📄 বিশ্বাসীদের আল্লাহ রক্ষা করেন
প্রতিটি মানুষেরই একজন প্রভু প্রয়োজন: সে এটা স্বীকার করুক বা না-ই করুক। আর প্রভুর অবশ্যই সর্বশক্তিমত্তা, ক্ষমতা, ধনাঢ্যতা ও চিরজীবাত্মা এ ধরনের কিছু গুণ থাকা উচিত। যার এসব গুণ ও অন্যান্য পরম ও নিখুঁত গুণ আছে তিনি হলেন সমগ্র বিশ্ব জগতের প্রতিপালক আল্লাহ্। অতএব, একনিষ্ঠ সত্যান্বেষী ব্যক্তি আল্লাহ্র অস্তিত্বই খোঁজে এবং তারপর আল্লাহ্র প্রতি বিশ্বাসে শান্তি খুঁজে পায়। তিনি (আল্লাহ্) দুর্বল ও আশ্রয়প্রার্থীদের আশ্রয়। “তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের নিকট সাহায্য চাইলে, তাই তিনি তোমাদেরকে সাহায্য দিয়েছিলেন সে কথা স্মরণ কর।” (৮-সূরা আনফাল: আয়াত-৯) “তিনি সকলকেই রক্ষা করেন, পক্ষান্তরে তাকে রক্ষা করতে হয় না। (আল্লাহ্ যদি কাউকে রক্ষা করেন তবে কেউ তাকে শাস্তি দিতে পারে না বা কেউ তার ক্ষতি করতে পারে না)। আর আল্লাহ্ যদি কাউকে শায়েস্তা করেন বা কারো ক্ষতি করেন তবে কেউ তাকে রক্ষা করতে করতে পারে না।” (২৩-সূরা মু’মিনুন: আয়াত-৮৮) “যখন তাদের জন্য তিনি (আল্লাহ্) ছাড়া অন্য কোন অভিভাবক এবং সুপারিশকারী থাকবে না।” (৬-সূরা আল আনআম: আয়াত-৫১) যে ব্যক্তি আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কারো ইবাদত করে, যদিও সে তাকে (আল্লাহকে) কিছু পরিমাণে ভালোবাসে তবুও সে ব্যক্তি এ ব্যক্তির চেয়েও অনেক বেশি খারাপ যে নাকি বিশ্বাস ঘাতক হতেও মজা পায়। “যদি এতদুভয়ে (আসমান ও জমিনে) আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কোন ইলাহ্ থাকত তবে অবশ্যই এতদুভয় (আসমান ও জমিন) ধ্বংস হয়ে যেত অতএব তারা তার সম্বন্ধে যে মিথ্যা বর্ণনা দেয়, আরশের অধিপতি আল্লাহ্ তা থেকে পবিত্র।” (২১-সূরা আল আম্বিয়া: আয়াত-২২) আমরা ক্ষণস্থায়ী, তিনি চিরস্থায়ী। আমরা দুর্বল তিনি সর্বশক্তিমান। আমরা গরীব, তিনি সর্বাপেক্ষা ধনী। এই কাজগুলো সম্পর্কে দ্বারাই দেখা যায় যে, আমাদের আল্লাহ্ র প্রয়োজন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহকে তাঁর প্রতিপালক ও প্রভু হিসেবে গ্রহণ করে না, সে খুব সম্ভব আল্লাহ্ ছাড়া অন্য কাউকে দেবতা হিসেবে গ্রহণ করবে। উদাহরণস্বরূপ সে নানান বস্তুকে, প্রেমের বস্তুসমূহকে বা নিজের আকাঙ্ক্ষাসমূহকে নিজের দেব-দেবী হিসেবে গ্রহণ করবে এবং তখন সে মিথ্যা দেব-দেবীর গোলাম ও চাকর হয়ে যাবে। “তুমি কি তাকে দেখেছ যে নিজের কামনা-বাসনাকে নিজের