📄 দুঃখের সাথেই রয়েছে সুখ
“অবশ্যই দুঃখের সাথে সুখ আছে।” (১৫-সূরা আল ইনশিরাহ : আয়াত-৫)
আহার করার পর পুনরায় ক্ষুধা লাগে, পান করার পর পুনরায় পিপাসা জাগে। অস্থিরতার পর ঘুম আসে। অসুস্থতার পর সুস্থতা আসে, পথ হারার পর পথ খুঁজে পাবে আর রাতের পর দিন আসবে এটাই নিয়ম।
“সত্ত্বর আল্লাহ বিজয় ঘটাবেন অথবা তাঁর ইচ্ছানুযায়ী কোন সিদ্ধান্ত নিবেন।” (সূরা-৫ মায়েদা : আয়াত-৫২)
অন্ধকার রাত্রিতে এক আলোকিত সুপ্রভাতের আগমনের সংবাদ জানাও, যে প্রভাতের আলো পাহাড় ও উপত্যকাসমূহে ছড়িয়ে পড়বে। দুঃখ-পীড়িতদেরকে এমন ত্বরিত প্রশান্তির শুভসংবাদ দাও যা নাকি তাদের কাছে আলোর গতিতে বা একপলকে পৌঁছে যাবে, যদিও বা আপনি মরুভূমিতে মাইলকে মাইল বিস্তৃত দেখছেন, তবুও জেনে রাখুন যে, এই দূরত্বের পরেও পর্যাপ্ত পরিমাণ ছায়াযুক্ত অনেক সবুজ আবাদিত মাঠ রয়েছে।
আপনি যদি দেখেন যে, রশি শুধু কষছে আর কষছেই তবে জেনে রাখুন যে, এটা অচিরেই পট করে ছিঁড়ে যাবে। কান্নার পর হাসি, ভয়ের পর সান্ত্বনা এবং উদ্বিগ্নতার পর প্রশান্তি আসে। যখন ইব্রাহীম (আ)-কে আগুনে ফেলা হয় তখন তাঁর প্রভুর সাহায্য পাওয়ার কারণে তিনি আগুনের তাপ অনুভব করেননি।
“আমি (আল্লাহ) বললাম: হে আগুন! তুমি ইব্রাহীমের জন্য শীতলতা প্রদানকারী ও নিরাপত্তা দানকারী হয়ে যাও।” (২১-সূরা আল আম্বিয়া : আয়াত-৬৮)
সাগরতো মূসা (আ)-কে ডুবাতে পারেনি; কেননা, তিনি অত্যন্ত আত্মপ্রত্যয়ী দৃঢ় ও সগৌরবে বলেছিলেন– “কখনও নয় : নিশ্চয় আমার সাথে আমার প্রভু আছেন, তিনি আমাকে পথ দেখাবেন।” (২৬-সূরা আশ শুআরা : আয়াত-৬২)
নবী করীম ﷺ আবু বকর (রা)-কে গুহাতে বলেছিলেন যে, আল্লাহ তাঁদের সাথে আছেন, তারপর তাদের উপর শান্তি ও প্রশান্তি অবতীর্ণ হয়েছিল। যারা দুর্দিনের শিকার তারা তো শুধু দুর্দশা ও দুর্ভাগ্যই দেখে। এর কারণ এই যে, তারা কেবল ঘরের দেয়াল ও দরজাই দেখতে পায়, যখন নাকি তাদের সামনে যে বাধার প্রাচীরসমূহ আছে সেগুলোর বাইরে তাদের তাকানো উচিত।
অতএব, হতাশ হবেন না; অবস্থা একই রকম থাকা অসম্ভব। দিনগুলো ও বছরগুলো পালা করে ঘুরে ঘুরে আসে, ভবিষ্যৎ অদৃশ্য আর প্রতিদিনই আল্লাহ তায়ালার কিছু কাজ করার থাকে। আপনি তো এটা জানেন না, তবে এমনটা হতে পারে যে, আল্লাহ তায়ালা পরবর্তীতে নতুন কিছু আনবেন। আর অবশ্যই, কষ্টের সাথে আরাম আছে।
