাই তারা আল্লাহর প্রশংসা ধ্বনি দিচ্ছে, অথচ তারা তোমাকে হত্যা করে তারা তাদের আল্লাহর প্রশংসাকরণকে ও তাদের ধর্মকে হত্যা করেছে।”
ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (রহ)-কে ভীষণভাবে চাবুক মেরে অত্যাচার করা হয়েছিল। তিনি মৃত্যুমুখে পতিত হয়ে গিয়েছিলেন অথচ কেউ তাঁকে সাহায্য করার জন্য এক ইঞ্চিও এগিয়ে আসেনি। ইমাম ইবনে তাইমিয়াকে বন্দী করে গাধার পিঠে চড়িয়ে প্রদর্শন করে অপমান করা হয়েছিল। পরবর্তীতে যে বিশাল জনতার দল তাঁর জানাযার সালাতে শরীক হয়েছিল, এ ঘটনা যখন ঘটে তারা তো তখন কিছুই করেনি। কিন্তু ব্যতিক্রম থাকলেও এর কারণ শুধুমাত্র এই যে, অন্যকে সাহায্য করার ব্যাপারে লোকের একটা সীমা আছে, তারা সে সীমা অতিক্রম করে অন্যকে সাহায্য করে না। (অতএব, অন্যের উপর নির্ভর করে লাভ নেই)।
“সুতরাং তুমি আল্লাহর সাথে অন্য কোন ইলাহকে ডেক না।” (২৬-সূরা আশ শোয়ারা: আয়াত-২১৩)
“এবং তারা তাদের নিজেদের কোন ক্ষতি বা উপকার করার ক্ষমতা রাখে না এবং তারা মৃত্যু, জীবন ও উত্থানের উপর কোন ক্ষমতা রাখে না।” (২৫-সূরা আল ফুরকান: আয়াত-৩)
“হে নবী (মুহাম্মাদ!), আপনার জন্য এবং যে সমস্ত ঈমানদারগণ আপনাকে অনুসরণ করে তাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট।” (৮-সূরা আনফাল: আয়াত-৬৪)
“এবং (হে মুহাম্মাদ!) সে চিরজীবীর উপর নির্ভর করুন যিনি কখনও মৃত্যুবরণ করবেন না।” (২৫-সূরা আল ফুরকান: আয়াত-৫৮)
“(আল্লাহ যদি তোমাকে শান্তি দিতে চান তবে) তারা আল্লাহর মোকাবিলায় তোমার কোনই উপকার করতে পারবে না।” (৪৮-সূরা আল জাছিয়া: আয়াত-১১)
“আর আল্লাহ যাকে অপমানিত করেন তাকে কেউ সম্মানিত করতে পারে না।” (২২-সুরা আল হাজ্জ: আয়াত-১৮)
মহৎ হৃদয়ের মানুষেরা জনসেবা করেন কিন্তু জনগণকে তাঁর সেবা করার সুযোগ দেন না। অতএব তিনি এমন প্রকল্প গ্রহণ করেন না যার জন্য তাঁকে অন্যের উপর নির্ভর করতে হয়। (অন্যের উপর নির্ভর করে লাভ নেই) কেননা অন্যকে সাহায্য করার ব্যাপারে মানুষের একটি সীমা আছে সেই সীমার ভিতরে থেকেই তারা অন্যের জন্য চেষ্টা ও উৎসর্গ করতে চায় এবং এ সীমার বাইরে তারা যায় না বললেই চলে। উদাহরণস্বরূপ নবী করীম (সা)-এর নাতি ও আলী (রা)-এর ছেলে হুসাইন (রা)-এর কথা বিবেচনা করে দেখুন। তিনি খুন হলেন অথচ জাতি তাঁর জন্য আন্দোলন করল না বরং তাঁর খুনিরা তাদের বিজয়ের জন্য আল্লাহর প্রশংসা ধ্বনি দিয়ে দিয়ে রাস্তায় রাস্তায় আমোদ উল্লাস করেছিল। একজন আরব কবি লিখেছেন—
“হে মুহাম্মদের নাতি! তারা তোমার রক্তাক্ত শির নিয়ে এসেছে, (এটা নিয়ে) তারা (রাস্তায় রাস্তায়) আমোদ-উল্লাস করছে, তুমি নিহত হয়েছ তাই তারা আল্লাহর প্রশংসা ধ্বনি দিচ্ছে, অথচ তারা তোমাকে হত্যা করে তারা তাদের আল্লাহর প্রশংসাকরণকে ও তাদের ধর্মকে হত্যা করেছে।”
ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (রহ)-কে ভীষণভাবে চাবুক মেরে অত্যাচার করা হয়েছিল। তিনি মৃত্যুমুখে পতিত হয়ে গিয়েছিলেন অথচ কেউ তাঁকে সাহায্য করার জন্য এক ইঞ্চিও এগিয়ে আসেনি। ইমাম ইবনে তাইমিয়াকে বন্দী করে গাধার পিঠে চড়িয়ে প্রদর্শন করে অপমান করা হয়েছিল। পরবর্তীতে যে বিশাল জনতার দল তাঁর জানাযার সালাতে শরীক হয়েছিল, এ ঘটনা যখন ঘটে তারা তো তখন কিছুই করেনি। কিন্তু ব্যতিক্রম থাকলেও এর কারণ শুধুমাত্র এই যে, অন্যকে সাহায্য করার ব্যাপারে লোকের একটা সীমা আছে, তারা সে সীমা অতিক্রম করে অন্যকে সাহায্য করে না। (অতএব, অন্যের উপর নির্ভর করে লাভ নেই)।
“সুতরাং তুমি আল্লাহর সাথে অন্য কোন ইলাহকে ডেক না।” (২৬-সূরা আশ শোয়ারা: আয়াত-২১৩)
“এবং তারা তাদের নিজেদের কোন ক্ষতি বা উপকার করার ক্ষমতা রাখে না এবং তারা মৃত্যু, জীবন ও উত্থানের উপর কোন ক্ষমতা রাখে না।” (২৫-সূরা আল ফুরকান: আয়াত-৩)
“হে নবী (মুহাম্মাদ!), আপনার জন্য এবং যে সমস্ত ঈমানদারগণ আপনাকে অনুসরণ করে তাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট।” (৮-সূরা আনফাল: আয়াত-৬৪)
“এবং (হে মুহাম্মাদ!) সে চিরজীবীর উপর নির্ভর করুন যিনি কখনও মৃত্যুবরণ করবেন না।” (২৫-সূরা আল ফুরকান: আয়াত-৫৮)
“(আল্লাহ যদি তোমাকে শান্তি দিতে চান তবে) তারা আল্লাহর মোকাবিলায় তোমার কোনই উপকার করতে পারবে না।” (৪৮-সূরা আল জাছিয়া: আয়াত-১১)
“আর আল্লাহ যাকে অপমানিত করেন তাকে কেউ সম্মানিত করতে পারে না।” (২২-সুরা আল হাজ্জ: আয়াত-১৮)