📄 ১৭শ সংশয়: হাদিসে ‘হে মুহাম্মদ, আপনার অসিলায় রবের কাছে চাইছি’ বলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে; সুতরাং গাইরুল্লাহকে ডাকা বৈধ
তারা আরও একটি হাদিস দিয়ে দলিল পেশ করে। হাদিসটি তাবারানি বর্ণনা করেছেন তদীয় 'মুজামুল কাবির' গ্রন্থে। উসমান বিন হুনাইফ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হয়েছে, জনৈক ব্যক্তি কোনো এক প্রয়োজনে উসমান বিন আফফান রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে বারবার আসা-যাওয়া করে। কিন্তু তিনি তার প্রতি ভ্রুক্ষেপ করেন না এবং তার প্রয়োজনের প্রতি লক্ষও করেন না। ব্যক্তিটি উসমান বিন হুনাইফের সাথে সাক্ষাৎ করে তাঁর কাছে অনুযোগ করলে উসমান বিন হুনাইফ বলেন, 'তুমি অজুখানায় গিয়ে অজু করে নেবে। এরপর মসজিদে এসে দুরাকাত সালাত পড়বে। এরপর বলবে, হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে চাইছি, আর দয়ার নবী আমাদের নবী মুহাম্মাদের অসিলায় আপনার অভিমুখী হচ্ছি। হে মুহাম্মাদ, আমি আপনার অসিলা আপনার রবের অভিমুখী হচ্ছি, যেন তিনি আমার প্রয়োজন পূরণ করে দেন...।”
কয়েকদিক থেকে এ সংশয়ের জবাব দেওয়া যায়। যথা-
প্রথমত, হাদিসের বর্ণনাকারী তাহির বিন ঈসা ন্যায়পরায়ণ হিসেবে পরিচিত নন। বরং তিনি অজ্ঞাত। যাহাবি তাঁর ব্যাপারে জারহ (দোষ) বা তাদিল (গুণ) কিছুই উল্লেখ করেননি। সুতরাং তিনি একজন অজ্ঞাতপরিচয় বর্ণনাকারী (مجهول الحال)। তাঁর হাদিস দিয়ে দলিল পেশ করা সিদ্ধ হবে না। বিশেষ করে সেসব ক্ষেত্রে, যখন তাঁর বর্ণিত হাদিস সরাসরি কিতাব ও সুন্নাহর দলিলপ্রমাণের খেলাপ হয়। দ্বিতীয়ত, তাবারানি বলেছেন, হাদিসটি আবু সাইদ আল-মাক্কি থেকে বর্ণিত হয়েছে। ইনি প্রথমজনের চেয়ে অধিকতর অজ্ঞাত। কারণ ইবনু ওয়াহবের মাক্কি শাইখরা সুপরিচিত। এদের মধ্যে 'আবু সাইদ' উপনামের কেউ নেই। এ থেকে প্রতীয়মান হয়, বর্ণনাকারী আবু সাইদ আল-মাক্কি অজ্ঞাত।
তৃতীয়ত, হাদিসটি প্রমাণিত ধরে নিলেও, অনুপস্থিত ও মৃত ব্যক্তিকে ডাকার কোনো দলিল নেই এতে। হাদিসে যা রয়েছে তার সারকথা হচ্ছে, হাদিসে উল্লিখিত ব্যক্তি স্বীয় প্রার্থনায় নবীজির অসিলায় দোয়া করেছেন। মরা মানুষকে ডাকার সাথে এর সম্পর্ক কোথায়? কারণ মাখলুকের অসিলায় দোয়া করা মানে তার মাধ্যমে প্রার্থনা করা, সরাসরি তার কাছেই প্রার্থনা করা নয়। আর আলোচনা হচ্ছে কেবল মাখলুকের কাছে এমনসব ক্ষেত্রে সরাসরি প্রার্থনা, আহ্বান ও সাহায্য চাওয়া নিয়ে, যেসব বিষয় সম্পন্ন করার ক্ষমতা এক আল্লাহ ছাড়া আর কারও নেই। সরাসরি ব্যক্তির কাছে প্রার্থনা আর ব্যক্তির অসিলায় প্রার্থনা— এ দুটো বিষয়ের মধ্যে প্রত্যেক ব্যক্তিই পার্থক্য করবেন। সুতরাং মাখলুকের অসিলায় চাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যক্তি আল্লাহর জন্যই দোয়াকে একনিষ্ঠ করেন। কিন্তু তিনি আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন মাখলুকের সত্তা কিংবা মাখলুকের দোয়ার অসিলায়।