ইলাহ্ হিসেবে গ্রহণ করেছে?” (২৫-সূরা আল ফুরকান: আয়াত-৪৩) “অথচ তারা তাকে (আল্লাহকে) ছাড়া অন্যান্য দেব-দেবী গ্রহণ করেছে।” (২৫-সূরা আল ফুরকান: আয়াত-৩) নবী করীম ﷺ একজন ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করলেন, “তুমি ক'জনের ইবাদত কর?” লোকটি উত্তর দিল, “আমি সাতজনের ইবাদত করি। ছয়জন জমিনে, একজন আসমানে।” নবী করীম ﷺ জিজ্ঞাসা করলেন, তাদের মধ্য থেকে কার কাছ থেকে তুমি কোন কিছু পাও এবং কাকে তুমি ভয় কর?” সে উত্তর দিল, “আকাশে যিনি আছেন।” নবী করীম ﷺ বলেন, “তাহলে জমিনেরগুলোকে ত্যাগ করে আসমানে যিনি আছেন, তাঁর ইবাদত কর।”
📄 মনে রাখুন যে আপনি পরম করুণাময়ের সাথে লেনদেন করছেন
নিম্নোক্ত হাদীসটি আমি যখন পড়েছি তখন আমাকে এটা গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে এবং এটা যদি আপনার ওপরেও একই প্রভাব ফেলে তবে আমি এতে বিস্মিত হব না। ইমাম আহমদ (র), ইমাম আবু ইয়ালা (র), ইমাম বাজ্জার (র), এবং ইমাম তাবারানী (র) সকলেই নিম্নোক্ত হাদীসটি বর্ণনা করেছেন: “এক বৃদ্ধ লোক লাঠিতে ভর করে নবী করীম ﷺ-এর নিকট এসে বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল! আমি অনেক বিশ্বাসঘাতকতা ও পাপ করেছি। আমাকে কি মাফ করা হবে?” রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, “আপনি কি সাক্ষ্য দেন যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন ইলাহ (উপাস্য) নেই এবং মুহাম্মদ ﷺ আল্লাহর রাসূল?” লোকটি বলল, “হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল!” নবী করীম ﷺ বললেন, “নিশ্চয় আল্লাহ আপনার বিশ্বাসঘাতকতা ও পাপ ক্ষমা করে দিয়েছেন।” “আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার” বলতে বলতে লোকটি চলে গেল।”
এ হাদীস থেকে কিছু বিষয় বুঝা যায়। তার একটি হলো- আল্লাহর করুণার বিশালতা। আরেকটি হলো- ইসলাম গ্রহণ বা তওবা অতীতের পাপ মাফ করে দেয়। (অর্থাৎ ইসলাম গ্রহণ করলে বা তওবা করলে আল্লাহ অতীত পাপকে ক্ষমা করে দেন।) আরো একটি বিষয় হলো যে, যিনি সবকিছু জানেন তাঁর ক্ষমার তুলনার পাহাড় পরিমাণ গুনাহ কিছুই নয়। অবশেষে আল্লাহর ব্যাপক উদারতার প্রতি এবং তাঁর সুদূর প্রসারী করুণার প্রতি আস্থাবান হওয়ার পাশাপাশি আপনার প্রতিপালকের সম্বন্ধে আপনার সুধারণা পোষণ করা আপনার জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়।
📄 আল্লাহর পক্ষ থেকে সাহায্যের জন্য অপেক্ষা করা
