📄 আমি কি আপনার বক্ষকে প্রশস্ত করে দিই নি?
“(হে মুহাম্মাদ!) আমি কি আপনার বক্ষ প্রশস্ত করে দেইনি?” (৯৪-সূরা আল ইনশিরাহ : আয়াত-১)
নবী করীম ﷺ-এর উপর এমন কিছু বাণী নাযিল হয়েছে যা চরিত্রে প্রস্ফুটিত হয়েছিল। তাঁর মন শান্তিতে ছিল এবং তিনি ছিলেন সাহসী। রাসূল ﷺ ছিলেন আশাবাদী ও সহজভাবে তাঁর কাজকর্ম করে যেতেন। তিনি মানুষের মনের মানুষ ও শ্রদ্ধার পাত্র ছিলেন। যদিও তিনি জনগণের কাছের মানুষ ছিলেন, সদা হাসি মুখে থাকতেন তবুও সর্বদা তাঁর নিকট মর্যাদা ও সম্মানবোধ ছিল। তাঁর চরিত্র ছিল পূর্ণ ও অনুপম।
তিনি অনেক কোমলতা দেখিয়ে শিশুদের সাথে খেলা করতেন এবং মেহমানকে খোলামেলা অভ্যর্থনা করতেন। কেননা, তিনি আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়ায় সুখী ছিলেন। হতাশা ও ব্যর্থতা তাঁর নিকট সম্পূর্ণ অপরিচিত ছিল। বরং তিনি অনুকূল আশাবাদকে সমর্থন দিতেন। জাঁক, বড়াই, কৃত্রিমতা, মুনাফেকি, অপচয় ও অসংযম তাঁর নিকট খুবই ঘৃণার বস্তু ছিল। উপরোক্ত সকল চরিত্রের পরম পরাকাষ্ঠা তিনি ছিলেন—একথা সহজে বলা যায়। সত্যিকার অর্থেই রাসূল ﷺ মহান ছিলেন, কেননা তিনি ছিলেন সত্য বার্তাবাহক, সম্মানজনক মূলনীতির অধিকারী, একটা গোটা জাতির জন্য আদর্শ এবং শিক্ষক, পারিবারিক ও সামাজিক মানুষ এবং বহু গুণের অধিকারী। সংক্ষেপে, তিনি ছিলেন সকল কল্যাণের দিকে পরিচালিত ব্যক্তি।
“তাদের উপর যে বোঝা ও শৃঙ্খল ছিল তিনি তাদের থেকে তা সরিয়ে দিবেন।” (৭-সূরা আল আরাফ : আয়াত-১৫৭)
“সমগ্র বিশ্ব জগতের জন্য রহমতস্বরূপ।” (২১-সূরা আল আম্বিয়া : আয়াত-১০৭)
“সাক্ষী, সুসংবাদদাতা, সতর্ককারী, আল্লাহর হুকুমে তাঁর দিকে আহ্বানকারী এবং আলো বিকিরণকারী বাতিস্বরূপ।” (৩৩-সূরা আহযাব : আয়াত-৪৫-৪৬)
ইসলাম ও এর সহজ অনুসরণীয় বাণীর বিপরীত হলো বারীজীদের বাড়াবাড়ি, সুফীদের বোকামী ও বাড়াবাড়ি, কবিদের আবেগতাড়িত অদম্য ভালোবাসা এবং ইহুদীজন-পূজারীদের অসার দম্ভ। “অতপর, মুমিনরা যে বিষয়ে মতপার্থক্য করত আল্লাহ নিজ ইচ্ছায় তাদেরকে সে বিষয়ে সত্য পথ প্রদর্শন করলেন। আর যাকে ইচ্ছা আল্লাহ তাকে সরল পথ প্রদর্শন করেন।” (২-সূরা বাকারা : আয়াত-২১৩)
📄 তাহলে সুখ কী?