পক্ষান্তরে আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ সক্ষম নয়, এমন ক্ষেত্রে বান্দার কাছে চাইলে, দোয়ার মতো ইবাদতে আল্লাহর সাথে শরিক করা হয়ে যায়। বস্তুত অন্ধ সাহাবির হাদিসে এবং উসমান বিন হুনাইফের হাদিসে এক আল্লাহর জন্য একনিষ্ঠ দোয়ার কথাই কেবল উল্লিখিত হয়েছে; যেমনটি স্পষ্টভাবে ব্যক্ত করা হয়েছে হাদিসে। 'হে মুহাম্মাদ, আপনার অসিলায় আমি দোয়া করছি'— এই কথায় মৃতের সাধ্যাতীত বিষয়ে তাকে ডাকা হয়নি। বরং এতে শুধু মৃতব্যক্তির কথা অন্তরে জাগরিত অবস্থায় তাকে সম্বোধন করার মতো বিষয়ই রয়েছে। যেমন সালাতরত বান্দা বলে থাকেন, 'আসসালামু আলাইকা আইয়্যুহান নাবিয়্যু ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ; হে নবী, আপনার জন্য ধার্য হোক নিরাপত্তা এবং আল্লাহর রহমত ও বরকত।'
চতুর্থত, তারা মনে করে, এ হাদিস থেকে প্রমাণিত হয়, মৃত ও অনুপস্থিত এমন সকল সৎব্যক্তির কাছে দোয়া করা বৈধ। তারা নিজেদের বাতিল সমঝ অনুযায়ী হাদিস থেকে যা বুঝেছে, সেই বুঝ থেকে তারা ধরে নিয়েছে, প্রত্যেক মৃত ও অনুপস্থিত বুজুর্গকে ডাকার সপক্ষে এ হাদিস একটি দলিল। যদিও রসুল (ﷺ)-এর তিরোধানের পর কিংবা জীবদ্দশাতেই তাঁর সাধ্যাতীত বিষয়ে তাঁকে ডাকার দলিল এ হাদিসে নেই। তথাপি যদি ধরে নেওয়া হয়, এতে সেই দলিল আছে, তবুও সার্বজনিকভাবে সকল অনুপস্থিত ও মৃত ব্যক্তিকে ডাকার দলিল এ হাদিসে নেই। কেননা এই কিয়াসে (অনুমিতি/তুলনা) পার্থক্য বিদ্যমান রয়েছে।
তাদের সুপরিচিত বইপুস্তকে যেসব সংশয় বিদ্যমান রয়েছে, সেসবের প্রধান প্রধান সংশয় এগুলোই। এই তিনটি হাদিসের বাইরে যা রয়েছে, সেগুলোর তাদের নিজেদের রচিত বানোয়াট হাদিস। যেমন তাদের রচিত বক্তব্য, “তোমরা কোনো বিষয়ে অক্ষম হলে আঁকড়ে ধরবে কবরবাসীদের।” অনুরূপভাবে তারা আরও বলেছে, “তোমাদের কেউ পাথরের প্রতি সুধারণা করলেও তা তোমাদের উপকার করবে।” ইবনুল কাইয়্যিম বলেছেন, “এটা মূর্তিপূজক মুশরিকদের বানোয়াট কথা।”
টিকাঃ
১১১. তাবারানি কৃত মুজামুল কাবির, হা/৮৩১১; মুজামুস সাগির, খণ্ড: ১; পৃ.১৮৩; ইবনু আবি হাতিম কৃত আল-ইলাল, খণ্ড: ২; পৃ.১৯০; ইবনু কানি কৃত মুজামুস সাহাবা, খণ্ড: ২; পৃ.২৫৮; আবু হাতিম হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন, আর আবু যুরআ আর-রাযি হাদিসটিকে দুর্বল আখ্যায়িত করেছেন।