সাবিত ইবনে কায়স (রা) একজন বাগ্মী ছিলেন। তিনি আল্লাহর রাসূল (সা) এবং ইসলামের পক্ষে কথা বলতেন। যাহোক, তিনি (রা) ভাষণদানে প্রায়ই তার স্বর উচ্চ করে ফেলতেন এবং এর মাঝে মাঝে আল্লাহর রাসূল (সা) এর উপস্থিতিতেও এ ঘটনা ঘটত। “হে ঈমানদারগণ! তোমরা নবীর আওয়াজের চেয়ে তোমাদের আওয়াজ উচ্চ করিও না এবং তোমরা পরস্পর যেভাবে কথাবার্তা বল সেভাবে তাঁর সাথে কথাবার্তা বলো না, (এ কাজ করে) আবার তোমাদের আমল এমনভাবে বাতিল হয়ে যেতে পারে যে তোমরা তা টেরও পাবে না (এ বিষয়ে লক্ষ্য রেখো)।” (৪৯-সুরা আল হুজুরাত : আয়াত-২) এ আয়াত যখন নাযিল হয় সাবিত (রা) ভাবলেন যে, (এ আয়াতে) তার কথা বলা হচ্ছে, তাই তিনি তাঁর ঘরে একাকী থেকে সর্বদা কান্নাকাটি করতেন। একটি মজলিসে আল্লাহ্র রাসূল ﷺ সাবিত (রা)-এর অনুপস্থিতি লক্ষ্য করলেন এবং তার সম্বন্ধে বিস্তারিত জানতে চাইলেন। সাহাবীরা নবী করীম ﷺ কে যা ঘটেছে তা জানালেন এবং নবী করীম ﷺ উত্তর দিলেন “কখনো না বরং সে জান্নাতী (হবে)।” এভাবে সাবিত (রা)-এর ব্যাপারে কঠিন সতর্কতার ভয় শুভ সংবাদে রূপান্তরিত হয়ে গেল।
আয়েশা (রা) অনেক দিনরাত কেঁদেছিলেন। কেননা, তাকে কষ্টদায়ক অপরাধের অপবাদ (তোহমত) দেওয়া হয়েছিল। তিনি পরিস্থিতির কারণে জীর্ণ-শীর্ণ ও বিবর্ণ হয়ে গিয়েছিলেন। তখন হঠাৎ করে আল্লাহ্র পক্ষ থেকে সাহায্য আসল এবং কুরআন তাঁকে নিরাপরাধ ও পুত-পবিত্র বলে ঘোষণা করল। “সতী-সাধ্বী সরলমতি যারা তাদের সতীত্বে কোনরূপ কলঙ্ক স্পর্শের কল্পনাও করেনি এমন ঈমানদার নারীদের প্রতি যারা অপবাদ দেয় তারা দুনিয়া ও আখেরাতে অভিশপ্ত।” (২৪-সূরা আন নূর: আয়াত-২৩) তাঁর মর্যাদা বাড়ানো হয়েছিল তাই তিনি আল্লাহ্র প্রশংসা করলেন আর ঈমানদারগণও তাঁর সাথে আনন্দ বোধ করেছিল।
যখন তাবুকের যুদ্ধের ডাক পড়েছিল তখন তিনজন মুমিন লোক (যুদ্ধে না গিয়ে) পিছনে রয়ে গিয়েছিল। যারা পিছনে রয়ে গিয়েছিল তাদেরকে নিয়ে ফয়সালাকারী সর্বশক্তিমান আল্লাহ্ কুরআনের আয়াত নাযিল করলেন। এতে উপরোক্ত তিনজন ঈমানদার ব্যক্তি যারপরনাই দুঃখী হলেন এবং অনুতপ্ত হলেন। তারা বিশ্বাস করতেন যে আল্লাহ্ ছাড়া কোন আশ্রয়স্থল নেই এবং অল্পকাল পরেই (কিন্তু অল্প সময় তাদের সীমাহীন মনে হয়েছিল) তাদের ক্ষমার সুসংবাদ নিয়ে আয়াত নাযিল হলো।
📄 আল্লাহ্ তাঁর বান্দাদের প্রতি সর্বাপেক্ষা দয়ালু
