📘 কুফর ও তাকফির > 📄 কাফির হওয়ার ইচ্ছা থাকা জরুরি নয়; কুফরি কাজ ইচ্ছাকৃতভাবে করা বিবেচ্য

📄 কাফির হওয়ার ইচ্ছা থাকা জরুরি নয়; কুফরি কাজ ইচ্ছাকৃতভাবে করা বিবেচ্য


কাউকে তখনই তাকফির করা যাবে, যখন সে ইচ্ছাকৃতভাবে কুফরি কাজ করবে। যদি কাউকে তার অনিচ্ছাসত্ত্বেও জোরপূর্বক কুফরি কাজে বাধ্য করা হয়, তবে এর ভিত্তিতে তাকে তাকফির করা যাবে না। হ্যাঁ, তাকফির করার জন্য মুকাফফারের কাফির হওয়ার ইচ্ছা থাকা জরুরি নয়। ইচ্ছাকৃতভাবে কুফরি কাজে লিপ্ত হওয়াই যথেষ্ট। এ কারণেই ফকিহগণ কুফরি কথার কারণেও ব্যক্তিকে তাকফির করেছেন; যদিও কথক দুষ্টুমির ছলে তা বলে থাকে।

টিকাঃ
১১৫৪ আদ-দুররুল মুখতার এবং রাদ্দুল মুহতার, কিতাবুল জিহাদ, বাবুল মুরতাদ: ৪/২২৪।

📘 কুফর ও তাকফির > 📄 ব্যাপক তাকফির এবং সুনির্দিষ্ট তাকফিরের মধ্যে পার্থক্য

📄 ব্যাপক তাকফির এবং সুনির্দিষ্ট তাকফিরের মধ্যে পার্থক্য


ইতিপূর্বে যাকে তাকফির করা হবে, তার মধ্যে অবশ্য-বিবেচ্য তিনটি শর্তের কথা আলোচনা করা হয়েছে। কেউ যদি কুফরি কথা বলে কিংবা কুফরি কাজ করে এবং উল্লিখিত তিনটি শর্তের কোনোটি তার মধ্যে বিদ্যমান না থাকে, তাহলে তার সেই কথা বা কাজকে কুফর অপরিহার্যকারী বলা যাবে না। স্মর্তব্য, কোনো কথা বা কাজকে কুফর অপরিহার্যকারী বলা; আর কাউকে সুনির্দিষ্টভাবে তাকফির করা আলাদা বিষয়। প্রথমটির জন্য উল্লিখিত তিনটি শর্ত বিবেচ্য। এর ভিত্তিতে ব্যাপক হুকুম আরোপ করা যায়। যেমন, কিতাবাদিতে মাসআলা বর্ণনা করা হয়, 'যে ব্যক্তি এই কথা বলবে বা এরূপ কাজ করবে, সে কাফির হয়ে যাবে।' তবে সুনির্দিষ্টভাবে কোনো ব্যক্তিবিশেষকে তাকফির করতে শুধু এই তিন শর্তের উপস্থিতিই যথেষ্ট নয়; বরং এর পাশাপাশি আরেকটি অতিরিক্ত শর্ত আবশ্যিকভাবে বিবেচ্য। সেই শর্তটি হলো, তাকফিরের প্রতিবন্ধক কোনো বিষয় না থাকা।
