📄 বিষাদগ্রস্ত হবেন না- কখনও আল্লাহ্র রহমত হতে নিরাশ হবেন না
“কাফির সম্প্রদায় ব্যতীত আল্লাহ রহমত হতে অন্য কেউ নিরাশ হয় না।” (১২-সূরা ইউসুফ : আয়াত-৮৭)
“অবশেষে রাসূলগণ যখন নিরাশ হয়ে গেল এবং ভাবল যে লোকেরা তাদেরকে মিথ্যুক ভাবছে বা লোকেরা ভাবল যে তাদেরকে মিথ্যা বলা হয়েছে তখন তাদের নিকট আমার সাহায্য আসল।” (১২-সূরা ইউসুফ : আয়াত-১১০)
“এবং আমি তাকে দুশ্চিন্তা হতে নাজাত বা মুক্তি দিলাম; এভাবেই আমি মুমিনদেরকে উদ্ধার করি।” (২১-সূরা আল আম্বিয়া : আয়াত-৮৮)
“এবং তোমরা আল্লাহর সম্বন্ধে মনে মনে অনেক সন্দেহ পোষণ করছিলে। সেখানে মুমিনদেরকে পরীক্ষা করা হয়েছিল এবং ভীষণ কম্পনে প্রকাশিত করা হয়েছিল।” (৩৩-সূরা আল আহযাব : আয়াত-১০-১১)
অন্যেরা আপনাকে যে (মানসিক) আঘাত দিয়েছে তা নিয়ে দুঃখ করবেন না বরং যারা আপনার সাথে দুর্ব্যবহার করেছে তাদেরকে ক্ষমা করে দিন। হিংসা-বিদ্বেষের মূল্য বিরাট, অন্যের প্রতি হিংসা-বিদ্বেষের বিনিময়ে প্রতিহিংসা পরায়ণ ব্যক্তিকে এ মূল্য পরিশোধ করতে হয়। সে তার মন ও রক্ত মাংসের বিনিময়ে এ মূল্য পরিশোধ করে। প্রতিশোধ গ্রহণের মজা পেতে চাওয়া এবং অন্যদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করার কারণে সে তার শান্তি, তার আরাম-আয়েশ ও তার সুখকে বিসর্জন দেয়। হিংসা-বিদ্বেষও এমন এক রোগ যার জন্য আল্লাহ তা'আলা চিকিৎসা ও ঔষধ দিয়েছেন-
“এবং (তাঁরাই মুত্তাকী) যারা ক্রোধ সংবরণকারী ও মানুষের প্রতি ক্ষমাশীল।” (৩-সূরা আলে ইমরান : আয়াত-১৩৪)
“ক্ষমা প্রদর্শন করুন, সৎকার্যের আদেশ দিন এবং মূর্খদেরকে এড়িয়ে চলুন।” (৭-সূরা আল আ'রাফ : আয়াত-১৯৯)
“(মন্দকে) ভালো দ্বারা দূর করুন। তাহলেই আপনার ও যার মাঝে শত্রুতা আছে (সে এমন হয়ে যাবে) যেন সে অন্তরঙ্গ বন্ধু।” (৪১-সূরা হা-মীম-আস-সাজদাহ : আয়াত-৩৪)
এ আয়াতের মাধ্যমে বুঝানো হচ্ছে যে, আল্লাহ্ মু'মিনদেরকে ক্রোধের সময় ধৈর্য ধারণ করতে এবং তাঁদের সাথে যারা দুর্ব্যবহার করেছে তাঁদেরকে ক্ষমা করে দিতে আদেশ করেছেন।
আপনার জীবনে যা অতীত হয়ে গেছে তা নিয়ে দুঃখ করবেন না; কেননা, প্রকৃতপক্ষে আপনি অনেক অনুগ্রহ-ধন্য। যে বহু অনুগ্রহ ও দানে আল্লাহ তা'আলা আপনাকে ভূষিত করেছেন সেগুলোর কথা গভীরভাবে ভেবে দেখুন এবং সেগুলোর জন্য মহান আল্লাহ্র প্রতি কৃতজ্ঞ থাকুন। মহান আল্লাহ্র অসংখ্য করুণার কথা স্মরণ করুন; কেননা, সর্বশক্তিমান আল্লাহ্ বলেন-