রিয়াদ পৌরসভার একজন উচ্চ পর্যায়ের সদস্য আমার নিকট বর্ণনা করেন যে, ১৭১৬ হিজরীতে জুবাইল শহরের একদল জেলে সাগরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে এবং তিনদিন তিন রাত্রি অতিবাহিত করার পরও তারা একটি মাছও ধরার ব্যবস্থা করতে পারেনি। ইতোমধ্যেই নিকটবর্তী অন্য জেলেরা অনেক মাছ ধরে ফেলল। তাদের ব্যর্থতা ও অন্যদের সফলতার মাঝে শুধুমাত্র প্রচেষ্টার কারণেই তারা বিস্মিত হলো না, অধিকন্তু, তারা বিস্মিত হয়েছিল এ কারণেও যে, তারা দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা সত্ত্বেও ব্যর্থ হয়েছিল, পক্ষান্তরে, অন্যদল সালাত না পড়া সত্ত্বেও সফল হয়েছিল।
সালাত আদায়কারী দলের একজন বলল, “সুবহানাল্লাহ! আমরা প্রতি ওয়াক্তের সালাত পড়েছি অথচ আমরা কিছুই পাইনি, আর অন্য দলটি গত কয়েকদিনে একটি সিজদাও করেনি অথচ দেখ যে তাদের কত কত মাছ।” তখন শয়তান তাদেরকে সালাত না পড়ার কুমন্ত্রণা দিল। পরের দিন তারা ফজরের সালাত পড়তে ঘুম থেকে উঠল না। তারা যোহরের ও আসরের সালাতও পড়ল না।
আসরের ওয়াক্ত হওয়ার পর তারা মাছ ধরতে সাগরে চলে গেল। এবার তারা একটি মাছ ধরল। মাছটিকে কাটার পর তারা এর পেটে একটি মুক্তা পেল—একটি বহুমূল্যবান মুক্তা। তারা মুক্তাটি হাতে নিয়ে এর দিকে তাকিয়ে কিছুক্ষণ ভেবে বলল, “সুবহানাল্লাহ! আমরা যখন তাঁর আনুগত্য করেছি তখন আমরা কিছুই পাইনি, আর যখন আমরা তাঁকে অমান্য করলাম তখন আমরা এ জিনিস পেলাম! আমাদের সামনে এই যে রিযিক তা অবশ্যই সন্দেহজনক প্রকৃতির।” তারপর তিনি মুক্তাটিকে হাতে নিয়ে তা সাগরে ছুঁড়ে মারলেন এবং বললেন, “আল্লাহ্ আমাদেরকে এর চেয়েও ভালো জিনিস দিয়ে প্রতিদান দিবেন। আল্লাহ্র কসম, আমি এটা নিব না; কেননা, সালাত ছাড়ার পর আমরা এটা পেয়েছি। তোমরা আমার সাথে আস এবং দেখ, যে স্থানে আমরা আল্লাহ্র আদেশ অমান্য করেছি সেখান ছেড়ে আমরা চলে যাই।” তারা তিন মাইল দূরে গিয়ে রাতের জন্য তাঁবু খাটাল। তার কিছুক্ষণ পর তারা আবার মাছ শিকারে গেল এবং তখন তারা একটি বেশ বড় আকারের মাছ পেল। যখন তারা এটিকে কাটল তখন তার পেটে সেই একই মূল্যবান মুক্তাটি পেল। তখন তারা বলল—“সমস্ত প্রশংসা সেই আল্লাহর যিনি আমাদেরকে উত্তম (পবিত্র) রিযিক দান করেছেন।” সালাত পড়ার পর, আল্লাহ্র জিকির করার পর এবং আল্লাহ্র নিকট ক্ষমা চাওয়ার পর তারা মাছটি ধরেছিল, তাই তারা এবার মাছটি রাখল।