📄 টক লেবুকে মিষ্টি শরবত বানান
একজন মেধাবী ও দক্ষ ব্যক্তি ক্ষতি (লোকসান)-কে লাভে রূপান্তরিত করে, যেখানে নাকি একজন অদক্ষ লোক প্রায়ই এক মুসিবত থেকে আরেক মুসিবত সৃষ্টি করে নিজের দুর্দশাই কেবল বৃদ্ধি করে। নবী করীম ﷺ মক্কা ছাড়তে বাধ্য হলেন, কিন্তু তিনি তাঁর দাওয়াতী কাজ বাদ না দিয়ে বরং মদীনাতে তিনি তা অনবরত চালিয়ে গেলেন। আর তাতে মদীনা বিদ্যুৎ গতিতে ইতিহাসে স্বীয় স্থান দখল করে নিল।
১. ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বল (র)-কে সাংঘাতিকভাবে অত্যাচার করা ও নিষ্পেষিত করা হয়েছে, তবুও তিনি সে অগ্নিপরীক্ষা থেকে বিজয়ী বেশে সুন্নাহের ইমাম হয়ে বেরিয়ে এলেন।
২. ইমাম ইবনে তাইমিয়াহকে জেলখানায় বন্দী করা হল, পরবর্তীতে তিনি এমনকি আগের চেয়েও আর বেশি সুদক্ষ পণ্ডিত (কামেল আলেম) হয়ে গেলেন।
৩. ইমাম সারাখসিকে বন্দী করে একটি পরিত্যক্ত কূপের নিচে রাখা হল, সেখানে তিনি বিশ শত ইসলামী আইনশাস্ত্র প্রণয়ন করলেন।
৪. ইবনুল আহীর পঙ্গু হয়ে যাওয়ার পর হাদীস শাস্ত্রের দুটি প্রসিদ্ধ কিতাব জামেউল উসুল ও নিহায়াহ লিখেছেন।
৫. ইমাম ইবনুল জাওযীকে বাগদাদ থেকে নির্বাসন করা হল। তারপর তার ভ্রমণকালে তিনি কুরআনের সাত ক্বিরাআতের প্রসিদ্ধ ইমাম হয়ে গেলেন।
৬. মালেক ইবনে রাইব মৃত্যুশয্যায় শায়িত অবস্থায় তাঁর প্রসিদ্ধতম ও সুন্দর সুন্দর কবিতাগুলো আবৃত্তি করেছিলেন যেগুলো আজও মূল্যবান।
৭. আবু জুয়াইব আল হাজ্জালির ছেলেরা তাঁর সামনেই মারা যাবার কালে তিনি তাদেরকে যে উচ্চ প্রশংসা সমৃদ্ধ কবিতা রচনা করে শোনান তা বিশ্বাসীরাও তাঁর যথাযথ মূল্যায়ন করেছে।
তাই যদি আপনি দুর্ভাগ্যগ্রস্ত হন তবে আলোর দিকে তাকান। কেউ যদি আপনাকে লেবু টিপে এক গ্লাস রস দেয় তাতে আপনি এক মুঠো চিনি মিশিয়ে দিন। আর যদি কেউ আপনাকে একটি সাপ উপহার হিসেবে দেয় তবে আপনি এর দামী চামড়াটাকে রেখে বাকি অংশটুকু ফেলে দিন।
“আর এটাও হতে পারে যে, যা তোমাদের জন্য কল্যাণকর তাই তোমরা অপছন্দ করছ।” (২-সূরা বাকারা : আয়াত-২১৬)