“এবং যদি তোমরা আল্লাহর নেয়ামতকে গণনা করতে চাও, তবে কখনও তোমরা তা গুণে শেষ করতে পারবে না। নিশ্চয়ই আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল ও দয়ালু।” (১৬-সুরা নাহল : আয়াত-১৮)
“আর তিনি তোমাদের প্রতি তাঁর প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য নেয়ামত পূর্ণ করে দিয়েছেন।” (৩১-সুরা লোকমান : আয়াত-২০)
প্রকাশ্য নেয়ামত বলতে বুঝায় ইসলামী একত্ববাদ বা তাওহীদ এবং বৈধ আনন্দ যেমন ভালো স্বাস্থ্য, ভালো বাই এবং বৈধ যৌন জীবন পরিচালনা ইত্যাদি, আর অপ্রকাশ্য নেয়ামত বলতে বুঝায় আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস বা তাওহীদের প্রতি ঈমান, ইলম বা জ্ঞান, প্রজ্ঞা বা হিকমত, নেক আমল করার জন্য হেদায়াত এবং আখেরাতে বেহেশতের আনন্দ ও পরম উল্লাস ইত্যাদি।
“এবং তোমাদের নিকট যে নেয়ামত আছে তা (সবই) আল্লাহর পক্ষ থেকে এসেছে। অন্তঃপর তোমাদের যখন কোন ক্ষতি হয় তখন তোমরা তাঁর নিকট সাহায্যের জন্য চিৎকার করতে থাক!” (১৬-সূরা আন নাহল : আয়াত-৫৩)
আল্লাহ তাঁর বান্দার প্রতি তাঁর নেয়ামত প্রতিষ্ঠিত করার পর বলেছেন- “আমি কি তার জন্য দু’খানি আঁখি, একটি জিহ্বা এবং দু’খানি ঠোঁট বানিয়ে দেইনি? আর আমি কি তাকে (ভালো ও মন্দ এ) দু’টি পথ দেখাইনি?” (৯০-সুরা আল বালাদ : আয়াত-৮-১০)
জীবন, স্বাস্থ্য, শ্রবণ ও দর্শন শক্তি, দু’হাত, দু’পা, পানি, বায়ু, খাদ্য- এগুলো হলো এ পৃথিবীর দর্শনসাধ্য ও দৃশ্যমান নেয়ামত। কিন্তু, সর্বোত্তম নেয়ামত হল ইসলাম ও হেদায়াত। যে ব্যক্তি আপনার আঁখিদ্বয়, কর্ণদ্বয়, পদদ্বয়, হস্তদ্বয় ও আপনার হৃদয়ের বদলে আপনাকে প্রচুর টাকা দিতে চায় তাকে আপনি কি বলবেন? বাস্তবে আপনার সম্পদের কতটা মাহাত্ম্য আছে? কৃতজ্ঞ না হয়ে আপনি আল্লাহর অসংখ্য অনুগ্রহ, দান, করুণা ও নেয়ামতের প্রতি ন্যায়বিচার প্রদর্শন করছেন না।
📄 তুচ্ছ জিনিস নিয়ে দুঃখ করবেন না
তুচ্ছ বিষয়ে নিরুদ্বিগ্ন থেকে আপনি এমন এক গুণ প্রদর্শন করবেন যা আপনাকে সুখ বয়ে এনে দিবে; কেননা, যার উদ্দেশ্য মহৎ তিনি শুধু পরকাল নিয়েই বিভোর হয়ে থাকেন।
আমাদের একজন ধার্মিক পূর্বসূরী তাঁর এক ভাইকে নিচের কথাগুলো দ্বারা উপদেশ দিয়েছিলেন-