প্রকৃত গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য আপনাদের লক্ষ্য করা উচিত; জিনিস একটিই ছিল, কিন্তু আল্লাহকে অমান্য করার সময় যখন তারা এটি পেল তখন এটি অপবিত্র ছিল। “আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল তাদেরকে যা দান করেছেন যদি তারা তাতে সন্তুষ্ট হতো এবং বলত, “আল্লাহ্ই আমাদের জন্য যথেষ্ট, অচিরেই আল্লাহ্ আমাদেরকে তাঁর অনুগ্রহ থেকে দান করবেন এবং তাঁর রাসূলও দান করবেন। নিশ্চয় আমরা আল্লাহ্র নিকট সবকিছু অনুরোধ করি (যাতে তিনি আমাদেরকে ধনী করেন);” (তবে কতইনা ভালো হতো!)” (৯-সূরা তাওবা : আয়াত-৫৯)
নিশ্চয় এটা আল্লাহ্র দয়া। অতএব যখন কেউ আল্লাহ্র জন্য কোন কিছু ত্যাগ করে তখন আল্লাহ্ তাকে তার চেয়ে ভালো জিনিসের আনজাম দেন। এক্ষেত্রে আলী (রা)-এর একটি গল্প আমার মনে পড়ে গেল। একদিন সকালে তিনি দু’রাকাত নফল সালাত পড়ার জন্য কুফার মসজিদে প্রবেশ করলেন। প্রবেশের পূর্বে তিনি একটি ছেলেকে দরজায় দাঁড়ানো দেখতে পেলেন। তিনি ছেলেটিকে বললেন, “এই হে ছেলে! শোন, আমি সালাত শেষ করা পর্যন্ত তুমি আমার খচ্চরটিকে ধরে রেখো!”
মসজিদে প্রবেশের সময় আলী (রা) নিয়ত করেছিলেন যে, ছেলেটিকে তার কাজের বিনিময়ে এক দিরহাম দিবেন। ইতোমধ্যে ছেলেটি খচ্চরের লাগাম খুলে এটিকে বিক্রি করার জন্য বাজারের দিকে প্রচণ্ড বেগে ধাবিত হলো। আলী (রা) যখন মসজিদ থেকে বের হলেন তখন তিনি কোন ছেলেকে দেখতে পেলেন না এবং খচ্চরটিকে লাগামহীন দেখতে পেলেন। তিনি একজন লোককে ছেলেটিকে ধরার দায়িত্ব দিলেন ও তাকে বাজারে যেতে আদেশ করলেন, যেহেতু ছেলেটি লাগামটিকে বিক্রি করার জন্য বাজারে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি ছিল। লোকটি দেখতে পেলেন যে, ছেলেটি এর দর হাঁকাচ্ছে আর তিনি ছেলেটির থেকে এক দিরহামের বিনিময়ে এটিকে কিনে নিয়ে এলেন। তিনি আলী (রা)-এর নিকট ফিরে এসে যা ঘটেছে তা তাকে জানালেন। যা ঘটেছে তা শোনার পর আলী (রা) বললেন, “সুবহানাল্লাহ্! আল্লাহ্র শপথ, আমি তাকে একটি হালাল দিরহাম দেওয়ার নিয়ত করেছিলাম কিন্তু সে এটাকে প্রত্যাখ্যান করে বরং হারামভাবে এক দিরহাম নিল।”
“হে মুহাম্মাদ ﷺ! আপনি যে কাজে বা যে অবস্থায়ই থাকেন না কেন আর সে বিষয়ে আপনি কুরআনের যে অংশেই তেলাওয়াত করেন না কেন আর তোমরা যে আমলেই (কাজ) কর না কেন যখন তোমরা তা কর বা তাতে প্রবৃত্ত হও তখন আমি তোমাদের সাক্ষী বা পরিদর্শক হয়ে থাকি। আর আসমানসমূহে ও জমিনে অণুপরিমাণ কোন কিছু, তার চেয়ে ক্ষুদ্রতর কোন কিছু এবং এর চেয়েও বৃহত্তর কোন কিছুই তোমার প্রভুর নিকট থেকে গোপন থাকে না।” (১০-সূরা ইউনুস : আয়াত-৬১)