“এ দুনিয়াতে এমনভাবে থাক যেন তুমি একজন বিদেশী অথবা পথিক।” (অর্থাৎ বিদেশীর মতো বা পতিকের মতো হাল্কা বোঝা নিয়ে জীবনযাপন কর।)
আব্দুল মালেক ইবন মারওয়ান প্রসঙ্গে আছে, হারুনুর রশীদের সেনাবাহিনীতে, ইবনে জাসসাসের অট্টালিকায়, কারুনের ধনভাণ্ডারে অথবা গোলাপের বাগানে সুখ নেই। কল্যাণ ও সুখ নবী করীম ﷺ-এর সাহাবীদের (রা) ভাগ্যে ছিল, যদিও তারা গরীব ছিলেন এবং কঠিন জীবনযাপন করতেন। ইমাম বুখারী (র)-এর সুখ হলো হাদীস সংগ্রহের মাঝে, হাসান বসরীর সুখ ছিল তাঁর সত্যবাদিতার মাঝে, ইমাম শাফীঈ (র)-এর সুখ ছিল তাঁর অনুসিদ্ধান্তের মাঝে, ইমাম মালেক (র) এবং ইমাম আহমদের (র) সুখ ছিল তাঁদের আত্মসংযমের মাঝে এবং হাবিদ আল-বাল্লুয়ির সুখ ছিল তাঁর ইবাদতে।
“কেননা, আল্লাহর রাস্তায় তাদের যে পিপাসা, ক্লান্তি ও ক্ষুধা হয়, কাফেরদের ক্রোধ উদ্রেককারী যে পদক্ষেপ তারা নেয় এবং শত্রুদের পক্ষ থেকে তারা যে আঘাতপ্রাপ্ত হয় তা তাদের জন্য আমলে সালেহেই লিপিবদ্ধ করা হয়। নিশ্চয় আল্লাহ আমলে সালেহকারীদের প্রতিদান নষ্ট করেন না।” (৯-সূরা তাওবা : আয়াত-১২০)
সুখতো আর টাকার চেক, কেনা গাড়ি বা শাম্পু করে ওঠানো তেল নয়। সুখ হলো সত্যের উপর থাকার ফলে উৎপন্ন শান্তি, সুখ হলো সুপরিপূর্ণ বিচক্ষণ, নির্ভরযোগ্য ও উপকারী নিয়মনীতি অনুযায়ী জীবন-যাপন করার ফলে অর্জিত মনের শান্তি এবং সুখ হলো ভালো জীবনযাপন করার ফলে সৃষ্ট শান্তভাব। আমরা ভাবতাম যে, যদি আমরা আরো বড় একটি বাড়ি কিনতাম, আরো জিনিস-পত্র থাকত, যদি সর্বাধুনিক যন্ত্রপাতি এবং জীবনকে সহজতর করে এমনসব মেশিন-পত্র কিনতাম, তবে আমরা সুখী ও আনন্দিত হতাম। কিন্তু পরে যখন দেখলাম এ জিনিসগুলোই আমাদের জীবনের দুশ্চিন্তা, উদ্বিগ্নতা ও সমস্যার কারণ তখন আমরা এতে বিভ্রান্ত হয়ে গেলাম।
“দুনিয়ার জীবনের যে জাঁকজমক ও সৌন্দর্য তাদের কিছু দলকে পরীক্ষা করার জন্য আমি ভোগ করতে দিয়েছি, আপনি কিছুতেই সেদিকে আপনার চোখদ্বয়কে প্রসারিত করবেন না।” (২০-সূরা ত্বাহা : আয়াত-১৩১)