“শুধুমাত্র একটি বিষয়ে উদ্বিগ্ন হও- (আর তা হলো) আল্লাহর সাথে সাক্ষাতের বিষয়ে। তাঁর সম্মুখে দণ্ডায়মান হওয়ার বিষয়ে এবং পরকালের বিষয়ে।”
“সেদিন তোমাদেরকে বিচারের কাঠগড়ায় হাজির করা হবে এবং সেদিন তোমাদের কোন গোপন বিষয় গোপন থাকবে না।” (৬৯-সূরা আল হাক্কাহ : আয়াত-১৮)
পরকালের উজ্জ্বলতার সাথে তুলনা করলে সব উজ্জ্বলতাই দূর হয়ে যায়। এ জীবনের দুশ্চিন্তা, দুর্ভাগ্য ও উদ্বিগ্নতাসমূহ কী? সেগুলো হলো মান-মর্যাদা, নাম-ডাক-যশ-খ্যাতি, আয়-রোজগার, ধন-সম্পদ, দালান-কোঠা ও সন্তান-সন্তুতি। আল্লাহ তা‘আলার সামনে জবাবদিহিতার সাথে তুলনা করা হলে এগুলো কিছুই না।
মহান আল্লাহ তাঁর শত্রু মুনাফিক্বদের বিবরণ এভাবে দিয়েছেন-
“আরেক দল (অন্যদেরকে ও নবী ﷺ-কে বাঁচানোর চিন্তা না করে নিজেদের কিভাবে বাঁচানো যায় সে বিষয়ে) নিজেদের চিন্তায় মগ্ন ছিল এবং আল্লাহর ব্যাপারে ভুল ধারণা করেছিল এবং আল্লাহ সম্বন্ধে মিথ্যা ধারণা পোষণ করে নিজেরাই নিজেদেরকে উদ্বিগ্ন করেছিল।” (৩-সূরা আলে ইমরান : ১৫৪)
তাদের চিন্তা শুধু নিজেদের জন্যই- তাদের পেটপূজা নিয়ে এবং তাদের কাম চরিতার্থ নিয়ে; তারা উচ্চতর কোন অভিপ্রায়ের কথা জানে না।
সাহাবীগণ যখন রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর নিকট গাছের নিচে আনুগত্যের প্রতিশ্রুতি দিল তখন একজন মুনাফিক তার লাল উটের জন্য তাড়াতাড়ি ছুটে গেল যেটা হারিয়ে গিয়েছিল। সে বলেছিল : “তোমাদের বাইয়াত এর অনুষ্ঠানের চেয়ে আমার উট খুঁজে বের করা আমার কাছে বেশি প্রিয়।”
একজন মুনাফিক যে নিজেকে নিয়েই উদ্বিগ্ন সে সঙ্গীদেরকে তাবুক অভিযান সম্পর্কে বলেছিল। “গরমে অভিযানে বের হয়ো না।”
মহান আল্লাহ বলেন- “বলুন! (এই তাপের চেয়ে) জাহান্নামের আগুনের তাপে অধিকতর প্রচণ্ড।” (৯-সুরা তাওবা : আয়াত-৮১)
আরেকজন মুনাফিক বলেছিল- এবং তাদের মধ্যে এমন লোক আছে যে বলে, “আমাকে (যুদ্ধ করা থেকে) অব্যাহতি দিন এবং আমাকে কঠিন পরীক্ষায় ফেলবেন না। সাবধান! তারাই ফিতনাতে পড়ে আছে। জাহান্নাম তো কাফিরদেরকে বেষ্টন করেই আছে।” (৯-সুরা তাওবা : আয়াত-৪৯)
এবং আল্লাহ তা’আলা বলেন- “নিশ্চয়ই তারা অগ্নি পরীক্ষায় পড়েছে।” (৯-সুরা তাওবা : আয়াত-৪৯)