ফরাসি বিপ্লবের পূর্বে ফ্রান্স দু’জন মেধাবী কবিকে বন্দি করে : একজন আশাবাদী ও অন্যজন নিরাশাবাদী। তারা উভয়ই জেলখানার জানালার শিকের ফাঁক দিয়ে তাদের মাথা বের করেছিলেন। আশাবাদী কবি আকাশের তারার দিকে তাকিয়ে হেসেছিলেন, যখন কি-না নিরাশাবাদী কবি রাস্তার ময়লার দিকে তাকিয়ে কেঁদেছিলেন। বিষাদময় ঘটনার অপর দিকে তাকান– (তাকিয়ে দেখুন যে,) নির্ভেজাল মন্দ-পরিবেশ টিকে না এবং সব অবস্থাতেই একজন আল্লাহর পক্ষ থেকে কল্যাণ, লাভ ও পুরস্কার পেতে পারে।
📄 সুখের শিল্পকলা
একটি শান্ত, দৃঢ় ও সুখী মনই হলো সবচেয়ে বড় নেয়ামত। কেননা, সুখের মাঝে মন থাকে পরিচ্ছন্ন, সুখ মানুষকে উৎপাদনশীল ব্যক্তি হতে শক্তি যোগায়। বলা হয়েছে যে, সুখ এমন একটি কলা (শিল্প) যা শিক্ষা করা দরকার। যদি আপনি এটা শিখেন তবে আপনি ইহজীবনে ধন্য হবেন। কিন্তু কীভাবে এটা শেখা যায়? সুখ লাভের মূলনীতি হলো, পরিস্থিতিকে সহন করার ও তাকে সাফল্যের সাথে মোকাবেলা করার ক্ষমতা থাকা। সুতরাং জটিল পরিস্থিতিতে আপনাকে টলমলে হওয়া চলবে না, এর শিকার হওয়াও চলবে না আর তুচ্ছ বিষয়ে বিরক্ত হওয়াও চলবে না। আত্মার বিশুদ্ধতা ও একে মহৎ করার ক্ষমতার উপর নির্ভর করে মানুষ জীবনে প্রসিদ্ধি লাভ করে।
আপনি যখন নিজেকে ধৈর্যশীল ও সহনশীল হওয়ার শিক্ষা দিবেন, তখন দুঃখ-কষ্ট-অভাব-অনটন ও দুর্যোগ-দুর্বিপাক-দুর্ঘটনা সহ্য করা আপনার জন্য সহজ হবে। পরিতৃপ্ত হওয়ার বিপরীত হলো অদূরদর্শী হওয়া, স্বার্থপর হওয়া এবং পৃথিবীকে ও এর সবকিছুকে ভুলে থাকা। আল্লাহ তাঁর শত্রুদের বর্ণনা এভাবে দিয়েছেন–
“অন্যদেরকে ও নবীকে রক্ষা করার চিন্তা বাদ দিয়ে নিজেদেরকে কীভাবে রক্ষা করা যায় এ চিন্তায় তারা নিজেরাই নিজেদেরকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছিল।” (৩-সূরা আলে ইমরান : আয়াত-১৫৪)
বিষয়টি এমন যে, এ ধরনের লোকেরা যেন নিজেদেরকে গোটা বিশ্ব মনে করে বা কমপক্ষে এর কেন্দ্রবিন্দু মনে করে। তারা অন্যদের কথা চিন্তাও করে না, নিজেদের ছাড়া অন্যদের জন্য বেঁচে থাকে না। শুধুমাত্র আমাদের নিজেদের জন্য চিন্তা না করে বরং অন্যদেরকে নিয়ে চিন্তা করার জন্য সময় ব্যয় করা এবং আমাদের আঘাত ও ক্ষতির কথা ভুলে থাকার জন্য নিজেদের সমস্যাবলী থেকে আমাদেরকে মাঝে মাঝে দূরে রাখা আমার আপনার সবারই দায়িত্ব। এ কাজ করে আমরা দু'টি জিনিস অর্জন করতে পারি-
১. আমরা আমাদেরকে সুখী করতে পারি,
২. এবং আমরা অন্যদেরকে আনন্দ দিতে পারি।
📄 সুখ-শিল্পের মূলকথা