১১২. অনুবাদকের টীকা: যাহাবি কৃত তারিখুল ইসলাম, খণ্ড: ২২; পৃ.১৬৯।
১১৩. অনুবাদকের টীকা: তাইসিরুল আযিযিল হামিদের মুহাক্কিক শাইখ উসামা আল-উতাইবি বলেছেন, "শাইখ সুলাইমান যেভাবে উল্লেখ করেছেন, বিষয়টি আসলে তেমন নয়। বরং তাবারানির বর্ণনায় আবু সাইদ আল-মাক্কি উপনামের বর্ণনাকারীর মূলনাম স্পষ্টভাবে বিবৃত হয়েছে। নামটি হলো শাবিব বিন সাইদ আল-মাক্কি।"
১১৪. অনুবাদকের টীকা: শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়া বলেছেন, “তারা একটি হাদিস বর্ণনা করে, যা জ্ঞানবান ব্যক্তিদের ঐক্যমতের ভিত্তিতে মিথ্যা কথা। হাদিসটি হলো: 'তোমরা কোনো বিষয়ে অক্ষম হলে আঁকড়ে ধরবে কবরবাসীদের।' বরং শির্কের দ্বার উন্মোচন করেছে এমন কারও রচিত কথা এটা।"
১১৫. ইবনুল কাইয়্যিম কৃত আল-মানারুল মুনিফ ফিস সাহিহি ওয়াদ দায়িফ, পৃ.১৩৯।
📄 অনুবাদকের গ্রন্থপঞ্জি
১. কুরআনুল কারিম
২. ইমাম মুহাম্মাদ বিন ইসমাইল আল-বুখারি (রহ.) (মৃত: ২৫৬ হি.), আস-সহিহ; অন্তর্জালিক পাণ্ডুলিপি।
৩. ইমাম মুসলিম বিন হাজ্জাজ আল-নাঈসাবুরি (রহ.) (মৃত: ২৬১ হি.), আস-সহিহ; অন্তর্জালিক পাণ্ডুলিপি।
৪. ইমাম আবু ঈসা আত-তিরমিজি (রহ.) (মৃত: ২৭৯ হি.), আল-জামি; অন্তর্জালিক পাণ্ডুলিপি।
৫. ইমাম আহমাদ বিন হাম্বাল আশ-শাইবানি (রহ.) (মৃত: ২৪১ হি.), আল-মুসনাদ; অন্তর্জালিক পাণ্ডুলিপি।
৬. ইমাম সুলাইমান বিন আহমাদ আত-তাবারানি (রহ.) (মৃত: ২৬০ হি.), আল-মুজামুল কাবির; অন্তর্জালিক পাণ্ডুলিপি।
৭. ইমাম মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব আন-নাজদি (রহ.) (মৃত: ১২০৬ হি.), কিতাবুত তাওহিদ আল্লাযি হুওয়া হাক্কুল্লাহি আলাল আবিদ; তাহকিক: আবু মালিক আর-রিয়াশি; মাকতাবাতু ইবাদির রহমান ও মাকতাবাতুল উলুমি ওয়াল হিকাম (মিশর) কর্তৃক প্রকাশিত; সন: ১৪২৯ হি./২০০৮ খ্রি. (১ম প্রকাশ)।
৮. ইমাম মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব আন-নাজদি (রহ.) (মৃত: ১২০৬ হি.), কাশফুশ শুবুহাত; তাহকিক: আব্দুল্লাহ বিন আয়িদ আল-কাহতানি; দারুস সামিয়ি (রিয়াদ) কর্তৃক প্রকাশিত; সন: ১৪১৮ হি./১৯৯৮ খ্রি. (১ম প্রকাশ)।
৯. ইমাম মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব আন-নাজদি (রহ.) (মৃত: ১২০৬ হি.), কাশফুশ শুবুহাত; তাহকিক: আবুল আব্বাস আশ-শিহরি; দারু উমার ইবনিল খাত্তাব (কায়রো) কর্তৃক প্রকাশিত; সন: ১৪৩০ হি./২০০৯ খ্রি. (১ম প্রকাশ)।
১০. ইমাম মুহাম্মাদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব আন-নাজদি (রহ.) (মৃত: ১২০৬ হি.), কাশফুশ শুবুহাত; তাহকিক: শাইখ আব্দুল মুহসিন আল-কাসিম; কিং ফাহাদ ন্যাশনাল লাইব্রেরি (রিয়াদ) কর্তৃক প্রকাশিত; সন: ১৪৪১ হি./২০২০ খ্রি. (১ম প্রকাশ)।