সুতরাং কেউ যদি এমন কোনো কথা বলে বা এমন কোনো কাজ করে, উল্লিখিত তিন শর্তের ভিত্তিতে যেটাকে কুফর অপরিহার্যকারী বলে আখ্যায়িত করা যায়, তবে এর পাশাপাশি তার মধ্যে তাকফিরের প্রতিবন্ধক কোনো বিষয় পাওয়া যায়, তাহলে তাকে সুনির্দিষ্টভাবে তাকফির করা যাবে না। যেমন, ইমাম ইবনুল হুমام রাহ. বলেন,
وَاعْلَمْ أَنَّ الْحُكْمَ بِكُفْرِ مَنْ ذَكَرْنَا مِنْ أَهْلِ الْأَهْوَاءِ مَعَ مَا ثَبَتَ عَنْ أَبِي حَنِيفَةَ وَالشَّافِعِيِّ - رَحِمَهُمُ اللهُ - مِنْ عَدَمٍ تَكْفِيرِ أَهْلِ الْقِبْلَةِ مِنْ الْمُبْتَدِعَةِ كُلِّهِمْ مَحْمَلُهُ أَنَّ ذَلِكَ الْمُعْتَقَدَ نَفْسَهُ كُفْرُ، فَالْقَائِلُ بِهِ قَائِلٌ بِمَا هُوَ كُفْرُ، وَإِنْ لَمْ يَكُفُرْ بِنَاءً عَلَى كَوْنِ قَوْلِهِ ذَلِكَ عَنْ اسْتِفْرَاغِ وُسْعِهِ مُجْتَهِدًا فِي طَلَبِ الْحَقِّ
'ইমাম আবু হানিফা ও শাফিয়ি রাহ. থেকে বিদআতপন্থি আহলে কিবলার তাকফির বর্ণিত না হওয়া সত্ত্বেও আমরা যে প্রবৃত্তির অনুসারী বিদআতিদের কাফির বলি, এর প্রয়োগক্ষেত্র হলো সেই অবস্থা, যখন তাদের লালিত বিশ্বাসই কুফর হয়। সুতরাং যে ব্যক্তি এমন বিদআতের প্রবক্তা, সে মূলত কুফরেরই প্রবক্তা; যদিও কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকার কারণে সে কাফির না হয়। প্রতিবন্ধকতার উদাহরণ হলো, সে হকের সন্ধানে তার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা ব্যয় করছে।
ইমাম ইবনু তাইমিয়া রাহ. লেখেন,
قَدْ يُنْقَلُ عَنْ أَحَدِهِمْ أَنَّهُ كَفَرَ مَنْ قَالَ بَعْضَ الْأَقْوَالِ، وَيَكُونُ مَقْصُودُهُ أَنَّ هَذَا الْقَوْلَ كُفْرُ لِيُحَذِّرَ، وَلَا يَلْزَمُ إِذَا كَانَ الْقَوْلُ كُفْرًا أَنْ يَكَفِّرَ كُلَّ مَنْ قَالَهُ مَعَ الْجَهْلِ وَالتَّأْوِيلِ : فَإِنَّ ثُبُوتَ الْكُفْرِ فِي حَقِّ الشَّخْصِ الْمُعَيَّنِ، كَتُبُوتِ الْوَعِيدِ فِي الْآخِرَةِ فِي حَقَّهِ، وَذَلِكَ لَهُ شُرُوطٌ وَمَوَانِعُ، كَمَا بَسَطْنَاهُ فِي مَوْضِعِهِ.