যখন অন্যান্যরাও সমস্যায় পড়েছিল এবং শুধু নিজেদের ধন-সম্পদ ও পরিবার নিয়েই উদ্বিগ্ন ছিল (তখন আল্লাহ তাদের কথা এভাবে বলেন)- “আমাদের ধন-সম্পদ এবং আমাদের পরিবার-পরিজন আমাদেরকে ব্যস্ত করে রেখেছে সুতরাং আমাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করুন।”
যারা নিজেরাই তুচ্ছ ও নগণ্য তারা ছাড়া অন্য কারোই এসব তুচ্ছ ও নগণ্য বিষয় নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত নয়। কেননা মহান সাহাবীগণ আল্লাহর রহমত কামনা করতেন এবং তাঁর সন্তুষ্টির আকাঙ্ক্ষা করতেন।
📄 বিষণ্ণ হবেন না- দুশ্চিন্তা দূর করুন
আলস্যতা ধ্বংসাত্মক এবং যারা উদ্বিগ্নতা ও দুশ্চিন্তায় ভোগে তাদের অধিকাংশই অলস এবং অকর্মা। যারা অর্থবহ ও সফল কাজ হতে রিক্তহস্ত ওজর আর গল্পই তাদের একমাত্র পুঁজি।
নিজেকে কোন কাজে নিয়োজিত করুন এবং সে কাজে কঠোর প্রচেষ্টা চালান। পড়ুন, আবৃত্তি (তেলাওয়াত) করুন এবং আপনার প্রতিপালকের (সপ্রশংস মহিমা কীর্তন) করুন। লিখুন, বন্ধুদের দেখতে যান এবং নিজের সময়কে কাজে লাগান। সংক্ষেপে, এক মিনিট সময়ও অলসতায় নষ্ট করবেন না। আপনার জীবনের প্রতিটি দিনেই (যে দিনটি আপনি কাটাচ্ছেন তাতেই) দুশ্চিন্তা ও উদ্বিগ্নতা দেখা দিবে। কুসংস্কার ও কুমন্ত্রণা আপনার অন্তরে ঢুকে আপনাকে শয়তানের খেলার মাঠ হতে দিবে।
যে লোককে আপনি একদা কোন উপকার করেছেন কিন্তু সে উপকারের কথা বেমালুম ভুলে যায় বা অস্বীকার করে এমন লোকের ব্যাপারে দুঃখ করবেন না; কেননা, একমাত্র আল্লাহর পুরস্কারের জন্যই আপনার আকাঙ্ক্ষা হওয়া উচিত।
আমলে সালেহ বিনম্রভাবে ও একনিষ্ঠ হয়ে শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই করুন এবং কারো অভিবাদন বা ধন্যবাদ পাবার আশায় করবেন না। আপনি যদি কারো কোন উপকার করে থাকেন আর সে যদি এর মূল্যায়ন না করে অকৃতজ্ঞ হয় তবে মনে ব্যথা পাবেন না। আল্লাহ তা'আলার নিকট আপনার পুরস্কার চান। মহান আল্লাহ তাঁর নেক বান্দাদের সম্বন্ধে বলেন- “তাঁরা আল্লাহর দান ও সন্তুষ্টি কামনা করে।” (৫৯-সূরা আল হাশর : আয়াত-৮) বলুন, "এজন্য আমি তোমাদের নিকট কোন পারিতোষিক বা বকশিশ চাই না।” (২৫-সূরা আল ফুরকান : আয়াত-৫৭; ৩৪ : ৪৭; ৩৮ : ৮৬)
“আমরাতো তোমাদেরকে শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যই খাওয়াই; তোমাদের কাছ থেকে আমরা কোন প্রতিদান বা ধন্যবাদ আশা করি না।” (৭৬-সূরা আদ দাহর বা ইনসান : আয়াত-৯)