১১. ইমাম সুলাইমান বিন আব্দুল্লাহ আলুশ শাইখ (রহ.) (মৃত: ১২৩৩ হি.), তাইসিরুল আযিযিল হামিদ ফি শারহি কিতাবিত তাওহিদ; তাহকিক: শাইখ উসামা বিন আতায়া আল-উতাইবি; দারুস সামিয়ি (রিয়াদ) কর্তৃক প্রকাশিত; সন: ১৪২৮ হি./২০০৭ খ্রি. (১ম প্রকাশ)।
১২. ইমাম শাহ ইসমাইল বিন আব্দুল গনি দেহলভি (রহ.) (মৃত: ১২৪৬ হি.), রিসালাতুত তাওহিদ আল-মুসাম্মা বি তাকবিয়াতিল ইমান (আরবি অনুবাদ); অনুবাদক: সাইয়্যিদ আবুল হাসান আলি নদভি; দারু ওয়াহয়িল কলাম (দেমাস্ক) কর্তৃক প্রকাশিত; সন: ২০০৩ খ্রিষ্টাব্দ (১ম প্রকাশ)।
১৩. ইমাম মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম আলুশ শাইখ (মৃত: ১৩৮৯ হি.), শারহু কিতাবি কাশফিশ শুবুহাত; সংকলন ও বিন্যাস: শাইখ মুহাম্মাদ বিন আব্দুর রহমান বিন কাসিম; কিং ফাহাদ ন্যাশনাল লাইব্রেরি (রিয়াদ) কর্তৃক প্রকাশিত; সন: ১৪২৮ হিজরি (৪র্থ প্রকাশ)।
১৪. ইমাম আব্দুল আযিয বিন আব্দুল্লাহ বিন বায (মৃত: ১৪২০ হি./১৯৯৯ খ্রি.), শারহু কাশফিশ শুবুহাত; মুআসসাসাতুশ শাইখ আব্দিল আযিয ইবনি বায আল-খাইরিয়্যা কর্তৃক প্রকাশিত (তারিখবিহীন সফটকপি)।
১৫. ইমাম মুহাম্মাদ নাসিরুদ্দিন আল-আলবানি (মৃত: ১৪২০ হি./১৯৯৯ খ্রি.), সিলসিলাতুল আহাদিসিদ দয়িফা ওয়াল মাওদুয়া; মাকতাবাতুল মাআরিফ (রিয়াদ) কর্তৃক প্রকাশিত; সন: ১৪১২ হি./১৯৯২ খ্রি. (১ম প্রকাশ)।
১৬. ইমাম মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-উসাইমিন (মৃত: ১৪২১ হি./২০০১ খ্রি.), শারহু কাশফিশ শুবুহাত ওয়া ইয়ালিহি শারহুল উসুলিস সিত্তা; দারুস সুরাইয়া (রিয়াদ) কর্তৃক প্রকাশিত; সন: ১৪১৬ হি./১৯৯৬ খ্রি. (১ম প্রকাশ)।
১৭. আল্লামা আব্দুর রহমান বিন নাসির আল-বাররাক হাফিযাহুল্লাহ (জন্ম: ১৩৫২ হি.), শারহু কাশফিশ শুবুহাত; 'শাবাকাতু নুরিল ইসলাম' ওয়েবসাইটের অথোরিটি কর্তৃক প্রকাশিত (তারিখবিহীন সফটকপি)।
১৮. আল্লামা সালিহ বিন ফাওযান আল-ফাওযান হাফিযাহুল্লাহ (জন্ম: ১৩৫৪ হি./১৯৩৫ খ্রি.), শারহু কিতাবি কাশফিশ শুবুহাত; প্রকাশনার নাম ও তারিখবিহীন সফটকপি।
১৯. আল্লামা আব্দুল আযিয বিন আব্দুল্লাহ আর-রাজিহি হাফিযাহুল্লাহ (জন্ম: ১৩৬০ হি.), শারহু কিতাবি কাশফিশ শুবুহাতি ফিত তাওহিদ; প্রকাশনার নাম ও তারিখবিহীন সফটকপি।
২০. শাইখ শামসুদ্দিন আল-আফগানি (জন্ম-মৃত্যু: ১৩৭২-১৪২০ হি.), আল-মাতুরিদিয়্যা ওয়া মাওকিফুহুম মিন তাওহিদিল আসমা ওয়াস সিফাত (মাস্টার্স থিসিস); মাকতাবাতুস সিদ্দিক (তায়েফ) কর্তৃক প্রকাশিত; সন: ১৪১৯ হি./১৯৯৮ খ্রি. (২য় প্রকাশ)।
২১. শাইখ শামসুদ্দিন আল-আফগানি, জুহুদু উলামায়িল হানাফিয়্যা ফি ইবতালি আকায়িদিল কুবুরিয়্যা (পিএইচডি থিসিস); দারুস সামিয়ি (রিয়াদ) কর্তৃক প্রকাশিত; সন: ১৪১৬ হি./১৯৯৬ খ্রি. (১ম প্রকাশ)।