'কখনো কোনো ফকিহ থেকে বর্ণনা পাওয়া যায়, তিনি কিছু কথাকে কুফরি কথা বলে উল্লেখ করেছেন। এর দ্বারা উদ্দেশ্য হয় সেই কথাকে কুফর বলে চিহ্নিত করা, যাতে এর ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করা হয়। কোনো কথা কুফর হলে এটা অপরিহার্য হয় না যে, কেউ তা অজ্ঞতা বা তাওয়িলের (ব্যাখ্যার) সঙ্গে বললেও তাকে তাকফির করা হবে। কারণ, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তির ব্যাপারে কুফর সাব্যস্ত করা আখিরাতে তার ব্যাপারে শাস্তির ধমকি সাব্যস্ত করার মতো। আর এর জন্য কিছু শর্ত ও প্রতিবন্ধকতা রয়েছে; যেমনটা আমরা যথাস্থানে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।
সুতরাং কোনো কথা বা কাজ কুফর হওয়ার অর্থ এটা নয় যে, সর্বাবস্থায় যে তা বলবে বা করবে, তাকে ঢালাওভাবে তাকফির করা হবে; বরং এ ক্ষেত্রে কুফর ও তাকফিরের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। এর সুন্দর একটি দৃষ্টান্ত আমরা হাদিসের মধ্যে দেখতে পাই। ইমাম আবদুর রাজ্জাক সানআনি রাহ. জায়দ ইবনু আসলাম রা. থেকে বর্ণনা করেন,
أُتِيَ بِابْنِ النُّعَيْمَانِ إِلَى النَّبِيِّ ﷺ مِرَارًا، أَكْثَرَ مِنْ أَرْبَعِ، فَجَلَدَهُ فِي كُلِّ ذَلِكَ، فَقَالَ رَجُلٌ عِنْدَ النَّبِيِّ ﷺ: اللهُمَّ الْعَنْهُ مَا أَكْثَرَ مَا يَشْرَبُ، وَمَا أَكْثَرَ مَا يُجْلَدُ، فَقَالَ النَّبِيُّ ﷺ: «لَا تَلْعَنْهُ فَإِنَّهُ يُحِبُّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ»
ইবনুন নুআইমানকে (মদপানের অপরাধে) রাসুলের কাছে চার বারের বেশি নিয়ে আসা হয়েছিল। প্রতি বার তিনি তাঁকে বেত্রাঘাত করেছেন। একব্যক্তি রাসুলের কাছে বসে বলল, 'হে আল্লাহ, সে যত বার মদ পান করে, যত বার বেত্রাঘাত খায়, আপনি তার ওপর এর চেয়েও অধিক পরিমাণ অভিশাপ বর্ষণ করুন।' তখন নবি ﷺ বললেন, 'তুমি তাকে অভিশাপ দিয়ো না। কারণ, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে ভালোবাসে。
এই হাদিসে দেখা যাচ্ছে, রাসুল ﷺ ইবনুন নুআইমানকে অভিশাপ দিতে বারণ করেছেন; অথচ পূর্বেও তাঁকে মদপান করার অপরাধে একাধিকবার শাস্তি দেওয়া হয়েছে। মদপান করা তাঁর নিয়মিত অভ্যাসের অংশ ছিল। তাঁর এই অপরাধের পক্ষে উপযুক্ত প্রমাণও ছিল। এমনকি সুনানুত তিরমিজি গ্রন্থে হাদিস বর্ণিত হয়েছে যে, রাসুল ﷺ নিজে মদপানকারীর প্রতি লানত করেছেন। সাহাবি আনাস ইবনু মালিক রা. বর্ণনা করেন,
لَعَنَ رَسُولُ اللهِ ﷺ فِي الْخَمْرِ عَشَرَةٌ عَاصِرَهَا وَمُعْتَصِرَهَا وَشَارِبَهَا وَحَامِلَهَا وَالْمَحْمُولَةَ إِلَيْهِ وَسَاقِيَهَا وَبَائِعَهَا وَآكِلَ ثَمَنِهَا وَالْمُشْتَرِي لَهَا وَالْمُشْتَرَاةَ لَهُ .