হেদায়েতের বার্তাবাহক মুহাম্মাদ ﷺ ছিলেন পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ সংস্কারক। আর্থিকভাবে তিনি ছিলেন দরিদ্র; মাঝে মাঝে ক্ষুধা মেটানোর জন্য একটি নিম্নমানের খেজুরও পেতেন না। এসব সমস্যা, জটিলতা ও কষ্ট সত্ত্বেও রাসূল ﷺ এমন এক অনুপম পর্যায়ে কল্যাণ ও শান্তির জীবনযাপন করতেন, যার প্রসারণ ও বিস্তার মহান আল্লাহ ছাড়া আর কেউ জানে না।
“আর আমি আপনার থেকে বোঝাকে (দুশ্চিন্তাকে) দূর করে দিয়েছি, যা আপনার পিঠ ভেঙে দিয়েছিল।”
“এবং আপনার উপর আল্লাহর অনুগ্রহ খুবই মহান।” (৪-সূরা আন নিসা : আয়াত-১১৩)
“আল্লাহ ভালোই জানেন কাকে তাঁর রিসালাত দিবেন।” (৬-সূরা আন’আম : আয়াত-১২৪)
একটি নির্ভরযোগ্য হাদীসে বর্ণিত আছে যে, নবী করীম ﷺ বলেছেন- “উত্তম চরিত্রই পুণ্য আর তোমার বিবেক যে কাজে বাধা দেয় এবং মানুষ তা জানুক তা তুমি পছন্দ কর না তাই পাপ।” পুণ্যকর্ম (আমলে সালেহ) বিবেক ও আত্মা উভয়কেই শান্ত করে বা শান্তি দেয়। নবী করীম ﷺ বলেছেন- “পূণ্যকর্ম হল মনের প্রশান্তি আর পাপ হলো মনের অনিশ্চয়তা (সন্দেহ)।”
পুণ্যকর্মকারী সর্বদা শান্তিতে থাকেন আর পাপী তাঁর চারিদিকে কি হচ্ছে তা নিয়ে সর্বদা সতর্ক ও সন্দেহ প্রবণ। “তারা মনে করে প্রতিটি চিৎকারই তাঁদের বিরুদ্ধে (উচ্চারিত হচ্ছে)।” (৬৩-সূরা মুনাফিকুন : আয়াত-৪)
“যারা ঈমান আনে এবং তাঁদের ঈমানকে জুলুমের সাথে মিশিয়ে ফেলে না তাঁদের জন্য রয়েছে নিরাপত্তা এবং তারাই হেদায়েতপ্রাপ্ত।” (৬-সূরা আন’আম : আয়াত-৮২)
আক্ষরিকভাবে সুস্থ মুসলিম হওয়া রোম ও পারস্য সাম্রাজ্যের মালিক হওয়ার চেয়েও ভালো। কেননা, পার্থিব বিশাল সম্পদের মালিক হওয়ার চেয়ে মুসলিমের নিকট আত্মিক শান্তি বেশি ভালো। কেননা, ধর্ম (দীন ইসলাম) আপনি বেহেশতের বাগানে বসতি গড়া পর্যন্ত আপনার সাথে থাকবে। ক্ষমতা ও পদমর্যাদা শুধুমাত্র ক্ষণস্থায়ী ও নশ্বর। “নিশ্চয় আমি পৃথিবী ও এর উপর যা কিছু আছে সব কিছুরই মালিক এবং আমার নিকটই সব কিছু ফিরিয়ে আনা হবে।” (১৯-সূরা মারইয়াম : আয়াত-৪০)
📄 সুখের চাবিকাঠি