২২. আল্লামা সালিহ বিন আব্দুল আযিয আলুশ শাইখ হাফিযাহুল্লাহ (জন্ম: ১৩৭৮ হি.), শারহু কাশফিশ শুবুহাত; তাহকিক: আদিল বিন মুহাম্মাদ মুরসি রিফায়ি; দারুল হিজায (কায়রো) কর্তৃক প্রকাশিত; সন: ১৪৩৩ হিজরি (১ম প্রকাশ)।
২৩. শাইখ আব্দুর রাযযাক আল-বদর হাফিযাহুল্লাহ (জন্ম: ১৩৮২ হি./১৯৬৩ খ্রি.), শারহু কাশফিশ শুবুহাত; দারুল ফুরকান (আলজিয়ার্স) কর্তৃক প্রকাশিত; সন: ১৪৪১ হি./২০২০ খ্রি. (১ম প্রকাশ)।
২৪. শাইখ সুলাইমান আর-রুহাইলি হাফিযাহুল্লাহ (জন্ম: ১৩৮৬ হি./১৯৬৭ খ্রি.), শির্ক খণ্ডনের চারটি নীতি ('চারটি নীতি' পুস্তিকার ব্যাখ্যাগ্রন্থ); অনুবাদক: মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহ মৃধা; “ওয়াহীদিয়া ইসলামিয়া লাইব্রেরী” কর্তৃক প্রকাশিত; প্রকাশকাল: ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিষ্টাব্দ।
২৫. শাইখ আব্দুল মুহসিন আল-কাসিম হাফিযাহুল্লাহ (জন্ম: ১৩৮৮ হি.), মুতুনু তালিবিল ইলম (মুস্তাওয়া আওয়্যাল/প্রথম ভাগ); কিং ফাহাদ ন্যাশনাল লাইব্রেরি (রিয়াদ) কর্তৃক প্রকাশিত; সন: ১৪৩৯ হি./২০১৮ খ্রি. (৬ষ্ঠ প্রকাশ)।
২৬. শাইখ আব্দুল মুহসিন আল-কাসিম হাফিযাহুল্লাহ, মুতুনু তালিবিল ইলম (মুস্তাওয়া সানি/দ্বিতীয় ভাগ); কিং ফাহাদ ন্যাশনাল লাইব্রেরি (রিয়াদ) কর্তৃক প্রকাশিত; সন: ১৪৩৮ হি./২০১৭ খ্রি. (৫ম প্রকাশ)।
২৭. শাইখ সালিহ বিন আব্দুল্লাহ আল-উসাইমি হাফিযাহুল্লাহ (জন্ম: ১৩৯১ হি.), শারহু কাশফিশ শুবুহাত; ১৪৩৬ হিজরি সনে মসজিদে নববিতে অনুষ্ঠিত 'বারনামাজু মুহিম্মাতিল ইলম' অধিবেশনে কৃত ভাষ্যের প্রতিলিপি (প্রকাশনার নামবিহীন সফটকপি)।
২৮. শাইখ সালিহ বিন আব্দুল্লাহ আল-উসাইমি হাফিযাহুল্লাহ, মুকারারাতু বারনামাজি মুহিম্মাতিল ইলম ফিল মাসজিদিন নাবাবিয়্যিশ শারিফ (মারহালা উলা/প্রথম স্তর); রিয়াদ থেকে প্রকাশিত (প্রকাশনার নামবিহীন); প্রকাশকাল: ১৪৩২ হি./২০১১ খ্রি. (১ম প্রকাশ)।
২৯. শাইখ সালিহ বিন আব্দুল আযিয আস-সিন্ধি হাফিযাহুল্লাহ (জন্মসন অজ্ঞাত), শারহু কাশফিশ শুবুহাত; মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাসজিদুশ শাইখ মুহাম্মাদ ইবনি ইবরাহিমে কৃত ভাষ্যের প্রথম প্রতিলিপি (প্রকাশনার নামবিহীন সফটকপি)।
৩০. মুফতি তাকি উসমানি (জন্ম: ১৩৬২ হি./১৯৪৩ খ্রি.), তাফসীরে তাওযীহুল কুরআন (বাংলা অনুবাদ); অনুবাদক: আবুল বাশার মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম; মাকতাবাতুল আশরাফ (১১, বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০) কর্তৃক প্রকাশিত; প্রকাশকাল: এপ্রিল, ২০১১ খ্রিষ্টাব্দ।