মদের সঙ্গে সম্পৃক্ত ১০ শ্রেণির লোককে রাসুল ﷺ অভিশম্পাত করেছেন। এরা হলো-মদ তৈরিকারী, মদের ফরমায়েশকারী, মদ পানকারী, মদ বহনকারী, যার জন্য মদ বহন করা হয়, মদ পরিবেশনকারী, মদ বিক্রেতা, এর মূল্য ভোগকারী, মদ ক্রেতা এবং যার জন্য মদ ক্রয় করা হয়।
এই বর্ণনার দ্বারা স্পষ্টভাবে প্রতিভাত হয় যে, মদপানকারী অভিশপ্ত। সুতরাং তাকে অভিশাপ দেওয়ার মধ্যে দোষের কিছু নেই। তাহলে রাসুল ইবনুন নুআইমানকে অভিশাপ দিতে বারণ করলেন কেন? এর জবাব হলো, মদ্যপদের ওপর ব্যাপক অভিশাপ দিতে দোষের কিছু নেই; কিন্তু সুনির্দিষ্টভাবে কোনো ব্যক্তিবিশেষকে অভিশাপ দেওয়া উচিত নয়। রাসুল ﷺ ব্যাপকভাবে অভিশাপ দিয়েছেন; কিন্তু সুনির্দিষ্টভাবে কোনো মদ্যপকে অভিশাপ দিয়েছেন বলে প্রমাণ নেই। এর আলোকে বিবেচনা করলে ব্যাপক তাকফির এবং সুনির্দিষ্ট তাকফিরের মধ্যকার পার্থক্যও সহজে বোঝা যাবে।
অসংখ্য হাদিসে অভিশাপ দেওয়ার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা বর্ণিত হয়েছে। ইমাম গাজালি রাহ. ইহইয়াউ উলুমিদ্দিন গ্রন্থে এমন অনেক হাদিস একত্রিত করেছেন, যাতে রাসুল ﷺ কোনো মুসলিমের ওপর অভিশাপ দিতে বারণ করেছেন। এসব হাদিসের আলোকে ফকিহগণ এ ব্যাপারে ঐকমত্য পোষণ করেছেন যে, সাধারণ অবস্থায় কোনো মুসলিমের ওপর অভিশাপ দেওয়া নাজায়িজ ও গুনাহ। তবে প্রায় সকল ফকিহ এ ব্যাপারেও একমত যে, অভিশাপ দু-প্রকার:
ক. কোনো ব্যক্তিবিশেষের ওপর অভিশাপ দেওয়া। যেমন, রাশিদের ওপর অভিশাপ।
খ. কোনো সুনির্দিষ্ট কুফরি বা ফাসিকি বৈশিষ্ট্যের অধিকারী ব্যক্তিদের ওপর ব্যাপকভাবে অভিশাপ দেওয়া। যেমন, মিথ্যাবাদীদের ওপর আল্লাহর লানত।
প্রথম প্রকারের বিধানে ফকিহগণ লিখেছেন, যতক্ষণ কেউ জীবিত থাকে, ততক্ষণ তার ওপর অভিশাপ দেওয়া জায়িজ নয়; কিন্তু দ্বিতীয় প্রকারের বিধান লিখেছেন, এভাবে অভিশাপ দেওয়া পুরোপুরি জায়িজ। কুরআনেই এসেছে, 'জেনে রেখো, মিথ্যাবাদীদের ওপর আল্লাহর লানত।' [সুরা হুদ (১১): ১৮]
হাদিসে অসংখ্য ফাসিক শ্রেণির ওপর এভাবে অভিশাপ দেওয়া হয়েছে; কিন্তু এই প্রকারকে বৈধ বলার অর্থ এটা নয় যে, কোনো ব্যক্তিবিশেষের মধ্যে ফিসকের এই বৈশিষ্ট্য পাওয়া গেলে তাকেও সুনির্দিষ্টভাবে অভিশাপ দেওয়া হবে। আল্লামা বিরকাওয়ি রাহ. লেখেন,
فلا يجوز لشخص معين بطريق الجزم إلا أن يثبت موته على الكفر كأبي جهل وفرعون وإبليس ولا الحيوان ولا جماد.... وإنما يجوز اللعن بالوصف العام المذموم، إذ ثبت عن النبي ﷺ أنه لعن من ذبح لغير الله تعالى.
'কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে অকাট্যভাবে অভিশাপ দেওয়া জায়িজ নয়। তবে কুফরের ওপর কারও মৃত্যু প্রমাণিত হলে ভিন্ন কথা। যেমন : আবু জাহল, ফিরআউন ও ইবলিস প্রমুখ। একইভাবে কোনো প্রাণী বা জড়বস্তুকে অভিশাপ দেওয়াও জায়িজ নয়। ... শুধু কোনো ব্যাপক নিন্দনীয় বিশেষণ ব্যবহার করে অভিশাপ দেওয়া জায়িজ। যেহেতু রাসুল থেকে প্রমাণিত রয়েছে যে, যারা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও উদ্দেশে জবাই করে, তিনি তাদের অভিশাপ দিয়েছেন।'
ইমাম আবু হানিফার একটি উক্তির আলোকেও বিষয়টি অনুধাবন করা যায়। তিনি বলেন,
لا نقول: إن حسناتنا مقبولة وسيئاتنا مغفورة كقول المرجئة، ولكن نقول: من عمل حسنة بجميع شرائطها خالية عن العيوب المفسدة ولم يبطلها بالكفر والردة والأخلاق السيئة حتى خرج من الدنيا، فإن الله تعالى لا يضيعها، بل يقبلها منه ويثيبه عليها.
'আমরা মুরজিয়াদের মতো বলি না যে, আমাদের নেক আমলগুলো কবুল হবে এবং আমাদের গুনাহগুলো ক্ষমাপ্রাপ্ত হবে। তবে আমরা এ কথা বলি, যে ব্যক্তি যাবতীয় শর্ত রক্ষা করে আমল বিনষ্টকারী ত্রুটি থেকে মুক্ত নেক আমল করবে এবং কুফর, রিদ্দাহ ও মন্দস্বভাব দ্বারা তা বাতিল করে ফেলবে না, এরপর সে এমতাবস্থায় দুনিয়া থেকে বিদায় নেবে, আল্লাহ তার আমল নষ্ট করবেন না; বরং তার থেকে তা কবুল করবেন এবং তাকে এর সাওয়াব দেবেন।'
এখানে দেখা যাচ্ছে, ইমাম আবু হানিফা রাহ. ব্যাপক মূলনীতি ঠিকই বয়ান করেছেন; কিন্তু নির্দিষ্ট ব্যক্তিবিশেষের ওপর তা প্রয়োগ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। বলা বাহুল্য, ব্যক্তিবিশেষ দ্বারা শুধু একজন ব্যক্তিই উদ্দেশ্য নয়; বরং কেউ যদি সুনির্দিষ্টভাবে কয়েকজন ব্যক্তির ওপরও অভিশাপ দেয়, তার ক্ষেত্রেও একই বিধান। কোনো কোনো বর্ণনায় দেখা যায়, রাসুল যখন রিল ও জাকওয়ান প্রভৃতি গোত্রের ওপর অভিশাপ দিতে শুরু করেন, তখন কুরআনের এই আয়াত অবতীর্ণ হয়,
لَيْسَ لَكَ مِنَ الْأَمْرِ شَيْءٌ أَوْ يَتُوبَ عَلَيْهِمْ أَوْ يُعَذِّبَهُمْ فَإِنَّهُمْ ظُلِمُونَ﴾
এ ব্যাপারে তোমার করণীয় কিছুই নেই, তিনি (আল্লাহ) তাদের তাওবা কবুল করবেন অথবা শাস্তি দেবেন। কারণ, তারা জালিম। [সুরা আলে ইমরান (৩): ১২৮]

টিকাঃ
১৫০ 'ফাতহুল কাদির, কিতাবুস সালাত, বাবুল ইমামাহ : ১/১৩৫।
১১৫৬ মিনহাজুস সুন্নাতিন নাবাবিয়া: ৫/২৪০।
১১৫৭ মুসান্নাফু আবদির রাজ্জাক: ১৩৫৫২, ১৭০৮২।
সুনানুত তিরমিজি: ১২৯৫।
১৫৯ আত-তরিকাতুল মুহাম্মাদিয়া: ৩৬৭।
১৬০ আল-ফিকহুল আকবার: ৪৭।
১৬১ আদ-দুররুল মানসুর: ২/৩১৩।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00