যদি আপনি মহান আল্লাহকে চেনেন এবং তাঁর ইবাদত করেন তবে আপনি মাটির তৈরি কুঁড়েঘরে থাকলেও সুখ ও শান্তি পেয়ে থাকবেন। কিন্তু যদি আপনি সত্য পথ থেকে সরে পড়েন তবে আপনি বিশাল অট্টালিকা, বিলাসবহুল ও আরামের জীবন যাপন করলেও আপনার জীবন সত্যিই চরম দুর্দশাগ্রস্ত হবে। আপনি যদি সত্য পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে থাকেন তবে আপনার নিকট সুখের চাবিকাঠি নেই।
“এবং আমি তাঁকে এমন এক ধন ভাণ্ডার দান করেছিলাম যার চাবিসমূহ একদল শক্তিশালী লোকও (কষ্ট করে) বহন করত।” (২৮-সূরা আল কাহাফ : আয়াত-৭৬)
📄 প্রতিদিন ভোরে একবার হাসুন
সুন্দরভাবে বিছানা ছেড়ে উঠে বসুন ও সুন্দরভাবে দিনের শুরু করতে হলে স্বামীর তাঁর স্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎকালে মুচকি হাসা এবং স্ত্রীরও অনুরূপ করা উচিত। এ হাসি হল সন্তুষ্টি ও আপস-মীমাংসার প্রাথমিক ঘোষণা।
নবী করীম ﷺ বলেছেন- “আর তোমার ভাইয়ের মুখের সামনে তোমার মুচকি হাসি সদকা স্বরূপ।” আর আল্লাহ্র রাসূলের মুখে সদা হাসি ফুটে থাকত। “তোমরা একে অপরকে সালাম দাও, এটা আল্লাহ্র পক্ষ থেকে এমন এক অভিবাদন যা বরকতময় (মোবারক) ও পবিত্র।” (২৪-সূরা আন নূর : আয়াত-৬১) “যখন তোমাদেরকে অভিবাদন করা হয় তখন তোমরা এর চেয়ে উত্তম অভিবাদন কর অথবা এর অনুরূপ উত্তর দাও।” (৪-সূরা আন নিসা : আয়াত-৮৬)
আর ঘরে প্রবেশ করার সময় নিম্নোক্ত দু'আ পড়তে হয়- “হে আল্লাহ্! আমি আপনার নিকট উত্তম প্রবেশ ও উত্তম প্রস্থান কামনা করি, আল্লাহ্র নামে আমরা প্রবেশ করি এবং আল্লাহ্র নামেই আমরা বের হই এবং আমাদের প্রভু আল্লাহ্র উপরই আমরা ভরসা করি।”
বন্ধু সুলভ চেহারা ও হাসিমুখে বাড়িতে সমঝোতার সৃষ্টি হয়। “আমার বান্দাদেরকে যা সর্বোত্তম যা সবচেয়ে ভালো তা বলতে বল।” (১৭-সূরা বনী ইসরাঈল : আয়াত-৫৩)
এমন যদি হতো যে স্বামী-স্ত্রী উভয়েই উভয়ের দোষত্রুটি ভুলে গিয়ে একে অপরের গুণের কথাই মনে রাখত। স্বামী যদি স্ত্রীর দোষের কথা ভুলে গিয়ে (শুধুমাত্র) তার গুণের কথাই মনে রাখে তবে সে সুখ-শান্তি পাবে। একজন আরব কবি বলেছেন- “এমন কে আছে যে কখনও ভুল করেনি? আর এমন কে-ই বা আছে যে শুধুমাত্র কল্যাণের অধিকারী?”