আমাদের চিন্তাসমূহকে যথেচ্ছ ঘুরে বেড়াতে, বিপথে যেতে, মুক্ত হতে ও বন্য-হন্যে হতে না দিয়ে ওগুলোকে লাগাম পড়ানো ও নিয়ন্ত্রণে রাখা। কারণ, যদি আপনি আপনার চিন্তালোকে যথেচ্ছ ঘুরে বেড়াতে ছেড়ে দেন তবে ওগুলো বন্য হয়ে গিয়ে আপনাকেই নিয়ন্ত্রণ করবে। ওগুলো আপনার অতীত দুঃখ-দুর্বিপাকের সুবিণ্যস্ত তালিকা খুলে বসবে। আপনার মা আপনাকে যেদিন জন্ম দিয়েছিলেন সেদিন থেকে শুরু করে আপনার দুঃখ দুর্দশার ইতিহাস এগুলো আপনাকে স্মরণ করিয়ে দিবে।
যদি আপনার চিন্তা-ভাবনাসমূহকে পায়চারী করার বা উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়ানোর জন্য ছেড়ে দেওয়া হয় তবে ওগুলো আপনার সামনে আপনার অতীত দুঃখ-কষ্টের চিত্র ও একটি ভয়ঙ্কর ভবিষ্যতের চিত্র তুলে ধরবে। এসব চিন্তা-ভাবনা স্বয়ং আপনাকেই বিচলিত-শিহরিত করে তুলবে। আপনার অনুভূতিকে দাউ দাউ করে জ্বলে উঠতে বাধ্য করবে। অতএব, যে ধরনের গুরুত্বপূর্ণ চিন্তায় ফলপ্রদ ও উপকারী কাজ হয়, সে ধরনের কেন্দ্রীভূত চিন্তা-চর্চার দিকে অভিমুখী করে ওগুলোকে (আপনার চিন্তাসমূহকে) লাগাম পড়ান ও নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
“এবং সেই চিরজীবীর উপর নির্ভর করুন, যিনি কখনো মৃত্যুবরণ করবেন না।” (২৫-সুরা আল ফুরকান : আয়াত-৫৮)
সুখ-শাস্ত্রের একটি মূলনীতি হলো পার্থিব জীবনকে এর সত্যিকার গুণ ও মূল্যানুযায়ী মূল্যায়ন করা। এ জীবন তুচ্ছ এবং এটা আপনার নিকট শুধু এতটুকু দাবি রাখে যে, আপনি এর থেকে পালিয়ে যান। এ জীবন দুর্ভোগ, দুর্দশা, দুর্ঘটনা, ব্যথা-বেদনা ও আঘাতে ভরা, এই যদি হয় এ জীবনের বিবরণ—তাহলে মানুষ কি করে তার নগণ্য দুর্ঘটনা-দুর্গতিতে অযৌক্তিকভাবে বিচলিত হতে পারে এবং কী করে তার ঘটে যাওয়া এমন সব পার্থিব বিষয়ের উপর দুঃখ করতে পারে? জীবনের সর্বোত্তম মুহূর্তগুলো কলঙ্কিত, এর ভবিষ্যৎ অঙ্গীকারসমূহ শুধু মরীচিকা, এর সফল ব্যক্তিদেরকে হিংসা করা হয়, ধন্যরা সদা হুমকিপাপ্ত, আর প্রেমিকরা কোনো অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনায় ধরাশায়ী হয়।
হাদীসে আছে “নিশ্চয়, জ্ঞান-চর্চার মাধ্যমেই কেবল জ্ঞান অর্জিত হয় এবং ধৈর্য-চর্চার মাধ্যমেই সহনশীলতা অর্জিত হয়।” আলোচ্য বিষয়ের এ হাদীসের অর্থের উপর কেউ যদি আমল করতে চায় বা এর অর্থকে বাস্তবায়িত করার উদ্যোগ নেয় তবে তিনি আরেকটু অগ্রসর হয়ে বলতে পারেন যে, অনুমানের মাধ্যমেই সুখ লাভ করা যায়। সদা হাসি-খুশি থেকে, যা আপনাকে সুখী করে তার সন্ধান করে এবং যতই অদ্ভুত মনে হোক না কেন, নিজের ভিতরে জোর করে সুখ-বোধ সঞ্চারিত করে সুখ অর্জন করা যায়। সুখ দ্বিতীয় প্রকৃতি বা স্বভাব না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে এ কাজগুলো করে যেতে হবে।