অতএব, আপনার লেনদেন শুধুমাত্র আল্লাহর সাথেই করুন। যেহেতু, তিনিই পূর্বকর্মের বা আমলে সালেহের প্রতিদান দেন, যারা সৎকাজ বা নেক আমল করে তাদের প্রতি তিনি সন্তুষ্ট হয়ে তাদেরকে পুরুস্কৃত করেন এবং যারা পাপ কাজ বা মন্দ আমল করে তাদের প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে তিনি তাদেরকে শাস্তি প্রদান করেন।
শহীদদেরকে যখন কান্নাহারে হত্যা করা হয় তখন উমর (রা) তাঁর সঙ্গীদেরকে জিজ্ঞাসা করলেন, “কে নিহত হলো?” তাঁরা তাঁর কাছে কতিপয় নাম বললেন এবং তারপর বললেন : “এবং এমন কিছু লোক যাদেরকে আপনি চিনেন না।” ওমরের আখিদ্বয় অশ্রুতে টলটলে হয়ে গেল এবং তিনি বললেন, “কিন্তু আল্লাহ তো তাদেরকে চিনেন।” (অর্থাৎ যাদেরকে আল্লাহ প্রতিদান দিবেন, তাদেরকে আমরা না চিনলেও আল্লাহ তা’আলা তাদেরকে ভালোভাবেই চিনেন।)
একজন ধার্মিক ব্যক্তি এক অন্ধ ব্যক্তিকে সর্বোত্তম ও সবচেয়ে সুন্দর খাবার খাওয়াল। তাঁর স্ত্রী বলল, “এ অন্ধ লোকটিততো জানে না যে সে কী খাচ্ছে (সুতরাং তাঁকে নিম্নমানের কিছু খেতে দিন)” তিনি উত্তর দিলেন। “কিন্তু আল্লাহ তো জানেন।”
যেহেতু আল্লাহ তা’আলা আপনার কাজ (অর্থাৎ আপনি যা করেন তা) জানেন, আপনি যে ভালো কাজ করেন এবং অন্যদেরকে যে সাহায্য করেন তা তিনি জানেন, সেহেতু মানুষ কী ভাবছে সে বিষয়ে নিরুদ্বিগ্ন, দুশ্চিন্তাহীন ও প্রশান্ত থাকুন।
📄 কী ঘটবে সে ভয়ে বিষণ্ণ হবেন না
তাওরাত শরীফে নিচের কথাখানি বর্ণিত আছে— “যা ঘটবে বলে ভয় করা হয় তার অধিকাংশই কখনো ঘটে না।” এর অর্থ হলো যে, অধিকাংশ আসন্ন সমস্যার আশঙ্কা ও ভয় বাস্তব রূপ নিতে ব্যর্থ হয়। জীবনে বাস্তবিক পক্ষে যা ঘটে তার চেয়ে মনের অনুমান বা ধারণা সংখ্যায় ও আকারে অনেক বেশি।
একজন আরবী কবি বলেন-
“আমার মন যখন দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়েছিল তখন আমি তাকে বলেছিলাম- “সুখে থাক, কারণ অধিকাংশ ভয়ই অমূলক।”
এতে বুঝা যায় যে, যদি আপনি কোন আসন্ন দুর্বিপাক ও দুর্দশার কথা শুনেন তবে অতিরিক্ত ভীত হবেন না, বিশেষ করে, অধিকাংশ আসন্ন বিপদের ভবিষ্যদ্বাণীই মিথ্যা হয়ে থাকে।
“এবং আমি আমার বিষয় আল্লাহর নিকট সোপর্দ করছি। নিশ্চয় আল্লাহ তাঁর বান্দাদের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি রাখেন। অতএব, আল্লাহ তাঁকে তাদের ষড়যন্ত্র হতে রক্ষা করলেন।” (৪০-সূরা আল মু'মিন : আয়াত-৪৪-৪৫)