“আর যদি তোমাদের উপর আল্লাহর অনুগ্রহ ও দয়া না থাকত তবে তোমাদের কেউ কখনও পবিত্র হতে পারত না। কিন্তু, আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাকে পবিত্র করেন। আর আল্লাহ তো সর্বশ্রোতা, মহাজ্ঞানী।” (২৪-সুরা আন নূর : আয়াত-২১)
ছোটখাটো ব্যাপারই অধিকাংশ পারিবারিক সমস্যার কারণ এবং আমি নিজেই এমন অনেক বিবাহ ভেঙে যেতে দেখেছি যেগুলোতে আপোষ-মীমাংসার অসাধ্য বিবাদের কারণে ভেঙে গেছে তা নয়, বরং ছোটখাটো তুচ্ছ কারণে তা ভেঙে গেছে। এ ধরনের একটি পারিবারিক বিবাদ দেখেছিলাম যার কারণ ছিল সময়মতো খাবার রান্না হয়নি বিধায়, অন্য আরো একটি ঝগড়ার কারণ ছিল স্বামীর সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য অত্যধিক সংখ্যায় মেহমান আসার কারণে স্ত্রীর আপত্তি। এসব ও অন্যান্য সমস্যার একটি তালিকা পারিবারিক সম্পর্কচ্ছেদ—যা সন্তান-সন্ততিদেরকে মাতা-পিতাহীন করে দেয়।
আমাদের জন্য বাধ্যতামূলক হলো বাস্তব জগতে বাস করা (বিশেষ করে দাম্পত্য ব্যাপারে) এবং কল্পরাজ্যের স্বপ্ন না দেখা। মানুষ হিসেবে আমরা রাগান্বিত, খিটমিটে, দুর্বল হতে পারি এবং ভুল করতে পারি। অতএব আমরা যখন পারিবারিক কল্যাণ সম্বন্ধে কথা বলি বা পারিবারিক কল্যাণ চাই তখন আপেক্ষিক বা তুলনামূলক সুখের কথা আমাদের মনে রাখা উচিত—পরিপূর্ণ সুখের কথা বা পরম সুখের কথা নয়।
ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বলের অমায়িক স্বভাব ও উত্তম সাহচর্যের কথা এখানে উল্লেখযোগ্য। তাঁর স্ত্রীর মৃত্যুর পর তিনি বলেছিলেন, “সে চল্লিশ বছর আমার সঙ্গিনী ছিল, কিন্তু এ দীর্ঘ সময়ে তার সাথে আমার কখনও মনোমালিন্য হয়নি।”
স্ত্রী যখন রাগান্বিত হয় স্বামীকে তখন অবশ্যই শান্ত থাকতে হবে এবং এর বিপরীতে (স্বামী রাগান্বিত হলে স্ত্রীকে অবশ্যই চুপ থাকতে হবে), কমপক্ষে যতক্ষণ পর্যন্ত রাগ না কমে ও ঝগড়া না থামে। ইবনুল জাওযী তাঁর রচিত ‘সায়দুল খাতির’ নামক কিতাবে বলেছেন। “আপনার সঙ্গী যখন আপনাকে অন্যায় কোন কিছু বলে তখন এটাকে খুব কঠিনভাবে আপনার গ্রহণ করা উচিত নয়। তাঁর অবস্থা মাতাল লোকের মতো যে—কী বলছে সে বেখবর। এর বদলে আপনি অল্প সময় ধৈর্য ধারণ করুন। আপনি যদি তাঁর সাথে কঠোর ভাষায় কথা-কাটাকাটি করেন তবে আপনি তো সেই সুস্থ ব্যক্তির মতো হলেন যে নাকি পাগলের উপর প্রতিশোধ নিতে চায় অথবা সেই সচেতন লোকের মতো হলেন যে নাকি অচেতন লোকের কাছ থেকে প্রতিশোধ গ্রহণ করতে চায়। তাঁর কাজের জন্য তাঁর দিকে দয়া-মায়া দৃষ্টিতে তাকান।”
জেনে রাখুন যখনই সে তাঁর অবজ্ঞা থেকে জেগে উঠবে তখনই সে যা ঘটেছে তার জন্য অনুতপ্ত হবে এবং আপনার ধৈর্যের জন্য আপনার মূল্য বুঝতে পারবে। আপনাকে বিশেষ করে তখন ধৈর্য ধরতে হবে যখন রুক্ষ ব্যক্তি দম্পতির একজন বা মাতা-পিতার কেউ হন। তারা যতক্ষণ শান্ত না হন ততক্ষণ তাদেরকে তাদের যা মনে চায় তা বলতে দিন এবং তাদেরকে তাঁদের কথার জন্য দায়ী মনে করবেন না। রুক্ষ ব্যক্তির সাথে রাগ করলে তার রাগ কমবে না।