আসল ব্যাপার হলো দুঃখ-বেদনার সকল স্মৃতি আপনার থেকে আপনি দূর করে ফেলতে পারবেন না। এর কারণ হলো জীবনকে পরীক্ষার জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে। “অবশ্যই, আমি মানুষকে কষ্ট-ক্লেশের মধ্যে (জীবন-যাপনকারী হিসেবে) সৃষ্টি করেছি।” (৯০-সুরা আল বালাদ : আয়াত-৪) “যাতে তিনি পরীক্ষা করতে পারেন তোমাদের মধ্যে কে আমলে উত্তম।” (১১-সূরা হুদ: আয়াত-৭)
কিন্তু আমি আপনাদের নিকট যে সংবাদ পৌঁছে দিতে চাই, তা হলো আপনার দুঃখের পরিমাণ ও প্রাবল্য যথাসম্ভব কমিয়ে ফেলা। সম্পূর্ণরূপে দুঃখমুক্ত হওয়া তো পরকালে জান্নাতবাসীদের জন্য (নির্ধারিত)। এ কারণে জান্নাতবাসীরা বলবে- “সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য, যিনি আমাদের থেকে সকল দুশ্চিন্তা দূর করে দিয়েছেন।” (৩৫-সূরা ফাতির: আয়াত-৩৪)
সুতরাং, যখন কেউ এ দুনিয়ার প্রকৃতি ও গুণাগুণ জানতে পারে, তখন সে বুঝতে পারে, এ দুনিয়া নিরস, প্রবঞ্চনাময় ও মূল্যহীন এবং সে পুরোপুরি বুঝতে পারে, ওটাই হলো দুনিয়ার প্রকৃতি ও পরিচয়। আরবের একজন কবি বলেন- “তুমি তো আমাদের অঙ্গীকার পূর্ণ না করার শপথ করেছ।”
আমি যেমনটি বর্ণনা করেছি দুনিয়ার পরিচয় যদি তেমনই হয়, তবে বুদ্ধিমান লোকদের উচিত নয় এর আক্রমণে সাহায্য করা এবং হতাশা ও দুশ্চিন্তার কাছে আত্মসমর্পণ করা। আমাদের যা করা উচিত তা হলো, আমাদের জীবনকে ধ্বংস করে দিতে পারে এমন সব আবেগ থেকে আমাদেরকে রক্ষা করা। (এভাবে আত্মরক্ষা করে) আমাদের সর্বশক্তি দ্বারা অবশ্যই আমাদেরকে এ যুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে।
“এবং তোমরা তাদের বিরুদ্ধে যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ববাহিনী প্রস্তুত রাখ। এ দিয়ে তোমরা আল্লাহর শত্রুকে ও তোমাদের শত্রুকে ভীত করবে।” (৮-সূরা আনফাল : আয়াত-৬০) “আল্লাহর পথে তাদের যা ঘটেছিল, তাতে তারা নিরুৎসাহিত হয়নি, দুর্বল এবং নতও হয়নি।” (৩-সূরা আলে ইমরান : আয়াত-১৪৬)